Taro Venom Black/Red side view
Black/Red

Taro Venom Price in Bangladesh 2026

৳3,50,000

Listed price

Last updated:

India vs Bangladesh price

India price (₹—)
Not sold in India
Price in Bangladesh
৳3,50,000

Registration & tax token fee

For this 165cc bike · BRTA 100cc and above rate

2 years
৳11,764
10 years
৳20,964

Short Specifications

Engine capacity
165 cc
Maximum power
19.00 bhpat 8000 rpm
Maximum torque
20.00 Nmat 7500 rpm
Mileage
35 km/l (approx.)
ABS
Dual-channel ABS
Tubeless tyres
Not available
Seat height
800 mm
Kerb weight
137 kg
Top speed
130 km/h (approx.)

Taro Venom Price in Bangladesh

The Taro Venom price in Bangladesh is ৳3,50,000. This naked bike is powered by a 165cc 4-stroke single cylinder engine that produces 19.00 bhp @ 8000 rpm, with a maximum torque of 20.00 Nm @ 7500 rpm. The Venom gives a mileage of around 35 km/l. It comes with dual-channel ABS. Seat height is 800 mm and kerb weight is 137 kg. Top speed: about 130 km/h. It is available in 1 colour: Black/Red. Check the Taro Venom full specifications, price breakdown and comparison below before you buy.

Taro Venom দাম বাংলাদেশে 2026: ৳3,50,000

Taro Venom Colours in Bangladesh

Black/Red

Taro Venom Full Specifications

General

Brand
Taro
Model
Venom
Category
Naked
Model year
2026
Price
৳3,50,000 (listed price)

Engine and Transmission

Engine type
4-Stroke Single Cylinder
Cooling system
Liquid-cooled
Fuel system
Fuel Injection
Transmission
Not available

Brakes and Tyres

Front brake
Not available
Rear brake
Not available
Front tyre
Not available
Rear tyre
Not available

Suspension and Chassis

Front suspension
Not available
Rear suspension
Not available

Dimensions and Weight

Ground clearance
Not available
Wheelbase
Not available
Overall dimensions (L × W × H)
Not available

Electrical and Features

Headlight
Not available
Instrument cluster
Not available
Battery
Not available
Features
Dual Channel ABS, Tubeless Tyres, Liquid Cooled Engine Rendering High Performance, Fuel Injection (FI) Fuel System, Aggressive Naked Sports Styling, Digital Instrument Cluster

Additional Information

Available colours
Black/Red
Warranty
Not available
Availability
Available
Last updated
2026-10-16

Taro Venom Rating

Overall 71/100

Design
78%
Comfort
74%
Engine performance
67%
Mileage
64%
Brand reliability
75%
Resale value
65%

Our estimate based on specifications, brand and price.

Taro Venom FAQ — সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

Taro Venom price in Bangladesh 2026 কত?

বাংলাদেশে Taro Venom-এর বর্তমান price ৳3,50,000।

Taro Venom-এর registration fee কত?

165cc বাইক হিসেবে tax token সহ registration খরচ ২ বছরের জন্য প্রায় ৳11,764 এবং ১০ বছরের জন্য প্রায় ৳20,964।

Taro Venom-এর mileage কত?

Taro Venom প্রায় 35 km/l (approx.) mileage দেয়।

Taro Venom কত cc এবং power কত?

Taro Venom-এ 165cc engine আছে, power 19.00 bhp @ 8000 rpm, torque 20.00 Nm @ 7500 rpm।

Taro Venom-এ কি ABS আছে?

হ্যাঁ, Taro Venom-এ Dual-channel ABS আছে।

Taro Venom-এর top speed কত?

Taro Venom-এর top speed প্রায় 130 km/h (approx.)।

Taro Venom-এর seat height ও weight কত?

Seat height 800 mm এবং weight 137 kg।

বাংলাদেশে Taro Venom কোন কোন colour-এ পাওয়া যায়?

Taro Venom 1টি colour-এ পাওয়া যায়: Black/Red।

Taro Venom Review: বাংলাদেশের বাজারে স্টাইল এবং পারফরম্যান্সের সমন্বয়

Taro Venom একটি আধুনিক 165cc নেকেড স্পোর্টস মোটরসাইকেল, যা বাংলাদেশে Taro Bangla-এর মাধ্যমে সরবরাহ করা হচ্ছে। প্রায় ৩,৫০,০০০ টাকা (Price) মূল্যের এই বাইকটিতে রয়েছে ১৯.০০ bhp পাওয়ার এবং ২০.০০ Nm টর্ক, যা একে এর সেগমেন্টের অন্যতম শক্তিশালী বাইকে পরিণত করেছে। Bike Price Bangladesh-এর এই সম্পাদকীয় বিশ্লেষণটি মূলত বাইকটির টেকনিক্যাল স্পেসিফিকেশন এবং বর্তমান বাজারের প্রেক্ষাপটের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। আপনি যদি একটি হাই-পারফরম্যান্স লিকুইড কুলড ইঞ্জিনের বাইক খুঁজছেন, তবে Taro Venom-এর ফিচারগুলো আপনার রাইডিং অভিজ্ঞতাকে নতুন মাত্রা দিতে পারে। তবে কেনার আগে এর সার্ভিস এবং পার্টসের সহজলভ্যতা যাচাই করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

১. কাদের জন্য Taro Venom বাইকটি উপযুক্ত?

Taro Venom মূলত সেই সব রাইডারদের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে যারা নেকেড স্পোর্টস বাইকের এগ্রেসিভ লুক এবং শক্তিশালী পারফরম্যান্স পছন্দ করেন। এর ৮০০ মিমি সিট হাইট গড় উচ্চতার রাইডারদের জন্য বেশ আরামদায়ক হতে পারে। তবে যারা খুব শান্ত রাইড খুঁজছেন, তাদের জন্য এই হাই-টর্ক ইঞ্জিন কিছুটা বন্য মনে হতে পারে।

শহরের ট্রাফিক জ্যামে দ্রুত ওভারটেকিং এবং হাইওয়েতে লং রাইডের জন্য এই বাইকটি একটি ভারসাম্যপূর্ণ প্যাকেজ। তবে এটি কেনার আগে আপনার এলাকার ডিলার পয়েন্টে বাইকটির হ্যান্ডলিং এবং ব্যালেন্স যাচাই করে নিন, বিশেষ করে ১৩৭ কেজি ওজন আপনার প্রতিদিনের মুভমেন্টের জন্য কতটা কার্যকর তা বোঝা জরুরি।

২. Taro Venom Power বনাম Torque: ইঞ্জিনের প্রকৃত সক্ষমতা

Taro Venom-এর সবচেয়ে বড় শক্তির জায়গা হলো এর ১৬৫ সিসি ইঞ্জিন। ৮০০০ আরপিএম-এ ১৯.০০ bhp পাওয়ার এবং ৭৫০০ আরপিএম-এ ২০.০০ Nm টর্ক উৎপন্ন করার সক্ষমতা একে রেসিং ডিএনএ প্রদান করে। সাধারণত ১৬৫ সিসি সেগমেন্টে এত বেশি টর্ক খুব কম বাইকেই দেখা যায়।

এই হাই-টর্ক ইঞ্জিনের কারণে বাইকটি খুব দ্রুত গতি তুলতে পারে এবং এর Top Speed প্রায় ১৩০ কিমি/ঘণ্টা পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম। তবে মনে রাখবেন, হাই-পারফরম্যান্স ইঞ্জিনের পুরো সুবিধা পেতে হলে সঠিক সময়ে গিয়ার শিফট এবং উচ্চমানের লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করা জরুরি। লিকুইড কুলিং সিস্টেম থাকায় ট্রাফিক জ্যামেও ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হওয়ার ভয় কম থাকে।

৩. বাংলাদেশের ট্রাফিক এবং Taro Venom-এর Mileage কতটুকু কার্যকর?

বাংলাদেশে জ্বালানির মান এবং শহরের যানজট বিবেচনায় Taro Venom-এর আনুমানিক Mileage প্রতি লিটারে ৩৫ কিমি। একটি ১৬৫ সিসি হাই-পারফরম্যান্স ইঞ্জিনের জন্য এটি স্বাভাবিক ধরা হলেও, যারা খুব বেশি সাশ্রয়ী বাইক খুঁজছেন তাদের জন্য এটি কিছুটা চিন্তার কারণ হতে পারে।

Fuel Injection (FI) সিস্টেম থাকায় এটি ফুয়েল মিক্সচার খুব নিখুঁতভাবে নিয়ন্ত্রণ করে, যা মাইলেজ এবং পারফরম্যান্সের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখে। তবে সবসময় ভালো মানের পেট্রোল বা অকটেন ব্যবহার করলে ইঞ্জিনের স্থায়িত্ব এবং মাইলেজ দুটোই ভালো পাওয়া যাবে।

৪. রাইডিং কমফোর্ট: খারাপ রাস্তা এবং Pillion সুবিধা

Taro Venom-এর অ্যাগ্রেসিভ নেকেড স্টাইলিংয়ের কারণে এর রাইডিং পজিশন কিছুটা স্পোর্টি। বাংলাদেশের ভাঙাচোরা রাস্তায় এর সাসপেনশন কেমন ফিডব্যাক দেয়, তা লিকুইড কুলিং এবং ওজনের ওপর ভিত্তি করে মূল্যায়ন করা উচিত। ১৩৭ কেজি ওজন একে রাস্তায় বেশ স্টেবল রাখে।

পেছনের পিলিয়ন সিটটি সাধারণত নেকেড স্পোর্টস বাইকের মতো কিছুটা ছোট হতে পারে। তাই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দীর্ঘ ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলে পিলিয়ন সিটের প্রশস্ততা এবং গ্র্যাব রেইলের অবস্থান দেখে নেওয়া প্রয়োজন। তবে একা রাইড করার জন্য এটি বেশ আরামদায়ক হওয়ার কথা।

৫. ব্রেকিং এবং নিরাপত্তা: Dual-channel ABS-এর ভূমিকা

নিরাপত্তার ক্ষেত্রে Taro Venom কোনো আপস করেনি। এতে রয়েছে Dual-channel ABS, যা বাংলাদেশের ভেজা বা বালুকাময় রাস্তায় চাকা লক হওয়া থেকে রক্ষা করবে। Disc brake-এর সাথে এবিএস-এর সমন্বয় জরুরি ব্রেকিংয়ের সময় রাইডারকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস যোগায়।

টায়ারগুলো Tubeless হওয়ায় হুট করে পাংচার হলেও বাইক নিয়ন্ত্রণ হারানোর ভয় থাকে না। উচ্চ গতিতে ব্রেকিং পারফরম্যান্স স্থিতিশীল রাখতে এই ফিচারগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

৬. বিল্ড কোয়ালিটি এবং বডি পার্টস পরিদর্শন

Taro Venom-এর বিল্ড কোয়ালিটি বেশ প্রিমিয়াম এবং আধুনিক। এর ডিজিটাল ইনস্ট্রুমেন্ট ক্লাস্টার এবং শার্প ডিজাইন একে প্রিমিয়াম লুক দেয়। তবে বাইকটি কেনার সময় প্লাস্টিক প্যানেলের ফিটিং এবং ফিনিশিং ভালোভাবে দেখে নিন। দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের ক্ষেত্রে কালার কোয়ালিটি এবং জয়েন্টগুলোর স্থায়িত্ব গুরুত্বপূর্ণ।

৭. বাংলাদেশে Parts এবং Service-এর সহজলভ্যতা

Taro একটি রাইজিং ব্র্যান্ড হওয়ায় এর Parts এবং Service নিয়ে রাইডারদের মনে প্রশ্ন থাকা স্বাভাবিক। Taro Bangla-এর অনুমোদিত ডিলার পয়েন্টগুলো থেকে সার্ভিসিং সেবা পাওয়া যাবে। তবে প্রত্যন্ত অঞ্চলে এই বাইকের স্পেয়ার পার্টস পাওয়া কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। তাই বাইকটি কেনার আগে আপনার নিকটস্থ সার্ভিস সেন্টারের দূরত্ব এবং প্রয়োজনীয় পার্টসের স্টক সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নিন।

৮. রক্ষণাবেক্ষণ এবং রিসেল ভ্যালু (Resale Value) লক্ষ্যণীয় বিষয়সমূহ

Taro Venom-এর মতো লিকুইড কুলড ইঞ্জিনের নিয়মিত Maintenance প্রয়োজন। সময়মতো কুল্যান্ট চেক করা, এয়ার ফিল্টার পরিষ্কার রাখা এবং FI সিস্টেমের যত্ন নেওয়া জরুরি। যেহেতু এটি একটি নির্দিষ্ট ক্যাটাগরির বাইক, তাই এর Resale Value জাপানিজ ব্র্যান্ডের মতো নাও হতে পারে। যারা অন্তত ৩-৪ বছর ব্যবহারের কথা ভাবছেন, তাদের জন্য এই ইনভেস্টমেন্ট সঠিক হতে পারে। ব্যবহৃত বাইক কেনার ক্ষেত্রে ইঞ্জিনের সাউন্ড এবং এবিএস সেন্সর কাজ করছে কি না তা অবশ্যই অভিজ্ঞ মেকানিক দিয়ে চেক করিয়ে নিন।

ভালো দিক (Pros)

  • ১৯.০০ bhp এবং ২০.০০ Nm আউটপুট একে একটি অত্যন্ত শক্তিশালী 165cc বাইক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।
  • Dual-channel ABS থাকার কারণে উচ্চ গতিতেও ব্রেকিং নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।
  • Liquid-cooled ইঞ্জিন দীর্ঘপথের রাইডিংয়ে পারফরম্যান্স স্থিতিশীল রাখে।
  • মাত্র ১৩৭ কেজি ওজন হওয়ায় Power-to-weight ratio চমৎকার।
  • Fuel Injection (FI) সিস্টেম জ্বালানি সাশ্রয় এবং ইঞ্জিনের মসৃণতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

খারাপ দিক (Cons)

  • প্রিমিয়াম ফিচারের কারণে এর Price সেগমেন্টের অন্যান্য জাপানিজ বাইকের কাছাকাছি।
  • ৩৫ কিমি/লিটার Mileage এই সেগমেন্টের অন্যান্য বাইকের তুলনায় কিছুটা কম হতে পারে।
  • লিকুইড কুলিং সিস্টেম এবং FI ইঞ্জিনের জন্য দক্ষ মেকানিক এবং নিয়মিত মেইনটেইন্যান্স প্রয়োজন।
  • পার্টস এবং সার্ভিস সহজলভ্যতা ব্র্যান্ডের ডিলারশিপ নেটওয়ার্কের ওপর অনেকাংশেই নির্ভরশীল।

শেষ কথা (Verdict)

Taro Venom তাদের জন্যই সেরা পছন্দ যারা ৩,৫০,০০০ টাকা বাজেটের মধ্যে একটি শক্তিশালী ১৬৫ সিসি বাইক খুঁজছেন যেখানে Dual-channel ABS এবং লিকুইড কুলিংয়ের মতো অত্যাধুনিক ফিচার রয়েছে। আপনি যদি ব্র্যান্ড ভ্যালুর চেয়ে র-পারফরম্যান্স এবং ইউনিক লুককে বেশি প্রাধান্য দেন, তবে Taro Venom আপনার গ্যারেজে জায়গা পাওয়ার যোগ্য। তবে কেনার আগে এর সার্ভিস নেটওয়ার্ক এবং পার্টস সহজলভ্যতা আপনার এলাকার প্রেক্ষাপটে যাচাই করে নেওয়া একান্ত প্রয়োজন।

Similar Bikes