Bajaj Pulsar N160 Dual Channel ABS Brooklyn Black side view
Brooklyn Black1 of 3 colours

Bajaj Pulsar N160 Dual Channel ABS Price in Bangladesh 2026

৳2,69,900

Listed price

Previously ৳2,73,600

Last updated:

India vs Bangladesh price

India price (₹1,33,485)
৳1,86,879
Tax & other costs
+ ৳83,021
Price in Bangladesh
৳2,69,900

Registration & tax token fee

For this 165cc bike · BRTA 100cc and above rate

2 years
৳11,764
10 years
৳20,964

Short Specifications

Engine capacity
165 cc
Maximum power
16 PSat 8,750 rpm
Maximum torque
14.65 Nmat 6,750 rpm
Mileage
40 km/l (approx.)Est.
ABS
Dual-channel ABS
Tubeless tyres
Yes
Seat height
795 mm
Kerb weight
154 kg
Top speed
125 km/h (approx.)Est.

Bajaj Pulsar N160 Dual Channel ABS Price in Bangladesh

The Bajaj Pulsar N160 Dual Channel ABS price in Bangladesh is ৳2,69,900. This naked bike is powered by a 165cc single cylinder, 4-stroke, sohc, 2-valve, twin spark dts-i, fi engine that produces 16 PS @ 8,750 rpm, with a maximum torque of 14.65 Nm @ 6,750 rpm. The Pulsar N160 Dual Channel ABS gives a mileage of around 40 km/l. It comes with dual-channel ABS and tubeless tyres. Seat height is 795 mm and kerb weight is 154 kg. Top speed: about 125 km/h. It is available in 3 colours: Brooklyn Black, Caribbean Blue, Racing Red. Check the Bajaj Pulsar N160 Dual Channel ABS full specifications, price breakdown and comparison below before you buy.

বাজাজ Pulsar N160 Dual Channel ABS দাম বাংলাদেশে 2026: ৳2,69,900

Bajaj Pulsar N160 Dual Channel ABS Colours in Bangladesh

Brooklyn Black · Caribbean Blue · Racing Red

Bajaj Pulsar N160 Dual Channel ABS Full Specifications

General

Brand
Bajaj
Model
Pulsar N160 Dual Channel ABS
Category
Naked
Model year
2026
Price
৳2,69,900 (listed price)

Engine and Transmission

Engine type
Single cylinder, 4-stroke, SOHC, 2-valve, Twin Spark DTS-i, FI
Cooling system
Oil-cooled
Fuel system
Fuel injection
Transmission
5-speed

Brakes and Tyres

Front brake
300 mm disc
Rear brake
230 mm disc
Front tyre
100/80-17, tubeless
Rear tyre
130/70-17, tubeless

Suspension and Chassis

Front suspension
37 mm telescopic forks
Rear suspension
Nitrox mono-shock

Dimensions and Weight

Ground clearance
165 mm
Wheelbase
1,358 mm
Overall dimensions (L × W × H)
Not available

Electrical and Features

Headlight
LED projector with DRL
Instrument cluster
Infinity display with Bluetooth
Battery
Not available
Features
Dual-channel ABS, LED projector headlamp, USB charging port, Bluetooth connectivity, Underbelly exhaust

Additional Information

Available colours
Brooklyn Black, Caribbean Blue, Racing Red
Warranty
Not available
Availability
Available
Last updated
2026-10-15

Bajaj Pulsar N160 Dual Channel ABS Rating

Overall 74/100

Design
75%
Comfort
74%
Engine performance
62%
Mileage
69%
Brand reliability
82%
Resale value
80%

Our estimate based on specifications, brand and price.

Bajaj Pulsar N160 Dual Channel ABS FAQ — সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

Bajaj Pulsar N160 Dual Channel ABS price in Bangladesh 2026 কত?

বাংলাদেশে Bajaj Pulsar N160 Dual Channel ABS-এর বর্তমান price ৳2,69,900।

Bajaj Pulsar N160 Dual Channel ABS-এর registration fee কত?

165cc বাইক হিসেবে tax token সহ registration খরচ ২ বছরের জন্য প্রায় ৳11,764 এবং ১০ বছরের জন্য প্রায় ৳20,964।

Bajaj Pulsar N160 Dual Channel ABS-এর mileage কত?

Bajaj Pulsar N160 Dual Channel ABS প্রায় 40 km/l (approx.) mileage দেয়।

Bajaj Pulsar N160 Dual Channel ABS কত cc এবং power কত?

Bajaj Pulsar N160 Dual Channel ABS-এ 165cc engine আছে, power 16 PS @ 8,750 rpm, torque 14.65 Nm @ 6,750 rpm।

Bajaj Pulsar N160 Dual Channel ABS-এ কি ABS আছে?

হ্যাঁ, Bajaj Pulsar N160 Dual Channel ABS-এ Dual-channel ABS আছে।

Bajaj Pulsar N160 Dual Channel ABS-এর top speed কত?

Bajaj Pulsar N160 Dual Channel ABS-এর top speed প্রায় 125 km/h (approx.)।

Bajaj Pulsar N160 Dual Channel ABS-এর seat height ও weight কত?

Seat height 795 mm এবং weight 154 kg।

বাংলাদেশে Bajaj Pulsar N160 Dual Channel ABS কোন কোন colour-এ পাওয়া যায়?

Bajaj Pulsar N160 Dual Channel ABS 3টি colour-এ পাওয়া যায়: Brooklyn Black, Caribbean Blue, Racing Red।

Bajaj Pulsar N160 Dual Channel ABS review: বাংলাদেশে ownership রিভিউ

Bajaj Pulsar N160 Dual Channel ABS মূলত সেইসব বাংলাদেশি রাইডারদের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে যারা স্পোর্টি স্টাইলিংয়ের পাশাপাশি ব্রেকিংয়ের নিরাপত্তাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন। বর্তমানে সরবরাহকৃত তথ্য অনুযায়ী এর price ২৬৯,৯০০ টাকা (Tk 269,900) এবং এটি বাজারে এভেইলঅ্যাবল। নিয়মিত যাতায়াত বা অফিস কমিউটিং এবং মাঝে মধ্যে ট্যুরিং করার জন্য এটি একটি ভালো বিকল্প হতে পারে। তবে কেনার আগে ডিলারের কাছ থেকে ফাইনাল অন-রোড কোটেশন এবং ইকুইপমেন্টগুলো যাচাই করে নেওয়া উচিত। এই আর্টিকেলে বাইকটির স্পেসিফিকেশন এবং বাস্তব ব্যবহারের দিকগুলো বিবেচনা করে একটি মালিকানা-ভিত্তিক মূল্যায়ন তুলে ধরা হয়েছে।

কার জন্য Bajaj Pulsar N160 Dual Channel ABS?

Bajaj Pulsar N160 Dual Channel ABS সেইসব রাইডারদের জন্য উপযুক্ত যাদের নিয়মিত ঢাকার যানজটে অফিস যাতায়াত করতে হয় এবং ছুটির দিনে শহরের বাইরে যেতে পছন্দ করেন। এর মূল আকর্ষণ হলো স্পিডের চেয়ে ডুয়েল চ্যানেল ABS সমৃদ্ধ ব্যালেন্সড পারফরম্যান্স। তবে এর ১৫৪ কেজি (154 kg) ওজনের কারণে যারা খুব হালকা বাইক বা সহজে পার্কিং করা যায় এমন বাইক খুঁজছেন, তাদের জন্য এটি কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। নতুন রাইডারদের উচিত কেনার আগে এটি একবার চালিয়ে বা ঘুরিয়ে দেখে নেওয়া।

Bajaj Pulsar N160 Dual Channel ABS: ইঞ্জিন চরিত্র

স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী Bajaj Pulsar N160 Dual Channel ABS-এ আছে ১৬৫ সিসি (165 cc), ফুয়েল-ইনজেক্টেড, অয়েল-কুলড সিঙ্গেল সিলিন্ডার ইঞ্জিন। এটি ৮,৭৫০ rpm-এ ১৬ পিএস (16 PS) পাওয়ার এবং ৬,৭৫০ rpm-এ ১৪.৬৫ এনএম (14.65 Nm) টর্ক জেনারেট করে। ইঞ্জিনটির পাওয়ার ডেলিভারি এমনভাবে সেট করা হয়েছে যা হাই-রেভে ভালো পারফরম্যান্স দেয়।,,শহরের মধ্যে রাইড করার সময় ৫-স্পিড গিয়ারবক্সের যথাযথ ব্যবহার প্রয়োজন হবে। হাইওয়েতে এটি ভালো পারফরম্যান্স দিলেও, পিলিয়নসহ ওভারটেকিংয়ের সময় কিছুটা পরিকল্পনা করে এগোতে হবে। বাইকটির আনুমানিক টপ স্পিড ১২৫ কিমি/ঘণ্টা (125 km/h) বলা হলেও, এটি সবসময় ওই গতিতে চালানোর জন্য পরামর্শ দেওয়া হয় না। ব্রেকিং দূরত্ব এবং বাতাসের গতির কথা মাথায় রেখে নিরাপদে চালানোই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

ঢাকা ট্রাফিকে ফুয়েল ইকোনমি

Bajaj Pulsar N160 Dual Channel ABS-এর আনুমানিক ৪০ কিমি/লি (40 km/l) mileage-কে একটি রেফারেন্স হিসেবে ধরুন। ঢাকার জ্যামে বসে থাকা, বারবার এক্সিলারেশন এবং সংক্ষিপ্ত দূরত্বের যাতায়াতে এই সংখ্যাটি আরও কমতে পারে। ফুয়েল ইনজেকশন (EFI) প্রযুক্তি জ্বালানি সাশ্রয়ে সাহায্য করলেও যানজটের ক্ষতি পুরোপুরি এড়াতে পারে না। সঠিক মাইলেজ বুঝতে 'ট্যাঙ্ক-টু-ট্যাঙ্ক' পদ্ধতিতে মাপ নেওয়া ভালো। এর ১৪ লিটার (14 L) ফুয়েল ট্যাঙ্ক দীর্ঘ ভ্রমণের জন্য বেশ সহায়ক।

Bajaj Pulsar N160 Dual Channel ABS: কমফোর্ট এবং রোড কন্ডিশন

এই বাইকটিতে সামনে ৩৭ মিমি (37 mm) টেলিস্কোপিক ফর্ক এবং পেছনে নাইট্রক্স মনো-শক ব্যবহার করা হয়েছে। তবে রাইডিং কমফোর্ট নির্ভর করে রাস্তার ধরন এবং বাইকের লোডের ওপর। ভাঙা রাস্তা বা গর্তে বাইকটি কেমন আচরণ করে তা যাচাই করে দেখা উচিত। সম্ভব হলে নিয়মিত যে পিলিয়ন সাথে থাকবেন তাকে নিয়ে টেস্ট রাইড নিন।,,৭৯৫ মিমি (795 mm) সিট হাইট বেশিরভাগ রাইডারের জন্য আরামদায়ক হলেও, সিটের চওড়া অংশের কারণে পা মাটিতে পৌঁছাতে সমস্যা হয় কি না তা দেখে নিন। ১৬৫ মিমি (165 mm) গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স থাকার কারণে উঁচু স্পিড ব্রেকারে সাবধানে চালানো উচিত। ১৩৫৮ মিমি (1358 mm) হুইলবেস বাইকটিকে স্ট্যাবিলিটি দিতে সাহায্য করে। বৃষ্টির পানি বা গভীর গর্ত এড়িয়ে চলুন, কারণ বাইকটি খুব গভীর পানিতে চালানোর জন্য ডিজাইন করা হয়নি।

Bajaj Pulsar N160 Dual Channel ABS: ব্রেকিং এবং সেফটি

ডুয়েল চ্যানেল ABS-ই এই বাইকটি কেনার সবচেয়ে শক্তিশালী যুক্তি। ৩০০০ মিমি (300 mm) ফ্রন্ট ডিস্ক এবং ২৩০ মিমি (230 mm) রিয়ার ডিস্কের সাথে ABS সমন্বয় করে কাজ করে, যা জরুরি মুহূর্তে চাকা লক হওয়া রোধ করে। বৃষ্টির দিনে বা পিচ্ছিল রাস্তায় এটি জীবন রক্ষাকারী হতে পারে। তবে মনে রাখবেন, ABS মানেই যে যেকোনো দূরত্বে সাথে সাথে থেমে যাবে তা নয়, তাই পর্যাপ্ত দূরত্ব বজায় রেখে ব্রেক করার অভ্যাস করুন।,,বাইকটিতে সামনে ১০০/৮০-১৭ (100/80-17) এবং পেছনে ১৩০/৭০-১৭ (130/70-17) সাইজের টিউবলেস টায়ার ব্যবহার করা হয়েছে। টায়ারের গ্রিপ এবং প্রেশার নিয়মিত চেক করা জরুরি। LED প্রজেক্টর হেডল্যাম্প রাতের বেলা ভালো আলো দেয়, তবে রাইড করার সময় লাইটের ফোকাস আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী ঠিক আছে কি না তা যাচাই করে নিন।

বিল্ড কোয়ালিটি এবং ইলেকট্রনিক্স চেকপয়েন্ট

বাইকটি কেনার সময় প্যানেল অ্যালাইনমেন্ট, ওয়েল্ডিং জয়েন্টের ফিনিশিং এবং ফর্ক সিল ভালো করে দেখে নিন। যদি পুরোনো বা ব্যবহৃত বাইক কেনেন, তবে কোল্ড স্টার্টের সময় ইঞ্জিনের শব্দ, ক্লাচ এবং গিয়ার সিলেকশন ঠিক আছে কি না তা পরখ করুন।,,বাইকটির ইনফিনিটি ডিসপ্লে, ব্লুটুথ কানেক্টিভিটি এবং USB চার্জিং পোর্ট ঠিকমতো কাজ করছে কি না তা ডেলিভারি নেওয়ার আগে চেক করুন। আপনার ফোনটি কানেক্ট করে দেখুন সব ফিচার সাপোর্ট করছে কি না। ABS ওয়ার্নিং ল্যাম্পের স্বাভাবিক সিকুয়েন্স ঠিক আছে কি না তা নিশ্চিত হোন। যদি ওয়ার্নিং লাইট জ্বলে থাকে, তবে বিক্রেতার কথায় আশ্বস্ত না হয়ে প্রফেশনাল চেকআপ করান।

সার্ভিস, মেইনটেন্যান্স এবং রিসেল ভ্যালু

বাংলাদেশে Bajaj-এর শক্তিশালী উপস্থিতির কারণে এই বাইকের সার্ভিসিং এবং পার্টস পাওয়া অন্য অনেক বিদেশি ব্র্যান্ডের তুলনায় সহজ। তবে ABS ইউনিট বা প্রজেক্টর অ্যাসেম্বলির মতো দামি পার্টস সবসময় স্টকে না-ও থাকতে পারে। তাই কেনার আগে আপনার এলাকার অথরাইজড ওয়ার্কশপে পার্টস এভেইলিবিলিটি সম্পর্কে খোঁজ নিন।,,নিয়মিত সার্ভিসিং খরচ একজন সাধারণ কমিউটার বাইক মালিকের সাধ্যের মধ্যেই থাকবে। তবে টায়ার, চেইন সেট বা ইলেকট্রনিক পার্টস পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কিছুটা বেশি বাজেট রাখতে হতে পারে। পালসার সিরিজের জনপ্রিয়তার কারণে এর রিসেল ভ্যালু সাধারণত ভালো থাকে, তবে এটি সম্পূর্ণ নির্ভর করে বাইকের কন্ডিশন এবং মেইনটেন্যান্সের ওপর।

প্রতিযোগী এবং কেনার সিদ্ধান্ত

Bajaj Pulsar N160 Dual Channel ABS কেনার আগে আপনি TVS Apache RTR 160 4V, Hero Xtreme 160R, Suzuki Gixxer এবং Yamaha FZ সিরিজের সাথে তুলনা করে দেখতে পারেন। প্রতিটি বাইকের ব্রেকিং, পিলিয়ন কমফোর্ট এবং পারফরম্যান্স আলাদা হতে পারে। যদি আপনার কাছে বাইকের ওজনের চেয়ে ব্রেকিং সেফটি (Dual-channel ABS) বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়, তবে N160 আপনার জন্য সেরা পছন্দ হতে পারে।

ভালো দিক (Pros)

  • Dual-channel ABS প্রতিদিনের যাতায়াতে ব্রেকিং নিরাপত্তার জন্য একটি বড় সুবিধা।
  • অফিস কমিউটিং এবং মাঝেমধ্যে হাইওয়ে ট্রিপের জন্য দারুণ একটি ব্যালেন্সড স্পেসিফিকেশন।
  • ১৪ লিটারের (14 L) বড় ফুয়েল ট্যাঙ্ক এবং আধুনিক EFI প্রযুক্তি।
  • বাংলাদেশে Bajaj-এর বিস্তৃত সার্ভিস সেন্টার এবং পার্টস নেটওয়ার্ক।
  • প্রজেক্টর লাইটিং, USB চার্জিং এবং ব্লুটুথ কানেক্টিভিটির মতো আধুনিক ফিচার।

খারাপ দিক (Cons)

  • ১৫৪ কেজি (154 kg) ওজনের কারণে পার্কিং এবং সরু জায়গায় ঘোরানো কিছুটা কষ্টকর হতে পারে।
  • ঢাকা শহরের যানজটে mileage এর পরিমাণ ৪৩ কিমি/লি (40 km/l) এর কম হতে পারে।
  • বেশি ওজন বা পিলিয়নসহ চলাচলের সময় বড় স্পিড ব্রেকারে গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
  • স্পেশালাইজড ইলেক্ট্রনিক্স পার্টসগুলো কিছুটা ব্যয়বহুল হতে পারে এবং সংগ্রহ করতে সময়ের প্রয়োজন হতে পারে।

শেষ কথা (Verdict)

Bajaj Pulsar N160 Dual Channel ABS একটি চমৎকার সেফটি-ফোকাসড অল-রাউন্ডার বাইক। এটি হাই-স্পিড রেসিং বা খুব হালকা বাইক নয়, বরং এটি তাদের জন্য যারা প্রতিদিনের যাতায়াতে সেরা ব্রেকিং প্রটেকশন চান। যদি বাইকটির রাইডিং পজিশন আপনার জন্য আরামদায়ক হয় এবং হাতের কাছে সার্ভিস সেন্টার থাকে, তবে এটি আপনার জন্য একটি সেরা বিনিয়োগ হতে পারে। এর মূল শক্তি হলো ব্যবহারের উপযোগী পারফরম্যান্স এবং ডুয়েল চ্যানেল ABS।

Similar Bikes