Suzuki Hayate EP Black side view
Black1 of 4 colours

Suzuki Hayate EP Price in Bangladesh 2026

৳1,21,950

Listed price

Last updated:

India vs Bangladesh price

India price (₹52,953)
৳74,134
Tax & other costs
+ ৳47,816
Price in Bangladesh
৳1,21,950

Registration & tax token fee

For this 113cc bike · BRTA 100cc and above rate

2 years
৳11,764
10 years
৳20,964

Short Specifications

Engine capacity
113 cc
Maximum power
8.7 PSat 7,500 rpm
Maximum torque
9.3 Nmat 5,000 rpm
Mileage
85 km/l (claimed)
ABS
No ABS
Tubeless tyres
Yes
Seat height
795 mm
Kerb weight
107 kg
Top speed
95 km/h (approx.)Est.

Suzuki Hayate EP Price in Bangladesh

The Suzuki Hayate EP price in Bangladesh is ৳1,21,950. This commuter bike is powered by a 113cc single-cylinder, 4-stroke, air-cooled, carburettor engine that produces 8.7 PS @ 7,500 rpm, with a maximum torque of 9.3 Nm @ 5,000 rpm. The Hayate EP gives a mileage of around 85 km/l (claimed). It comes with a normal (non-ABS) braking system and tubeless tyres. Seat height is 795 mm and kerb weight is 107 kg. Top speed: about 95 km/h. It is available in 4 colours: Black, Blue, Grey, Red. Check the Suzuki Hayate EP full specifications, price breakdown and comparison below before you buy.

সুজুকি Hayate EP দাম বাংলাদেশে 2026: ৳1,21,950

Suzuki Hayate EP Colours in Bangladesh

Black · Blue · Grey · Red

Suzuki Hayate EP Full Specifications

General

Brand
Suzuki
Model
Hayate EP
Category
Commuter
Model year
2026
Price
৳1,21,950 (listed price)

Engine and Transmission

Engine type
Single-cylinder, 4-stroke, air-cooled, carburettor
Cooling system
Air-cooled
Fuel system
Carburettor
Transmission
4-speed

Brakes and Tyres

Front brake
Drum
Rear brake
Drum
Front tyre
70/100-17 tubeless
Rear tyre
80/100-17 tubeless

Suspension and Chassis

Front suspension
Telescopic fork
Rear suspension
Dual 5-step adjustable

Dimensions and Weight

Ground clearance
165 mm
Wheelbase
1,305 mm
Overall dimensions (L × W × H)
Not available

Electrical and Features

Headlight
Halogen
Instrument cluster
AnalogueEst.
Battery
Not available
Features
Most fuel-efficient Suzuki in Bangladesh, Styled like Suzuki's supersports, Economical 113cc engine

Additional Information

Available colours
Black, Blue, Grey, Red
Warranty
Not available
Availability
Available
Last updated
2026-10-15

Suzuki Hayate EP Rating

Overall 76/100

Design
66%
Comfort
78%
Engine performance
51%
Mileage
97%
Brand reliability
86%
Resale value
78%

Our estimate based on specifications, brand and price.

Suzuki Hayate EP FAQ — সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

Suzuki Hayate EP price in Bangladesh 2026 কত?

বাংলাদেশে Suzuki Hayate EP-এর বর্তমান price ৳1,21,950।

Suzuki Hayate EP-এর registration fee কত?

113cc বাইক হিসেবে tax token সহ registration খরচ ২ বছরের জন্য প্রায় ৳11,764 এবং ১০ বছরের জন্য প্রায় ৳20,964।

Suzuki Hayate EP-এর mileage কত?

Suzuki Hayate EP প্রায় 85 km/l (claimed) mileage দেয়।

Suzuki Hayate EP কত cc এবং power কত?

Suzuki Hayate EP-এ 113cc engine আছে, power 8.7 PS @ 7,500 rpm, torque 9.3 Nm @ 5,000 rpm।

Suzuki Hayate EP-এ কি ABS আছে?

না, Suzuki Hayate EP-এ ABS নেই।

Suzuki Hayate EP-এর top speed কত?

Suzuki Hayate EP-এর top speed প্রায় 95 km/h (approx.)।

Suzuki Hayate EP-এর seat height ও weight কত?

Seat height 795 mm এবং weight 107 kg।

বাংলাদেশে Suzuki Hayate EP কোন কোন colour-এ পাওয়া যায়?

Suzuki Hayate EP 4টি colour-এ পাওয়া যায়: Black, Blue, Grey, Red।

Suzuki Hayate EP Review: বাংলাদেশে যাতায়াতের জন্য কেমন এই বাইক?

পারফরম্যান্স বা স্টাইলিশ ফিচারের চেয়ে যারা সাশ্রয়ী যাতায়াতকে প্রাধান্য দেন, তাদের জন্য Suzuki Hayate EP একটি ভালো অপশন। সরবরাহকৃত তথ্য অনুযায়ী এর price ১২১,৯৫০ ৳ এবং এটি বর্তমানে মার্কেটে অ্যাভেইলএবল। হালকা ওজনের এই কমিউটার প্যাকেজটি Suzuki ব্র্যান্ডিংয়ের সাথে আসে। যারা অফিসের কাজে যাতায়াত করেন, ছাত্র অথবা যারা ফুয়েল সাশ্রয় করতে চান, তাদের কাছে এটি বেশ আকর্ষণীয়। এই রিভিউটি মূলত বাইকটির স্পেসিফিকেশন এবং বাস্তবসম্মত দিকগুলোর ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে, কোনো দীর্ঘমেয়াদী পার্সোনাল রোড টেস্টের দাবি এটি নয়। বাইক কেনার আগে শোরুম থেকে বর্তমান price, স্টক এবং রেজিস্ট্রেশন খরচ অবশ্যই যাচাই করে নিন।

Suzuki Hayate EP: যা যা পাচ্ছেন এই বাইকে

Suzuki Hayate EP-তে রয়েছে একটি ১১৩ cc ইঞ্জিন যার সাথে আছে খুবই সাধারণ কিছু ইকুইপমেন্ট: একটি carburettor, air cooling, এনালগ ক্লাস্টার এবং হ্যালোজেন হেডলাইট। এর স্টাইলিং কিছুটা স্পোর্টি হলেও, এটি মূলত একটি পিওর কমিউটার বাইক। যারা মেকানিক্যাল সিম্পলিসিটি পছন্দ করেন তাদের কাছে এটি ভালো লাগবে; তবে যারা আধুনিক ইন্সট্রুমেন্টেশন বা উন্নত ব্রেকিং সিস্টেম খুঁজছেন তাদের কাছে এটি কিছুটা সেকেলে মনে হতে পারে। ব্ল্যাক, ব্লু, গ্রে এবং রেড কালারে এটি পাওয়া যাচ্ছে, তবে আপনার কাছের শোরুমে কোন কালারটি আছে তা যাচাই করে নিন।

Suzuki Hayate EP Engine: গতির চেয়ে কার্যকারিতাই বেশি

Suzuki Hayate EP-র ইঞ্জিন ৭,৫০০ rpm-এ ৮.৭ PS পাওয়ার এবং ৫,০০০ rpm-এ ৯.৩ Nm টর্ক জেনারেট করে, সাথে আছে ৪-স্পিড ট্রান্সমিশন। বাইকটির ওজন মাত্র ১০৭ kg, তাই বড় ইঞ্জিনের সাহায্য ছাড়াই শহরের ট্রাফিকে এটি সহজে চালানো যাবে। এর ম্যাক্সিমাম পাওয়ারের আগেই টর্ক পিক পাওয়া যায়, যা নির্দেশ করে যে প্রতিদিনের রাইডিংয়ের জন্য খুব বেশি হাই রেভ দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। তবে শুধু স্পেসিফিকেশন দেখে throttle smoothness বা ভাইব্রেশন লেভেল নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়।

ঢাকার রাস্তায় সিগন্যাল থেকে দ্রুত গতিতে বেরিয়ে যাওয়ার চেয়ে জ্যামের ফাঁকফোকর দিয়ে চলাই এই বাইকের মূল কাজ। পেছনে পিলিয়ন বা মালামাল থাকলে এর acceleration কিছুটা কমে যাবে। highway-তে ওভারটেক করার সময় যথেষ্ট সময় হাতে রাখা উচিত। এর ৯৫ km/h top speed-কে কখনোই ক্রুজিং স্পিড ভাবা ঠিক হবে না; বিশেষ করে বাস বা ট্রাকের পাশে চালানোর সময় কিছুটা বাড়তি গতি এবং ব্রেকিং মার্জিন হাতে রাখা জরুরি।

ঢাকা ট্রাফিকে ফুয়েল ইকোনমি

Suzuki Hayate EP-র ক্ষেত্রে কোম্পানি ৮৫ km/l mileage দাবি করে এবং এটিকে বাংলাদেশের বাজারে সুজুকির সবচেয়ে সাশ্রয়ী কমিউটার হিসেবে প্রচার করা হয়। তবে এটিকে কেবল একটি মার্কেটিং দাবি হিসেবে দেখাই ভালো, কারণ বাস্তব ফলাফল ভিন্ন হতে পারে। সিগন্যালে আইডলিং, ছোট দূরত্বে যাতায়াত, বারবার এক্সিলারেশন, পিলিয়ন থাকা এবং carburettor-এর সঠিক টিউনিং না থাকলে মাইলেজ অনেক কমে যেতে পারে। ঢাকার রাস্তায় নিশ্চিত কোনো টেস্ট ছাড়া সঠিক mileage বলা বিভ্রান্তিকর হবে।

বাইকটির ১০ L ফুয়েল ট্যাংক ঘনঘন রিফুয়েলিংয়ের ঝামেলা কমাবে যদি মাইলেজ ভালো পাওয়া যায়। তবে কোম্পানি ক্ল্যাম করা মাইলেজের সাথে ট্যাংক ক্যাপাসিটি গুণ করে রেঞ্জ হিসাব করলে ভুল হবে। সঠিক মাইলেজ পেতে কয়েকবার ফুল ট্যাংক রিফিল করে চেক করুন। জ্যামের মধ্যে মাইলেজ বাড়াতে টায়ারের সঠিক প্রেশার, পরিষ্কার এয়ার ফিল্টার এবং সঠিক গিয়ার সিলেকশন বিজ্ঞাপনের দাবির চেয়ে বেশি কাজে দেয়।

Suzuki Hayate EP-র কমফোর্ট এবং রাইডিং অভিজ্ঞতা

Suzuki Hayate EP-তে টেলিস্কোপিক ফর্ক এবং ৫-ধাপে অ্যাডজাস্টেবল ডুয়াল রিয়ার শক অ্যাবজরবার ব্যবহার করা হয়েছে। রিয়ার প্রিলোড অ্যাডজাস্টমেন্ট পিলিয়ন নিয়ে রাইড করতে সাহায্য করলেও, এটি ভাঙা রাস্তায় খুব স্মুথ রাইড নিশ্চিত নাও করতে পারে। বাইকটি কেনার আগে সাধারণ গতিরোধক (speed breaker) এবং ভাঙা রাস্তায় চালিয়ে দেখে নিন। সিটের আকার এবং কুশনিং অনেক সময় ইকুইপমেন্ট লিস্টের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায়।

বাইকটির ৭৯৫ mm সিট হাইট এবং কম ওজন অনেক রাইডারের জন্যই আরামদায়ক হবে। তবে কম উচ্চতার রাইডারদের উচিত একবার বসে দেখে নেওয়া। এর ১৬৫ mm ground clearance মোটামুটি হলেও লোড নিয়ে বড় স্পিড ব্রেকার পার হওয়ার সময় সতর্ক থাকতে হবে। ১,৩০৫ mm wheelbase একে একটি কমপ্যাক্ট কমিউটারের লুক দেয়। তবে ভালো হ্যান্ডলিংয়ের জন্য টায়ার এবং সাসপেনশন ভালো রাখা জরুরি।

বর্ষাকালে যেকোনো ছোট বাইকের মতোই Suzuki Hayate EP সাবধানে চালানো উচিত। পানির নিচে লুকিয়ে থাকা গর্ত চাকা বা ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে। বৃষ্টির সময় গর্ত বা পানির গভীরতা না জেনে বাইক চালানো ঠিক হবে না; কারণ ইনটেকে পানি ঢুকলে বা ইলেকট্রিক্যাল কানেকশনে সমস্যা হলে সাশ্রয়ী যাতায়াতটিই তখন ব্যয়বহুল মেরামতে পরিণত হতে পারে।

ব্রেকিং ও সেফটি: সবচেয়ে বড় আপস

Suzuki Hayate EP-র দুই চাকাতেই drum brakes দেয়া হয়েছে এবং এতে কোনো ABS নেই। বাংলাদেশের অনিয়মিত ট্রাফিকের কথা চিন্তা করলে এটিই এই বাইকের প্রধান দুর্বলতা। ভালোভাবে মেইনটেইন করলে ড্রাম ব্রেক প্রতিদিনের যাতায়াতে কাজ চালিয়ে নেবে, কিন্তু ডিস্ক ব্রেকের মতো আত্মবিশ্বাস দিতে পারবে না। ABS না থাকায় ভেজা বা পিচ্ছিল রাস্তায় হুট করে ব্রেক করলে চাকা লক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

বাইকটির সামনে ৭০/১০০-১৭ এবং পেছনে ৮০/১০০-১৭ সাইজের tubeless tyres পাংচার হওয়ার তাৎক্ষণিক ঝুঁকি কমায়। নিয়মিত টায়ার এবং ব্রেক চেক করা জরুরি। রাতে বা হাইওয়েতে রাইড করার আগে এর হ্যালোজেন হেডলাইটের আলো আপনার জন্য পর্যাপ্ত কি না তা যাচাই করে নিন।

বিল্ড কোয়ালিটি এবং ইন্সপেকশন

Suzuki-র লোগো আস্থার প্রতীক হলেও প্রতিটি ইউনিট নিখুঁত হবে এমন ভাবা ঠিক নয়। ব্যবহৃত বাইক কেনার ক্ষেত্রে পেইন্ট, প্যানেল ফিটিং এবং ইলেকট্রিক্যাল কানেকশনগুলো ভালো করে দেখে নিন। বিশেষ করে ইঞ্জিন এবং গিয়ারবক্সের স্মুথনেস খেয়াল করা জরুরি।

Suzuki Hayate EP চেক করার সময় কোল্ড স্টার্ট, আইডল স্ট্যাবিলিটি এবং গিয়ার পরিবর্তনের সহজতা পরীক্ষা করুন। ফর্ক সিল, চেইন স্প্রকেট এবং ব্যাটারি পারফরম্যান্সও দেখে নেওয়া উচিত। কোনো কারণে বাইক বারবার বন্ধ হয়ে গেলে বা টানতে সমস্যা করলে ধরে নেবেন না যে সব বাইক এমন, বরং বিশেষজ্ঞ মেকানিক দিয়ে চেক করান।

পার্টস, সার্ভিসিং এবং মেইনটেইনেন্স খরচ

বাংলাদেশে Suzuki-র শক্তিশালী ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক থাকায় এর সার্ভিস সাপোর্ট পাওয়া সহজ। তবে সব লোকাল ওয়ার্কশপে যে Hayate-এর নির্দিষ্ট পার্টস পাওয়া যাবে, এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। কেনার আগে আপনার এলাকার অথরাইজড সার্ভিস সেন্টারে পার্টস এবং বডি প্যানেলের সহজলভ্যতা সম্পর্কে খোঁজ নিন।

ইঞ্জিনের গঠন সহজ হওয়ায় Suzuki Hayate EP-র সাধারণ সার্ভিসিং খরচ কম হওয়ার কথা। তবে জেনুইন পার্টস এবং দক্ষ মেকানিকের ওপর প্রকৃত খরচ নির্ভর করে। ম্যানুফ্যাকচারারের সার্ভিস শিডিউল মেনে চললে এবং চেইন মেইনটেইন করলে বাইকটি দীর্ঘদিন ভালো থাকবে। বিজ্ঞাপনের কথায় না ভুলে স্থানীয় খরচ যাচাই করুন।

রিসেল ভ্যালু এবং প্রতিযোগী বাইকসমূহ

Suzuki Hayate EP-র রিসেল ভ্যালু নির্ভর করবে এর কন্ডিশন, পেপারস এবং সার্ভিস হিস্ট্রির ওপর। সুজুকি ব্র্যান্ডের কারণে ক্রেতা পাওয়া সহজ হলেও এটি খুব বেশি দামে বিক্রি হবে এমন গ্যারান্টি নেই। এই বাইকটি কেনার আগে বাজারে থাকা Honda Dream, Bajaj Platina, TVS Metro এবং Hero Splendor-এর ভেরিয়েন্টগুলোর সাথে তুলনা করে দেখা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। সব কমিউটার বাইক একই ভ্যালু দেয় না, তাই ব্রেকিং সিস্টেম এবং পার্টস সাপোর্টের ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নিন।

ভালো দিক (Pros)

  • প্রতিদিনের যাতায়াতের জন্য বেশ হালকা একটি প্যাকেজ।
  • সহজ মেকানিজমের air-cooled ইঞ্জিন এবং সাদামাটা ইকুইপমেন্ট।
  • ফুয়েল সাশ্রয়ের (fuel-economy) ভালো সম্ভাবনা রয়েছে।
  • tubeless tyres এবং অ্যাডজাস্টেবল রিয়ার সাসপেনশন।
  • বাংলাদেশে Suzuki-র শক্তিশালী সার্ভিস ও পার্টস সাপোর্ট।

খারাপ দিক (Cons)

  • উভয় চাকাতেই drum brakes দেয়া হয়েছে, নেই কোনো ABS।
  • লোড নিয়ে highway-তে ওভারটেকিং করার জন্য পর্যাপ্ত acceleration নেই।
  • কোম্পানি দাবি করা mileage জ্যামের ঢাকা শহরের আসল চিত্র নাও হতে পারে।
  • খুবই সাধারণ মানের লাইটিং এবং instrumentation প্যানেল।

শেষ কথা (Verdict)

শহরের ভেতরে সাশ্রয়ী যাতায়াতের জন্য Suzuki Hayate EP একটি ভালো পছন্দ হতে পারে, যদি আপনি এর পার্টস সাপোর্ট এবং টেস্ট রাইডে সন্তুষ্ট থাকেন। যারা খুব সাধারণ মেকানিজম এবং হালকা ওজনের বাইক খুঁজছেন তাদের জন্য এটি সেরা; তবে যারা হাইওয়ে পারফরম্যান্স বা শক্তিশালী ব্রেকিং চান, তাদের অন্যান্য অপশনগুলো দেখা উচিত।

Similar Bikes