Suzuki GSX 125 Red side view
Red1 of 3 colours

Suzuki GSX 125 Price in Bangladesh 2026

৳1,41,950

Listed price

Last updated:

India vs Bangladesh price

India price (₹—)
Not sold in India
Price in Bangladesh
৳1,41,950

Registration & tax token fee

For this 125cc bike · BRTA 100cc and above rate

2 years
৳11,764
10 years
৳20,964

Short Specifications

Engine capacity
125 cc
Maximum power
10.45 PSat 9,000 rpm
Maximum torque
9.2 Nmat 7,000 rpm
Mileage
45 km/l (approx.)Est.
ABS
No ABS
Tubeless tyres
No
Seat height
780 mmEst.
Kerb weight
118 kgEst.
Top speed
100 km/h (approx.)Est.

Suzuki GSX 125 Price in Bangladesh

The Suzuki GSX 125 price in Bangladesh is ৳1,41,950. This commuter bike is powered by a 125cc single-cylinder, 4-stroke, air-cooled, carburettor engine that produces 10.45 PS @ 9,000 rpm, with a maximum torque of 9.2 Nm @ 7,000 rpm. The GSX 125 gives a mileage of around 45 km/l. It comes with a normal (non-ABS) braking system and tube-type tyres. Seat height is 780 mm and kerb weight is 118 kg. Top speed: about 100 km/h. It is available in 3 colours: Red, Blue, Black. Check the Suzuki GSX 125 full specifications, price breakdown and comparison below before you buy.

সুজুকি GSX 125 দাম বাংলাদেশে 2026: ৳1,41,950

Suzuki GSX 125 Colours in Bangladesh

Red · Blue · Black

Suzuki GSX 125 Full Specifications

General

Brand
Suzuki
Model
GSX 125
Category
Commuter
Model year
2026
Price
৳1,41,950 (listed price)

Engine and Transmission

Engine type
Single-cylinder, 4-stroke, air-cooled, carburettor
Cooling system
Air-cooled
Fuel system
Carburettor
Transmission
5-speed, constant mesh

Brakes and Tyres

Front brake
Disc
Rear brake
Drum
Front tyre
2.75-18 tube-type
Rear tyre
90/90-18 tube-type

Suspension and Chassis

Front suspension
Telescopic fork
Rear suspension
Swingarm with twin shock

Dimensions and Weight

Ground clearance
165 mmEst.
Wheelbase
1,255 mmEst.
Overall dimensions (L × W × H)
Not available

Electrical and Features

Headlight
Halogen
Instrument cluster
AnalogueEst.
Battery
Not available
Features
5-speed constant mesh gearbox, Front disc brake, Classic commuter styling

Additional Information

Available colours
Red, Blue, Black
Warranty
Not available
Availability
Available
Last updated
2026-10-15

Suzuki GSX 125 Rating

Overall 73/100

Design
66%
Comfort
78%
Engine performance
54%
Mileage
75%
Brand reliability
86%
Resale value
78%

Our estimate based on specifications, brand and price.

Suzuki GSX 125 FAQ — সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

Suzuki GSX 125 price in Bangladesh 2026 কত?

বাংলাদেশে Suzuki GSX 125-এর বর্তমান price ৳1,41,950।

Suzuki GSX 125-এর registration fee কত?

125cc বাইক হিসেবে tax token সহ registration খরচ ২ বছরের জন্য প্রায় ৳11,764 এবং ১০ বছরের জন্য প্রায় ৳20,964।

Suzuki GSX 125-এর mileage কত?

Suzuki GSX 125 প্রায় 45 km/l (approx.) mileage দেয়।

Suzuki GSX 125 কত cc এবং power কত?

Suzuki GSX 125-এ 125cc engine আছে, power 10.45 PS @ 9,000 rpm, torque 9.2 Nm @ 7,000 rpm।

Suzuki GSX 125-এ কি ABS আছে?

না, Suzuki GSX 125-এ ABS নেই।

Suzuki GSX 125-এর top speed কত?

Suzuki GSX 125-এর top speed প্রায় 100 km/h (approx.)।

Suzuki GSX 125-এর seat height ও weight কত?

Seat height 780 mm এবং weight 118 kg।

বাংলাদেশে Suzuki GSX 125 কোন কোন colour-এ পাওয়া যায়?

Suzuki GSX 125 3টি colour-এ পাওয়া যায়: Red, Blue, Black।

Suzuki GSX 125 Review: বাংলাদেশে ownership এবং বাইকের উপযোগিতা

Suzuki GSX 125 একটি সাধারণ কমিউটার বাইক, যদিও এর নাম শুনে কিছুটা স্পোর্টি মনে হতে পারে। সরবরাহকৃত তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে এর price বর্তমানে ৳141,950 এবং এটি বাজারে সহজলভ্য। যারা হালকা ওজন, সহজ মেকানিক্যাল সিস্টেম এবং মার্জিত ডিজাইনের বাইক খুঁজছেন, তাদের জন্যই এটি তৈরি করা হয়েছে। এর মূল আকর্ষণ হলো প্রতিদিনের ব্যবহারযোগ্যতা, অত্যাধুনিক ফিচার বা টপ স্পিড নয়। এই রিভিউটি বাইকের স্পেসিফিকেশন এবং ব্যবহারিক দিকগুলোর ওপর ভিত্তি করে লেখা হয়েছে। কেনার আগে নিকটস্থ showroom থেকে বর্তমান price, রেজিস্ট্রেশন খরচ এবং স্টোক চেক করে নিন।

কাদের Suzuki GSX 125 কেনা উচিত?

অফিসগামী যাত্রী, শিক্ষার্থী এবং যারা ছোট ইউটিলিটি বাইক থেকে কিছুটা আপগ্রেড করতে চান কিন্তু ভারী বাইক পছন্দ করেন না, তাদের জন্য Suzuki GSX 125 উপযুক্ত। এর ১১৮ কেজি ওজন পার্কিং বা জ্যামের রাস্তায় চলাচলের জন্য বেশ সহায়ক। Red, Blue এবং Black কালার অপশনগুলো এর ক্লাসিক কমিউটার লুককে ফুটিয়ে তোলে। তবে যারা খুব দ্রুত acceleration, আধুনিক ডিজিটাল ইনস্ট্রুমেন্ট ক্লাস্টার বা উন্নত ব্রেকিং সিস্টেম খুঁজছেন, তাদের এর সীমাবদ্ধতাগুলো মাথায় রাখা উচিত।

Suzuki GSX 125 ইঞ্জিন: পারফরম্যান্স ও দক্ষতা

Suzuki GSX 125 এ ব্যবহার করা হয়েছে একটি 125cc single-cylinder, air-cooled, carburettor ইঞ্জিন, যা ৯,০০০ rpm-এ 10.45 PS পাওয়ার এবং ৭,০০০ rpm-এ 9.2 Nm টর্ক উৎপন্ন করে। এর সর্বোচ্চ পাওয়ার রেঞ্জ কিছুটা উপরের দিকে হওয়ায়, বাইকটিকে দ্রুত চালানোর জন্য ঘন ঘন গিয়ার পরিবর্তন এবং বেশি রেভ (revs) করার প্রয়োজন হতে পারে। শুধুমাত্র স্পেসিফিকেশন দেখে থ্রোটল রেসপন্স বা ভাইব্রেশন লেভেল বোঝা সম্ভব নয়।

এর 5-speed constant-mesh গিয়ারবক্স শহরের রাস্তায় চলাচলের জন্য বেশ নমনীয়। পিলিয়ন নিয়ে ওভারটেকিং বা স্পিড তোলার সময় গিয়ার ডাউনশিফট করার প্রয়োজন হতে পারে। বাইকটির প্রায় ১০০ কিমি/ঘন্টা (100 km/h) top speed-কে আদর্শ ক্রুজিং স্পিড হিসেবে ধরা ঠিক হবে না। হাইওয়েতে সর্বোচ্চ গতি চেয়ে ওভারটেকিং রিজার্ভ বেশি গুরুত্বপূর্ণ; তাই তাড়াহুড়ো না করে পর্যাপ্ত জায়গা রেখে ওভারটেক করা উচিত।

ঢাকার জ্যামে ফুয়েল ইকোনমি বা মাইলেজ

Suzuki GSX 125-এর আনুমানিক mileage ৪৫ কিমি/লিটার (45 km/l), যা গ্যারান্টি হিসেবে না নিয়ে রেফারেন্স হিসেবে ধরা ভালো। ঢাকার জ্যাম, দীর্ঘক্ষণ ইঞ্জিন চালু রাখা, ছোট দূরত্বে যাতায়াত এবং পিলিয়ন লোডের কারণে মাইলেজ কমতে পারে। এছাড়া Carburettor অ্যাডজাস্টিং, টায়ারের প্রেশার এবং এয়ার ফিল্টারের অবস্থার ওপরও এটি নির্ভর করে। একবারের রাইডে মাইলেজ হিসাব না করে কয়েকবার ফুল ট্যাংক তেল ভরে পরীক্ষা করা উচিত। এর ১০ লিটার (10 L) ট্যাংকটি বেশ কাজের, তবে অফিশিয়াল মাইলেজ দিয়ে ট্যাংক ক্যাপাসিটিকে গুণ করলেই সঠিক রেঞ্জ পাওয়া যাবে না।

আরাম এবং ভাঙা রাস্তায় Suzuki GSX 125-এর পারফরম্যান্স

৭৮০ মিমি (780 mm) সিটের উচ্চতা কম উচ্চতার রাইডারদের জন্য সহায়ক হতে পারে, তবে সিটের প্রস্থ এবং রাইডারের পায়ের দৈর্ঘ্যের ওপর নির্ভর করবে মাটি স্পর্শ করা কতটা সহজ হবে। বাইকটি কেনার আগে আপনার নিয়মিত জুতো পরে এবং পিলিয়নসহ বসে দেখা উচিত। শুধুমাত্র স্পেসিফিকেশন দেখে সিটের আরাম বোঝা যায় না; তাই টেস্ট রাইডের সময় হাঁটুর পজিশন, হ্যান্ডেলবার রিচ এবং পিলিয়ন স্পেস যাচাই করে নিন।

এতে টেলিস্কোপিক ফর্ক এবং টুইন রিয়ার শক ব্যবহার করা হয়েছে যা সাধারণ কমিউটার হার্ডওয়্যার। ১৬৫ মিমি (165 mm) ground clearance থাকায় উঁচু স্পিড ব্রেকার বা ভাঙা রাস্তায় সাবধানে চালানো উচিত, বিশেষ করে পেছনে যাত্রী থাকলে। ১,২৫৫ মিমি (1,255 mm) wheelbase বাইকটিকে কম্প্যাক্ট করেছে, তবে এটি দিয়ে স্ট্যাবিলিটি বা স্টিয়ারিং কোয়ালিটি নিশ্চিত করা যায় না। জলাবদ্ধ রাস্তা এড়িয়ে চলাই ভালো, কারণ পানির নিচে গর্ত বা আবর্জনা থাকতে পারে যা ইঞ্জিনের ক্ষতি করতে পারে।

ব্রেকিং, টায়ার এবং ভেজা রাস্তায় নিরাপত্তা

Suzuki GSX 125-এ সামনের চাকায় disc এবং পেছনের চাকায় drum brake ব্যবহার করা হয়েছে, তবে এতে কোনো ABS নেই। ভেজা রাস্তা, বালু বা পিচ্ছিল মোড়ে ABS না থাকাটা একটি বড় দুর্বলতা। শুধু ডিস্ক ব্রেক থাকলেই ভালো ব্রেকিং নিশ্চিত হয় না; টায়ারের গ্রিপ, প্যাডের অবস্থা এবং রাইডারের দক্ষতাও গুরুত্বপূর্ণ। তাই নিরাপদ জায়গায় ব্রেকিং প্র্যাকটিস করা এবং বৃষ্টির সময় বাড়তি দূরত্ব বজায় রাখা জরুরি।

বাইকটির দুটি টায়ারই tube-type; সামনে 2.75-18 এবং পেছনে 90/90-18 সাইজের টায়ার রয়েছে। পাংচার হলে টিউবলেস টায়ারের তুলনায় এটি মেরামত করা বেশি শ্রমসাধ্য। টায়ারের গ্রিপ শুধু দেখে বিচার না করে এর বয়স এবং কোনো ফাটল আছে কি না তা পরীক্ষা করুন। হ্যালোজেন হেডলাইটের আলো রাতের বেলা চলাচলের জন্য যথেষ্ট কি না তাও যাচাই করে নেওয়া উচিত।

বিল্ড কোয়ালিটি: কেনার আগে যা যাচাই করবেন

এই মডেলের নির্দিষ্ট কোনো বড় যান্ত্রিক ত্রুটির প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি। তবে শুধু Suzuki ব্র্যান্ডের নাম দেখেই কেনা উচিত নয়। পেইন্ট ফিনিশিং, নাট-বল্টুর জং, প্যানেল ফিটিং এবং সুইচের কাজ ভালোভাবে পরীক্ষা করুন। পুরাতন বা ব্যবহৃত বাইক হলে ফর্ক লিক, স্টিয়ারিং বিয়ারিং, চাকার ক্ষতি বা চেইনের অবস্থা চেক করুন।

বাইকটি কোল্ড স্টার্ট দিয়ে দেখুন আইডলিং স্থিতিশীল কি না এবং থ্রোটল রেসপন্স কেমন। ইঞ্জিন গরম হওয়ার পর সহজে স্টার্ট হয় কি না তা নিশ্চিত করুন। Carburettor ঠিকমতো সেট করা না থাকলে বা সার্ভিসিংয়ে অবহেলা করলে পারফরম্যান্সে সমস্যা হতে পারে। এনালগ ক্লাস্টারের প্রতিটি কাটা এবং ওয়ার্নিং ল্যাম্প কাজ করছে কি না তাও দেখে নিন।

সার্ভিস, পার্টস এবং রক্ষণাবেক্ষণ

বাংলাদেশে Suzuki-র শক্তিশালী ডিস্ট্রিবিউটর থাকায় খুচরা পার্টস এবং সার্ভিসের জন্য ছোট আমদানিকারকদের ওপর নির্ভর করতে হয় না। তবে জেলাভেদে এর সহজলভ্যতা ভিন্ন হতে পারে। আপনার কাছের অনুমোদিত workshop-এ এই মডেলের ক্যাবল, ফিল্টার, ব্রেক পার্টস এবং বডি প্যানেল স্টকে আছে কি না জেনে নিন। ব্র্যান্ডের উপস্থিতি মানেই যে সব পার্টস সবসময় দোকানে থাকবে, তা নয়।

এতে air-cooled ইঞ্জিন এবং carburettor থাকায় কুলিং সিস্টেমের বাড়তি ঝামেলার প্রয়োজন নেই, তবে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ জরুরি। ইঞ্জিন অয়েল, ফিল্টার, চেইন এবং ব্রেক সার্ভিসের জন্য বাজেট রাখুন। অভিজ্ঞ মেকানিকরা সহজেই এই বাইকের কাজ করতে পারবেন, তবে অদক্ষ মেকানিক দিয়ে টিউনিং করালে মাইলেজ কমে যেতে পারে। জেনুইন পার্টস ব্যবহারের চেষ্টা করুন।

রিসেল ভ্যালু এবং বিকল্প কিছু বাইক

Suzuki-র ব্র্যান্ড ভ্যালুর কারণে রিসেল মার্কেটে এই বাইকের চাহিদা থাকে, তবে ভালো দাম পাওয়া নির্ভর করে বাইকের কন্ডিশন, পেপারস এবং সার্ভিস রেকর্ডের ওপর। কেনার আগে কয়েকজন ডিলারের কাছে জেনে নিতে পারেন তারা ব্যবহৃত বাইকটি কত দামে কিনতে আগ্রহী। ক্লাসিফাইড বিজ্ঞাপনের দামের চেয়ে ডিলারদের অফার বেশি বাস্তবসম্মত হয়।

Suzuki GSX 125-এর সাথে তুলনা করার জন্য Honda SP 125 এবং Bajaj Discover 125 দেখা যেতে পারে। কেনার আগে অন-রোড প্রাইস, ব্রেকিং সিস্টেম, ফুয়েল সিস্টেম এবং পার্টসের সহজলভ্যতা তুলনা করুন। কোনো বড় ব্র্যান্ডের চেয়ে আপনার বাড়ির কাছের একটি ভালো সার্ভিস সেন্টার এবং পার্টস সুবিধা বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

ভালো দিক (Pros)

  • প্রতিদিনের চলাচলের জন্য ১১৮ কেজি (118 kg) ওজন বেশ সহজসাধ্য।
  • ৫-স্পিড (5-speed) গিয়ারবক্স জ্যামের মধ্যেও স্বাচ্ছন্দ্যে চালানোর সুবিধা দেয়।
  • সহজ মেকানিক্যাল সিস্টেম এবং air-cooled ইঞ্জিন।
  • সামনে disc brake এবং রুচিশীল ডিজাইন।
  • বাংলাদেশে Suzuki-র শক্তিশালী ডিলার এবং সার্ভিস নেটওয়ার্ক।

খারাপ দিক (Cons)

  • পিচ্ছিল রাস্তায় ব্রেকিং সাপোর্টের জন্য কোনো ABS নেই।
  • লোড থাকা অবস্থায় হাইওয়েতে ওভারটেকিং করার জন্য পর্যাপ্ত পারফরম্যান্স রিজার্ভের অভাব।
  • Tube-type tyres হওয়ার কারণে পাংচার মেরামত করা বেশ ঝামেলার।
  • Carburettor, halogen light এবং analogue cluster বর্তমান সময়ে বেশ বেসিক মনে হতে পারে।

শেষ কথা (Verdict)

আপনি যদি মূলত শহরের ভেতর চলাচলের জন্য একটি সাধারণ কমিউটার বাইক খুঁজছেন এবং স্থানীয় সার্ভিস সেন্টারে পার্টস সুবিধা থাকে, তবে Suzuki GSX 125 আপনার জন্য একটি ভালো পছন্দ হতে পারে। এটি স্পোর্টি পারফরম্যান্সের জন্য নয়, বরং প্রতিদিনের যাতায়াতের জন্য কেনা উচিত। হাইওয়েতে কম পাওয়ার রিজার্ভ, টিউব-টাইপ টায়ার এবং ABS না থাকার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করুন। শুধুমাত্র ব্র্যান্ডের নাম নয়, বরং টেস্ট রাইড এবং সার্ভিসের সুবিধা যাচাই করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিন।

Similar Bikes