Yamaha Niken GT Yamaha Black side view
Yamaha Black

Yamaha Niken GT Price in Bangladesh 2026

Estimated price

৳65,88,000

Not available in Bangladesh

Estimated price

Last updated:

Europe vs Bangladesh price

Europe price (US$17,999)
৳21,95,878
Tax & other costs
+ ৳43,92,122
Estimated price in Bangladesh
৳65,88,000

Short Specifications

Engine capacity
890 cc
Maximum power
115 PSat 10,000 rpm
Maximum torque
87.5 Nmat 7,000 rpm
Mileage
17 km/l (approx.)
ABS
Dual-channel ABS
Tubeless tyres
Yes
Seat height
835 mm
Kerb weight
270 kg
Top speed
210 km/h (approx.)

Yamaha Niken GT Price in Bangladesh

Yamaha Niken GT is not officially sold in Bangladesh, but its estimated price in Bangladesh in 2026 is around ৳65,88,000. This adventure bike is powered by a 890cc liquid-cooled, inline 3-cylinder cp3, dohc, 12-valve engine that produces 115 PS @ 10,000 rpm, with a maximum torque of 87.5 Nm @ 7,000 rpm. The Niken GT gives a mileage of around 17 km/l. It comes with dual-channel ABS and tubeless tyres. Seat height is 835 mm and kerb weight is 270 kg. Top speed: about 210 km/h. It is available in 1 colour: Yamaha Black. Check the Yamaha Niken GT full specifications, price breakdown and comparison below before you buy.

ইয়ামাহা Niken GT দাম বাংলাদেশে 2026: ৳65,88,000

Yamaha Niken GT Colours

Yamaha Black

Yamaha Niken GT Full Specifications

General

Brand
Yamaha
Model
Niken GT
Category
Adventure
Model year
2026
Price
৳65,88,000 (estimated price)

Engine and Transmission

Engine type
Liquid-cooled, inline 3-cylinder CP3, DOHC, 12-valve
Cooling system
Liquid-cooled
Fuel system
Fuel injection
Transmission
6-speed with quick shifter

Brakes and Tyres

Front brake
Dual 298 mm disc
Rear brake
282 mm disc
Front tyre
120/70R15 (x2) tubeless
Rear tyre
190/55ZR17 tubeless

Suspension and Chassis

Front suspension
Twin leaning fork (two front wheels)
Rear suspension
Not available

Dimensions and Weight

Ground clearance
Not available
Wheelbase
Not available
Overall dimensions (L × W × H)
Not available

Electrical and Features

Headlight
LED
Instrument cluster
TFT
Battery
Not available
Features
Three wheels (two in front), Leaning Multi-Wheel

Additional Information

Available colours
Yamaha Black
Warranty
Not available
Availability
Available
Last updated
2026-10-15

Yamaha Niken GT Rating

Overall 79/100

Design
86%
Comfort
88%
Engine performance
97%
Mileage
44%
Brand reliability
90%
Resale value
67%

Our estimate based on specifications, brand and price.

Yamaha Niken GT FAQ — সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

Yamaha Niken GT price in Bangladesh 2026 কত?

Yamaha Niken GT বাংলাদেশে অফিসিয়ালি বিক্রি হয় না। আমদানি করলে আনুমানিক price হতে পারে ৳65,88,000।

Yamaha Niken GT-এর mileage কত?

Yamaha Niken GT প্রায় 17 km/l (approx.) mileage দেয়।

Yamaha Niken GT কত cc এবং power কত?

Yamaha Niken GT-এ 890cc engine আছে, power 115 PS @ 10,000 rpm, torque 87.5 Nm @ 7,000 rpm।

Yamaha Niken GT-এ কি ABS আছে?

হ্যাঁ, Yamaha Niken GT-এ Dual-channel ABS আছে।

Yamaha Niken GT-এর top speed কত?

Yamaha Niken GT-এর top speed প্রায় 210 km/h (approx.)।

Yamaha Niken GT-এর seat height ও weight কত?

Seat height 835 mm এবং weight 270 kg।

Yamaha Niken GT কোন কোন colour-এ পাওয়া যায়?

Yamaha Niken GT 1টি colour-এ পাওয়া যায়: Yamaha Black।

Yamaha Niken GT review: বাংলাদেশে ownership এবং পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ

Yamaha Niken GT প্রিমিয়াম ট্যুরিং সেগমেন্টে একটি র‍্যাডিক্যাল Leaning Multi-Wheel (LMW) কনসেপ্ট নিয়ে এসেছে, যাতে রয়েছে একটি 890cc লিকুইড-কুলড ৩-সিলিন্ডার ইঞ্জিন। বাংলাদেশে এর আনুমানিক price ৳৬৫,৮৮,০০০ (৬৫ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকা)। Bike Price Bangladesh-এর এই অ্যাসেসমেন্টটি স্থানীয় প্রেক্ষাপটে এর সম্ভাব্য পারফরম্যান্সের একটি টেকনিক্যাল বিশ্লেষণ প্রদান করছে। ২০২৬ সালের ডেটা অনুযায়ী এটি আমদানির মাধ্যমে পাওয়া সম্ভব হলেও এটি স্থানীয়ভাবে নিয়মিত বিক্রিত কোনো ইউনিট নয়। দক্ষিণ এশিয়ার ট্রাফিক কন্ডিশনে ২৭১ কেজি ওজনের এই মেশিনের জটিলতার চেয়ে সামনের দুটি চাকার স্ট্যাবিলিটি কতটা কার্যকর হবে, তার ওপরই এর উপযোগিতা নির্ভর করে। এটি কোনো ফিজিক্যাল টেস্ট বা ভেরিফাইড ইউজার রিভিউ নয়।

১. কাদের Yamaha Niken GT কেনা উচিত?

Yamaha Niken GT মূলত সেইসব লং-ডিস্ট্যান্স ট্যুরিং প্রেমীদের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে যারা প্রথাগত দুই চাকার চপলতার চেয়ে সামনের চাকার নিরাপত্তাকে বেশি গুরুত্ব দেন। ভিজে বা অসমতল রাস্তায় এলএমডব্লিউ (LMW) সিস্টেম উচ্চতর আত্মবিশ্বাস প্রদান করে, যা বিভিন্ন ধরণের ভূখণ্ডে রাইড করতে পছন্দ করেন এমন রাইডারদের জন্য একটি চমৎকার পছন্দ। তবে, ২৭০ কেজি ওজন হওয়ার কারণে এটি নতুন রাইডার বা শারীরিকভাবে কম শক্তিশালী রাইডারদের জন্য নয়; বিশেষ করে সংকীর্ণ গ্যারেজে এই বাইকটি নাড়াচাড়া করতে প্রচুর শক্তির প্রয়োজন হয়।

সম্ভাব্য মালিকদের তাদের নিয়মিত রাইডিং পরিবেশ সম্পর্কে ভাবা উচিত। যদিও বাইকটি সাধারণ মোটরসাইকেলের মতোই হেলে চলে (lean), কিন্তু এর সামনের অংশের প্রশস্ততা এবং ট্রিপল-ট্র্যাক ফুটপ্রিন্টের কারণে এটিকে স্ট্যান্ডার্ড নেকেড বাইকের মতো সরু জায়গা দিয়ে বের করা সহজ নয়। এটি একজন অভিজ্ঞ রাইডারের জন্য উপযুক্ত যিনি প্রথাগত সৌন্দর্যের চেয়ে টেকনোলজি এবং অনন্যতাকে বেশি গুরুত্ব দেন।

২. Yamaha Niken GT Power: CP3 ইঞ্জিন ডায়নামিক্স

Yamaha Niken GT-এর প্রাণকেন্দ্রে রয়েছে ৮৯০ সিসি লিকুইড-কুলড, ইনলাইন ৩-সিলিন্ডার CP3 ইঞ্জিন, যা ১০,০০০ rpm-এ ১১৫ PS পাওয়ার এবং ৭,০০০ rpm-এ ৮৭.৫ Nm torque উৎপাদন করে। এই ইঞ্জিনটি এর ক্রসপ্লেন ফিলোসফির জন্য পরিচিত, যা ভারী ট্যুরিং বাইকের জন্য প্রয়োজনীয় মিড-রেঞ্জ পাওয়ার নিশ্চিত করে। কুইক শিফটারের সাথে যুক্ত ৬-স্পিড ট্রান্সমিশন মসৃণ গিয়ার পরিবর্তনের সুবিধা দেয়, যা এত ওজনের একটি মেশিন পরিচালনার জন্য অত্যাবশ্যক।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ১১৫ PS পাওয়ার আইনি স্পিড লিমিটের চেয়ে অনেক বেশি, তবুও ৮৭.৫ Nm torque নিশ্চিত করে যে বাইকটি পিলিয়ন এবং ফুল লাগেজ সহ কোনো কষ্ট ছাড়াই চলতে পারবে। তবে চ্যালেঞ্জ হলো অতিরিক্ত গরম এবং যানজটপূর্ণ শহুরে ট্রাফিকের মধ্যে এই পাওয়ার ম্যানেজ করা, যেখানে লিকুইড-কুলিং সিস্টেমকে তার সর্বোচ্চ ক্ষমতায় কাজ করতে হবে।

৩. Yamaha Niken GT-এর ফুয়েল ম্যানেজমেন্ট এবং রেঞ্জ

Yamaha Niken GT-তে ১৮ লিটারের ফুয়েল ট্যাঙ্ক রয়েছে, যা এর আনুমানিক ১৭ km/l mileage বিবেচনায় প্রয়োজনীয়। ঢাকা বা চট্টগ্রামের মতো স্টপ-অ্যান্ড-গো ট্রাফিক কন্ডিশনে ইঞ্জিনের ডিসপ্লেসমেন্ট এবং বাইকের ওজনের কারণে প্রকৃত ফুয়েল খরচ আরও কম হতে পারে। EFI সঠিক ফুয়েল ডেলিভারি নিশ্চিত করলেও, CP3 ইঞ্জিনের হাই-পারফরম্যান্স ১১৫ PS আউটপুট বজায় রাখতে সাধারণত হাই-অক্টেন ফুয়েল প্রয়োজন হয়।

মালিকানাধীন অভিজ্ঞতার জন্য একটি বাস্তবসম্মত ফুয়েল বাজেট থাকা প্রয়োজন। ফুল ট্যাঙ্কে তাত্ত্বিকভাবে প্রায় ৩০০ কিমি রেঞ্জ পাওয়া যেতে পারে, তবে রাইডারদের তাদের TFT ক্লাস্টারের দিকে কড়া নজর রাখা উচিত, কারণ আগ্রাসী থ্রোটল ব্যবহার বা যানজটে অলস বসে থাকলে ১৮ লিটার ফুয়েল দ্রুত শেষ হয়ে যাবে। এর প্রতি কিলোমিটার খরচ যেকোনো লোকাল কমিউটারের চেয়ে অনেক বেশি হবে।

৪. ভাঙা রাস্তায় কমফোর্ট এবং হ্যান্ডলিং

Yamaha Niken GT-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর টুইন লিনিং ফ্রন্ট ফর্ক। এই সেটআপটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে বাম্পগুলো আলাদাভাবে শুষে নিতে পারে, যা তাত্ত্বিকভাবে ভাঙা রাস্তা বা পাথুরে রাস্তায় সিঙ্গেল-ফর্ক বাইকের তুলনায় অনেক বেশি আরামদায়ক রাইড প্রদান করে। এর ৮৩৫ mm seat height কিছুটা বেশি, যা কম উচ্চতার রাইডারদের জন্য স্থির অবস্থায় দুই পা মাটিতে রাখতে চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

পিলিয়নের জন্য GT ট্রিমটিতে উন্নত সিটিং এবং গ্র্যাব রেইল রয়েছে, যা একে পিলিয়নসহ ট্যুরিংয়ের জন্য উপযুক্ত করে তোলে। তবে মোট লোড অনুযায়ী সাসপেনশন টিউন করতে হবে; পেছনের ২৮২ mm disc এবং মনোশককে সামনের দুটি চাকার বিশাল স্টপিং পাওয়ার এবং গ্রিপের সাথে ভারসাম্য বজায় রাখতে হয়। কাঁচা গ্রামীণ রাস্তায় সামনের বাড়তি ওজন স্ট্যাবিলিটি দিলেও কোনো বাধা দ্রুত কাটিয়ে ওঠার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।

৫. ব্রেকিং এবং সেফটি সিস্টেম

নিরাপত্তাই হলো Yamaha Niken GT-এর প্রধান সেলিং পয়েন্ট। মাটিতে তিনটি কন্টাক্ট প্যাচ থাকার কারণে ব্রেকিং ফোর্স আরও কার্যকরভাবে বণ্টিত হয়। ডুয়াল ২৯৮ mm front discs এবং ডুয়াল-চ্যানেল ABS মিলে বিশাল স্টপিং পাওয়ার প্রদান করে। এলএমডব্লিউ সিস্টেম কর্নারিংয়ের সময় সামনের চাকা পিছলে যাওয়ার ঝুঁকি কমায়, যা পিচ্ছিল রাস্তায় দুর্ঘটনার একটি সাধারণ কারণ।

উন্নত নিরাপত্তা সত্ত্বেও ফিজিক্সের নিয়ম অটুট থাকে। ২৭০ কেজি ওজনের বাইকটিকে হাই-স্পিড থেকে থামাতে উল্লেখযোগ্য দূরত্বের প্রয়োজন হয়। এতে থাকা অত্যাধুনিক TFT ক্লাস্টার রাইডারকে ট্র্যাকশন কন্ট্রোল এবং রাইড মোডগুলো মনিটর করতে সাহায্য করে, যা বিভিন্ন আবহাওয়ায় ১১৫ PS পাওয়ার নিরাপদে পরিচালনার জন্য জরুরি।

৬. বিল্ড কোয়ালিটি এবং ভিজ্যুয়াল ইন্সপেকশন

Yamaha Niken GT-এর বিল্ড কোয়ালিটি সাধারণত প্রিমিয়াম, যাতে রয়েছে হাই-গ্রেড প্লাস্টিক, মজবুত ওয়েল্ডিং এবং এলএমডব্লিউ লিঙ্কেজের উন্নত ফিনিশিং। এর এলইডি লাইটিং সিস্টেম এবং ৭-ইঞ্চি TFT display একে একটি ফ্ল্যাগশিপ টেকনোলজিক্যাল শোকেস হিসেবে তুলে ধরে। তবে সামনের অংশের জটিলতার মানে হলো এতে অনেক বেশি মুভিং পার্টস, বেয়ারিং এবং জয়েন্ট রয়েছে যা নিয়মিত ক্ষয় বা লুজ হয়ে যাওয়ার জন্য পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

বাংলাদেশের মতো উচ্চ আর্দ্রতার পরিবেশে লিনিং মেকানিজম পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত জরুরি। টুইন-ফর্ক অ্যাসেম্বলিতে ধুলোবালি জমলে সময়ের সাথে সাথে লিনিং অ্যাকশনের মসৃণতা প্রভাবিত হতে পারে। ক্রেতাদের নিয়মিত ফর্ক সিল এবং এলএমডব্লিউ পিভট পয়েন্টগুলো পরীক্ষা করা উচিত।

৭. বাংলাদেশে পার্টস এবং সার্ভিস প্রাপ্যতা

যেহেতু Yamaha Niken GT স্থানীয় ডিলারশিপের মাধ্যমে বিক্রি হওয়া কোনো সাধারণ মডেল নয়, তাই পার্টস প্রাপ্যতা একটি বড় চিন্তার বিষয়। বিশেষায়িত পার্টস—বিশেষ করে এলএমডব্লিউ লিঙ্কেজ, ইউনিক ১৫-ইঞ্চি front tires (120/70R15), এবং নির্দিষ্ট ফেয়ারিং প্যানেলগুলো সম্ভবত অনুরোধ সাপেক্ষে আমদানি করতে হবে। এতে মেরামতের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হতে পারে।

ইঞ্জিনের সাধারণ কনজিউমেবল যেমন অয়েল ফিল্টার বা স্পার্ক প্লাগ MT-09 এর সাথে মিল থাকতে পারে, কিন্তু চ্যাসিস পার্টসগুলো একেবারেই আলাদা। বাংলাদেশে Leaning Multi-Wheel সিস্টেমের ওপর বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত টেকনিশিয়ান খুঁজে পাওয়া অত্যন্ত কঠিন হবে, যার ফলে হাই-এন্ড স্পেশালাইজড ইমপোর্টার ছাড়া অফিসিয়াল সার্ভিস সাপোর্ট পাওয়া প্রায় অসম্ভব।

৮. মেইনটেন্যান্স এবং রিসেল ভ্যালু

Yamaha Niken GT-এর মেইনটেন্যান্স খরচ সাধারণ মোটরসাইকেলের চেয়ে স্বাভাবিকভাবেই বেশি। আপনাকে দুটি ফ্রন্ট টায়ার পরিবর্তন করতে হবে, চারটি ফ্রন্ট ফর্ক লেগ সার্ভিস করতে হবে এবং একটি জটিল লিনিং মেকানিজম রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে যাতে নিয়মিত লুব্রিকেশন এবং অ্যালাইনমেন্ট চেকিং প্রয়োজন। ৮৯০ সিসি ইঞ্জিনের জন্য উচ্চমানের সিন্থেটিক অয়েল এবং ইয়ামাহার গ্লোবাল শিডিউল অনুযায়ী রুটিন ভালভ ক্লিয়ারেন্স চেক প্রয়োজন।

বাংলাদেশে এমন একটি ইউনিক মেশিনের রিসেল ভ্যালু অনিশ্চিত। এর নোভেল্টি ভ্যালু থাকলেও, থ্রি-হুইল ৯০০ সিসি ট্যুরারের জন্য ক্রেতার সংখ্যা খুব সীমিত। এটি দ্রুত বিক্রির যোগ্য সম্পদের চেয়ে বরং একটি দীর্ঘমেয়াদী রাইডিং অভিজ্ঞতা হিসেবে কেনা উচিত। সম্ভাব্য ক্রেতাদের উচিত এটিকে একটি দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ হিসেবে দেখা, যা সহজে বিক্রি করা সম্ভব নাও হতে পারে।

ভালো দিক (Pros)

  • Leaning Multi-Wheel (LMW) টেকনোলজির কারণে সামনের চাকায় অতুলনীয় গ্রিপ এবং স্ট্যাবিলিটি পাওয়া যায়।
  • শক্তিশালী 890cc CP3 ইঞ্জিন হাই-স্পিড ট্যুরিংয়ের জন্য লিনিয়ার পাওয়ার ডেলিভারি নিশ্চিত করে।
  • Quick Shifter এবং ৭-ইঞ্চি TFT display-সহ হাই-স্পেসিফিকেশন ইলেকট্রনিক্স।
  • ডুয়াল ২৯৮ mm front discs এবং স্ট্যান্ডার্ড dual-channel ABS এর মাধ্যমে উন্নত ব্রেকিং কনফিডেন্স।
  • ১৮ লিটার বড় ফুয়েল ট্যাঙ্ক এবং আরামদায়ক seat height-সহ ট্যুরিং-বান্ধব এরগোনোমিক্স।

খারাপ দিক (Cons)

  • ২৭০ কেজি (wet weight) ওজন হওয়ার কারণে লো-স্পিড ম্যানুয়াল ম্যানুয়েভারিং বা সরু জায়গায় ঘুরানো অত্যন্ত কঠিন।
  • ৬৫ লক্ষ টাকার (BDT) বেশি আনুমানিক price মূলধারার বাজারের ক্রেতাদের জন্য সাধ্যের বাইরে।
  • এর ইউনিক twin-fork front আর্কিটেকচারের জন্য বিশেষ টেকনিশিয়ান ট্রেনিং এবং টুলস প্রয়োজন।
  • Front-heavy এবং থ্রি-হুইল কনফিগারেশনের কারণে এটি সরু গলিতে সাধারণ বাইকের চেয়ে অনেক বেশি জায়গা দখল করে।

শেষ কথা (Verdict)

Yamaha Niken GT একটি টেকনোলজিক্যাল বিস্ময় যা অতুলনীয় স্ট্যাবিলিটি প্রদান করে, কিন্তু বাংলাদেশের বাজারে এটি একটি জটিল এবং ব্যয়বহুল বাইক হিসেবেই রয়ে গেছে। এর ১১৫ PS ইঞ্জিন এবং এলএমডব্লিউ (LMW) সিস্টেম তাদের জন্যই সবচেয়ে উপযুক্ত যারা আনুমানিক ৬৫ লক্ষ টাকা price এবং এই ইউনিক ও ভারী থ্রি-হুইল মেশিনটি মেইনটেইন করার লজিস্টিক্যাল চ্যালেঞ্জ বহন করতে পারবেন। বেশিরভাগ মানুষের জন্য এটি একটি অসাধারণ ইঞ্জিনিয়ারিং নিদর্শন হলেও দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য প্রাকটিক্যাল নয়।

Similar Bikes