Yamaha Tracer 9 GT Tech Black side view
Tech Black

Yamaha Tracer 9 GT Price in Bangladesh 2026

Estimated price

৳58,56,000

Not available in Bangladesh

Estimated price

Last updated:

USA vs Bangladesh price

USA price (US$15,999)
৳19,51,878
Tax & other costs
+ ৳39,04,122
Estimated price in Bangladesh
৳58,56,000

Short Specifications

Engine capacity
890 cc
Maximum power
119 PSat 10,000 rpm
Maximum torque
93 Nmat 7,000 rpm
Mileage
19 km/l (approx.)
ABS
Dual-channel ABS
Tubeless tyres
Yes
Seat height
810 mm
Kerb weight
223 kg
Top speed
220 km/h (approx.)

Yamaha Tracer 9 GT Price in Bangladesh

Yamaha Tracer 9 GT is not officially sold in Bangladesh, but its estimated price in Bangladesh in 2026 is around ৳58,56,000. This adventure bike is powered by a 890cc liquid-cooled, inline 3-cylinder cp3, dohc, 12-valve engine that produces 119 PS @ 10,000 rpm, with a maximum torque of 93 Nm @ 7,000 rpm. The Tracer 9 GT gives a mileage of around 19 km/l. It comes with dual-channel ABS and tubeless tyres. Seat height is 810 mm and kerb weight is 223 kg. Top speed: about 220 km/h. It is available in 1 colour: Tech Black. Check the Yamaha Tracer 9 GT full specifications, price breakdown and comparison below before you buy.

ইয়ামাহা Tracer 9 GT দাম বাংলাদেশে 2026: ৳58,56,000

Yamaha Tracer 9 GT Colours

Tech Black

Yamaha Tracer 9 GT Full Specifications

General

Brand
Yamaha
Model
Tracer 9 GT
Category
Adventure
Model year
2026
Price
৳58,56,000 (estimated price)

Engine and Transmission

Engine type
Liquid-cooled, inline 3-cylinder CP3, DOHC, 12-valve
Cooling system
Liquid-cooled
Fuel system
Fuel injection
Transmission
6-speed with quick shifter

Brakes and Tyres

Front brake
Dual 298 mm disc
Rear brake
267 mm disc
Front tyre
120/70ZR17 tubeless
Rear tyre
180/55ZR17 tubeless

Suspension and Chassis

Front suspension
KYB semi-active fork
Rear suspension
Not available

Dimensions and Weight

Ground clearance
Not available
Wheelbase
Not available
Overall dimensions (L × W × H)
Not available

Electrical and Features

Headlight
LED with cornering lights
Instrument cluster
Dual 7-inch TFT
Battery
Not available
Features
Semi-active suspension, Hard side cases, Cruise control

Additional Information

Available colours
Tech Black
Warranty
Not available
Availability
Available
Last updated
2026-10-15

Yamaha Tracer 9 GT Rating

Overall 79/100

Design
86%
Comfort
88%
Engine performance
97%
Mileage
46%
Brand reliability
90%
Resale value
67%

Our estimate based on specifications, brand and price.

Yamaha Tracer 9 GT FAQ — সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

Yamaha Tracer 9 GT price in Bangladesh 2026 কত?

Yamaha Tracer 9 GT বাংলাদেশে অফিসিয়ালি বিক্রি হয় না। আমদানি করলে আনুমানিক price হতে পারে ৳58,56,000।

Yamaha Tracer 9 GT-এর mileage কত?

Yamaha Tracer 9 GT প্রায় 19 km/l (approx.) mileage দেয়।

Yamaha Tracer 9 GT কত cc এবং power কত?

Yamaha Tracer 9 GT-এ 890cc engine আছে, power 119 PS @ 10,000 rpm, torque 93 Nm @ 7,000 rpm।

Yamaha Tracer 9 GT-এ কি ABS আছে?

হ্যাঁ, Yamaha Tracer 9 GT-এ Dual-channel ABS আছে।

Yamaha Tracer 9 GT-এর top speed কত?

Yamaha Tracer 9 GT-এর top speed প্রায় 220 km/h (approx.)।

Yamaha Tracer 9 GT-এর seat height ও weight কত?

Seat height 810 mm এবং weight 223 kg।

Yamaha Tracer 9 GT কোন কোন colour-এ পাওয়া যায়?

Yamaha Tracer 9 GT 1টি colour-এ পাওয়া যায়: Tech Black।

Yamaha Tracer 9 GT Review: বাংলাদেশে ownership এর বিস্তারিত বিশ্লেষণ

Yamaha Tracer 9 GT একটি প্রিমিয়াম স্পোর্ট-ট্যুরিং সেগমেন্টের হাই-পারফরম্যান্স মেশিন যাতে রয়েছে ৮৯০সিসি লিকুইড-কুলড ইনলাইন ৩-সিলিন্ডার ইঞ্জিন। বাংলাদেশে এর সম্ভাব্য price প্রায় ৫,৮৫৬,০০০ টাকা (উচ্চ আমদানি শুল্কসহ)। এই Bike Price Bangladesh পর্যালোচনাটি কোনো রোড-টেস্ট রিপোর্ট নয়, বরং এর স্পেসিফিকেশনের ওপর ভিত্তি করে একটি সম্পাদকীয় বিশ্লেষণ। যদিও এটি অ্যাভেইলেবল হিসেবে তালিকাভুক্ত, তবে এটি মূলত একটি ওভারসিজ মডেল যা বর্তমানে বাংলাদেশের ইয়ামাহা পার্টনাররা অফিশিয়ালি ডিস্ট্রিবিউশন করছে না। একজন বাংলাদেশি রাইডারের জন্য এটি কতটুকু উপযোগী হবে তা নির্ভর করবে এর অত্যাধুনিক KYB semi-active suspension এবং CP3 পাওয়ার ডেলিভারি আমাদের স্থানীয় রাস্তা এবং সার্ভিস অবকাঠামোতে কেমন পারফর্ম করে তার ওপর।

১. Yamaha Tracer 9 GT-এর জন্য আদর্শ রাইডার কারা?

Yamaha Tracer 9 GT এমন অভিজ্ঞ মোটরসাইকেল চালকদের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে যারা শহরের জ্যামে বাইক চালানোর চেয়ে হাইওয়েতে দূরপাল্লার স্থিতিশীলতাকে বেশি গুরুত্ব দেন। ২২৩ কেজি curb weight হওয়ার কারণে কম গতিতে বাইক নিয়ন্ত্রণ বা পার্ক করার জন্য ভালো শারীরিক শক্তির প্রয়োজন হয়। এটি ঢাকা, চট্টগ্রাম বা সিলেটের মতো বড় শহরগুলোর মধ্যে যাতায়াতের জন্য উপযুক্ত, প্রতিদিনের শহরের ছোটখাটো যাতায়াতের জন্য নয়।

এর ৮১০ মিমি seat height একটি বড় অ্যাডভেঞ্চার-ট্যুরারের জন্য মোটামুটি নাগালের মধ্যে হলেও, বাইকটির প্রশস্ততা মাথায় রাখতে হবে। ট্রাফিক সিগন্যালে বারবার থামার সময় বাইকটির বিশাল ওজন সামলানোর সক্ষমতা চালকের আছে কি না তা বিবেচনা করা উচিত, কারণ এর ওজন বন্টন হাই-স্পিড স্ট্যাবিলিটির জন্য তৈরি করা হয়েছে।

২. Yamaha Tracer 9 GT ইঞ্জিন ডাইনামিক্স: পাওয়ার বনাম টর্ক বিশ্লেষণ

Yamaha Tracer 9 GT-এর মূল শক্তি হলো এর ৮৯০সিসি CP3 ইঞ্জিন, যা ১০,০০০ rpm-এ ১১৯ PS এবং ৭,০০০ rpm-এ ৯৩ Nm torque তৈরি করে। টুইন-সিলিন্ডারের তুলনায় এর ট্রিপল-সিলিন্ডার কনফিগারেশন লো-এন্ড গ্রান্ট এবং হাই-RPM পারফরম্যান্সের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখে। তবে টর্ক ৭,০০০ rpm-এ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায় বলে পাহাড়ি রাস্তা বা ভারি মালামাল নিয়ে চলার সময় কুইক শিফটার এবং ৬-স্পিড গিয়ারবক্সের সঠিক ব্যবহার প্রয়োজন।

বাংলাদেশের উষ্ণ জলবায়ুতে ৩-সিলিন্ডারের তাপ নিয়ন্ত্রণ করতে এর লিকুইড-কুলিং সিস্টেম অত্যন্ত জরুরি। যদিও ২২০ কিমি/ঘন্টা top speed একটি তাত্ত্বিক সংখ্যা, কিন্তু বাস্তব জীবনে এই ইঞ্জিনের আসল সুবিধা হলো হাইওয়েতে কোনো প্রকার ভাইব্রেশন ছাড়াই দীর্ঘক্ষণ চলা এবং বড় ট্রাক বা লরিকে ওভারটেক করার মতো যথেষ্ট পাওয়ার রিজার্ভ রাখা।

৩. ফুয়েল খরচ এবং বাজেট পরিকল্পনা

প্রতি লিটারে প্রায় ১৯ কিমি/লিটার (mileage) মাইলেজ পাওয়া এই বাইকটি সাধারণ লোকাল বাইকের তুলনায় বেশ ব্যয়বহুল। বাংলাদেশের যানজট এবং ঘনঘন আইডলিংয়ের কারণে এই মাইলেজ আরও কমে যেতে পারে। মালিকদের প্রিমিয়াম ফুয়েল বা হাই-অকটেন ব্যবহারের বাজেট রাখতে হবে, কারণ এর অত্যাধুনিক ফুয়েল ইনজেকশন সিস্টেম (EFI) এবং হাই-কম্প্রেশন ইঞ্জিন ফুয়েলের বিশুদ্ধতার ব্যাপারে অত্যন্ত সংবেদনশীল।

এর ১৯ লিটারের ফুয়েল ট্যাংক ট্যুরিংয়ের জন্য একটি বড় প্লাস পয়েন্ট, যা এক ফুল ট্যাংকে ৩০০ কিমি-র বেশি রেঞ্জ দিতে পারে। তবে হাইওয়েতে ভালো মানের ফুয়েল স্টেশন খুঁজে পাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে, কারণ নিম্নমানের পেট্রোল দীর্ঘমেয়াদে ইনজেক্টরের ক্ষতি করতে পারে।

৪. বাংলাদেশের ভাঙা রাস্তায় আরাম ও হ্যান্ডলিং

Yamaha Tracer 9 GT-এর অন্যতম বড় সুবিধা হলো এর KYB semi-active suspension। এই সিস্টেমটি রাস্তার অবস্থা বুঝে রিয়েল-টাইমে ড্যাম্পিং ফোর্স অ্যাডজাস্ট করে, যা মসৃণ পিচ ঢালা রাস্তা থেকে হঠাৎ ভাঙা রাস্তা বা গ্রাভেলের রাস্তায় প্রবেশের সময় রাইডারের স্বাচ্ছন্দ্য বজায় রাখে। এটি ম্যানুয়াল অ্যাডজাস্টমেন্ট ছাড়াই টায়ারের গ্রিপ ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

পিলিয়ন বা পেছনের যাত্রীর আরামের জন্য এতে প্রশস্ত সিট এবং গ্র্যাব রেইল রয়েছে। যাত্রী এবং মালামালের অতিরিক্ত ওজনের সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য এর সাসপেনশন অটোমেটিক অ্যাডজাস্ট হতে পারে। তবে এর ১৭-ইঞ্চি চাকা (১২০/৭০ সামনে, ১৮০/৫৫ পেছনে) মূলত রাস্তার জন্য তৈরি, তাই গভীর কাদা বা বালিতে এই বাইক চালানো ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

৫. সেফটি সিস্টেম এবং ব্রেকিং পারফরম্যান্স

ব্রেকিংয়ের জন্য এতে রয়েছে ২৯৮ মিমি ডুয়াল ফ্রন্ট ডিস্ক এবং ২৬৭ মিমি রিয়ার ডিস্ক, সাথে ডুয়াল চ্যানেল ABS। বাংলাদেশের অনিশ্চিত ট্রাফিক ব্যবস্থায় যেখানে হঠাৎ বাধা আসার সম্ভাবনা থাকে, সেখানে এর কর্নারিং লাইট এবং উন্নত ইলেকট্রনিক্স সেফটি মার্জিন অনেক বাড়িয়ে দেয়।

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের মতো হাইওয়েতে ক্রুজ কন্ট্রোল ফিচারটি রাইডারের ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করবে। তবে বাংলাদেশের বিশৃঙ্খল ট্রাফিক পরিস্থিতিতে ইলেকট্রনিক ফিচারের ওপর পুরোপুরি নির্ভর না করে রাইডারকে সবসময় সতর্ক থাকতে হবে।

৬. বিল্ড কোয়ালিটি এবং ইলেকট্রনিক্স পরিদর্শন

Yamaha Tracer 9 GT-তে রয়েছে ডুয়াল ৭-ইঞ্চি TFT ক্লাস্টার, যা প্রচুর তথ্য দিলেও ইলেকট্রনিক জটিলতা বাড়াতে পারে। সম্ভাব্য ক্রেতাদের উচিত বাইকটির সুইচগিয়ার এবং হার্ড কেসগুলোর মাউন্টিং ভালোভাবে পরীক্ষা করা, যাতে আমাদের দেশের রাস্তার ভাইব্রেশনে এগুলো টেকসই হয়। যদিও ইয়ামাহার বৈশ্বিক বিল্ড কোয়ালিটি অত্যন্ত ভালো, তবে আমাদের দেশের আর্দ্র আবহাওয়ায় দীর্ঘমেয়াদে এই ইলেকট্রনিক্সগুলো কেমন কাজ করবে তা ভাববার বিষয়।

এর LED লাইটিং এবং কর্নারিং লাইট ফ্যাক্টরি ইকুইপমেন্ট হিসেবে খুবই উন্নত মানের। ক্রেতাদের নিশ্চিত করতে হবে যে সব ইলেকট্রনিক ইন্টারফেস ঠিকঠাক কাজ করছে কি না, কারণ TFT ডিসপ্লে বা সেন্সরযুক্ত সাসপেনশন মেরামত করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং টেকনিক্যালি কঠিন হতে পারে।

৭. স্পেয়ার পার্টস এবং সার্ভিস চ্যালেঞ্জ

বাংলাদেশে Yamaha Tracer 9 GT একটি বিরল মডেল হওয়ার কারণে এর অয়েল ফিল্টার, এয়ার ফিল্টার বা ব্রেক প্যাডের মতো পার্টসগুলো বিদেশ থেকে অর্ডার দিয়ে আনতে হতে পারে এবং এতে সময় লাগতে পারে। সাধারণ সার্ভিস সেন্টারগুলোতে হয়তো এর semi-active suspension বা CP3 ইঞ্জিনের ECU ডায়াগনস্টিক করার মতো টুলস থাকবে না।

ক্রেতাদের এমন ওয়ার্কশপের সাথে যোগাযোগ রাখতে হবে যারা বড় মাল্টি-সিলিন্ডার বাইক মেরামত করতে সক্ষম। এই বাইকের মেইনটেন্যান্স খরচ সাধারণ বাইকের চেয়ে অনেক বেশি হবে, কারণ এতে স্পেশালাইজড লুব্রিকেন্ট এবং প্রিমিয়াম কম্পোনেন্ট ব্যবহার করা হয়।

৮. ব্যবহৃত বাইক কেনা এবং রিসেল ভ্যালু

বাংলাদেশে Yamaha Tracer 9 GT-এর রিসেল ভ্যালু নির্ভর করবে এর বিশেষত্ব বা নিশ স্ট্যাটাসের ওপর। ইয়ামাহা ব্র্যান্ডের ভালো ফ্যানবেস থাকলেও কোটি টাকার উপরে দামের স্পোর্ট-ট্যুরার কেনার মতো ক্রেতা খুব কম। সঠিক সার্ভিস হিস্ট্রি এবং অরিজিনাল এক্সেসরিজসহ বাইকটির ভ্যালু ভালো থাকবে।

পুরানো Tracer 9 GT কেনার সময় ইলেকট্রনিক সাসপেনশন এবং কুইক শিফটারের কার্যকারিতা ভালোভাবে পরীক্ষা করা উচিত। ফ্রেম বা ইঞ্জিনে কোনো দুর্ঘটনার চিহ্ন থাকলে তা এড়িয়ে চলাই ভালো, কারণ এই ৮৯০সিসি মেশিনের পার্টস বাংলাদেশে সহজলভ্য নয়। এটি কেনা একটি প্রিমিয়াম লাইফস্টাইল চয়েস, বাজেট যাতায়াতের মাধ্যম নয়।

ভালো দিক (Pros)

  • এর ৮৯০সিসি CP3 ইঞ্জিন ট্যুরিংয়ের জন্য চমৎকার power-to-weight ratio প্রদান করে এবং ১১৯ PS পাওয়ারের মাধ্যমে হাইওয়েতে খুব সহজে ওভারটেক করা যায়।
  • স্ট্যান্ডার্ড KYB semi-active suspension রিয়েল-টাইম ড্যাম্পিং অ্যাডজাস্ট করতে পারে, যা বিভিন্ন ধরণের রাস্তার অবস্থার সাথে খাপ খাইয়ে নিতে অত্যন্ত কার্যকর।
  • এতে রয়েছে ক্রুজ কন্ট্রোল এবং কর্নারিং লাইট সহ বিস্তৃত ইলেকট্রনিক্স প্যাকেজ, যা রাতে দূরপাল্লার রাইডিংয়ে নিরাপত্তা বাড়ায়।
  • এর ১৯ লিটারের ফুয়েল ট্যাংক দীর্ঘ ভ্রমণের সুবিধা দেয়, ফলে বারবার ফুয়েল নেওয়ার ঝামেলা কমে।
  • বাইকটির সাথে থাকা স্ট্যান্ডার্ড হার্ড সাইড কেসগুলো দীর্ঘ ভ্রমণে মালামাল সুরক্ষিত এবং শুষ্ক রাখতে সাহায্য করে।

খারাপ দিক (Cons)

  • ২২৩ কেজি (Curb weight) ওজন হওয়ার কারণে শহরের ট্রাফিক এবং সরু রাস্তায় পার্কিংয়ের সময় যথেষ্ট শারীরিক শক্তির প্রয়োজন হয়।
  • এর জটিল semi-active suspension এবং ডুয়াল TFT ইলেকট্রনিক্স সিস্টেম মেরামত করার জন্য বাংলাদেশের বড় শহরগুলোর বাইরে বিশেষজ্ঞ মেকানিক বা সার্ভিস সেন্টারের অভাব হতে পারে।
  • ৮৯০সিসি CP3 ইঞ্জিনের জন্য হাই-অকটেন ফুয়েল প্রয়োজন, যা বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে পাওয়া ফুয়েলের মানের সাথে সংবেদনশীল হতে পারে।
  • উচ্চ আমদানি শুল্কের কারণে এই বাইকটির দাম অনেক বেশি, যা একে বাংলাদেশের বাজারে একটি লাক্সারি নিশ পণ্যে পরিণত করেছে।

শেষ কথা (Verdict)

Yamaha Tracer 9 GT একটি অত্যন্ত আধুনিক এবং হাই-পারফরম্যান্স ট্যুরিং মেশিন যা অ্যাডভেঞ্চার-স্পোর্ট ক্যাটাগরিতে অনন্য প্রযুক্তি প্রদান করে। তবে বাংলাদেশে ৫,৮৫৬,০০০ টাকার আনুমানিক মূল্য এবং এর ৮৯০সিসি ইঞ্জিনের কারিগরি চাহিদার কারণে এটি একটি এক্সক্লুসিভ লাক্সারি আইটেম হয়েই থাকবে। যারা দূরপাল্লার হাইওয়ে ট্যুরিং ভালোবাসেন এবং যাদের বিশেষায়িত সার্ভিস সেন্টারে যাওয়ার সুযোগ আছে, এটি মূলত তাদের জন্যই তৈরি। urban commuting বা শহরের যাতায়াতের চেয়ে এটি হাইওয়েতেই বেশি মানানসই।

Similar Bikes