TVS Stryker 125 Blue Black side view
Blue Black1 of 4 colours

TVS Stryker 125 Price in Bangladesh 2026

৳1,44,999

Listed price

Last updated:

India vs Bangladesh price

India price (₹80,000)
৳1,12,000
Tax & other costs
+ ৳32,999
Price in Bangladesh
৳1,44,999

Registration & tax token fee

For this 125cc bike · BRTA 100cc and above rate

2 years
৳11,764
10 years
৳20,964

Short Specifications

Engine capacity
125 cc
Maximum power
11 bhpat 8,000 rpm
Maximum torque
10.8 Nmat 5,500 rpm
Mileage
50 km/l (approx.)
ABS
No ABS
Tubeless tyres
Yes
Seat height
790 mmEst.
Kerb weight
117 kg
Top speed
100 km/h (approx.)

TVS Stryker 125 Price in Bangladesh

The TVS Stryker 125 price in Bangladesh is ৳1,44,999. This commuter bike is powered by a 125cc single-cylinder, 4-stroke, 2-valve, air-cooled engine that produces 11 bhp @ 8,000 rpm, with a maximum torque of 10.8 Nm @ 5,500 rpm. The Stryker 125 gives a mileage of around 50 km/l. It comes with a normal (non-ABS) braking system and tubeless tyres. Seat height is 790 mm and kerb weight is 117 kg. Top speed: about 100 km/h. It is available in 4 colours: Blue Black, Red, Green Black, Titanium Grey. Check the TVS Stryker 125 full specifications, price breakdown and comparison below before you buy.

টিভিএস Stryker 125 দাম বাংলাদেশে 2026: ৳1,44,999

TVS Stryker 125 Colours in Bangladesh

Blue Black · Red · Green Black · Titanium Grey

TVS Stryker 125 Full Specifications

General

Brand
TVS
Model
Stryker 125
Category
Commuter
Model year
2026
Price
৳1,44,999 (listed price)

Engine and Transmission

Engine type
Single-cylinder, 4-stroke, 2-valve, air-cooled
Cooling system
Air-cooled
Fuel system
Carburettor
Transmission
4-speed

Brakes and Tyres

Front brake
240 mm disc
Rear brake
130 mm drum
Front tyre
2.75-17 tubeless
Rear tyre
90/90-17 tubeless

Suspension and Chassis

Front suspension
Telescopic fork
Rear suspension
Toggle-link with hydraulic damper

Dimensions and Weight

Ground clearance
175 mmEst.
Wheelbase
1,275 mmEst.
Overall dimensions (L × W × H)
Not available

Electrical and Features

Headlight
Halogen
Instrument cluster
Digital-analogue
Battery
Not available
Features
Muscular 125cc commuter styling, Digital speedometer with analogue RPM meter, Front disc brake, Assembled in Bangladesh

Additional Information

Available colours
Blue Black, Red, Green Black, Titanium Grey
Warranty
Not available
Availability
Available
Last updated
2026-10-15

TVS Stryker 125 Rating

Overall 72/100

Design
66%
Comfort
78%
Engine performance
55%
Mileage
80%
Brand reliability
82%
Resale value
72%

Our estimate based on specifications, brand and price.

TVS Stryker 125 FAQ — সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

TVS Stryker 125 price in Bangladesh 2026 কত?

বাংলাদেশে TVS Stryker 125-এর বর্তমান price ৳1,44,999।

TVS Stryker 125-এর registration fee কত?

125cc বাইক হিসেবে tax token সহ registration খরচ ২ বছরের জন্য প্রায় ৳11,764 এবং ১০ বছরের জন্য প্রায় ৳20,964।

TVS Stryker 125-এর mileage কত?

TVS Stryker 125 প্রায় 50 km/l (approx.) mileage দেয়।

TVS Stryker 125 কত cc এবং power কত?

TVS Stryker 125-এ 125cc engine আছে, power 11 bhp @ 8,000 rpm, torque 10.8 Nm @ 5,500 rpm।

TVS Stryker 125-এ কি ABS আছে?

না, TVS Stryker 125-এ ABS নেই।

TVS Stryker 125-এর top speed কত?

TVS Stryker 125-এর top speed প্রায় 100 km/h (approx.)।

TVS Stryker 125-এর seat height ও weight কত?

Seat height 790 mm এবং weight 117 kg।

বাংলাদেশে TVS Stryker 125 কোন কোন colour-এ পাওয়া যায়?

TVS Stryker 125 4টি colour-এ পাওয়া যায়: Blue Black, Red, Green Black, Titanium Grey।

TVS Stryker 125 Review: বাংলাদেশে ownership এবং কেনার গাইড

TVS Stryker 125 মূলত সেইসব বাংলাদেশি রাইডারদের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে যারা একটি প্র্যাকটিক্যাল কমিউটার চান, কিন্তু লুক হতে হবে আকর্ষণীয়। Tk 144,999 মূল্যে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে এই বাইকটি, যা TVS Auto Bangladesh-এর লাইনআপে Raider-এর নিচে অবস্থান করছে। এর মাসকুলার স্টাইলিং, ফ্রন্ট disc এবং হালকা ওজন একটি চমৎকার কম্বিনেশন তৈরি করেছে। তবে carburettor, four-speed gearbox এবং ABS না থাকা এর সীমাবদ্ধতা প্রকাশ করে। এটি একটি স্পেসিফিকেশন-ভিত্তিক অ্যাসেসমেন্ট, কোনো লং-টার্ম রোড টেস্টের দাবি নয়।

কার TVS Stryker 125 কেনা উচিত?

TVS Stryker 125 মূলত অফিসগামী যাত্রী, ছাত্র এবং যারা পরিবারের কাজে বাইক ব্যবহার করেন তাদের জন্য উপযুক্ত, যাদের যাতায়াত মূলত শহরকেন্দ্রিক। বাংলাদেশে এই বাইকের অ্যাসেম্বলি এবং শক্তিশালী ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক মালিকানার ক্ষেত্রে একটি ভরসার জায়গা তৈরি করে, যদিও এটি ত্রুটিমুক্ত সার্ভিসের গ্যারান্টি দেয় না। এর স্টাইলিং একটি সাধারণ কমিউটারের চেয়ে বেশি ভিজ্যুয়াল প্রেজেন্স দেয়; তবে ক্রেতাদের উচিত হবে না এই লুক দেখে একে স্পোর্টি পারফরম্যান্সের বাইক ভাবা।

117 kg ওজনের TVS Stryker 125 জ্যামের মধ্যে বা পার্কিং স্পেসে নাড়াচাড়া করা বেশ সহজ হবে। এর 790 mm seat height সরাসরি শোরুমে গিয়ে চেক করা ভালো। পিলিয়ন রাইডারসহ রাইড করার পরিকল্পনা থাকলে শোরুমের ছবি দেখে আরামের বিচার না করে দুজনে সরাসরি বসে দেখা উচিত।

TVS Stryker 125 engine: কার্যকর পাওয়ার, কিন্তু গতির সীমাবদ্ধতা

TVS Stryker 125-এ ব্যবহার করা হয়েছে single-cylinder, air-cooled, two-valve ইঞ্জিন যা 8,000 rpm-এ 11 bhp এবং 5,500 rpm-এ 10.8 Nm টর্ক উৎপাদন করে। টর্ক যেহেতু পিক পাওয়ারের আগেই পাওয়া যায়, তাই এটি শহরের ট্রাফিকে ভালো পুল (pull) দিবে। এর হালকা ওজনের কারণে হাই-স্পিড রেসিংয়ের চেয়ে ট্রাফিকের ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য এটি বেশি উপযোগী। এর থ্রটল রেসপন্স এবং স্মুথনেস বোঝার জন্য একটি টেস্ট রাইড প্রয়োজন।

এর four-speed transmission মেকানিজম সহজ রাখে কিন্তু হাইওয়েতে ক্রুজিং বা এক্সিলারেশনের জন্য গিয়ার রেশিও কম। হাইওয়েতে ওভারটেক করার সময়, বিশেষ করে পিলিয়ন থাকলে পর্যাপ্ত জায়গা রাখা উচিত। এর 100 km/h এর কাছাকাছি top speed সবসময় বা সব পরিস্থিতিতে বজায় রাখা সম্ভব নয়। মনে রাখবেন এটি একটি ছোট কমিউটার, দ্রুতগতির গাড়ি পাস করার জন্য এতে খুব বেশি পাওয়ার রিজার্ভ থাকে না।

ঢাকা ট্রাফিকে TVS Stryker 125-এর mileage

TVS Stryker 125-এর প্রায় 50 km/l mileage-এর ফিগারটিকে একটি রেফারেন্স হিসেবে ধরুন, চূড়ান্ত প্রতিশ্রুতি হিসেবে নয়। ঢাকার জ্যাম, সিগনালে ইঞ্জিন চালু রাখা এবং লো-গিয়ারে বারবার রাইড করার ফলে মাইলেজ কমতে পারে। এছাড়া পিলিয়ন থাকা, টায়ারের প্রেশার কম থাকা বা carburettor টিউনিং ঠিক না থাকলেও মাইলেজ কমবে। ফাঁকা রাস্তায় ইঞ্জিনটি হয়তো ঘোষিত মাইলেজের কাছাকাছি পারফরম্যান্স দিতে পারে।

এর 10 L ফুয়েল ট্যাংক প্রতিদিনের কমিউটিংয়ের জন্য যথেষ্ট। তবে মাইলেজের সাথে গুণ করে এর রেঞ্জ হিসাব করলে সঠিক ফল পাওয়া যাবে না। কয়েকবার ফুল ট্যাংক তেল নিয়ে চেক করে প্রকৃত খরচ বের করা ভালো। বাইকের তেল খরচ বেড়ে গেলে ইঞ্জিনকে দোষ দেওয়ার আগে carburettor টিউনিং, air filter এবং চেইন অ্যাডজাস্টমেন্ট চেক করা জরুরি।

বাংলাদেশের রাস্তায় কমফোর্ট এবং হ্যান্ডলিং

TVS Stryker 125-এ টেলিস্কোপিক ফ্রন্ট ফর্ক এবং পেছনে হাইড্রোলিক ড্যাম্পারসহ টগল-লিঙ্ক সাসপেনশন রয়েছে। কেবল স্পেসিফিকেশন দিয়ে রাইড কমফোর্ট বোঝা যায় না; ভাঙা রাস্তায় এটি কেমন আচরণ করবে তা নির্ভর করে লোড এবং ড্যাম্পিংয়ের ওপর। উঁচু-নিচু রাস্তা বা ছোট গর্তে বাইকটি চালিয়ে চেক করুন যে ঝটকানি বা অতিরিক্ত বাউন্সিং হয় কি না। এছাড়া সিটের কুশনিং কেমন তা কেবল শোরুমে বসে বোঝা সম্ভব নয়।

এর 175 mm ground clearance খারাপ রাস্তার জন্য সহায়ক, কিন্তু বড় স্পিড ব্রেকারে পিলিয়নসহ রাইড করার সময় সতর্ক থাকতে হবে। এর 1,275 mm wheelbase এবং হালকা ওজন শহরের রাস্তায় সহজে কন্ট্রোল করার নিশ্চয়তা দেয়, কিন্তু হাই-স্পিডে স্ট্যাবিলিটির প্রমাণ দেয় না। বর্ষায় জলাবদ্ধ রাস্তায় চলার সময় মনে রাখবেন ইঞ্জিনে বা ইলেকট্রনিক্সে পানি ঢোকা বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

TVS Stryker 125-এর ব্রেকিং এবং নিরাপত্তা

TVS Stryker 125-এ রয়েছে 240 mm front disc এবং 130 mm rear drum, কিন্তু কোনো ABS নেই। ডিস্ক ব্রেক থাকাটা ভালো, কিন্তু ব্রেকিং পারফরম্যান্স টায়ার এবং রাইডারের দক্ষতার ওপর নির্ভর করে। ভেজা রাস্তা, বালু বা কাদা থাকলে হুট করে ব্রেক করলে চাকা লক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যারা সেফটির জন্য ABS-কে গুরুত্ব দেন, তাদের জন্য এটি একটি বড় ঘাটতি।

এর tubeless tyres সাধারণ পাংচারের ক্ষেত্রে সুবিধা দেয়। টায়ারের গ্রিপ এবং ভেজা রাস্তায় স্থায়িত্ব কেমন তা নিয়মিত পরীক্ষা করা উচিত। রাতে নিয়মিত যাতায়াত করার আগে এর হ্যালোজেন হেডলাইটের আলো পর্যাপ্ত কি না তা দেখে নিন। এর ডিজিটাল-অ্যানালগ ক্লাস্টারটি তথ্যবহুল, তবে দিনের আলোতে এর ভিজিবিলিটি চেক করা প্রয়োজন।

বিল্ড কোয়ালিটি এবং চেক পয়েন্টসমূহ

TVS Stryker 125-এর কোনো নির্দিষ্ট বড় যান্ত্রিক ত্রুটির প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি। তবে কেনার সময় পেইন্ট ফিনিশিং, নাট-বল্টু, প্যানেল ফিটিং এবং ওয়ারিং কানেক্টরগুলো ভালোভাবে দেখে নেওয়া উচিত। পুরোনো বা ইউজড বাইক কিনলে ফর্ক লিক, স্টিয়ারিং বেয়ারিং, টায়ারের ক্ষয় এবং চেইন চেক করা আবশ্যক।

ঠান্ডা অবস্থায় এবং ইঞ্জিন গরম থাকা অবস্থায় বাইকটি স্টার্ট দিয়ে দেখুন কোনো অস্বাভাবিক শব্দ হয় কি না। স্টার্ট হতে সমস্যা বা পেট্রোলের গন্ধ পাওয়া গেলে দ্রুত মেকানিককে দেখান। ক্লাচ এবং প্রতিটি গিয়ার স্মুথলি কাজ করছে কি না তা যাচাই করুন। পালিশ করা বডি দেখে মুগ্ধ না হয়ে বরং সার্ভিস রেকর্ড চেক করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

সার্ভিসিং, পার্টস এবং রিসেল ভ্যালু

বাংলাদেশে TVS-এর সুপ্রতিষ্ঠিত ডিস্ট্রিবিউটর থাকায় পার্টস পাওয়া অন্য অনেক চাইনিজ ব্র্যান্ডের চেয়ে সহজ। তবুও মডেল ভেদে সব পার্টস সব সময় সব জায়গায় পাওয়া নাও যেতে পারে। আপনার এলাকার নিকটস্থ শোরুমে ফিল্টার, ক্যাবল এবং ব্রেক কম্পোনেন্টের খোঁজ নিন। এছাড়া ফুয়েল ট্যাংক বা প্যানেলের মতো বড় পার্টসগুলোর সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা ভালো।

এর air-cooled ইঞ্জিন এবং carburettor হওয়ায় রক্ষণাবেক্ষণ সহজ ও সাশ্রয়ী হওয়ার কথা। তবে নিয়মিত সার্ভিসিং এবং পার্টস পরিবর্তনের খরচ আগেভাগে জেনে নেওয়া উচিত। রিসেল ভ্যালু নির্ভর করবে বাইকের কন্ডিশন এবং কাগজের ওপর। TVS পরিচিত ব্র্যান্ড হলেও কন্ডিশন খারাপ হলে ভালো রিসেল ভ্যালু আশা করা যায় না।

প্রতিযোগী এবং কেনার সিদ্ধান্ত

TVS Stryker 125 কেনার আগে একই বাজেটে Honda Shine, Hero Glamour এবং Bajaj Discover-এর ভেরিয়েন্টগুলোর স্পেসিফিকেশন ও দাম তুলনা করে নিন। বাজেট কিছুটা বাড়ালে TVS-এর ভেতরই Raider একটি চমৎকার অপশন হতে পারে। বাইকের অন-রোড প্রাইস (রেজিস্ট্রেশনসহ), ওয়ারেন্টি শর্তাবলী এবং ফ্রি সার্ভিস কয়টি পাবেন তা কেনার আগেই পরিষ্কারভাবে জেনে নিন।

ভালো দিক (Pros)

  • হালকা ওজনের কারণে প্রতিদিনের শহর ব্যবহারের জন্য খুব উপযোগী।
  • ফ্রন্ট disc এবং tubeless tyres বাইকটিতে প্র্যাকটিক্যাল ভ্যালু যোগ করেছে।
  • অসমান রাস্তার জন্য এর ground clearance বেশ কার্যকর।
  • বাংলাদেশে TVS-এর সুপ্রতিষ্ঠিত সার্ভিস ও পার্টস সাপোর্ট।
  • কমিউটার বাইক হওয়া সত্ত্বেও এর লুক বেশ মাসকুলার ও আকর্ষণীয়।

খারাপ দিক (Cons)

  • এমার্জেন্সি ব্রেকিংয়ের সহায়তার জন্য কোনো ABS নেই।
  • হাইওয়েতে ওভারটেকিং করার জন্য পর্যাপ্ত পাওয়ারের অভাব।
  • Four-speed gearbox হওয়ায় গিয়ার রেশিও নির্বাচনের সুযোগ কম।
  • Carburettor-এর কন্ডিশন এবং টিউনিংয়ের ওপর ইঞ্জিনের পারফরম্যান্স অনেকাংশে নির্ভরশীল।

শেষ কথা (Verdict)

TVS Stryker 125 শহরের যাতায়াতের জন্য একটি ভারসাম্যপূর্ণ বাইক। এটি কেনার সময় কেবল এর টপ স্পিড বা লুক না দেখে এর ওজন, পারফরম্যান্স এবং সার্ভিস সাপোর্টের বিষয়গুলো বিবেচনা করুন। হাইওয়ে রাইডিংয়ের চেয়ে শহরের জ্যামে সহজে চলার জন্য এটি সেরা। কেনার আগে একটি সঠিক লোডেড টেস্ট রাইড এবং কাছের ডিলার পয়েন্টে সার্ভিসিং সুবিধা নিশ্চিত করা মাসকুলার লুকের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

Similar Bikes