TVS Raider 125 Blazing Blue side view
Blazing Blue1 of 4 colours

TVS Raider 125 Price in Bangladesh 2026

৳1,69,900

Listed price

Last updated:

India vs Bangladesh price

India price (₹95,000)
৳1,33,000
Tax & other costs
+ ৳36,900
Price in Bangladesh
৳1,69,900

Registration & tax token fee

For this 125cc bike · BRTA 100cc and above rate

2 years
৳11,764
10 years
৳20,964

Short Specifications

Engine capacity
125 cc
Maximum power
12.7 bhpat 8,000 rpm
Maximum torque
11.5 Nmat 6,500 rpm
Mileage
50 km/l (approx.)
ABS
No ABS
Tubeless tyres
Yes
Seat height
790 mm
Kerb weight
120 kg
Top speed
110 km/h (approx.)

TVS Raider 125 Price in Bangladesh

The TVS Raider 125 price in Bangladesh is ৳1,69,900. This commuter bike is powered by a 125cc single-cylinder, 4-stroke, 3-valve, air/oil-cooled engine that produces 12.7 bhp @ 8,000 rpm, with a maximum torque of 11.5 Nm @ 6,500 rpm. The Raider 125 gives a mileage of around 50 km/l. It comes with a normal (non-ABS) braking system and tubeless tyres. Seat height is 790 mm and kerb weight is 120 kg. Top speed: about 110 km/h. It is available in 4 colours: Blazing Blue, Fiery Yellow, Wicked Black, Nardo Grey. Check the TVS Raider 125 full specifications, price breakdown and comparison below before you buy.

টিভিএস Raider 125 দাম বাংলাদেশে 2026: ৳1,69,900

TVS Raider 125 Colours in Bangladesh

Blazing Blue · Fiery Yellow · Wicked Black · Nardo Grey

TVS Raider 125 Full Specifications

General

Brand
TVS
Model
Raider 125
Category
Commuter
Model year
2026
Price
৳1,69,900 (listed price)

Engine and Transmission

Engine type
Single-cylinder, 4-stroke, 3-valve, air/oil-cooled
Cooling system
Air/oil-cooled
Fuel system
Carburettor
Transmission
5-speed

Brakes and Tyres

Front brake
240 mm disc
Rear brake
130 mm drum
Front tyre
80/100-17 tubeless
Rear tyre
100/90-17 tubeless

Suspension and Chassis

Front suspension
Telescopic fork
Rear suspension
5-step adjustable mono-shock, gas-charged

Dimensions and Weight

Ground clearance
180 mmEst.
Wheelbase
1,326 mm
Overall dimensions (L × W × H)
Not available

Electrical and Features

Headlight
LED
Instrument cluster
Digital
Battery
Not available
Features
Synchronised Braking Technology, LED headlight, Race-tuned 125cc engine, Assembled in Bangladesh

Additional Information

Available colours
Blazing Blue, Fiery Yellow, Wicked Black, Nardo Grey
Warranty
Not available
Availability
Available
Last updated
2026-10-15

TVS Raider 125 Rating

Overall 73/100

Design
67%
Comfort
78%
Engine performance
57%
Mileage
80%
Brand reliability
82%
Resale value
72%

Our estimate based on specifications, brand and price.

TVS Raider 125 FAQ — সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

TVS Raider 125 price in Bangladesh 2026 কত?

বাংলাদেশে TVS Raider 125-এর বর্তমান price ৳1,69,900।

TVS Raider 125-এর registration fee কত?

125cc বাইক হিসেবে tax token সহ registration খরচ ২ বছরের জন্য প্রায় ৳11,764 এবং ১০ বছরের জন্য প্রায় ৳20,964।

TVS Raider 125-এর mileage কত?

TVS Raider 125 প্রায় 50 km/l (approx.) mileage দেয়।

TVS Raider 125 কত cc এবং power কত?

TVS Raider 125-এ 125cc engine আছে, power 12.7 bhp @ 8,000 rpm, torque 11.5 Nm @ 6,500 rpm।

TVS Raider 125-এ কি ABS আছে?

না, TVS Raider 125-এ ABS নেই।

TVS Raider 125-এর top speed কত?

TVS Raider 125-এর top speed প্রায় 110 km/h (approx.)।

TVS Raider 125-এর seat height ও weight কত?

Seat height 790 mm এবং weight 120 kg।

বাংলাদেশে TVS Raider 125 কোন কোন colour-এ পাওয়া যায়?

TVS Raider 125 4টি colour-এ পাওয়া যায়: Blazing Blue, Fiery Yellow, Wicked Black, Nardo Grey।

TVS Raider 125 Review: বাংলাদেশে ownership এবং ভ্যালু বিশ্লেষণ

TVS Raider 125 মূলত সেই সব বাংলাদেশি রাইডারদের জন্য তৈরি করা হয়েছে যাদের যাতায়াতে সাশ্রয়ী commuter প্রয়োজন, কিন্তু একই সাথে সাধারণ বাইকের চেয়ে কিছুটা স্পোর্টি লুক পছন্দ করেন। ৳169,900 মূল্যে তালিকাভুক্ত এবং বর্তমানে মার্কেটে সহজলভ্য এই বাইকটিতে স্পোর্টি স্টাইলিংয়ের সাথে প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় ফিচারগুলোর সমন্বয় ঘটানো হয়েছে। এটি বাংলাদেশের স্পেসিফিকেশনের ওপর ভিত্তি করে একটি ওনারশিপ-ফোকাসড রিভিউ, কোনো দীর্ঘমেয়াদী রোড টেস্টের দাবি নয়। বাইক কেনার আগে শোরুম price, রেজিস্ট্রেশন খরচ এবং সঠিক ইকুইপমেন্ট সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নিন, কারণ বিদেশের Raider রিভিউতে কিছুটা ভিন্ন সংস্করণ থাকতে পারে।

কার TVS Raider 125 কেনা উচিত?

TVS Raider 125 ছাত্র, অফিসগামী মানুষ এবং সেই সব রাইডারদের জন্য উপযুক্ত যারা সাধারণ commuter থেকে কিছুটা উন্নত বাইক খুঁজছেন, কিন্তু বড় ইঞ্জিনের বাইকের রক্ষণাবেক্ষণ খরচ নিতে চান না। এর LED headlight, digital cluster এবং রেস-অনুপ্রাণিত ডিজাইন এটিকে সাধারণ বাইকের তুলনায় বেশি আকর্ষণীয় করে তোলে। TVS Auto Bangladesh-এর মাধ্যমে বাংলাদেশে অ্যাসেম্বলি এবং ডিস্ট্রিবিউশন হওয়ার কারণে এটি অপরিচিত ব্র্যান্ডের ইমপোর্টেড বাইকের চেয়ে বেশি নির্ভরযোগ্য।

তবে মনে রাখতে হবে, TVS Raider 125 একটি commuter বাইক, এটি কোনো ছোট স্পোর্টস বাইক নয়। যারা নিয়মিত পিলিয়ন নিয়ে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় যাতায়াত করেন, তাদের উচিত টেস্ট রাইডের সময় লোড থাকা অবস্থায় পারফরম্যান্স এবং সিটের কমফোর্ট যাচাই করে নেওয়া। যারা হাইওয়েতে খুব সহজে এবং দ্রুত ওভারটেকিং করতে চান, তাদের স্পোর্টি লুকের বদলে বড় cc-র বাইক বিবেচনা করা উচিত।

TVS Raider 125 Engine: পারফরম্যান্স কেমন?

TVS Raider 125-এ ব্যবহার করা হয়েছে single-cylinder, 4-stroke, 3-valve, air/oil-cooled ইঞ্জিন যাতে রয়েছে carburettor এবং একটি 5-speed gearbox। এর ৮,০০০ rpm-এ ১২.৭ bhp এবং ৬,৫০০ rpm-এ ১১.৫ Nm টর্ক নির্দেশ করে যে, ইঞ্জিনটি হাই-রেভ (revs) দিতে পছন্দ করে। মাত্র ১২০ kg ওজনের সাথে এই ইঞ্জিন পাওয়ার শহরের ট্রাফিকের ফাঁক দিয়ে চলার জন্য যথেষ্ট, যদি রাইডার সঠিক gear নির্বাচন করেন।

খোলা রাস্তায় TVS Raider 125-কে একটি মাঝারি ক্ষমতার মেশিন হিসেবেই দেখা উচিত। বিশেষ করে মালামাল বা পিলিয়ন থাকলে ওভারটেকিং করার জন্য খুব বেশি পাওয়ার অবশিষ্ট থাকে না। এর ১১০ km/h top speed-এর দাবিটি কোনো ক্রুজিং স্পিড বা গ্যারান্টি নয়; বাতাসের গতি, লোড এবং রাস্তার অবস্থার ওপর এটি নির্ভর করে। দ্রুত এক্সিলারেশনের জন্য আপনাকে downshift করতে হবে, কারণ ১২৫ cc ইঞ্জিনের কাছ থেকে টপ গিয়ারে খুব বেশি টান আশা করা ঠিক হবে না।

ঢাকার ট্রাফিকে Fuel Economy

TVS Raider 125-এর আনুমানিক মাইলেজ ধরা হয়েছে ৫০ km/l, তবে এটাকে ফিক্সড ধরে মাসিক বাজেট করা ঠিক হবে না। ঢাকার যানজটে দীর্ঘ সময় ইঞ্জিন চালু রাখা, বারবার গতি বাড়ানো এবং ক্লাচের ব্যবহার ফুয়েল এফিসিয়েন্সি কমিয়ে দিতে পারে। ছোট ট্রিপ, পিলিয়ন রাইডিং, টায়ারে কম হাওয়া এবং ভুলভাবে অ্যাডজাস্ট করা carburettor খরচ আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। এর ১০ L ফুয়েল ট্যাঙ্ক প্র্যাকটিক্যাল, তবে আসল রেঞ্জ মেপে দেখা ভালো।

সঠিক ওনারশিপ অভিজ্ঞতার জন্য কয়েকবার ফুয়েল রিফিল করে অতিক্রান্ত দূরত্ব হিসেব করুন। এই বাইকের carburettor-এর মিক্সচার, আইডল সেটিং এবং কোল্ড-স্টার্টের দিকে নজর দিতে হবে, কারণ এতে EFI নেই। ট্রাফিকহীন রাস্তায় পাওয়া ইকোনমি দাবির চেয়ে নিয়মিত সঠিক service করানো বেশি জরুরি। দ্রুত গতি তোলার নেশা বা অ্যাগ্রেসিভ রাইডিং করলে স্বাভাবিকভাবেই mileage কমে যাবে।

বাংলাদেশের রাস্তায় TVS Raider 125-এর কমফোর্ট

TVS Raider 125-এর সামনে রয়েছে telescopic fork এবং পেছনে ৫-ধাপে অ্যাডজাস্টেবল gas-charged mono-shock। পেছনের প্রিলোড অ্যাডজাস্টমেন্ট লোড অনুযায়ী সাহায্য করতে পারে, তবে এটি সাসপেনশনকে পুরোপুরি নরম করে দেবে না। পিচ ঢালাই করা বা ভাঙা রাস্তায় পিলিয়নসহ রাইড করে এর কমফোর্ট যাচাই করুন। শোরুমের লুক দেখার চেয়ে সিটের প্যাডিং এবং পিলিয়ন স্পেস আপনার ব্যাক-পেইন কমাতে কতটা কার্যকর তা দেখা বেশি জরুরি।

এর ৭৯০ mm সিটের উচ্চতা এবং কম ওজন অনেক রাইডারের জন্যই সুবিধাজনক। ১৮০ mm ground clearance স্পিড ব্রেকার এবং উঁচু-নিচু রাস্তায় সহায়ক, তবে লোড বেশি থাকলে সাসপেনশন কিছুটা নিচে নেমে যায়। তাই বড় গর্ত বা স্পিড ব্রেকারে বাইকের নিচের অংশ যাতে না লাগে সেজন্য সাবধানে রাইড করুন।

বৃষ্টির দিনে এর tubeless tyres পাংচার সারাতে সুবিধা দেবে ঠিকই, কিন্তু ভেজা রাস্তায় গ্রিপ হারানোর ভয় থেকেই যায়। ভেজা কাদা বা ম্যানহোলের ঢাকনার ওপর সাবধানে ব্রেক করুন। মনে রাখবেন, ground clearance বেশি মানেই জলাবদ্ধতায় বাইক চালানো নিরাপদ নয়। LED headlight ভালো, তবে রাতে এর ভিজিবিলিটি কতটুকু তা যাচাই করে নিন।

ব্রেকিং এবং সেফটি: একটি গুরুত্বপূর্ণ আপস

TVS Raider 125-এ রয়েছে ২৪০ mm front disc, ১৩০ mm rear drum ব্রেক এবং সাথে Synchronised Braking Technology (SBT)। তবে এতে বড় অভাব হলো ABS। সিনক্রোনাইজড ব্রেকিং দুই চাকার ব্রেকের মধ্যে সমন্বয় করতে পারে, কিন্তু এটি ABS-এর মতো চাকা লক হওয়া আটকাতে পারে না। বৃষ্টির দিনে ঢাকার পিচ্ছিল রাস্তায় হঠাৎ ব্রেক করার সময় এই পার্থক্যটি খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই প্রোগ্রেসিভ ব্রেকিং প্র্যাকটিস করুন এবং সামনের গাড়ি থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন।

বিল্ড কোয়ালিটি এবং যা যা চেক করবেন

নতুন বাইক কেনার সময় প্যানেলের জয়েন্টগুলো, নাট-বল্টু, ওয়ারিং কানেকশন এবং পেইন্ট ফিনিশ ভালো করে দেখে নিন। টেস্ট রাইডের সময় কোনো অস্বাভাবিক শব্দ, গিয়ার শিফটিংয়ে সমস্যা, ক্লাচ ড্র্যাগ বা আইডলিংয়ে অস্থিরতা আছে কি না লক্ষ্য করুন। এগুলো যে সব Raider-এই থাকবে এমন নয়, তবে চেক করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।

ব্যবহৃত বা সেকেন্ড হ্যান্ড TVS Raider 125 কেনার ক্ষেত্রে কোল্ড স্টার্ট (ইঞ্জিন ঠান্ডা অবস্থায় চালু করা) দিয়ে দেখুন। ফর্ক সিল, চেইন অ্যাডজাস্টমেন্ট, স্প্রকেট এবং অয়েলে লিকেজ আছে কি না পরীক্ষা করুন। ডিজিটাল ডিসপ্লে, সুইচ এবং LED লাইট ঠিকঠাক কাজ করছে কি না দেখে নিন। বাইকের সার্ভিস হিস্ট্রি এবং কোনো এক্সিডেন্ট রিপেয়ারের চিহ্ন আছে কি না তা যাচাই করা জরুরি।

সার্ভিস, পার্টস এবং রিসেল ভ্যালু

বাংলাদেশে TVS-এর শক্তিশালী উপস্থিতির কারণে অনেক চীনা ব্র্যান্ডের তুলনায় এর সার্ভিস এবং পার্টস পাওয়া সহজ। তবুও, সব জেলার ওয়ার্কশপে সব পার্টস সব সময় মজুত নাও থাকতে পারে। কেনার আগে আপনার এলাকার অথরাইজড সার্ভিস সেন্টারে কনজুমেবল পার্টস, বডি প্যানেল এবং হেডলাইটের প্রাপ্যতা সম্পর্কে জেনে নিন। Support-এর ক্ষেত্রে জাপানি বা বড় ভারতীয় ব্র্যান্ডগুলোই এখনো মানদণ্ড।

একজন ওনার হিসেবে নিয়মিত মেইনটেন্যান্স খুব একটা কঠিন হবে না, তবে পার্টসের সঠিক দাম আগে থেকে জেনে রাখা ভালো। অয়েল, ফিল্টার, চেইন কেয়ার এবং টায়ারের জন্য আলাদা বাজেট রাখুন। TVS-এর পরিচিতির কারণে রিসেল ভ্যালু মোটামুটি পাওয়া গেলেও এটি বাইকের কন্ডিশন এবং কাগজের ওপর নির্ভর করে। Honda বা Bajaj-এর মতো খুব হাই রিসেল ডিমান্ড সব সময় Raider-এর ক্ষেত্রে নাও থাকতে পারে।

প্রতিদ্বন্দ্বী এবং সিদ্ধান্ত

TVS Raider 125 কেনার আগে মার্কেটে থাকা Honda SP বা Shine, Hero Glamour এবং Bajaj Discover-এর ভেরিয়েন্টগুলোর সাথে তুলনা করে দেখুন। বিদেশি ব্রোশিওর না দেখে বাংলাদেশের বর্তমান স্পেসিফিকেশন এবং স্টকের সাথে মেলান। Raider-এর প্রধান আকর্ষণ হলো এর স্পোর্টি লুক এবং ফিচার; অন্যদিকে প্রতিদ্বন্দ্বী বাইকগুলো হয়তো রিসেল বা পিলিয়ন কমফোর্টে এগিয়ে থাকতে পারে। সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সরাসরি চালিয়ে দেখা সবচেয়ে ভালো।

ভালো দিক (Pros)

  • শহরের যাতায়াতের জন্য চমৎকার performance-to-weight ব্যালেন্স।
  • LED headlight এবং digital cluster সহ আকর্ষণীয় স্পোর্টি স্টাইলিং।
  • প্রয়োজনীয় ground clearance এবং অ্যাডজাস্টেবল rear preload।
  • Tubeless tyres এবং front disc brake সুবিধা।
  • বাংলাদেশে TVS-এর শক্তিশালী সাপোর্ট নেটওয়ার্ক এবং লোকাল অ্যাসেম্বলি।

খারাপ দিক (Cons)

  • ABS নেই; synchronised braking চাকা লক হওয়া রোধ করতে পারে না।
  • লোড থাকা অবস্থায় highway-তে ওভারটেকিংয়ের জন্য খুব বেশি পাওয়ার পাওয়া যাবে না।
  • Carburettor-এর কন্ডিশন এবং অ্যাডজাস্টমেন্টের ওপর প্রতিদিনের পারফরম্যান্স নির্ভর করে।
  • ঢাকার ট্রাফিকের কারণে mileage বা ইকোনমি অফিশিয়াল দাবির চেয়ে কমে যেতে পারে।

শেষ কথা (Verdict)

নির্ধারিত মূল্যে যারা একটি স্টাইলিশ এবং প্রতিদিন ব্যবহারের উপযোগী commuter বাইক খুঁজছেন, তাদের জন্য TVS Raider 125 একটি চমৎকার পছন্দ। এর হালকা ওজন, আধুনিক ফিচার এবং শক্তিশালী ব্র্যান্ড সাপোর্ট এর বড় প্লাস পয়েন্ট। তবে কেনার আগে রাইডিং কমফোর্ট এবং পার্টসের প্রাপ্যতা যাচাই করে নিন। মনে রাখবেন, এতে ABS নেই এবং হাইওয়েতে খুব বেশি পাওয়ার আশা করা ঠিক হবে না।

Similar Bikes