Taro GP 1 V3 Black side view
Black

Taro GP 1 V3 Price in Bangladesh 2026

৳3,56,000

Listed price

Last updated:

India vs Bangladesh price

India price (₹—)
Not sold in India
Price in Bangladesh
৳3,56,000

Registration & tax token fee

For this 155cc bike · BRTA 100cc and above rate

2 years
৳11,764
10 years
৳20,964

Short Specifications

Engine capacity
155 cc
Maximum power
19.00 Bhpat 9500 rpm
Maximum torque
16.50 Nmat 9000 rpm
Mileage
40 km/l (approx.)
ABS
Dual-channel ABS
Tubeless tyres
Not available
Seat height
1155 mm
Kerb weight
150 kg
Top speed
140 km/h (approx.)

Taro GP 1 V3 Price in Bangladesh

The Taro GP 1 V3 price in Bangladesh is ৳3,56,000. This sport bike is powered by a 155cc liquid-cooled, 1-cylinder, 4-stroke, sohc, efi engine that produces 19.00 Bhp @ 9500 rpm, with a maximum torque of 16.50 Nm @ 9000 rpm. The GP 1 V3 gives a mileage of around 40 km/l. It comes with dual-channel ABS. Seat height is 1155 mm and kerb weight is 150 kg. Top speed: about 140 km/h. It is available in 1 colour: Black. Check the Taro GP 1 V3 full specifications, price breakdown and comparison below before you buy.

Taro GP 1 V3 দাম বাংলাদেশে 2026: ৳3,56,000

Taro GP 1 V3 Colours in Bangladesh

Black

Taro GP 1 V3 Full Specifications

General

Brand
Taro
Model
GP 1 V3
Category
Sport
Model year
2026
Price
৳3,56,000 (listed price)

Engine and Transmission

Engine type
Liquid-cooled, 1-cylinder, 4-stroke, SOHC, EFI
Cooling system
Liquid-cooled
Fuel system
Carburetor
Transmission
Not available

Brakes and Tyres

Front brake
Not available
Rear brake
Not available
Front tyre
Not available
Rear tyre
Not available

Suspension and Chassis

Front suspension
Not available
Rear suspension
Not available

Dimensions and Weight

Ground clearance
180 mm
Wheelbase
Not available
Overall dimensions (L × W × H)
Not available

Electrical and Features

Headlight
Not available
Instrument cluster
Not available
Battery
Not available
Features
Dual Channel ABS, Liquid Cooled Engine, Tubeless Tyres, EFI (Electronic Fuel Injection), Digital Instrument Cluster, LED Lighting System

Additional Information

Available colours
Black
Warranty
Not available
Availability
Available
Last updated
2026-10-16

Taro GP 1 V3 Rating

Overall 70/100

Design
78%
Comfort
66%
Engine performance
67%
Mileage
69%
Brand reliability
75%
Resale value
65%

Our estimate based on specifications, brand and price.

Taro GP 1 V3 FAQ — সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

Taro GP 1 V3 price in Bangladesh 2026 কত?

বাংলাদেশে Taro GP 1 V3-এর বর্তমান price ৳3,56,000।

Taro GP 1 V3-এর registration fee কত?

155cc বাইক হিসেবে tax token সহ registration খরচ ২ বছরের জন্য প্রায় ৳11,764 এবং ১০ বছরের জন্য প্রায় ৳20,964।

Taro GP 1 V3-এর mileage কত?

Taro GP 1 V3 প্রায় 40 km/l (approx.) mileage দেয়।

Taro GP 1 V3 কত cc এবং power কত?

Taro GP 1 V3-এ 155cc engine আছে, power 19.00 Bhp @ 9500 rpm, torque 16.50 Nm @ 9000 rpm।

Taro GP 1 V3-এ কি ABS আছে?

হ্যাঁ, Taro GP 1 V3-এ Dual-channel ABS আছে।

Taro GP 1 V3-এর top speed কত?

Taro GP 1 V3-এর top speed প্রায় 140 km/h (approx.)।

Taro GP 1 V3-এর seat height ও weight কত?

Seat height 1155 mm এবং weight 150 kg।

বাংলাদেশে Taro GP 1 V3 কোন কোন colour-এ পাওয়া যায়?

Taro GP 1 V3 1টি colour-এ পাওয়া যায়: Black।

Taro GP 1 V3 review: বাংলাদেশে আকর্ষণীয় স্পোর্টস বাইকের পারফরম্যান্স ও মালিকানা যাচাই

Taro GP 1 V3 একটি ১৫৫ সিসি সেগমেন্টের স্পোর্টস বাইক যা বাংলাদেশে স্পোর্টস বাইক প্রেমীদের নজর কেড়েছে। ১৯.০০ Bhp পাওয়ার এবং ১৬.৫০ Nm টর্ক সমৃদ্ধ এই বাইকটির বর্তমান market price প্রায় Tk 356,000। Bike Price Bangladesh-এর এই বিশ্লেষণটি মূলত এর টেকনিক্যাল স্পেসিফিকেশন এবং ডিজাইন ফিচারের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। Taro GP 1 V3-এ রয়েছে Dual-channel ABS এবং Liquid-cooled ইঞ্জিনের মতো আধুনিক ফিচার, যা একে প্রিমিয়াম লুক প্রদান করে। তবে এটি কেনার আগে এর কন্ট্রোলিং, দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্ব এবং সার্ভিসিং নেটওয়ার্ক সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা জরুরি। এটি কি আপনার দৈনন্দিন রাইডিংয়ের জন্য উপযুক্ত হবে, নাকি শুধুই লুকস দিয়ে মন ভরাবে, তা বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

১. কাদের জন্য Taro GP 1 V3 আদর্শ?

Taro GP 1 V3 মূলত সেই সব তরুণ রাইডারদের জন্য তৈরি করা হয়েছে যারা বাজেটের মধ্যে একটি মাসকুলার এবং এগ্রেসিভ লুকে স্পোর্টস বাইক খুঁজছেন। বাইকটির বড় ডাইমেনশন এবং ১৫৫ সিসি সেগমেন্টের মধ্যে শক্তিশালী ইঞ্জিন একে হাইওয়ে রাইডিংয়ের জন্য একটি আকর্ষণীয় অপশনে পরিণত করেছে। এর সিট হাইট ১১৫৫ মিমি (স্পেক অনুযায়ী), যা লম্বা রাইডারদের জন্য আরামদায়ক হলেও কম উচ্চতার রাইডারদের জন্য কন্ট্রোল করা কঠিন হতে পারে।

যারা প্রতিদিনের যাতায়াতের চেয়ে শখের রাইডিং এবং উইকেন্ড ট্রিপকে বেশি গুরুত্ব দেন, তাদের জন্য এটি ভালো পছন্দ। তবে মনে রাখবেন, এটি একটি পিওর স্পোর্টস বাইক, তাই রাইডিং পজিশন কিছুটা লিন-ফরোয়ার্ড (সামনের দিকে ঝুঁকে থাকা), যা নতুন রাইডারদের জন্য অভ্যস্ত হতে সময় নিতে পারে। покупা করার আগে আপনার শারীরিক গঠন অনুযায়ী হ্যান্ডেলবারের দূরত্ব এবং সিট পজিশন যাচাই করে নেওয়া উচিত।

২. Taro GP 1 V3 Engine Performance: পাওয়ার এবং টর্ক বিশ্লেষণ

Taro GP 1 V3-এর প্রাণ হলো এর ১৫৫ সিসি Liquid-cooled, SOHC ইঞ্জিন। এটি ৯৫০০ আরপিএম-এ ১৯.০০ Bhp পাওয়ার এবং ৯০০০ আরপিএম-এ ১৬.৫০ Nm টর্ক তৈরি করতে সক্ষম। পেপার ডেটা অনুযায়ী, এই পাওয়ার আউটপুট অনেক নামী ব্র্যান্ডের প্রিমিয়াম বাইকের সমতুল্য। ইঞ্জিনের এই শক্তি একে খুব দ্রুত টপ স্পিড (প্রায় ১৪০ কিমি/ঘন্টা) ছুঁতে সাহায্য করে।

লিকুইড কুলিং সিস্টেম থাকার কারণে ইঞ্জিন জ্যামে বা দীর্ঘ ট্যুরে অতিরিক্ত গরম হওয়ার সম্ভাবনা কম। তবে মনে রাখা প্রয়োজন, ৯০০০-৯৫০০ আরপিএম-এ সর্বোচ্চ পাওয়ার পাওয়া যায়, যার মানে হলো বাইকটির আসল পারফরম্যান্স উপভোগ করতে হলে আপনাকে হাই-রেভ (high rev) করতে হবে। লো-এন্ড টর্ক বা কম স্পিডে টান কেমন হবে, তা কার্বুরেটর বা ইএফআই সিস্টেমের টিউনিংয়ের ওপর নির্ভর করবে।

৩. ফুয়েল ইকোনমি এবং ট্রাফিক জ্যামে পারফরম্যান্স

বাংলাদেশে সাধারণত এই ধরনের হাই-পারফরম্যান্স স্পোর্টস বাইকের ক্ষেত্রে ৪-স্ট্রোক ইঞ্জিন থেকে ৪০ কিমি/লিটার পর্যন্ত মাইলেজ (approx. mileage) প্রত্যাশা করা যায়। তবে ঢাকার মতো তীব্র যানজটে এই মাইলেজ কিছুটা কমতে পারে। লিকুইড কুলিং সিস্টেম জ্যামে ইঞ্জিনের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখলেও, বাইকটির ১৫০ কেজি ওজন বারবার ক্লাচ এবং গিয়ার শিফটিংয়ের সময় রাইডারকে কিছুটা ক্লান্ত করতে পারে।

জ্বালানির গুণগত মান স্পোর্টস বাইকের পারফরম্যান্সে বড় ভূমিকা রাখে। ভালো মানের ফুয়েল ব্যবহার না করলে ইঞ্জিনের নকিং বা পাওয়ার লস হতে পারে। যেহেতু এটি একটি হাই-কম্প্রেশন ইঞ্জিন হতে পারে, তাই অনুমোদিত ফিলিং স্টেশন থেকে পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়।

৪. ব্রেকিং এবং সেফটি: Dual-channel ABS-এর ভূমিকা

নিরাপত্তার ক্ষেত্রে Taro GP 1 V3 কোনো আপোষ করেনি। এতে রয়েছে Dual-channel ABS (Antilock Braking System), যা বর্তমান সময়ের বাইকারদের অন্যতম প্রধান চাহিদা। জরুরি অবস্থায় বা পিচ্ছিল রাস্তায় হঠাৎ ব্রেক করলে চাকা লক হয়ে স্কিড করার ভয় থাকে না। ডুয়াল ডিস্ক ব্রেক সেটআপের সাথে এই এবিএস সিস্টেম রাইডারকে উচ্চ গতিতেও আত্মবিশ্বাস জোগায়।

টায়ারের গ্রিপ এবং ব্রেকিংয়ের সামঞ্জস্যতা ভেজা রাস্তায় বা কর্নারিংয়ের সময় খুব গুরুত্বপূর্ণ। বাইকটির চওড়া Tubeless Tyres ভালো গ্রিপ দেওয়ার কথা থাকলেও, রাস্তার ধরণ অনুযায়ী ব্রেকিং ডিসট্যান্স ভিন্ন হতে পারে। দীর্ঘ রাইডে ব্রেকিং ফ্লুইড এবং ডিস্ক প্যাডের কন্ডিশন নিয়মিত চেক করা জরুরি।

৫. রাইড কমফোর্ট এবং গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স: বাংলাদেশের রাস্তা অনুযায়ী মূল্যায়ন

বাংলাদেশের ভাঙা রাস্তা এবং স্পিড ব্রেকারের কথা মাথায় রাখলে Taro GP 1 V3-এর ১৮০ মিমি গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স (ground clearance) একটি বড় প্লাস পয়েন্ট। এটি বাইকের নিচের অংশ রাস্তার সাথে ঘষা লাগা থেকে রক্ষা করবে। তবে এর সাসপেনশন সেটআপ স্পোর্টি হওয়ায় কিছুটা শক্ত মনে হতে পারে, যা ভালো রাস্তায় স্ট্যাবিলিটি দিলেও খুব বেশি ভাঙা রাস্তায় ঝাঁকুনি অনুভূত হতে পারে।

পিলিয়ন রাইডিংয়ের ক্ষেত্রে এটি খুব একটা সুবিধাজনক নয়। সরু এবং উঁচু পিলিয়ন সিট দীর্ঘ ভ্রমণের জন্য উপযোগী নয়। আপনি যদি নিয়মিত পিলিয়ন নিয়ে রাইড করেন, তবে বাইকটি কেনার আগে পিলিয়নসহ টেস্ট রাইড দিয়ে দেখা উচিত। রাইডার সিটের কুশনিং কেমন, তা লম্বা ট্যুর দিলেই বোঝা সম্ভব।

৬. বিল্ড কোয়ালিটি এবং ডিজাইন ইন্সপেকশন

Taro GP 1 V3 তার লুকে যে কাউকে মুগ্ধ করবে। এর ফুয়েল ট্যাংক, এলইডি লাইটিং সিস্টেম এবং ডিজিটাল ইন্সট্রুমেন্ট ক্লাস্টার একে একটি আধুনিক লুক দিয়েছে। বাইকটির বডি কিট বা ফেয়ারিংয়ের প্লাস্টিক কোয়ালিটি এবং ফিনিশিং বেশ প্রিমিয়াম। তবে প্লাস্টিক পার্টসের জয়েন্টগুলো এবং পেইন্ট কোয়ালিটি দীর্ঘ সময় ব্যবহারের পর কেমন থাকে, তা নিবিড় পর্যবেক্ষণের বিষয়।

ডিজিটাল ক্লাস্টারে প্রয়োজনীয় সব তথ্য যেমন স্পিডোমিটার, ওডোমিটার এবং গিয়ার ইন্ডিকেটর পাওয়া যায়। এর হেডলাইটের ইলুমিনেশন রাতে হাইওয়েতে পর্যাপ্ত আলো দেবে কি না, তা ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা ছাড়া বলা কঠিন। সামগ্রিকভাবে, বিল্ড কোয়ালিটির দিক থেকে এটি তার প্রাইস সেগমেন্টে একটি শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী।

৭. পার্টস প্রাপ্যতা এবং মেইনটেইন্যান্স গাইড

বাংলাদেশে Taro একটি ক্রমবর্ধমান ব্র্যান্ড। Taro Bangla-এর মাধ্যমে এর পার্টস এবং সার্ভিস নিশ্চিত করা হয়। তবে বড় জাপানিজ ব্র্যান্ডগুলোর মতো এর পার্টস সব জায়গায় বা সাধারণ মেকানিকের কাছে না পাওয়া যেতে পারে। তাই বাইকটি কেনার আগে আপনার এলাকার কাছাকাছি অনুমোদিত সার্ভিস সেন্টার আছে কি না, তা নিশ্চিত হয়ে নিন।

ইঞ্জিন অয়েল, ফিল্টার এবং কুল্যান্ট লেভেল নিয়মিত চেক করা এই বাইকের লাইফ বাড়ানোর জন্য অপরিহার্য। যেহেতু এতে ইএফআই এবং এবিএস-এর মতো ইলেকট্রনিক্স রয়েছে, তাই যেকোনো যান্ত্রিক সমস্যায় দক্ষ মেকানিকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। পার্টসের দাম বা সহজলভ্যতা সম্পর্কে সরাসরি ডিলারের কাছ থেকে তথ্য নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

৮. ইউজড বাইক ক্রয় এবং রিসেল ভ্যালু ফ্যাক্টর

বাংলাদেশে ব্যবহৃত Taro GP 1 V3 কেনার আগে এর ইঞ্জিনের শব্দ, চেসিস এবং কোনো বড় ধরণের এক্সিডেন্ট হিস্ট্রি আছে কি না তা অভিজ্ঞ মেকানিক দিয়ে পরীক্ষা করিয়ে নিন। ইলেকট্রনিক্স এবং এবিএস সেন্সর ঠিকমতো কাজ করছে কি না তাও যাচাই করা জরুরি। রিসেল ভ্যালুর ক্ষেত্রে চীনা বা নন-জাপানিজ ব্র্যান্ডগুলো সাধারণত জাপানিজ বাইকের তুলনায় কিছুটা বেশি দাম হারায়। তাই যদি ভবিষ্যতে দ্রুত বাইক পরিবর্তন করার পরিকল্পনা থাকে, তবে রিসেল ভ্যালুর বিষয়টি মাথায় রাখা উচিত। তবে যারা দীর্ঘ সময় ব্যবহারের জন্য একটি ইউনিক ডিজাইনের বাইক খুঁজছেন, তাদের জন্য এটি ভালো ডিল হতে পারে।

ভালো দিক (Pros)

  • ১৯.০০ Bhp পাওয়ার এবং ১৬.৫০ Nm টর্ক একে দ্রুত গতি অর্জনে সহায়তা করে।
  • Dual-channel ABS থাকায় উচ্চ গতিতেও নিরাপদ ব্রেকিং নিশ্চিত হয়।
  • বাইকটির ডিজাইন এবং গ্রাফিক্স দেখতে অনেক দামী সুপারবাইকের মতো।
  • ১৮০ মিমি গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স বাংলাদেশের গতিরোধক বা ভাঙা রাস্তার জন্য বেশ উপযোগী।
  • Liquid-cooled সিস্টেম ইঞ্জিনকে দীর্ঘ সময় রাইডিংয়ে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।

খারাপ দিক (Cons)

  • ১৫০ কেজি ওজন এবং লম্বা হুইলবেস শহরের জ্যামে বাইকটি হ্যান্ডলিং করা কিছুটা চ্যালেঞ্জিং করে তুলতে পারে।
  • কার্বুরেটর বা EFI ভেরিয়েন্ট ভেদে ফুয়েল ইকোনমি এবং মেইনটেইন্যান্সের পার্থক্য হতে পারে।
  • পিলিয়ন সিট বেশ ছোট এবং উঁচুতে হওয়ায় দীর্ঘ ভ্রমণে পিলিয়নের জন্য এটি আরামদায়ক নাও হতে পারে।
  • জাপানিজ ব্র্যান্ডগুলোর তুলনায় রিসেল ভ্যালু এবং পার্টস প্রাপ্যতা কিছুটা সীমিত হতে পারে।

শেষ কথা (Verdict)

Taro GP 1 V3 একটি স্টাইলিশ এবং শক্তিশালী প্যাকেজ, বিশেষ করে যারা ১৯.০০ Bhp পাওয়ার এবং Dual-channel ABS-এর অভিজ্ঞতা নিতে চান। তবে এর ওজন এবং রাইডিং পজিশন সবার জন্য আরামদায়ক নাও হতে পারে। আপনি যদি ডিজাইন এবং পাওয়ারকে মেইনটেইন্যান্সের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন, তবে ৩,৫৬,০০০ টাকা বাজেটে এটি একটি ভালো অপশন। কেনার আগে অবশ্যই আপনার নিকটস্থ শোরুম থেকে টেস্ট রাইড এবং সার্ভিস ব্যাকআপ সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নিন।

Similar Bikes