Suzuki Gixxer SF Lemon/Silver side view
Lemon/Silver1 of 4 colours

Suzuki Gixxer SF Price in Bangladesh 2026

৳3,32,950

Listed price

Last updated:

India vs Bangladesh price

India price (₹1,28,000)
৳1,79,200
Tax & other costs
+ ৳1,53,750
Price in Bangladesh
৳3,32,950

Registration & tax token fee

For this 155cc bike · BRTA 100cc and above rate

2 years
৳11,764
10 years
৳20,964

Short Specifications

Engine capacity
155 cc
Maximum power
13.6 PSat 8,000 rpm
Maximum torque
13.8 Nmat 6,000 rpm
Mileage
40 km/l (approx.)
ABS
Single-channel ABS
Tubeless tyres
Yes
Seat height
790 mm
Kerb weight
148 kg
Top speed
120 km/h (approx.)

Suzuki Gixxer SF Price in Bangladesh

The Suzuki Gixxer SF price in Bangladesh is ৳3,32,950. This sport bike is powered by a 155cc single-cylinder, 4-stroke, sohc, 2-valve, air-cooled, fi engine that produces 13.6 PS @ 8,000 rpm, with a maximum torque of 13.8 Nm @ 6,000 rpm. The Gixxer SF gives a mileage of around 40 km/l. It comes with single-channel ABS and tubeless tyres. Seat height is 790 mm and kerb weight is 148 kg. Top speed: about 120 km/h. It is available in 4 colours: Lemon/Silver, Blue, Red Grey, Black. Check the Suzuki Gixxer SF full specifications, price breakdown and comparison below before you buy.

সুজুকি Gixxer SF দাম বাংলাদেশে 2026: ৳3,32,950

Suzuki Gixxer SF Colours in Bangladesh

Lemon/Silver · Blue · Red Grey · Black

Suzuki Gixxer SF Full Specifications

General

Brand
Suzuki
Model
Gixxer SF
Category
Sport
Model year
2026
Price
৳3,32,950 (listed price)

Engine and Transmission

Engine type
Single-cylinder, 4-stroke, SOHC, 2-valve, air-cooled, FI
Cooling system
Air-cooled
Fuel system
Fuel injection
Transmission
5-speed

Brakes and Tyres

Front brake
Disc
Rear brake
Disc
Front tyre
100/80-17 tubeless
Rear tyre
140/60R17 radial tubeless

Suspension and Chassis

Front suspension
Telescopic fork
Rear suspension
Swingarm

Dimensions and Weight

Ground clearance
160 mmEst.
Wheelbase
1,300 mmEst.
Overall dimensions (L × W × H)
Not available

Electrical and Features

Headlight
LED
Instrument cluster
Digital
Battery
Not available
Features
Single-channel ABS, Twin muffler styling, LED tail lamp, Split seat

Additional Information

Available colours
Lemon/Silver, Blue, Red Grey, Black
Warranty
Not available
Availability
Available
Last updated
2026-10-15

Suzuki Gixxer SF Rating

Overall 72/100

Design
77%
Comfort
66%
Engine performance
58%
Mileage
69%
Brand reliability
86%
Resale value
78%

Our estimate based on specifications, brand and price.

Suzuki Gixxer SF FAQ — সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

Suzuki Gixxer SF price in Bangladesh 2026 কত?

বাংলাদেশে Suzuki Gixxer SF-এর বর্তমান price ৳3,32,950।

Suzuki Gixxer SF-এর registration fee কত?

155cc বাইক হিসেবে tax token সহ registration খরচ ২ বছরের জন্য প্রায় ৳11,764 এবং ১০ বছরের জন্য প্রায় ৳20,964।

Suzuki Gixxer SF-এর mileage কত?

Suzuki Gixxer SF প্রায় 40 km/l (approx.) mileage দেয়।

Suzuki Gixxer SF কত cc এবং power কত?

Suzuki Gixxer SF-এ 155cc engine আছে, power 13.6 PS @ 8,000 rpm, torque 13.8 Nm @ 6,000 rpm।

Suzuki Gixxer SF-এ কি ABS আছে?

হ্যাঁ, Suzuki Gixxer SF-এ Single-channel ABS আছে।

Suzuki Gixxer SF-এর top speed কত?

Suzuki Gixxer SF-এর top speed প্রায় 120 km/h (approx.)।

Suzuki Gixxer SF-এর seat height ও weight কত?

Seat height 790 mm এবং weight 148 kg।

বাংলাদেশে Suzuki Gixxer SF কোন কোন colour-এ পাওয়া যায়?

Suzuki Gixxer SF 4টি colour-এ পাওয়া যায়: Lemon/Silver, Blue, Red Grey, Black।

Suzuki Gixxer SF review: বাংলাদেশে ownership এবং ভ্যালু এসেসমেন্ট

Suzuki Gixxer SF একটি বিশেষ প্রতিশ্রুতি নিয়ে বাজারে এসেছে: ফুল-ফেয়ারড (fully-faired) স্টাইলিং এর সাথে দৈনন্দিন ব্যবহারের সহজলভ্যতা। বাংলাদেশে এই বাইকটির price নির্ধারণ করা হয়েছে ৳332950 এবং এটি বর্তমানে মার্কেটে অ্যাভেইলেবল। যারা যাতায়াত, উইকএন্ড রাইড এবং মাঝে মাঝে হাইওয়ে ট্রাভেলের জন্য একটি স্পোর্টি লুকের মোটরসাইকেল খুঁজছেন, তাদের জন্যই এই বাইকটি ডিজাইন করা হয়েছে। স্পেসিফিকেশন এবং বাস্তবসম্মত দিকগুলো বিবেচনা করে এই ওনারশিপ রিভিউটি তৈরি করা হয়েছে। এর আবেদন বেশ স্পষ্ট, তবে ক্রেতাদের উচিত হবে এর পারফরম্যান্স এবং ফেয়ারিংয়ের পেছনের ওনারশিপের সীমাবদ্ধতাগুলো ভালোভাবে বুঝে নেওয়া।

কার Suzuki Gixxer SF কেনা উচিত?

Suzuki Gixxer SF তাদের জন্য উপযুক্ত যারা এক্সিলারেশনের চেয়ে লুক, ম্যানেজেবল পারফরম্যান্স এবং প্রতিদিনের ব্যবহারের উপযোগিতাকে বেশি গুরুত্ব দেন। এটি ঢাকার অফিসের যাতায়াতে যেমন মানানসই, তেমনি শহরের বাইরে উইকএন্ড রাইডেও বেশ স্টাইলিশ দেখায়। তবে, 'Sport' লেবেল দেখে একে সুপারস্পোর্ট বাইক ভাবা ঠিক হবে না। আপনি মূলত একটি ফেয়ারড কমিউটার-স্পোর্ট মোটরসাইকেল কিনছেন, যেখানে আপনার টাকার একটি বড় অংশ ইঞ্জিনের আউটপুটের চেয়ে এর প্রেজেন্টেশনের পেছনে ব্যয় হচ্ছে।

Suzuki Gixxer SF ইঞ্জিন: টর্ক এবং গতি কেমন?

Suzuki Gixxer SF-এ আছে ১৫৫ সিসির single-cylinder, air-cooled, fuel-injected ইঞ্জিন যা ৮,০০০ rpm-এ 13.6 PS পাওয়ার এবং ৬,০০০ rpm-এ 13.8 Nm টর্ক উৎপন্ন করে। এর স্পেসিফিকেশন থেকে বোঝা যায়, ইঞ্জিনটি শুধুমাত্র হাই রেভ-এ পারফরম্যান্স দেওয়ার পরিবর্তে মিড-রেঞ্জেও ভালো কাজ করে। তবে, ১৪৮ কেজি ওজনের কারণে এর power-to-weight রেশিও খুব একটা আকর্ষণীয় নয়। পিলিয়ন নিয়ে হাইওয়েতে খুব দ্রুত এক্সিলারেশন আশা না করাই ভালো।

শহরের ট্রাফিকের জন্য Suzuki Gixxer SF-এর 5-speed gearbox যথেষ্ট ফ্লেক্সিবল, যদিও জ্যামে বারবার ক্লাচ ব্যবহারের প্রয়োজন হতে পারে। হাইওয়েতে ওভারটেক করার জন্য সঠিক গিয়ার এবং পর্যাপ্ত ফাঁকা জায়গার প্রয়োজন হবে। এর টপ স্পিড (top speed) বলা হয়েছে প্রায় ১২০ কিমি/ঘন্টা, তবে এই স্পিডে দীর্ঘক্ষণ রাইড করা আরামদায়ক নাও হতে পারে। ফেয়ারিং বাতাস থেকে কিছুটা সুরক্ষা দিলেও সীমিত ইঞ্জিন পাওয়ারের অভাব হাইওয়েতে অনুভূত হতে পারে।

ঢাকার ট্রাফিকে ফুয়েল ইকোনমি বা মাইলেজ

Suzuki Gixxer SF-এর অফিশিয়াল mileage প্রায় 40 km/l বলা হলেও ঢাকার জ্যামে এটি গ্যারান্টিযুক্ত নয়। লম্বা সিগন্যাল, বারবার এক্সিলারেশন এবং পিলিয়ন নিয়ে রাইড করলে মাইলেজ কমে যেতে পারে। Fuel injection ফুয়েল সাপ্লাই নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে, কিন্তু ট্রাফিকে ইঞ্জিন আইডল মোডে চালু থাকলে তেল খরচ হবেই। এর 12 L ফুয়েল ট্যাংক যাতায়াতের জন্য বেশ উপযোগী। হাইডলাইন ফিগার না দেখে নিয়মিত ফুল-ট্যাংক চেক করে প্রকৃত মাইলেজ বের করাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

স্থানীয় রাস্তায় Suzuki Gixxer SF এর কমফোর্ট কেমন?

৭৯০ মিমি সিট হাইট হওয়ার কারণে কম উচ্চতার রাইডাররা Suzuki Gixxer SF সহজেই ম্যানেজ করতে পারবেন। তবে সিটের প্রশস্ততা এবং রাইডারের পায়ের দৈর্ঘ্যও এখানে গুরুত্বপূর্ণ। কেনার আগে বাইকটিতে আপনার রাইডিং জুতো পরে বসে দেখুন এবং পেছনের দিকে ঠেলে সরানোর প্র্যাকটিস করুন। এর ১৪৮ কেজি ওজন পার্কিংয়ের সময় লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন। শোরুমে বসে দেখার চেয়ে টেস্ট রাইড করার সময় কব্জিতে চাপ এবং হাঁটুর পজিশন পরীক্ষা করে নিন।

বাইকটির সামনে telescopic fork এবং পেছনে swingarm সাসপেনশন রয়েছে। ভাঙা রাস্তা বা গর্তে এর প্রতিক্রিয়া কেমন তা পিলিয়নসহ যাচাই করে নিন। এর split seat পিলিয়নের জন্য কতটা আরামদায়ক তা পরীক্ষা করা দরকার। ১৬০ মিমি ground clearance সাধারণ রাস্তার জন্য ঠিক থাকলেও বড় স্পিড ব্রেকারে সতর্ক থাকতে হবে, বিশেষ করে যখন বাইকে দুজন আরোহী থাকবেন।

হ্যান্ডলিং, বৃষ্টি এবং ব্রেকিং সেফটি

Suzuki Gixxer SF-এ ১৩০০ মিমি হুইলবেসের সাথে সামনে 100/80-17 এবং পেছনে 140/60R17 সেকশনের radial tubeless টায়ার ব্যবহার করা হয়েছে। টায়ারের প্রস্থ ভালো হ্যান্ডলিংয়ের ইঙ্গিত দিলেও বৃষ্টির দিনে বা বালু ও কাদার রাস্তায় গ্রিপ কেমন হবে তা সঠিক টায়ার প্রেশারের ওপর নির্ভর করে। টেস্ট রাইডের সময় বাইকটি সোজা চলছে কিনা এবং কম গতিতে হ্যান্ডলিং কেমন তা দেখে নিন।

উভয় চাকায় disc brake এবং single-channel ABS থাকা একটি বড় প্লাস পয়েন্ট, তবে মনে রাখবেন এটি dual-channel ABS নয়। কেনার আগে ABS ওয়ার্নিং লাইট এবং এর কার্যকারিতা পরীক্ষা করে নিন। ABS কখনো খারাপ টায়ার বা অতিরিক্ত স্পিডের ঝুঁকি পুরোপুরি দূর করতে পারে না। জলাবদ্ধ রাস্তা এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন, কারণ ফেয়ারিং বা গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স কোনোটিই ইঞ্জিনে পানি ঢোকা বা ইলেকট্রিক্যাল সমস্যা থেকে আপনাকে বাঁচাতে পারবে না।

বিল্ড কোয়ালিটি এবং ইন্সপেকশন পয়েন্টসমূহ

Suzuki Gixxer SF-এ LED headlight, LED tail lamp এবং ফুল ডিজিটাল ক্লাস্টার রয়েছে। তবে বিল্ড কোয়ালিটি নিশ্চিত করতে ফেয়ারিংয়ের অ্যালাইনমেন্ট, প্যানেল স্ক্রু, পেইন্ট ফিনিশ এবং ওয়্যারিং ভালোভাবে চেক করুন। সেকেন্ড হ্যান্ড বাইক কেনার ক্ষেত্রে প্যানেলের রঙের অমিল বা ড্যামেজ দেখে এটি আগে অ্যাক্সিডেন্ট করেছে কিনা তা বোঝা যায়। রাতে হেডলাইটের আলো কেমন তা দেখে নেওয়া জরুরি।

ইঞ্জিন বা ইলেকট্রিক্যাল বিষয়ে কোনো বিশেষ ত্রুটি সাধারণভাবে দেখা যায় না। তবুও কেনার সময় কোল্ড স্টার্টিং, আইডল স্ট্যাবিলিটি, ক্লাচ এনগেজমেন্ট, গিয়ার শিফটিং এবং চেইন ও স্টিয়ারিং বিয়ারিং পরীক্ষা করুন। ইঞ্জিন অয়েল এবং সার্ভিস রেকর্ডের সঠিকতা যাচাই করা অনলাইন রিভিউয়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশে সার্ভিস এবং মেইনটেন্যান্স খরচ

বাংলাদেশে Suzuki এর শক্তিশালী ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক থাকায় Gixxer SF-এর পার্টস পাওয়া অন্য অনেক ইমপোর্টেড বাইকের চেয়ে সহজ। তবে সব ডিস্ট্রিক্ট শোরুমে সব পার্টস একসাথে নাও থাকতে পারে। কেনার আগে আপনার নিকটস্থ সার্ভিস সেন্টারে FI ডায়াগনোসিস, ABS সাপোর্ট এবং ফেয়ারিংয়ের দাম ও অ্যাভেইলেবিলিটি সম্পর্কে খোঁজ নিন। ফেয়ারিং বা কালারড বডি পার্টস পেতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।

নিয়মিত মেইনটেন্যান্স খরচ খুব বেশি না হলেও, এয়ার ফিল্টার, ব্রেক প্যাড এবং চেইনের বর্তমান দাম জেনে নিন। স্পোর্টি লুকের কারণে ফেয়ারিংয়ের সামান্য ক্ষতিও পকেটে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। এর air-cooled ইঞ্জিন লিকুইড কুলিং মেইনটেন্যান্সের ঝামেলা বাঁচালেও সঠিক ইঞ্জিন অয়েল এবং সময়মতো সার্ভিসিং করা অপরিহার্য।

রিসেল ভ্যালু এবং প্রতিযোগী বাইকসমূহ

Suzuki একটি জনপ্রিয় ব্র্যান্ড হওয়ায় রিসেল মার্কেটে এর গ্রহণযোগ্যতা ভালো। বাইকের অরিজিনাল প্যানেল, সার্ভিস রেকর্ড এবং ক্লিন পেপারস থাকলে ভালো দাম পাওয়া সম্ভব। Yamaha Fazer FI, Yamaha R15 বা Honda CBR150R এর সাথে বর্তমান প্রাইস এবং স্পেসিফিকেশন তুলনা করে দেখুন। যদি ফেয়ারিং আপনার জন্য খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ না হয়, তবে এর নেকড ভার্সন Suzuki Gixxer ও বিবেচনায় রাখতে পারেন যা দামে কিছুটা কম হবে।

ভালো দিক (Pros)

  • প্র্যাকটিক্যাল ব্যবহারের জন্য চমৎকার fully-faired স্টাইলিং
  • Fuel injection এবং মিড-রেঞ্জ ওরিয়েন্টেড ইঞ্জিন স্পেসিফিকেশন
  • Single-channel ABS এবং উভয় চাকায় disc brake এর সুবিধা
  • বাংলাদেশে Suzuki এর সুপ্রতিষ্ঠিত সার্ভিস ও পার্টস সাপোর্ট নেটওয়ার্ক
  • Tubeless tyres এবং পেছনে radial rear টায়ারের ব্যবহার

খারাপ দিক (Cons)

  • ওজন এবং স্পোর্টি অ্যাপিয়ারেন্সের তুলনায় পাওয়ার বেশ পরিমিত মনে হতে পারে
  • Single-channel ABS দেওয়া হয়েছে, যা dual-channel protection এর সমতুল্য নয়
  • fairing এর ক্ষতির কারণে দুর্ঘটনাকালীন মেরামতের খরচ অনেক বেড়ে যেতে পারে
  • Dhaka traffic এর কারণে mileage অফিশিয়াল হিসাবের চেয়ে বেশ কমে যেতে পারে

শেষ কথা (Verdict)

যারা স্টাইলিশ লুক, সহজ নিয়ন্ত্রণ এবং সুপ্রতিষ্ঠিত ব্র্যান্ডের ভরসা খুঁজছেন, তাদের জন্য Suzuki Gixxer SF একটি নির্ভরযোগ্য পছন্দ। তবে শুধুমাত্র আবেগের বশবর্তী হয়ে না কিনে বর্তমান দামের সাথে অন্যান্য বাইকের তুলনা করে নেওয়া ভালো। এর কমফোর্ট লেভেল এবং হাইওয়েতে পারফরম্যান্সের সীমাবদ্ধতা মেনে নিয়ে কিনলে এটি প্রতিদিনের ব্যবহারের জন্য একটি ব্যালেন্সড মোটরসাইকেল। একে সুপারস্পোর্ট স্পিডের জন্য নয়, বরং স্টাইলিশ ও ব্যালেন্সড ডেইলি রাইডিংয়ের জন্য বেছে নিন।

Similar Bikes