Aprilia GPR 150 Standard side view
Standard

Aprilia GPR 150 Price in Bangladesh 2026

৳3,00,000

Listed price

Last updated:

India vs Bangladesh price

India price (₹—)
Not sold in India
Price in Bangladesh
৳3,00,000

Registration & tax token fee

For this 149cc bike · BRTA 100cc and above rate

2 years
৳11,764
10 years
৳20,964

Short Specifications

Engine capacity
149 cc
Maximum power
17.7 bhpat 9750 rpm
Maximum torque
14 Nmat 7500 rpm
Mileage
40 km/l (approx.)
ABS
No ABS
Tubeless tyres
Yes
Seat height
790 mm
Kerb weight
140 kg
Top speed
120 km/h (approx.)

Aprilia GPR 150 Price in Bangladesh

The Aprilia GPR 150 price in Bangladesh is ৳3,00,000. This sport bike is powered by a 149cc 4-stroke, liquid-cooled, dohc, single cylinder engine that produces 17.7 bhp @ 9750 rpm, with a maximum torque of 14 Nm @ 7500 rpm. The GPR 150 gives a mileage of around 40 km/l. It comes with a normal (non-ABS) braking system and tubeless tyres. Seat height is 790 mm and kerb weight is 140 kg. Top speed: about 120 km/h. It is available in 1 colour: Standard. Check the Aprilia GPR 150 full specifications, price breakdown and comparison below before you buy.

Aprilia GPR 150 দাম বাংলাদেশে 2026: ৳3,00,000

Aprilia GPR 150 Colours in Bangladesh

Standard

Aprilia GPR 150 Full Specifications

General

Brand
Aprilia
Model
GPR 150
Category
Sport
Model year
2026
Price
৳3,00,000 (listed price)

Engine and Transmission

Engine type
4-Stroke, Liquid-Cooled, DOHC, Single Cylinder
Cooling system
Liquid-cooled
Fuel system
EFI
Transmission
6-speed manual

Brakes and Tyres

Front brake
Single Disc (300 mm)
Rear brake
Disc Brake (218 mm)
Front tyre
100/80-17 tubeless
Rear tyre
130/70-17 tubeless

Suspension and Chassis

Front suspension
40mm USD Forks
Rear suspension
Monoshock

Dimensions and Weight

Ground clearance
Not available
Wheelbase
1345 mm
Overall dimensions (L × W × H)
1950 × 770 × 1100 mm

Electrical and Features

Headlight
LED
Instrument cluster
Digital speedometer
Battery
12v
Features
Braking System: Disc Brake, Starting Method: Electric, Wheel Type: Alloy, Seat Type: Single-Seat, Engine kill switch

Additional Information

Available colours
Standard
Warranty
Not available
Availability
Available
Last updated
2026-10-16

Aprilia GPR 150 Rating

Overall 69/100

Design
76%
Comfort
62%
Engine performance
65%
Mileage
69%
Brand reliability
75%
Resale value
65%

Our estimate based on specifications, brand and price.

Aprilia GPR 150 FAQ — সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

Aprilia GPR 150 price in Bangladesh 2026 কত?

বাংলাদেশে Aprilia GPR 150-এর বর্তমান price ৳3,00,000।

Aprilia GPR 150-এর registration fee কত?

149cc বাইক হিসেবে tax token সহ registration খরচ ২ বছরের জন্য প্রায় ৳11,764 এবং ১০ বছরের জন্য প্রায় ৳20,964।

Aprilia GPR 150-এর mileage কত?

Aprilia GPR 150 প্রায় 40 km/l (approx.) mileage দেয়।

Aprilia GPR 150 কত cc এবং power কত?

Aprilia GPR 150-এ 149cc engine আছে, power 17.7 bhp @ 9750 rpm, torque 14 Nm @ 7500 rpm।

Aprilia GPR 150-এ কি ABS আছে?

না, Aprilia GPR 150-এ ABS নেই।

Aprilia GPR 150-এর top speed কত?

Aprilia GPR 150-এর top speed প্রায় 120 km/h (approx.)।

Aprilia GPR 150-এর seat height ও weight কত?

Seat height 790 mm এবং weight 140 kg।

বাংলাদেশে Aprilia GPR 150 কোন কোন colour-এ পাওয়া যায়?

Aprilia GPR 150 1টি colour-এ পাওয়া যায়: Standard।

Aprilia GPR 150 Review: বাংলাদেশে ownership গাইড

Aprilia GPR 150 বাংলাদেশের ক্রেতাদের সাধারণ কমিউটার-ধর্মী স্পোর্টস বাইকের বাইরে ভিন্ন কিছু অফার করে: একটি liquid-cooled, DOHC engine, upside-down forks এবং ফুললি ফেয়ারড স্পোর্ট-বাইক লুক। বাংলাদেশে এর তালিকাভুক্ত price হলো ৳300,000 এবং এটি Runner Automobiles Limited-এর মাধ্যমে পাওয়া যাচ্ছে। তবে শুধুমাত্র Aprilia ব্যাজ থাকলেই কমফোর্ট, servicing বা resale সংক্রান্ত প্রশ্নের সমাধান হয়ে যায় না। এই ওনারশিপ-ফোকাসড রিভিউটি বাইকটির স্পেসিফিকেশন এবং প্রাকটিক্যাল বিষয়গুলোর ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে।

কার জন্য Aprilia GPR 150 সঠিক?

Aprilia GPR 150 মূলত সেইসব এনথুজিয়াস্টদের জন্য যারা ঘনঘন gearbox ব্যবহার করতে পছন্দ করেন, বাইকের স্বতন্ত্র স্টাইলিংকে গুরুত্ব দেন এবং মেইনস্ট্রিম কমিউটার বাইকের চেয়ে একটু বেশি যত্ন নিতে রাজি আছেন। যারা এমন বাইক খুঁজছেন যা খুব কম মেইনটেন্যান্সে সবসময় চলবে, তাদের জন্য এটি খুব একটা জুতসই নাও হতে পারে। কেনার আগে বিক্রেতার কাছ থেকে চূড়ান্ত খরচ, warranty এবং স্টকের অবস্থা জেনে নিন; কারণ তালিকাভুক্ত price সবসময় অন-রোড কোটেশন নাও হতে পারে।

Aprilia GPR 150 ইঞ্জিন: টর্ক নয়, বরং রেভ-এর ওপর জোর

Aprilia GPR 150 এর 149cc সিঙ্গেল-সিলিন্ডার ইঞ্জিন থেকে 9750 rpm-এ 17.7 bhp এবং 7500 rpm-এ 14 Nm টর্ক পাওয়া যায়। এই স্পেসিফিকেশন ইঙ্গিত দেয় যে, ইঞ্জিনটি লো-এন্ড টর্কের চেয়ে হাই-রেভ-এ বেশি পারফরম্যান্স দেয়। 140 kg ওজনের এই বাইকটি নিয়ে হাইওয়েতে ওভারটেক করার সময় হাই গিয়ারে এক্সিলারেশনের চেয়ে গিয়ার ডাউনশিফট করার প্রয়োজন হতে পারে।

এর সিক্স-স্পিড ম্যানুয়াল gearbox শহরের জ্যাম এবং খোলা রাস্তায় রাইডারকে ভালো ফ্লেক্সিবিলিটি দেবে। তবে Aprilia GPR 150-এর দাবি করা প্রায় 120 km/h top speed কোনো ভেরিফাইড রেজাল্ট নয়। হাইওয়েতে ওভারটেকিং স্পেস এবং বাতাসের চাপ top speed-এর চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ঢাকার ট্রাফিকে ঘনঘন ক্লাচ এবং গিয়ার পরিবর্তনের কারণে এর হাই-রেভিং ইঞ্জিনের মজা কিছুটা কমে যেতে পারে।

ঢাকার ট্রাফিকে ফুয়েল ইকোনমি বা Mileage

Aprilia GPR 150-এর আনুমানিক 40 km/l mileage-কে একটি রেফারেন্স হিসেবে ধরুন, গ্যারান্টি হিসেবে নয়। জ্যামে বসে থাকা, বারবার এক্সিলারেশন এবং ইঞ্জিন আইডল অবস্থায় থাকার কারণে mileage কমে যেতে পারে। EFI ফুয়েল ম্যানেজমেন্টে সাহায্য করলেও ট্রাফিক জ্যাম এড়াতে পারে না। এর 15.4 L ফুয়েল ট্যাংক বারবার রিফুয়েলিংয়ের ঝামেলা কমায়। বিক্রেতার কথার ওপর নির্ভর না করে নিজে কয়েকবার ফুল ট্যাংক তেল নিয়ে প্রকৃত mileage হিসাব করে নিন।

কমফোর্ট এবং ভাঙা রাস্তায় পারফরম্যান্স

Aprilia GPR 150-এর seat height হলো 790 mm, তবে শুধু এই সংখ্যা দিয়ে বোঝা সম্ভব নয় যে আপনার পা মাটিতে পৌঁছাবে কি না। সিটের প্রস্থ এবং সাসপেনশন স্যাগও এখানে গুরুত্বপূর্ণ। বাইকটি চালিয়ে বা স্ট্যান্ড থেকে নামিয়ে ব্যক্তিগতভাবে যাচাই করুন। বিশেষ করে জ্যামে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার সময় কবজি (wrist) বা হাঁটুতে কোনো চাপ পড়ছে কি না তা খেয়াল করুন।

এর 40mm USD forks এবং রিয়ার monoshock শুনতে ভালো লাগলেও, এটি কতটা আরামদায়ক হবে তা রাইড না করে বলা কঠিন। ভাঙা রাস্তায় চালিয়ে সাসপেনশন যাচাই করে নিন। বাইকটির ground clearance উল্লেখ করা নেই, তাই স্পিড ব্রেকারে বাইকের নিচের অংশ বা ফেয়ারিং ঘষা লাগে কি না তা সাবধানে পরীক্ষা করুন। পিলিয়ন নিয়ে রাইড করার কথা থাকলে এর সিঙ্গেল-সিট অপশনটি নিয়ে বিক্রেতার সাথে কথা বলে নিন।

বর্ষাকালে ফেয়ারিং দেখে মনে হতে পারে এটি পানি থেকে সুরক্ষা দেবে, কিন্তু আসলে তা নয়। গভীর পানি এড়িয়ে চলুন, কারণ বৈদ্যুতিক বা যান্ত্রিক যন্ত্রাংশে পানি ঢুকলে বড় ধরনের খরচ হতে পারে। ভেজা রাস্তায় গ্রিপের জন্য টায়ারের কন্ডিশন এবং এর tubeless টায়ারের কোয়ালিটি যাচাই করুন।

ব্রেকিং এবং সেফটি: একটি বড় অভাব

Aprilia GPR 150-এ 300 mm ফ্রন্ট ডিস্ক এবং 218 mm রিয়ার ডিস্ক থাকলেও এতে কোনো ABS নেই। বিশেষ করে বৃষ্টির দিনে বা বালুযুক্ত রাস্তায় এটি একটি বড় দুর্বলতা। বড় ডিস্ক ব্রেক মানেই চাকা লক হবে না এমন নয়। রাইডারদের উচিত প্রোগ্রেসিভ ব্রেকিং টেকনিক শেখা এবং টায়ারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া। শুধুমাত্র লুক বা ব্র্যান্ড ভ্যালু দেখে সিদ্ধান্ত না নিয়ে ABS যুক্ত রাইভাল বাইকগুলোর কথা মাথায় রাখা উচিত।

বিল্ড কোয়ালিটি এবং যা যা চেক করবেন

বাইকটি কেনার সময় বা ব্যবহৃত বাইক কেনার ক্ষেত্রে ফেয়ারিং অ্যালাইনমেন্ট, নাট-বল্টু, পেইন্ট ফিনিশ এবং ওয়্যারিং কানেকশন ভালো করে দেখে নিন। পুরোনো বাইক হলে fork-seal লিক, স্টিয়ারিং বেয়ারিং, রিম এবং টায়ারের অবস্থা পরীক্ষা করুন। এগুলো কোনো নির্দিষ্ট ত্রুটি নয়, বরং কেনার আগে সাধারণ সতর্কতা।

ঠান্ডা অবস্থায় ইঞ্জিন স্টার্ট দিয়ে দেখুন idle ঠিক আছে কি না এবং throttle response স্মুথ কি না। কোনো coolant লিক বা ওয়ার্নিং লাইট জ্বলছে কি না খেয়াল করুন। একজন অভিজ্ঞ টেকনিশিয়ান দিয়ে কুলিং সিস্টেম, চার্জিং এবং গিয়ারবক্স চেক করিয়ে নিন। LED headlight এবং ডিজিটাল speedometer ঠিকঠাক কাজ করছে কি না তা নিশ্চিত হোন। মডিফাইড বাইকের চেয়ে ভালোভাবে মেইনটেইন করা এবং সার্ভিস রেকর্ড থাকা বাইক কেনাই বুদ্ধিমানের কাজ।

Parts, সার্ভিস এবং মেইনটেন্যান্স খরচ

Runner-এর ডিস্ট্রিবিউশন থাকায় Aprilia GPR 150-এর জন্য একটি নির্দিষ্ট লোকাল সাপোর্ট চ্যানেল পাওয়া যায়, যা ব্যক্তিগত আমদানিকারকদের চেয়ে ভালো। তবে মনে রাখতে হবে, জাপানি বা ইন্ডিয়ান ব্র্যান্ডের মতো এর parts বা সার্ভিস সেন্টার সব জায়গায় সহজলভ্য নাও হতে পারে। কেনার আগে আপনার নিকটস্থ কোন ওয়ার্কশপ এই মডেলটির কাজ করে এবং ফিল্টার, ব্রেক প্যাড, ক্লাচ পার্টস বা ফেয়ারিংয়ের বর্তমান স্টক কেমন তা জেনে নিন।

লিকুইড কুলিং, EFI এবং ফেয়ারিং থাকার কারণে এর মেইনটেন্যান্স খরচ একটি সাধারণ এয়ার-কুলড কমিউটার বাইকের চেয়ে বেশি হবে। সময়মতো লুব্রিকেন্ট পরিবর্তন, চেইন কেয়ার এবং সার্ভিসিং করলে বাইকটি ভালো থাকবে। অবহেলার কারণে ছোটখাটো সমস্যাও বড় খরচের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

বাংলাদেশে প্রতিদ্বন্দ্বী এবং Resale ভ্যালু

বাংলাদেশে স্পোর্টস বাইক প্রেমীরা Aprilia GPR 150-এর সাথে Yamaha R15 এবং Suzuki GSX-R150-এর তুলনা করতে পারেন। এছাড়া Bajaj Pulsar RS200-ও একটি বিকল্প হতে পারে। কেনার আগে ABS, রাইডিং পজিশন, warranty এবং সার্ভিস সাপোর্টের তুলনা করে নিন।

Resale-এর ক্ষেত্রে Aprilia GPR 150 নিয়ে কিছুটা সতর্ক থাকা প্রয়োজন। যেহেতু এটি একটি স্পেশালিস্ট মডেল, তাই এর সেকেন্ড হ্যান্ড ক্রেতার সংখ্যা মূলধারার বাইকের তুলনায় কম হতে পারে। এটি মার্কেটের একটি ঝুঁকি। তাই কেনার সময় মাথায় রাখুন যে, আপনি বাইকটি নিজের পছন্দের জন্য কিনছেন, শুধুমাত্র সহজে বিক্রি করার জন্য নয়। সার্ভিস হিস্ট্রি বা রিসিটগুলো যত্ন করে রাখুন, যা পরবর্তীতে বিক্রির সময় সাহায্য করবে।

ভালো দিক (Pros)

  • Liquid cooling এবং EFI সহ হাই-রেভিং DOHC engine।
  • বিভিন্ন পরিস্থিতির জন্য সিক্স-স্পিড gearbox।
  • আকর্ষণীয় এবং স্বতন্ত্র ফুললি ফেয়ারড স্পোর্ট-বাইক অ্যাপিল।
  • উভয় চাকায় USD forks এবং disc brake।
  • Runner-এর মাধ্যমে বাংলাদেশে সুনির্দিষ্ট ডিস্ট্রিবিউশন চ্যানেল।

খারাপ দিক (Cons)

  • ABS নেই, যা ভেজা রাস্তায় নিরাপত্তার জন্য একটি বড় ঘাটতি।
  • ইঞ্জিনের পিক আউটপুট পেতে অনেক বেশি rev দিতে হয়।
  • মডেল-নির্দিষ্ট parts-এর সহজলভ্যতা যাচাই করে নেওয়া প্রয়োজন।
  • কমফোর্ট, ground clearance এবং পিলিয়ন রাইডিংয়ের সুবিধা যাচাই করা জরুরি।
  • মেইনস্ট্রিম বিকল্পগুলোর তুলনায় resale ডিমান্ড বা চাহিদা কম হতে পারে।

শেষ কথা (Verdict)

Aprilia GPR 150 সাধারণের চেয়ে শৌখিন রাইডারদের জন্যই বেশি উপযুক্ত। এর ইঞ্জিনের স্পেসিফিকেশন এবং স্টাইলিং দারুণ হলেও ABS-এর অনুপস্থিতি এবং পার্টসের সহজলভ্যতার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা উচিত। একটি সন্তোষজনক টেস্ট রাইড, সঠিক warranty আলোচনা এবং আপনার এলাকায় সার্ভিসিংয়ের সুবিধা নিশ্চিত হওয়ার পরেই এটি কেনার সিদ্ধান্ত নিন।

Similar Bikes