Keeway K-Light Standard side view
Standard

Keeway K-Light Price in Bangladesh 2026

৳1,67,500

Listed price

Last updated:

India vs Bangladesh price

India price (₹—)
Not sold in India
Price in Bangladesh
৳1,67,500

Registration & tax token fee

For this 149cc bike · BRTA 100cc and above rate

2 years
৳11,764
10 years
৳20,964

Short Specifications

Engine capacity
149 cc
Maximum power
11 bhpat 8500 rpm
Maximum torque
10 Nmat 7500 rpm
Mileage
0 km/l (approx.)
ABS
No ABS
Tubeless tyres
Yes
Seat height
Not available
Kerb weight
156 kg
Top speed
115 km/h (approx.)

Keeway K-Light Price in Bangladesh

The Keeway K-Light price in Bangladesh is ৳1,67,500. This cruiser bike is powered by a 149cc engine that produces 11 bhp @ 8500 rpm, with a maximum torque of 10 Nm @ 7500 rpm. The K-Light gives a mileage of around 0 km/l. It comes with a normal (non-ABS) braking system and tubeless tyres. Kerb weight is 156 kg. Top speed: about 115 km/h. It is available in 1 colour: Standard. Check the Keeway K-Light full specifications, price breakdown and comparison below before you buy.

Keeway K-Light দাম বাংলাদেশে 2026: ৳1,67,500

Keeway K-Light Colours in Bangladesh

Standard

Keeway K-Light Full Specifications

General

Brand
Keeway
Model
K-Light
Category
Cruiser
Model year
2026
Price
৳1,67,500 (listed price)

Engine and Transmission

Engine type
Not available
Cooling system
Air-cooled
Fuel system
Carburetor
Transmission
5-speed manual

Brakes and Tyres

Front brake
Single Disc (280 mm)
Rear brake
Disc Brake (240 mm)
Front tyre
90/90-17 tubeless
Rear tyre
130/90-15 tubeless

Suspension and Chassis

Front suspension
Telescopic Forks
Rear suspension
Double shock absorber, adjustable by screw

Dimensions and Weight

Ground clearance
150 mm
Wheelbase
1440 mm
Overall dimensions (L × W × H)
2140 × 800 × 1050 mm

Electrical and Features

Headlight
12V35/35W with Filament Bulb
Instrument cluster
Digital speedometer
Battery
12v
Features
Starting Method: Kick & Electric, Wheel Type: Alloy, Seat Type: Single-Seat, Engine kill switch

Additional Information

Available colours
Standard
Warranty
Not available
Availability
Available
Last updated
2026-10-16

Keeway K-Light Rating

Overall 64/100

Design
67%
Comfort
86%
Engine performance
55%
Mileage
35%
Brand reliability
75%
Resale value
65%

Our estimate based on specifications, brand and price.

Keeway K-Light FAQ — সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

Keeway K-Light price in Bangladesh 2026 কত?

বাংলাদেশে Keeway K-Light-এর বর্তমান price ৳1,67,500।

Keeway K-Light-এর registration fee কত?

149cc বাইক হিসেবে tax token সহ registration খরচ ২ বছরের জন্য প্রায় ৳11,764 এবং ১০ বছরের জন্য প্রায় ৳20,964।

Keeway K-Light-এর mileage কত?

Keeway K-Light প্রায় 0 km/l (approx.) mileage দেয়।

Keeway K-Light কত cc এবং power কত?

Keeway K-Light-এ 149cc engine আছে, power 11 bhp @ 8500 rpm, torque 10 Nm @ 7500 rpm।

Keeway K-Light-এ কি ABS আছে?

না, Keeway K-Light-এ ABS নেই।

Keeway K-Light-এর top speed কত?

Keeway K-Light-এর top speed প্রায় 115 km/h (approx.)।

Keeway K-Light-এর seat height ও weight কত?

weight 156 kg।

বাংলাদেশে Keeway K-Light কোন কোন colour-এ পাওয়া যায়?

Keeway K-Light 1টি colour-এ পাওয়া যায়: Standard।

Keeway K-Light review: বাংলাদেশে ownership এবং পারফরম্যান্স মূল্যায়ন

Keeway K-Light মূলত বাংলাদেশের বাজারের জন্য একটি ১৪৯cc ক্রুজার মোটরসাইকেল, যার বর্তমান price উল্লেখ করা হয়েছে ৳ ১৬৭,৫০০ এবং বর্তমানে এটি অ্যাভেইলেবল। এই রিভিউটি টেকনিক্যাল স্পেসিফিকেশনের ওপর ভিত্তি করে করা একটি সম্পাদকীয় বিশ্লেষণ, কোনো হ্যান্ডস-অন টেস্ট বা ওনার্স টেস্টিমোনিয়াল নয়। প্রাইস এবং স্পেসিফিকেশন পরিবর্তনশীল হতে পারে। সরবরাহকৃত তথ্য অনুযায়ী Aftab Automobiles Limited বাংলাদেশে এর বিক্রেতা; তাই কেনার আগে চূড়ান্ত showroom price, সঠিক স্পেসিফিকেশন এবং ডেলিভারি প্রক্রিয়া সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নিন।

কাদের পছন্দের তালিকায় Keeway K-Light থাকা উচিত?

Keeway K-Light তাদের জন্যই সবচেয়ে উপযুক্ত যারা মূলত ক্রুজার স্টাইলিং পছন্দ করেন এবং খুব দ্রুত এক্সিলারেশন বা কম ওজনের চেয়ে লুক-এর দিকে বেশি মনোযোগী। এর ১৫৬ kg ওজন পার্কিং, রিভার্সিং এবং টাইট টার্ন নেওয়ার সময় বেশ লক্ষণীয় হতে পারে। ২১৪০ mm দৈর্ঘ্য এবং ৮০০ mm প্রস্থের এই বাইকটি আপনার পার্কিং স্পেস এবং যানজটের ফাঁক দিয়ে চলাচলের জন্য উপযোগী কি না, তা সরাসরি দেখে যাচাই করা উচিত। যারা খুব সহজে ম্যানুভার করা যায় এমন কমিউটার বাইক খুঁজছেন, তারা অন্যান্য হালকা ক্যাটাগরির মোটরসাইকেলের সাথে এটি তুলনা করতে পারেন।

Keeway K-Light পাওয়ার: ক্রুজার ডিজাইন মানেই লো-আরপিএম টর্ক নয়

এর এয়ার-কুলড ইঞ্জিন থেকে ৮৫০০ rpm-এ ১১ bhp পাওয়ার এবং ৭৫০০ rpm-এ ১০ Nm টর্ক পাওয়া যায়, সাথে আছে ৫-স্পিড ম্যানুয়াল ট্রান্সমিশন। যেহেতু সর্বোচ্চ পাওয়ার এবং টর্ক তুলনামূলক হাই রেঞ্জে পাওয়া যায়, তাই শুধু ডিজাইন দেখে এটি থেকে খুব শক্তিশালী লো-এন্ড টর্ক আশা করা ঠিক হবে না। রাইডারসহ ১৫৬ kg ওজন টেনে নেওয়ার জন্য ওভারটেকিংয়ের সময় কিছুটা সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে এবং লোড অনুযায়ী সঠিক গিয়ার নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ হবে। এর আনুমানিক top speed ১১৫ km/h উল্লেখ করা হলেও এটি কোনো পরীক্ষিত ফল বা ক্রুজিংয়ের জন্য নিরাপদ গতি নয়।

ফুয়েল বাজেট: মাইলেজ সংক্রান্ত তথ্যের অভাব

সরবরাহকৃত তথ্যে mileage “০ km/l (approx.)” লেখা থাকায় এর প্রকৃত তেলের খরচ সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া সম্ভব নয়। ফলে এর ১১.৮ লিটার ট্যাঙ্ক থেকে মাসিক খরচ বা কত দূর পথ চলা যাবে, তা অনুমান করা কঠিন। বাংলাদেশের ট্রাফিক জ্যাম, বারবার এক্সিলারেশন এবং ছোট দূরত্বের যাত্রার কারণে ফুয়েল ইকোনমি এক এক রাইডারে এক এক রকম হতে পারে। এর carburettor-টি সঠিকভাবে অ্যাডজাস্ট করা আছে কি না এবং কোল্ড-স্টার্টে কেমন আচরণ করে তা দেখে নেওয়া জরুরি। কেনার পর কয়েকবার ফুল ট্যাঙ্ক রিফিল করে নিজেই নিজের রুটে mileage চেক করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

পিলিয়ন নিয়ে ভ্রমণের আগে সিট পরীক্ষা করুন

তথ্য অনুযায়ী এই বাইকটিতে “Single-Seat” রয়েছে; তাই ক্রুজার লুক দেখে পিলিয়ন বা যাত্রী বসার সুবিধা আছে বলে ধরে নেওয়া ঠিক হবে না। নিয়মিত পিলিয়ন নিয়ে চালানোর পরিকল্পনা থাকলে বসার সিট, পিলিয়ন ফুটরেস্ট এবং অনুমোদিত সিটিং অ্যারেঞ্জমেন্ট সরাসরি শো-রুমে গিয়ে যাচাই করুন। এর টেলিস্কোপিক ফর্ক এবং স্ক্রু-অ্যাডজাস্টেবল টুইন রিয়ার শক আরামদায়ক কি না তা বোঝার জন্য আপনার জুতো পরে বাইকটিতে বসে দেখুন এবং হ্যান্ডেলবারের দূরত্ব যাচাই করুন। সম্ভব হলে খারাপ রাস্তায় বাইকটি চালিয়ে টেস্ট করে দেখা ভালো।

গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স, টায়ার এবং ব্রেকিং ব্যবস্থা

বাইকটির গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স ১৫০ mm এবং হুইলবেস ১৪৪০ mm, যার ফলে উঁচু স্পিড ব্রেকার বা ভাঙা রাস্তায় লোড নিয়ে চলার সময় সতর্ক থাকতে হবে। ব্রেকিংয়ের জন্য সামনে ২৮০ mm disc এবং পেছনে ২৪০ mm disc দেওয়া হয়েছে, তবে এতে কোনো ABS নেই। শুধুমাত্র ডিস্কের সাইজ দিয়ে ব্রেকিং পারফরম্যান্স নিশ্চিত করা যায় না, তাই হার্ড ব্রেকিংয়ের সময় চাকা লক হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এর সামনের চাকা ৯০/৯০-১৭ এবং পেছনের চাকা ১৩০/৯০-১৫ সাইজের tubeless tyres-এর প্রেশার নিয়মিত চেক করা প্রয়োজন। টিউবলেস টায়ার পাংচারের ঝুঁকি কমায় ঠিকই, তবে ভেজা রাস্তায় গ্রিপ কেমন হবে তা চালানোর সময় খেয়াল রাখা উচিত।

বিল্ড কোয়ালিটি যাচাই করে নিন

বাইকটি কেনার সময় এর পেইন্ট ফিনিশ, ওয়েল্ডিং, নাট-বল্টু, ওয়্যারিং কানেকশন এবং ফর্ক সিল ভালো করে দেখে নিন। অ্যালয় হুইল বা স্টিয়ারিং মুভমেন্টে কোনো সমস্যা আছে কি না তা পরীক্ষা করুন। কিক এবং ইলেকট্রিক উভয় স্টার্টিং, ইঞ্জিন কিল সুইচ এবং ডিজিটাল স্পিডোমিটার ঠিকমতো কাজ করছে কি না তা নিশ্চিত হোন। ১২V৩৫/৩৫W এর হেডলাইটটি রাতে আপনার চলার পথের জন্য যথেষ্ট কি না, তা-ও চেক করে নেওয়া জরুরি।

পার্টস এবং সার্ভিস: শুধু ব্র্যান্ডের ওপর নির্ভর করবেন না

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ওয়ার্কশপ সুবিধা বা পার্টস-এর স্টক সম্পর্কে আগেভাগেই নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। সাধারণ পার্টস যেমন- ইঞ্জিন অয়েল, স্পার্ক প্লাগ বা ব্রেক প্যাড সহজেই পাওয়া যেতে পারে, তবে বডি প্যানেল, ইন্সট্রুমেন্ট ক্লাস্টার বা ইঞ্জিনের ইন্টারনাল পার্টসগুলো সহজলভ্য কি না তা স্থানীয় ডিলারের কাছে জিজ্ঞাসা করুন। যদি কোনো পার্টস আমদানি করতে হয়, তবে তার জন্য কত সময় লাগবে এবং খরচ কত হবে তা আগেভাগে জেনে নেওয়া ভালো। carburettor এবং ইলেকট্রিক্যাল ডায়াগনসিসের জন্য দক্ষ টেকনিশিয়ান আছে কি না তা-ও নিশ্চিত হোন।

শোরুম প্রাইস ছাড়াও অন্যান্য খরচের হিসাব রাখুন

এয়ার কুলিং সিস্টেম হওয়ায় লিকুইড কুল্যান্টের ঝামেলা নেই, তবে নিয়মিত অয়েল চেঞ্জ, ভালভ চেক এবং অন্যান্য মেইনটেন্যান্স কাজগুলো বাদ দেওয়া যাবে না। শুধুমাত্র ইঞ্জিনের সাইজ দেখে খরচ কম হবে ভাবা ঠিক নয়; বরং সার্ভিস শিডিউল দেখে সম্ভাব্য খরচের তালিকা করুন। ৳ ১৬৭,৫০০ মূল্যের মধ্যে কী কী সুবিধা রয়েছে এবং রেজিস্ট্রেশন চার্জসহ অন-রোড খরচ কত পড়বে, তা বিস্তারিত জেনে নিন। বাজেট করার সময় টায়ার, ব্রেক প্যাড এবং ব্যাটারি রিপ্লেসমেন্টের মতো আনুমানিক খরচগুলো মাথায় রাখুন।

ব্যবহৃত (Used) বাইক কেনার ক্ষেত্রে টিপস

যদি আপনি সেকেন্ড হ্যান্ড Keeway K-Light কিনতে চান, তবে প্রথমেই এর ইঞ্জিন ও চ্যাসিস নম্বর, মালিকানার কাগজপত্র এবং সার্ভিস রেকর্ড যাচাই করুন। কোল্ড স্টার্ট, ক্লাচ এনগেজমেন্ট, গিয়ার শিফটিং এবং ব্রেকিং ঠিক আছে কি না তা পরীক্ষা করুন। বাইকটিতে কোনো মডিফিকেশন করা হয়েছে কি না এবং অরিজিনাল পার্টসগুলো আছে কি না তা জেনে নিন। ব্যবহৃত বাইকের ক্ষেত্রে রিসেল ভ্যালু কেমন হবে তা বাজারের অবস্থার ওপর নির্ভর করে। কোনো দুর্ঘটনাজনিত ক্ষতির চিহ্ন আছে কি না তা অভিজ্ঞ কাউকে দিয়ে পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া জরুরি।

ভালো দিক (Pros)

  • যারা স্পিড বা এক্সিলারেশনের চেয়ে স্টাইলকে বেশি গুরুত্ব দেন, তাদের জন্য চমৎকার ক্রুজার ডিজাইন।
  • সামনে এবং পেছনে disc brake থাকার ফলে ব্রেকিং হার্ডওয়্যার বেশ উন্নত।
  • অ্যালয় হুইলের সাথে tubeless tyres সুবিধা।
  • কিক (kick) এবং ইলেকট্রিক (electric) উভয় স্টার্টিং অপশন রয়েছে।
  • অ্যাডজাস্টেবল টুইন রিয়ার শক অ্যাবজর্বার থাকায় রাইডিং সেটআপ পরিবর্তন করা সম্ভব।

খারাপ দিক (Cons)

  • চাকা লক হওয়া রোধ করতে কোনো ABS নেই।
  • ১৫৬ kg ওজনের বিপরীতে ইঞ্জিনের আউটপুট তুলনামূলক কম।
  • ব্যবহারযোগ্য কোনো নির্দিষ্ট mileage বা ফুয়েল ইকোনমি তথ্য নেই।
  • সিঙ্গেল সিট হওয়ার কারণে পিলিয়ন বা আরোহী বহনের বিষয়টি অনিশ্চিত।
  • ১৫০ mm গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্সের কারণে খারাপ রাস্তায় সতর্ক থাকতে হবে।

শেষ কথা (Verdict)

Keeway K-Light মূলত স্টাইলিশ রাইডারদের জন্য একটি বিশেষ পছন্দ হতে পারে, তবে এটি খুব বেশি মাইলেজ বা ইকোনমি নির্ভর বাইক নয়। বসার সুবিধা, ওজন নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা এবং ব্রেকিং কনফিডেন্স যাচাই করার পরই এটি কেনার সিদ্ধান্ত নিন। এর ডিজাইন আকর্ষণীয় হলেও, ট্রাফিক জ্যামে এর পারফরম্যান্স, পিলিয়ন নিয়ে চলার সুবিধা এবং ভবিষ্যতের পার্টস ব্যাকআপ সম্পর্কে সরাসরি নিশ্চিত হওয়া জরুরি।

Similar Bikes