Bajaj Avenger Street 160 ABS Ebony Black side view
Ebony Black1 of 2 colours

Bajaj Avenger Street 160 ABS Price in Bangladesh 2026

৳2,74,000

Listed price

Last updated:

India vs Bangladesh price

India price (₹1,38,000)
৳1,93,200
Tax & other costs
+ ৳80,800
Price in Bangladesh
৳2,74,000

Registration & tax token fee

For this 160cc bike · BRTA 100cc and above rate

2 years
৳11,764
10 years
৳20,964

Short Specifications

Engine capacity
160 cc
Maximum power
15 PSat 8,500 rpm
Maximum torque
14.6 Nmat 6,500 rpm
Mileage
55 km/l (approx.)
ABS
Single-channel ABS
Tubeless tyres
Yes
Seat height
737 mm
Kerb weight
154 kg
Top speed
110 km/h (approx.)

Bajaj Avenger Street 160 ABS Price in Bangladesh

The Bajaj Avenger Street 160 ABS price in Bangladesh is ৳2,74,000. This cruiser bike is powered by a 160cc single cylinder, twin spark dts-i, air-cooled, sohc engine that produces 15 PS @ 8,500 rpm, with a maximum torque of 14.6 Nm @ 6,500 rpm. The Avenger Street 160 ABS gives a mileage of around 55 km/l. It comes with single-channel ABS and tubeless tyres. Seat height is 737 mm and kerb weight is 154 kg. Top speed: about 110 km/h. It is available in 2 colours: Ebony Black, Spicy Red. Check the Bajaj Avenger Street 160 ABS full specifications, price breakdown and comparison below before you buy.

বাজাজ Avenger Street 160 ABS দাম বাংলাদেশে 2026: ৳2,74,000

Bajaj Avenger Street 160 ABS Colours in Bangladesh

Ebony Black · Spicy Red

Bajaj Avenger Street 160 ABS Full Specifications

General

Brand
Bajaj
Model
Avenger Street 160 ABS
Category
Cruiser
Model year
2026
Price
৳2,74,000 (listed price)

Engine and Transmission

Engine type
Single cylinder, twin spark DTS-i, air-cooled, SOHC
Cooling system
Air-cooled
Fuel system
Carburettor
Transmission
5-speed

Brakes and Tyres

Front brake
280 mm disc
Rear brake
Drum
Front tyre
90/90-17, tubeless
Rear tyre
130/90-15, tubeless

Suspension and Chassis

Front suspension
Telescopic forks
Rear suspension
Twin shocks

Dimensions and Weight

Ground clearance
169 mm
Wheelbase
1,480 mm
Overall dimensions (L × W × H)
Not available

Electrical and Features

Headlight
Full DC halogen
Instrument cluster
Digital
Battery
Not available
Features
Single-channel ABS, Low, long cruiser-styled frame, Cushioned backrest for pillion, Wide rear tyre

Additional Information

Available colours
Ebony Black, Spicy Red
Warranty
Not available
Availability
Available
Last updated
2026-10-15

Bajaj Avenger Street 160 ABS Rating

Overall 78/100

Design
70%
Comfort
90%
Engine performance
61%
Mileage
86%
Brand reliability
82%
Resale value
80%

Our estimate based on specifications, brand and price.

Bajaj Avenger Street 160 ABS FAQ — সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

Bajaj Avenger Street 160 ABS price in Bangladesh 2026 কত?

বাংলাদেশে Bajaj Avenger Street 160 ABS-এর বর্তমান price ৳2,74,000।

Bajaj Avenger Street 160 ABS-এর registration fee কত?

160cc বাইক হিসেবে tax token সহ registration খরচ ২ বছরের জন্য প্রায় ৳11,764 এবং ১০ বছরের জন্য প্রায় ৳20,964।

Bajaj Avenger Street 160 ABS-এর mileage কত?

Bajaj Avenger Street 160 ABS প্রায় 55 km/l (approx.) mileage দেয়।

Bajaj Avenger Street 160 ABS কত cc এবং power কত?

Bajaj Avenger Street 160 ABS-এ 160cc engine আছে, power 15 PS @ 8,500 rpm, torque 14.6 Nm @ 6,500 rpm।

Bajaj Avenger Street 160 ABS-এ কি ABS আছে?

হ্যাঁ, Bajaj Avenger Street 160 ABS-এ Single-channel ABS আছে।

Bajaj Avenger Street 160 ABS-এর top speed কত?

Bajaj Avenger Street 160 ABS-এর top speed প্রায় 110 km/h (approx.)।

Bajaj Avenger Street 160 ABS-এর seat height ও weight কত?

Seat height 737 mm এবং weight 154 kg।

বাংলাদেশে Bajaj Avenger Street 160 ABS কোন কোন colour-এ পাওয়া যায়?

Bajaj Avenger Street 160 ABS 2টি colour-এ পাওয়া যায়: Ebony Black, Spicy Red।

Bajaj Avenger Street 160 ABS Review: বাংলাদেশে ownership গাইড

Bajaj Avenger Street 160 ABS বাংলাদেশের সাধারণ কমিউটার বা স্ট্রিট-বাইক থেকে কিছুটা আলাদা স্বাদ দেয়: এর রয়েছে লো সিট, রিলাক্সড ক্রুজার স্ট্যান্স এবং pillion backrest। ২,৭৪,০০০ টাকা price-এ তালিকাভুক্ত এই বাইকটি তাদের জন্য উপযুক্ত যারা দ্রুত অ্যাক্সিলারেশনের চেয়ে আরামদায়ক ভ্রমণকে বেশি গুরুত্ব দেন। টাকা পরিশোধের আগে বর্তমান ডিলার quotation এবং স্টক যাচাই করে নিন। এটি মূলত স্পেসিফিকেশন এবং ব্যবহারিক সুবিধার ওপর ভিত্তি করে একটি ওনারশিপ গাইড, কোনো ব্যক্তিগত লং-টার্ম রোড টেস্টের দাবি নয়।

কার জন্য Bajaj Avenger Street 160 ABS সেরা?

Bajaj Avenger Street 160 ABS তাদের জন্য সবচেয়ে ভালো যারা শান্ত মেজাজে প্রতিদিন যাতায়াত করতে চান এবং ছুটির দিনে রাইড উপভোগ করেন। এর ৭৩৭ mm সিট হাইট খাটো রাইডারদেরও আত্মবিশ্বাসের সাথে পা মাটিতে রাখতে সাহায্য করবে, তবে সিটের চওড়া এবং পায়ের নাগাল বুঝতে showroom-এ গিয়ে চেক করা ভালো। যারা উঁচু মোটরসাইকেলে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন না, তাদের কাছে এর লো-স্লাং লে-আউট ভালো লাগবে। তবে মনে রাখবেন, নিচু মানেই হালকা নয়: ১৫৪ kg ওজনের এই বাইকটি ঢালু জায়গায় পার্কিং থেকে বের করতে সাবধানতা প্রয়োজন। যদি আপনার যাতায়াতের পথে ঘন ঘন টাইট U-turns এবং জ্যামে বাসের মাঝখান দিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন হয়, তবে সাধারণ কমিউটার বাইক চালানো সহজ হতে পারে।

Bajaj Avenger Street 160 ABS engine: রিলাক্সড, কিন্তু খুব শক্তিশালী নয়

Bajaj Avenger Street 160 ABS-এ ব্যবহার করা হয়েছে ১৬০ cc, air-cooled, single-cylinder, twin-spark DTS-i ইঞ্জিন, যাতে আছে carburettor এবং ৫-স্পিড গিয়ারবক্স। এর ১৫ PS পাওয়া যায় ৮,৫০০ rpm-এ এবং সর্বোচ্চ টর্ক ১৪.৬ Nm পাওয়া যায় ৬,৫০০ rpm-এ। এই পরিসংখ্যান থেকে বোঝা যায়, এটি একটি ছোট ইঞ্জিন যা ভালো পারফরম্যান্সের জন্য হাই রেভ প্রয়োজন। সিটিতে মোটামুটি ভালো অ্যাক্সিলারেশন পাওয়া গেলেও, বিশেষ করে একজন প্যাসেঞ্জার নিয়ে ওভারটেকিংয়ের সময় খুব বেশি জোর আশা করা ঠিক হবে না।

হাইওয়েতে Bajaj Avenger Street 160 ABS দ্রুত গতির বাইকের চেয়ে স্থিতিশীল ভ্রমণের জন্য বেশি উপযোগী। এর আনুমানিক ১১০ km/h top speed কোনো পরীক্ষিত ফলাফল নয় বা এটি ক্রুজিংয়ের জন্য আদর্শ নয়। ওভারটেক করার সময় পর্যাপ্ত জায়গা রাখুন, প্রয়োজনে গিয়ার downshift করুন। এর ওজন এবং ক্রুজার বসার ভঙ্গি মূলত ধীরস্থির রাইডিং স্টাইলকে সমর্থন করে।

ঢাকার ট্রাফিকে ফুয়েল ইকোনমি বা মাইলেজ

Bajaj Avenger Street 160 ABS-এর আনুমানিক mileage বলা হয়েছে ৫৫ km/l, কিন্তু ঢাকার জ্যামে রাইডারদের এই মাইলেজ পাওয়ার আশা করে মাসিক বাজেট করা উচিত হবে না। দীর্ঘক্ষণ জ্যামে দাঁড়িয়ে থাকা, বারবার অ্যাক্সিলারেশন এবং pillion লোড মাইলেজ কমিয়ে দিতে পারে। এছাড়া Carburettor-এর কন্ডিশন এবং অ্যাডজাস্টমেন্টও এখানে গুরুত্বপূর্ণ। ট্রাফিকের জন্য নির্দিষ্ট কোনো যাচাইকৃত ফলাফল না থাকায়, প্রকৃত রেঞ্জ বলা কঠিন। আপনার নিয়মিত রুটে কয়েকবার ফুল ট্যাংক রিফিল করে মাইলেজ মেপে নিন। এর ১৩ L ট্যাংক ভালো ফুয়েল ক্যাপাসিটি দিলেও সর্বোচ্চ মাইলেজ দিয়ে একে গুণ করলে রাইডিং রেঞ্জ ভুল হতে পারে।

Bajaj Avenger Street 160 ABS কমফোর্ট এবং খারাপ রাস্তার অভিজ্ঞতা

Bajaj Avenger Street 160 ABS একটি আরামদায়ক বসার ভঙ্গির প্রতিশ্রুতি দেয় এবং এর কুশনযুক্ত backrest পিলিয়নকে দারুণ সাপোর্ট দেয়। তবে ক্রুজার বাইকের আরগোনোমিক্স একেক জনের কাছে একেক রকম হতে পারে। শোরুমে আরামদায়ক মনে হলেও ভাঙা রাস্তায় দীর্ঘক্ষণ চালালে লোয়ার ব্যাক বা পিঠে চাপ লাগতে পারে। কেনার আগে আপনার নিয়মিত প্যাসেঞ্জারসহ ট্রায়াল দিয়ে দেখুন। এতে থাকা Telescopic forks এবং twin rear shocks সাধারণ হার্ডওয়্যার, যা কতটা ঝাঁকুনি শুষে নিতে পারবে তা নির্ভর করে রাস্তার কন্ডিশনের ওপর।

Bajaj Avenger Street 160 ABS-এ রয়েছে ১,৪৮০ mm হুইলবেস এবং ১৬৯ mm ground clearance। লম্বা লে-আউট সোজা রাস্তায় বাইককে স্থিতিশীল রাখলেও সরু গলিতে চলাচলে পরিকল্পনা প্রয়োজন। এর গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স ভালো হলেও বড় স্পিড ব্রেকারে সাবধান হতে হবে; প্যাসেঞ্জারের ওজন থাকলে বাইক আরও নিচু হয়ে যেতে পারে। বৃষ্টির সময় পানির নিচে গর্ত বা গভীরতা না জেনে বাইক চালাবেন না, যা ইঞ্জিন ও নিয়ন্ত্রণ উভয়ের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ।

Bajaj Avenger Street 160 ABS ব্রেকিং এবং বৃষ্টির নিরাপত্তা

Bajaj Avenger Street 160 ABS-এ আছে ২৮০ mm ফ্রন্ট ডিস্ক এবং রিয়ার ড্রাম ব্রেক, সাথে single-channel ABS। সামনের চাকায় অ্যান্টি-লক সুবিধা ইমার্জেন্সি ব্রেকিংয়ে সাহায্য করলেও এটি dual-channel নয়, অর্থাৎ পেছনের চাকা লক হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ভেজা রাস্তা বা কাদাটে রাস্তায় ব্রেক ব্যবহারের সময় সচেতন থাকুন। এর tubeless tyres সুবিধাজনক, তবে পেছনের চাকা চওড়া হলেই ভেজা রাস্তায় ভালো গ্রিপ দেবে এমন গ্যারান্টি নেই। টায়ারের বয়স, কন্ডিশন এবং প্রেসার নিয়মিত চেক করুন। রাতের বেলা হাইওয়েতে বের হওয়ার আগে ফুল ডিসি হ্যালোজেন হেডলাইটের আলো এবং ভিজিবিলিটি যাচাই করে নিন।

বিল্ড কোয়ালিটি এবং যা যা চেক করবেন

Bajaj Avenger Street 160 ABS-এর ক্ষেত্রে শুধু ব্র্যান্ড নয়, বাইকের কন্ডিশন বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ কোনো যান্ত্রিক ত্রুটির প্রমাণ ছাড়াই ঢালাওভাবে জং বা ভাইব্রেশনের অভিযোগ আনা ঠিক হবে না। তবে কেনার আগে নাট-বল্টু, খোলা মেটাল অংশ, এক্সহস্ট ফিনিশ এবং ওয়্যারিং কানেকশনগুলো ভালো করে দেখে নিন। বিশেষ করে যদি বাইক বাইরে রাখা হয়, তবে ফর্ক সিল এবং রিয়ার শকে কোনো লিকেজ আছে কি না বা চেইনে কোনো সমস্যা আছে কি না তা দেখুন। কোল্ড স্টার্ট দিয়ে আইডল স্ট্যাবিলিটি, থ্রটল রেসপন্স এবং গিয়ার এনগেজমেন্ট পরীক্ষা করুন। ডিজিটাল ক্লাস্টার, লাইট এবং ABS ওয়ার্নিং লাইট ঠিকমতো কাজ করছে কি না তা নিশ্চিত হয়ে নিন।

Bajaj service, পার্টস এবং রক্ষণাবেক্ষণ খরচ

বাংলাদেশে Bajaj-এর শক্তিশালী উপস্থিতির কারণে সার্ভিস পাওয়া এবং মেকানিকদের পরিচিতি তুলনামূলক সহজ। তবে এর অর্থ এই নয় যে সব শোরুমে Avenger-এর সব পার্টস পাওয়া যাবে। বডি প্যানেল, backrest, কেবল, টায়ার এবং ABS সংক্রান্ত পার্টস আপনার এলাকায় পাওয়া যায় কি না তা আগে জেনে নিন; অন্য কমিউটার বাইকের পার্টস এতে নাও মিলতে পারে।

Bajaj Avenger Street 160 ABS-এর মেকানিজম বেশ সহজ হলেও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ একেবারে কম হবে এমন নয়। ইঞ্জিন অয়েল, ফিল্টার, চেইন কেয়ার এবং ব্রেক সার্ভিসের জন্য বাজেট রাখুন। Carburettor-এর কাজের জন্য অভিজ্ঞ মেকানিকের কাছে যান। রক্ষণাবেক্ষণের খরচের জন্য কেবল অনুমানের ওপর নির্ভর না করে স্থানীয় পার্টস ও লেবার খরচ জেনে নিন।

রিসেল ভ্যালু এবং বিকল্প বাইকসমূহ

Bajaj Avenger Street 160 ABS-এর ব্র্যান্ড পরিচিতি থাকলেও ক্রুজার বাইকের ক্রেতা সাধারণ কমিউটার বাইকের চেয়ে কম। তাই এর resale ভ্যালু মূলত বাইকের কন্ডিশন, পেপারস এবং সার্ভিস হিস্ট্রির ওপর নির্ভর করবে। বাংলাদেশে বিকল্প হিসেবে ক্রেতারা Bajaj Pulsar, TVS Apache RTR এবং Suzuki Gixxer সিরিজগুলো দেখতে পারেন। তবে এগুলো ক্রুজার নয়, বরং স্ট্রিট-বাইক। Avenger-এর লো সিট এবং আরামদায়ক ভঙ্গির সাথে এগুলোর ম্যানুভারিবিলিটি তুলনা করে আপনার জন্য সেরাটি বেছে নিন।

ভালো দিক (Pros)

  • লো সিট হওয়ায় বাইক থামানোর সময় আত্মবিশ্বাস বাড়ায়।
  • আরামদায়ক ক্রুজার লে-আউট এবং pillion backrest।
  • Front ABS ইমার্জেন্সি ব্রেকিংয়ের সময় বেশ কার্যকর।
  • Tubeless tyres এবং ভালো ফুয়েল ট্যাংক ক্যাপাসিটি।
  • বাংলাদেশে Bajaj-এর বিস্তৃত service নেটওয়ার্ক।

খারাপ দিক (Cons)

  • ওভারটেকিং এর জন্য খুব বেশি পাওয়ার পাওয়া যায় না, বিশেষ করে pillion থাকলে।
  • ওজন এবং লম্বা লে-আউট হওয়ার কারণে সরু জায়গায় ম্যানুভার করা কিছুটা কঠিন।
  • Single-channel ABS হওয়ার কারণে পেছনের চাকায় কোনো anti-lock সুরক্ষা নেই।
  • Cruiser বসার ধরন খারাপ রাস্তায় পিঠের সমস্যার কারণ হতে পারে।
  • Avenger-এর নির্দিষ্ট কিছু parts পেতে আগে থেকে অর্ডার দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।

শেষ কথা (Verdict)

স্পিড বা নিশ্চিত মাইলেজের চেয়ে লো সিট এবং আরামদায়ক রাইডিংয়ের জন্য Bajaj Avenger Street 160 ABS বেছে নিন। যদি আপনার বসার ভঙ্গি এবং স্থানীয় পার্টস সাপোর্ট ঠিক থাকে, তবে এটি প্রতিদিনের ব্যবহারের জন্য একটি চমৎকার এবং বৈচিত্র্যময় অপশন হতে পারে। কেনার আগে একজন প্যাসেঞ্জারসহ টেস্ট রাইড এবং পার্কিং ট্রায়াল দিলে বাইকটি আপনার জন্য কতটা উপযুক্ত তা আরও পরিষ্কার হবে।

Similar Bikes