Honda X-Blade Radiant Red Metallic side view
Radiant Red Metallic1 of 4 colours

Honda X-Blade Price in Bangladesh 2026

৳2,40,000

Listed price

Last updated:

India vs Bangladesh price

India price (₹1,15,000)
৳1,61,000
Tax & other costs
+ ৳79,000
Price in Bangladesh
৳2,40,000

Registration & tax token fee

For this 163cc bike · BRTA 100cc and above rate

2 years
৳11,764
10 years
৳20,964

Short Specifications

Engine capacity
163 cc
Maximum power
13.7 bhpat 8,000 rpm
Maximum torque
14.7 Nmat 5,500 rpm
Mileage
45 km/l (approx.)
ABS
Single-channel ABS
Tubeless tyres
Yes
Seat height
795 mmEst.
Kerb weight
144 kg
Top speed
120 km/h (approx.)

Honda X-Blade Price in Bangladesh

The Honda X-Blade price in Bangladesh is ৳2,40,000. This naked bike is powered by a 163cc single-cylinder, 4-stroke, sohc, 2-valve, air-cooled, pgm-fi engine that produces 13.7 bhp @ 8,000 rpm, with a maximum torque of 14.7 Nm @ 5,500 rpm. The X-Blade gives a mileage of around 45 km/l. It comes with single-channel ABS and tubeless tyres. Seat height is 795 mm and kerb weight is 144 kg. Top speed: about 120 km/h. It is available in 4 colours: Radiant Red Metallic, Matte Axis Gray Metallic, Pearl Igneous Black, Pearl Deep Ground Gray. Check the Honda X-Blade full specifications, price breakdown and comparison below before you buy.

হোন্ডা X-Blade দাম বাংলাদেশে 2026: ৳2,40,000

Honda X-Blade Colours in Bangladesh

Radiant Red Metallic · Matte Axis Gray Metallic · Pearl Igneous Black · Pearl Deep Ground Gray

Honda X-Blade Full Specifications

General

Brand
Honda
Model
X-Blade
Category
Naked
Model year
2026
Price
৳2,40,000 (listed price)

Engine and Transmission

Engine type
Single-cylinder, 4-stroke, SOHC, 2-valve, air-cooled, PGM-FI
Cooling system
Air-cooled
Fuel system
Fuel injection
Transmission
5-speed

Brakes and Tyres

Front brake
276 mm petal disc
Rear brake
220 mm petal disc
Front tyre
80/100-17 tubeless
Rear tyre
130/70-17 tubeless

Suspension and Chassis

Front suspension
Telescopic fork
Rear suspension
Mono-shock

Dimensions and Weight

Ground clearance
160 mm
Wheelbase
1,347 mm
Overall dimensions (L × W × H)
Not available

Electrical and Features

Headlight
LED (Robo Face)
Instrument cluster
Digital
Battery
Not available
Features
Robo Face LED headlamp, Bank angle sensor, Dual petal disc, Side-stand engine cut-off, Assembled in Bangladesh

Additional Information

Available colours
Radiant Red Metallic, Matte Axis Gray Metallic, Pearl Igneous Black, Pearl Deep Ground Gray
Warranty
Not available
Availability
Available
Last updated
2026-10-15

Honda X-Blade Rating

Overall 77/100

Design
74%
Comfort
74%
Engine performance
59%
Mileage
75%
Brand reliability
92%
Resale value
88%

Our estimate based on specifications, brand and price.

Honda X-Blade FAQ — সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

Honda X-Blade price in Bangladesh 2026 কত?

বাংলাদেশে Honda X-Blade-এর বর্তমান price ৳2,40,000।

Honda X-Blade-এর registration fee কত?

163cc বাইক হিসেবে tax token সহ registration খরচ ২ বছরের জন্য প্রায় ৳11,764 এবং ১০ বছরের জন্য প্রায় ৳20,964।

Honda X-Blade-এর mileage কত?

Honda X-Blade প্রায় 45 km/l (approx.) mileage দেয়।

Honda X-Blade কত cc এবং power কত?

Honda X-Blade-এ 163cc engine আছে, power 13.7 bhp @ 8,000 rpm, torque 14.7 Nm @ 5,500 rpm।

Honda X-Blade-এ কি ABS আছে?

হ্যাঁ, Honda X-Blade-এ Single-channel ABS আছে।

Honda X-Blade-এর top speed কত?

Honda X-Blade-এর top speed প্রায় 120 km/h (approx.)।

Honda X-Blade-এর seat height ও weight কত?

Seat height 795 mm এবং weight 144 kg।

বাংলাদেশে Honda X-Blade কোন কোন colour-এ পাওয়া যায়?

Honda X-Blade 4টি colour-এ পাওয়া যায়: Radiant Red Metallic, Matte Axis Gray Metallic, Pearl Igneous Black, Pearl Deep Ground Gray।

Honda X-Blade Review: বাংলাদেশে ownership এবং ভ্যালু ফর মানি অ্যাসেসমেন্ট

Honda X-Blade মূলত সেই সব বাংলাদেশি রাইডারদের লক্ষ্য করে তৈরি করা হয়েছে যারা এগ্রেসিভ স্টাইলিং চান কিন্তু স্পোর্টস বাইকের জটিলতায় যেতে চান না। BDT 240,000 দামে বর্তমানে পাওয়া যাচ্ছে এই লোকাললি অ্যাসেম্বলড ন্যাকেড বাইকটি, যাতে রয়েছে fuel injection, dual discs এবং single-channel ABS। এটি রোমাঞ্চের চেয়ে প্রতিদিনের ব্যবহারের উপযোগিতার দিকেই বেশি নজর দিয়েছে। এই আর্টিকেলটি বাইকটির স্পেসিফিকেশন এবং ব্যবহারিক দিকগুলোর ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে, এটি কোনো দীর্ঘমেয়াদী পার্সোনাল রোড টেস্টের দাবি নয়।

কার জন্য এই Honda X-Blade?

ঢাকা বা জেলা শহরে যাতায়াত, মাঝেমধ্যে পিলিয়ন বহন করা এবং সপ্তাহান্তে highway-তে ঘুরতে যাওয়ার জন্য Honda X-Blade একটি চমৎকার অপশন হতে পারে। এর 'রুবো ফেস' LED headlamp একে একটি আলাদা পরিচয় দেয়। যারা সর্বোচ্চ পারফরম্যান্সের চেয়ে নির্ভরতা ও স্বাচ্ছন্দ্যকে গুরুত্ব দেন, তাদের কাছে এই বাইকটি আকর্ষণীয় মনে হবে।

তবে শুধুমাত্র Honda ব্যাজ দেখেই এটি বেছে নেওয়া ঠিক হবে না। যারা খুব দ্রুত acceleration, full ABS সুরক্ষা বা ভাঙা রাস্তায় খুব নরম suspension খুঁজছেন, তাদের অন্য অপশনগুলোও দেখা উচিত। শোরুমে গিয়ে চূড়ান্ত দাম, registration খরচ, warranty শর্ত এবং ফিচারগুলো যাচাই করে আপনার বাজেট নির্ধারণ করুন।

Honda X-Blade Engine: টর্ক এবং টপ স্পিড

Honda X-Blade-এ আছে ১৬৩ cc-র air-cooled, fuel-injected ইঞ্জিন যা ৮,০০০ rpm-এ ১৩.৭ bhp এবং ৫,৫০০ rpm-এ ১৪.৭ Nm টর্ক উৎপন্ন করে। ৫-স্পিড গিয়ারবক্সের এই ইঞ্জিনটি হাই রিভ করার আগেই ভালো টর্ক দেয়, যা শহরের রাইডিংয়ের জন্য কার্যকর। বাইকটির ওজন ১৪৪ kg, যা একে সহজে নিয়ন্ত্রণযোগ্য করে তোলে।

শহরের ট্রাফিকের ফাঁক দিয়ে চলা বা ঘনঘন গতি পরিবর্তনের জন্য এই ইঞ্জিন ব্যালেন্স ঠিকঠাক। তবে highway-তে পিলিয়ন বা মালামাল নিয়ে ওভারটেক করতে কিছুটা সময়ের প্রয়োজন হতে পারে। ১২০ km/h top speed-কে এর নিয়মিত ক্রুজিং স্পিড হিসেবে ধরা ঠিক হবে না। এটি মূলত সহজলভ্য পারফরম্যান্সের জন্য কেনা উচিত।

ঢাকার ট্রাফিকে ফুয়েল ইকোনমি বা মাইলেজ

Honda X-Blade-এর অফিশিয়াল mileage প্রায় 45 km/l বলা হলেও, ঢাকার দীর্ঘ যানজট, ঘনঘন ব্রেক এবং পিলিয়ন লোডের কারণে এটি বাস্তবে কম হতে পারে। Fuel injection ফুয়েল ম্যানেজমেন্টে সাহায্য করলেও স্টপ-অ্যান্ড-গো ট্রাফিকের অপচয় কমাতে পারে না। তাই শোরুমের দাবির চেয়ে মৃদু থ্রোটল ব্যবহার এবং সঠিক tyre pressure বজায় রাখা জরুরি।

বাইকটির ১২ L এর ফুয়েল ট্যাংক বড় ট্রিপের জন্য যথেষ্ট। আপনার রাইডিং প্যাটার্ন অনুযায়ী কয়েকবার ফুয়েল রিফিল করে আসল মাইলেজ পরীক্ষা করে নিন। যদি মাইলেজ হঠাৎ কমে যায়, তবে ইনজেক্টরের সমস্যার কথা ভাবার আগে maintenance, চাকার প্রেশার এবং ফুয়েলের মান যাচাই করুন।

বাংলাদেশের রাস্তায় Honda X-Blade-এর স্বাচ্ছন্দ্য

এর ৭৯৫ mm seat height অনেকের জন্যই সুবিধাজনক হতে পারে, তবে বাইকটি কেনার আগে নিজে বসে এবং নাড়াচাড়া করে দেখা জরুরি। বিশেষ করে পার্কিংয়ে বা পিলিয়ন নিয়ে ব্যালেন্স করার সময় ১৪৪ kg ওজন আপনার জন্য মানানসই কি না তা যাচাই করুন। শোর রাইডারদের জন্য এই চেকটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এতে রয়েছে প্রচলিত telescopic fork এবং rear mono-shock। ভাঙা রাস্তা বা উঁচু-নিচু পিচে পিলিয়ন নিয়ে চালিয়ে দেখুন রাইড কোয়ালিটি কেমন। এর ১৬০ mm ground clearance দিয়ে উঁচু স্পিড ব্রেকার পার হওয়ার সময় সাবধান থাকতে হবে, নতুবা নিচের অংশে ঘষা লাগতে পারে।

হ্যান্ডলিং এবং বৃষ্টিভেজা রাস্তা

বইখাতায় Honda X-Blade-এর wheelbase ১,৩৪৭ mm এবং এতে ৮০/১০০-১৭ ফ্রন্ট ও ১৩০/৭০-১৭ রেয়ার tubeless চাকা ব্যবহার করা হয়েছে। তবে ভেজা রাস্তায় গ্রিপ কেমন হবে তা নির্ভর করে টায়ারের কম্পাউন্ড ও অবস্থার ওপর। চওড়া টায়ার দেখতে সুন্দর হলেও বৃষ্টিতে ব্রেকিংয়ের সময় বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।

বর্ষাকালে রোডের পেইন্ট করা দাগ বা কাদা এড়িয়ে চলা উচিত। Tubeless টায়ারের কারণে সাধারণ পাংচার সহজে সারানো গেলেও সাইডওয়াল ড্যামেজ হলে সাবধান হতে হবে। এছাড়া গভীর পানিতে বাইক নামানো থেকে বিরত থাকুন, কারণ এটি গিয়ারবক্স বা ইঞ্জিনের ক্ষতি করতে পারে।

Honda X-Blade-এর ব্রেকিং ও সেফটি

নিরাপত্তার জন্য এতে ২৭৬ mm ফ্রন্ট পেটাল ডিস্ক, ২২০ mm রেয়ার পেটাল ডিস্ক এবং single-channel ABS দেওয়া হয়েছে। যদিও এটি সেফটি বাড়ায়, তবে মনে রাখবেন এটি dual-channel ABS নয়; ফলে অতিরিক্ত ব্রেকিংয়ে পেছনের চাকা লক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

সাইড-স্ট্যান্ড ইঞ্জিন কাট-অফ এবং ব্যাংক অ্যাঙ্গেল সেন্সর বাইকটিতে বাড়তি সুরক্ষা যোগ করে। রাতে হেডলাইটের আলো এবং অ্যালাইনমেন্ট চেক করে নিন। পুরনো বা ব্যবহৃত বাইক কেনার ক্ষেত্রে ABS ওয়ার্নিং লাইট, প্যাড ও ডিস্কের কন্ডিশন এবং ব্রেক ফ্লুইড নিয়মিত পরিবর্তন করা হয়েছে কি না দেখে নিন।

বিল্ড কোয়ালিটি এবং যা পরীক্ষা করবেন

Honda-র ব্র্যান্ড ভ্যালু একটি ভরসার জায়গা দিলেও অ্যাসেম্বলিং কোয়ালিটি নিজে দেখে নেওয়া ভালো। প্যানেল ফিটিং, সুইচ গিয়ার, এবং ইলেক্ট্রিক্যাল কানেক্টরগুলো চেক করুন। নির্দিষ্ট কোনো বড় ত্রুটি এই মডেলে সচরাচর দেখা যায় না, তাই কোনো ঢালাও গুজবে কান দেবেন না।

টেস্ট রাইডের সময় ইঞ্জিনের idle সাউন্ড, গিয়ার শিফটিং, চেইনের শব্দ বা অতিরিক্ত ভাইব্রেশন আছে কি না খেয়াল করুন। ব্যবহৃত বাইকের ক্ষেত্রে ফর্ক লিক, স্টিয়ারিং বেয়ারিং এবং হেডলাইটের মাউন্টিং ব্র্যাকেট ভালোভাবে পরীক্ষা করে নেওয়া উচিত।

সার্ভিস, পার্টস এবং রিসেল ভ্যালু

বাংলাদেশে Honda-র শক্তিশালী ডিলার নেটওয়ার্ক থাকায় এর servicing এবং পার্টস পাওয়া বেশ সহজ। তবুও কেনার আগে স্থানীয় শোরুমে ফিল্টার, ব্রেক প্যাড বা কেবলের মত কমন পার্টসগুলোর স্টকের খবর নিন। যদিও এটি লোকাললি অ্যাসেম্বলড, তবুও সব পার্টস সব সময় তাৎক্ষণিকভাবে নাও মিলতে পারে।

এর air-cooled ইঞ্জিনে লিকুইড কুলিংয়ের ঝামেলা নেই, তবে fuel injection এবং ABS-এর জন্য দক্ষ মেকানিক প্রয়োজন। ব্র্যান্ডের কারণে এর resale ভ্যালু সাধারণত ভালো থাকে, তবে বাইকের কন্ডিশন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ঠিক থাকা এক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখে।

প্রতিযোগী এবং কেনার সময় করণীয়

এই বাজেটে Honda X-Blade-এর পাশাপাশি Bajaj Pulsar, TVS Apache RTR, Hero Hunk এবং Suzuki Gixxer-এর বিভিন্ন ভেরিয়েন্ট দেখা যেতে পারে। প্রতিটি বাইকের দাম ও সেফটি ফিচার ভিন্ন হতে পারে। শুধু ডিজাইন বা টপ স্পিডের মোহে না পড়ে ব্রেকিং সিস্টেম, পিলিয়ন কমফোর্ট এবং পার্টস পাওয়ার নিশ্চয়তাকে গুরুত্ব দিন। সরাসরি শোরুমে গিয়ে একাধিক বাইক চালিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

সারসংক্ষেপ (Verdict)

যাতায়াত এবং মাঝেমধ্যে হাইওয়ে ট্যুরের জন্য Honda X-Blade একটি সময়োপযোগী বাইক। এর আকর্ষণীয় লুক, ব্র্যান্ড ভ্যালু এবং সার্ভিস সাপোর্ট একে একটি নিরাপদ পছন্দ হিসেবে তুলে ধরে। কেনার আগে এর ফিটিং এবং খরচ সম্পর্কে নিশ্চিত হোন। শুধু Honda নামের ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং আপনার প্রয়োজনের সাথে এটি কতটা মানানসই তা বিচার করে সিদ্ধান্ত নিন।

ভালো দিক (Pros)

  • প্রতিদিনের ব্যবহারের জন্য ইঞ্জিনের পারফরম্যান্স বেশ ভারসাম্যপূর্ণ।
  • Fuel injection প্রযুক্তির সাথে ভালো মানের approximate mileage পাওয়া যায়।
  • Front ABS, dual discs এবং প্রয়োজনীয় safety cut-offs ফিচার রয়েছে।
  • বাইকটিতে আকর্ষণীয় LED headlamp এবং digital instrumentation রয়েছে।
  • বাংলাদেশে Honda-র শক্তিশালী service নেটওয়ার্ক বিদ্যমান।

খারাপ দিক (Cons)

  • Single-channel ABS হওয়ার কারণে পেছনের চাকায় কোনো anti-lock protection নেই।
  • অল্প power হওয়ার কারণে লোড থাকা অবস্থায় highway-তে ওভারটেকিং কিছুটা সীমাবদ্ধ হতে পারে।
  • Ground clearance কম হওয়ার কারণে বড় বড় speed breakers সাবধানে পার হতে হবে।
  • উল্লিখিত mileage ঢাকার যানজটে কম পাওয়া যেতে পারে।

শেষ কথা (Verdict)

Honda X-Blade যাতায়াত এবং মাঝেমধ্যে highway ট্যুরের জন্য একটি ভারসাম্যপূর্ণ বাইক। এর আকর্ষণীয় লুক, নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্স এবং সার্ভিস সাপোর্ট একে একটি শক্তিশালী প্রতিযোগী করে তোলে। তবে কেনার আগে সব ফিচার ও খরচ যাচাই করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

Similar Bikes