Yamaha MT-10 SP Icon Performance side view
Icon Performance

Yamaha MT-10 SP Price in Bangladesh 2026

Estimated price

৳66,97,000

Not available in Bangladesh

Estimated price

Last updated:

USA vs Bangladesh price

USA price (US$18,299)
৳22,32,478
Tax & other costs
+ ৳44,64,522
Estimated price in Bangladesh
৳66,97,000

Short Specifications

Engine capacity
998 cc
Maximum power
166 PSat 11,500 rpm
Maximum torque
112 Nmat 9,000 rpm
Mileage
15 km/l (approx.)
ABS
Dual-channel ABS
Tubeless tyres
Yes
Seat height
835 mm
Kerb weight
214 kg
Top speed
260 km/h (approx.)

Yamaha MT-10 SP Price in Bangladesh

Yamaha MT-10 SP is not officially sold in Bangladesh, but its estimated price in Bangladesh in 2026 is around ৳66,97,000. This naked bike is powered by a 998cc liquid-cooled, inline 4-cylinder, crossplane, dohc, 16-valve engine that produces 166 PS @ 11,500 rpm, with a maximum torque of 112 Nm @ 9,000 rpm. The MT-10 SP gives a mileage of around 15 km/l. It comes with dual-channel ABS and tubeless tyres. Seat height is 835 mm and kerb weight is 214 kg. Top speed: about 260 km/h. It is available in 1 colour: Icon Performance. Check the Yamaha MT-10 SP full specifications, price breakdown and comparison below before you buy.

ইয়ামাহা MT-10 SP দাম বাংলাদেশে 2026: ৳66,97,000

Yamaha MT-10 SP Colours

Icon Performance

Yamaha MT-10 SP Full Specifications

General

Brand
Yamaha
Model
MT-10 SP
Category
Naked
Model year
2026
Price
৳66,97,000 (estimated price)

Engine and Transmission

Engine type
Liquid-cooled, inline 4-cylinder, crossplane, DOHC, 16-valve
Cooling system
Liquid-cooled
Fuel system
Fuel injection, YCC-T
Transmission
6-speed with quick shifter

Brakes and Tyres

Front brake
Dual 320 mm disc
Rear brake
220 mm disc
Front tyre
120/70ZR17 tubeless
Rear tyre
190/55ZR17 tubeless

Suspension and Chassis

Front suspension
Öhlins semi-active fork
Rear suspension
Not available

Dimensions and Weight

Ground clearance
Not available
Wheelbase
Not available
Overall dimensions (L × W × H)
Not available

Electrical and Features

Headlight
LED
Instrument cluster
4.2-inch TFT
Battery
Not available
Features
Öhlins semi-active suspension, Cruise control

Additional Information

Available colours
Icon Performance
Warranty
Not available
Availability
Available
Last updated
2026-10-15

Yamaha MT-10 SP Rating

Overall 77/100

Design
91%
Comfort
74%
Engine performance
97%
Mileage
42%
Brand reliability
90%
Resale value
67%

Our estimate based on specifications, brand and price.

Yamaha MT-10 SP FAQ — সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

Yamaha MT-10 SP price in Bangladesh 2026 কত?

Yamaha MT-10 SP বাংলাদেশে অফিসিয়ালি বিক্রি হয় না। আমদানি করলে আনুমানিক price হতে পারে ৳66,97,000।

Yamaha MT-10 SP-এর mileage কত?

Yamaha MT-10 SP প্রায় 15 km/l (approx.) mileage দেয়।

Yamaha MT-10 SP কত cc এবং power কত?

Yamaha MT-10 SP-এ 998cc engine আছে, power 166 PS @ 11,500 rpm, torque 112 Nm @ 9,000 rpm।

Yamaha MT-10 SP-এ কি ABS আছে?

হ্যাঁ, Yamaha MT-10 SP-এ Dual-channel ABS আছে।

Yamaha MT-10 SP-এর top speed কত?

Yamaha MT-10 SP-এর top speed প্রায় 260 km/h (approx.)।

Yamaha MT-10 SP-এর seat height ও weight কত?

Seat height 835 mm এবং weight 214 kg।

Yamaha MT-10 SP কোন কোন colour-এ পাওয়া যায়?

Yamaha MT-10 SP 1টি colour-এ পাওয়া যায়: Icon Performance।

Yamaha MT-10 SP review: বাংলাদেশে ownership এবং ৯৯৮cc পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ

Yamaha MT-10 SP হলো Yamaha-এর হাইপার-নেকেড লাইনআপের শীর্ষস্থানীয় বাইক, যাতে রয়েছে ৯৯৮cc crossplane ইঞ্জিন এবং semi-active suspension। বাংলাদেশে এর আনুমানিক price প্রায় ৬,৬৯৭,০০০ ৳ (৬৬ লক্ষ ৯৭ হাজার টাকা)। এই Bike Price Bangladesh মূল্যায়নটি স্পেসিফিকেশন-ভিত্তিক একটি সম্পাদকীয় বিশ্লেষণ, এটি কোনো হ্যান্ডস-অন টেস্ট বা মালিকদের অভিজ্ঞতার সংকলন নয়। ২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ী এর বিদেশের বাজারমূল্য প্রায় ১৮,২৯৯ US$, যার সাথে আমদানিকৃত শুল্ক যুক্ত করে স্থানীয় দামটি অনুমান করা হয়েছে। যেহেতু এই মডেলটি বাংলাদেশে অফিশিয়ালি বিক্রি হয় না, তাই এর মালিকানা বা ownership সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করবে ক্রেতার ব্যক্তিগতভাবে ইমপোর্ট করার ক্ষমতা এবং কোনো আনুষ্ঠানিক ব্র্যান্ড অবকাঠামো ছাড়াই হাই-এন্ড টেকনিক্যাল maintenance করার সক্ষমতার ওপর।

১. বাংলাদেশের বাজারে Yamaha MT-10 SP কাদের জন্য উপযোগী

Yamaha MT-10 SP কোনো নতুন রাইডার বা সাধারণ যাতায়াতের জন্য নয়; এটি অভিজ্ঞ রাইডারদের জন্য একটি হাই-পারফরম্যান্স মেশিন যারা সাধারণ উপযোগিতার চেয়ে মেকানিক্যাল আধুনিকতাকে বেশি প্রাধান্য দেন। ২১৪ kg wet weight-এর এই লিটার-ক্লাস বাইকটি জনাকীর্ণ এলাকায় সামলানোর জন্য রাইডারের যথেষ্ট শারীরিক শক্তির প্রয়োজন। এর ৮৩৫ mm seat height কিছুটা বেশি, যা ট্রাফিক সিগনালে খাটো রাইডারদের জন্য দুই পা শক্তভাবে মাটিতে রাখতে চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

সম্ভাব্য ক্রেতা তারাই হবেন যাদের স্পেশালাইজড showroom বা সার্ভিস সেন্টারের সাথে যোগাযোগ আছে এবং হাই-অকটেন জ্বালানি খরচ ও প্রিমিয়াম লুব্রিকেন্ট ব্যবহারের আর্থিক সক্ষমতা আছে। যারা 'SP' ট্যাগ এবং বিশেষ করে ইলেকট্রনিক সাসপেনশনের কদর করেন—যা এক ক্লিকেই অ্যাগ্রেসিভ স্পোর্ট রাইডিং থেকে আরামদায়ক ক্রুজিং মোডে পরিবর্তন করা যায়—তাদের জন্যই এই বাইক।

২. Yamaha MT-10 SP Power vs. Torque: CP4-এর বৈশিষ্ট্য

Yamaha MT-10 SP-এর প্রাণ হলো এর ৯৯৮cc liquid-cooled, inline 4-cylinder crossplane ইঞ্জিন। এটি ১১,৫০০ rpm-এ ১৬৬ PS শক্তি এবং ৯,০০০ rpm-এ ১১২ Nm torque উৎপাদন করে। এর power delivery এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যা রৈখিক অথচ বিষ্ফোরক। প্রচলিত ইনলাইন-ফোর ইঞ্জিনগুলো কম RPM-এ কিছুটা দুর্বল মনে হলেও, এর crossplane (CP4) ক্র্যাঙ্ক টাইমিং একে শক্তিশালী টর্ক এবং ক্যারেক্টারফুল রেসপন্স দেয়, যা মিড-রেঞ্জ এক্সিলারেশনে সাহায্য করে।

বাংলাদেশের রাস্তার প্রেক্ষাপটে এত বিশাল শক্তি পুরোপুরি ব্যবহার করা কঠিন। quick shifter সহ ৬-স্পিড ট্রান্সমিশন স্মুথ গিয়ার শিফটিং নিশ্চিত করলেও রাইডার মুহূর্তের মধ্যেই আইনি গতিসীমা অতিক্রম করে ফেলবেন। ইঞ্জিনের ম্যাপিং অত্যন্ত অত্যাধুনিক হওয়া সত্ত্বেও, নিরাপদে চালানোর জন্য এর থ্রোটল ডিসিপ্লিন বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।

৩. ফুয়েল ইকোনমি এবং বাংলাদেশের ট্রাফিক বাস্তবতা

Yamaha MT-10 SP-এর মালিক হওয়ার অর্থ হলো জ্বালানির পেছনে বড় অংকের বাজেট রাখা। ঢাকা বা চট্টগ্রামের স্টপ-এন্ড-গো ট্রাফিকে এর ১৫ km/l mileage পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। বড় ক্যাপাসিটির হাই-কম্প্রেশন ইঞ্জিনগুলো যানজটে অলস বসে থাকলে বা লো-গিয়ারে চললে প্রচুর তাপ উৎপন্ন করে এবং বেশি জ্বালানি খরচ করে। এতে ১৭-litre fuel tank থাকলেও ব্যবহারকারীকে ঘন ঘন রিফুয়েলিং করতে হবে।

এছাড়া, এর YCC-T fuel injection সিস্টেমটি হাই-কোয়ালিটি ফুয়েলের জন্য টিউন করা। সম্ভাব্য মালিকদের অবশ্যই হাই-অকটেন পেট্রোলের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে হবে, যা একটি ১৬-ভালভের DOHC পারফরম্যান্স ইঞ্জিনের প্রয়োজন মেটাতে পারে। নিম্নমানের জ্বালানি ব্যবহার করলে ইঞ্জিনের দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি এবং পারফরম্যান্স কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

৪. রাস্তার কমফোর্ট এবং পিলিয়ন রাইডিং কোয়ালিটি

'SP' ব্যাজ ব্যবহারের অন্যতম প্রধান কারণ হলো Öhlins semi-active suspension। বাংলাদেশের মিশ্র রাস্তার পরিস্থিতিতে—মসৃণ হাইওয়ে থেকে ভাঙা রাস্তা—এই সিস্টেমটি রিয়েল-টাইমে ড্যাম্পিং অ্যাডজাস্ট করে chassis-কে স্থিতিশীল রাখে। এটি এমন পর্যায়ের কমফোর্ট এবং কন্ট্রোল দেয় যা সাধারণ telescopic forks দিতে পারে না, ফলে অসম তলের রাস্তার ঝাকুনি অনেকাংশে কমে যায়।

তবে, Yamaha MT-10 SP মূলত একটি নেকেড স্পোর্টবাইক। এর পিলিয়ন সিটটি খুব ছোট এবং উঁচুতে অবস্থিত, যা দীর্ঘ দূরত্বের যাত্রায় পিলিয়নের জন্য মোটেও আরামদায়ক নয়। রাইডার সোজা হয়ে বসার সুবিধা পেলেও, এতে উইন্ড প্রোটেকশন খুবই কম, যার ফলে হাই-স্পিড হাইওয়ে রাইডিংয়ে ক্লান্তি আসতে পারে।

৫. ব্রেক এবং সেফটি সিস্টেম পর্যবেক্ষণ

Yamaha MT-10 SP-এর স্পেসিফিকেশনে নিরাপত্তাকে সবচেয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে রয়েছে dual 320 mm front discs এবং ২২০ mm rear disc, যা dual-channel ABS দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। একটি বাইক যা ২৬০ km/h top speed তুলতে সক্ষম, তার জন্য এই ব্রেকিং সেটআপ অপরিহার্য। এছাড়া cruise control এবং ৪.২-ইঞ্চির TFT ইন্টারফেসের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক রাইডার এইডস রাইডারকে সুরক্ষা প্রদান করে।

মালিকদের অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে যে ব্রেকিং সিস্টেমে সবসময় উচ্চমানের ফ্লুইড এবং প্যাড ব্যবহার করা হচ্ছে। ১২০/৭০ZR১৭ সামনের এবং ১৯০/৫৫ZR১৭ পেছনের tubeless টায়ারগুলো চমৎকার গ্রিপ দেয়, তবে সঠিক টায়ার প্রেশার এবং আবহাওয়া অনুযায়ী টায়ারের কন্ডিশন বজায় রাখা জরুরি।

৬. বিল্ড কোয়ালিটি এবং প্রিমিয়াম কম্পোনেন্টসমূহ

Yamaha MT-10 SP একটি প্রিমিয়াম প্রোডাক্ট এবং এর বিল্ড কোয়ালিটিতেও তার ছাপ রয়েছে। LED হেডলাইট থেকে শুরু করে সুইংআর্ম এবং ফ্রেমের ফিনিশিং—সবকিছুই টপ-টিয়ার। 'SP' এক্সক্লুসিভ কালার স্কিম এবং দৃশ্যমান Öhlins হার্ডওয়্যার একে একটি আভিজাত্য দান করে যা খুব কম নেকেড বাইকেই দেখা যায়।

তবে প্রিমিয়াম কম্পোনেন্টের জন্য প্রিমিয়াম যত্নের প্রয়োজন। সেমি-অ্যাক্টিভ সাসপেনশন সেন্সর এবং YCC-T থ্রোটল সিস্টেমের মতো জটিল ইলেকট্রনিক্সগুলো আর্দ্রতা এবং ধুলোবালির প্রতি সংবেদনশীল। বাংলাদেশের আর্দ্র ও ধুলোবালিযুক্ত পরিবেশে ইলেকট্রনিক কানেক্টর এবং মেকানিক্যাল সিলের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে বাইকটিকে সবসময় পরিষ্কার এবং সুরক্ষিত রাখা অত্যন্ত জরুরি।

৭. বাংলাদেশে পার্টস এবং সার্ভিস সহজলভ্যতা

এটি Yamaha MT-10 SP মালিকদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়। যেহেতু বাইকটি বাংলাদেশে অফিশিয়ালি ডিস্ট্রিবিউট করা হয় না, তাই এখানে কোনো প্রস্তুতকারক-সমর্থিত ওয়ারেন্টি বা spare parts-এর গুদাম নেই। অয়েল ফিল্টার বা ব্রেক প্যাডের মতো বেসিক আইটেমগুলো ব্যক্তিগতভাবে ইমপোর্ট করতে হতে পারে, যা ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ।

Öhlins সাসপেনশন এবং CP4 ইঞ্জিন ডায়াগনস্টিকসের জন্য স্পেশালাইজড টেকনিক্যাল সাপোর্ট বাংলাদেশে অত্যন্ত সীমিত। কেনার আগে রাইডারকে অবশ্যই একজন দক্ষ মেকানিক খুঁজে বের করতে হবে যার লিটার-ক্লাস বাইক মেরামতের অভিজ্ঞতা আছে। সাধারণ কোনো service সেন্টারে এই ধরনের জটিল মেশিন মেরামত করা সম্ভব নয়।

৮. রক্ষণাবেক্ষণ এবং রিসেল ভ্যালু বিবেচনা

Yamaha MT-10 SP মেইনটেইন করার জন্য দামী সিন্থেটিক অয়েল, প্রিমিয়াম কুল্যান্ট এবং নির্দিষ্ট স্পার্ক প্লাগের প্রয়োজন। ইঞ্জিনের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে নির্দিষ্ট service ইন্টারভ্যাল কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে। মালিকদের উচিত সমস্ত কাজের রেকর্ড রাখা, কারণ ভবিষ্যতে বাইকটি বিক্রি করার সময় এটিই বাইকের কন্ডিশনের প্রমাণ হিসেবে কাজ করবে।

রিসেল ভ্যালুর ক্ষেত্রে Yamaha MT-10 SP বাংলাদেশের একটি নির্দিষ্ট এবং ছোট বাজারে সীমাবদ্ধ। এর উচ্চ মর্যাদা থাকলেও, এমন ক্রেতা খুব কম যারা একইসাথে কেনার দাম এবং রক্ষণাবেক্ষণের খরচ বহন করতে পারবেন। এই সেগমেন্টে রিসেল ভ্যালু মূলত বাইকের হিস্ট্রি এবং সেই সময়ে মার্কেটে অন্যান্য দামী ইমপোর্টের সহজলভ্যতার ওপর নির্ভর করে।

ভালো দিক (Pros)

  • অত্যাধুনিক Öhlins semi-active suspension বিভিন্ন ধরনের রাস্তার উপরিভাগের সাথে খাপ খাইয়ে নিয়ে অতুলনীয় chassis stability নিশ্চিত করে।
  • এর CP4 engine আর্কিটেকচার প্রথাগত ইনলাইন-ফোর ইঞ্জিনের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা এবং অনন্য power delivery ও exhaust note প্রদান করে।
  • স্ট্যান্ডার্ড ফিচার হিসেবে এতে রয়েছে ৪.২-ইঞ্চির TFT, cruise control, এবং একটি bidirectional quick shifter সমৃদ্ধ কমপ্রিহেনসিভ ইলেকট্রনিক্স সুইট।
  • দুর্দান্ত ব্রেকিং পারফরম্যান্সের জন্য এতে রয়েছে dual 320 mm front discs এবং dual-channel ABS, যা বাইকটিকে যেকোনো পরিস্থিতিতে দ্রুত থামাতে সক্ষম।
  • একটি ফ্ল্যাগশিপ Yamaha SP-tier মোটরসাইকেল হিসেবে এতে রয়েছে অ্যাগ্রেসিভ, মডার্ন অ্যাথলেটিক লুক এবং প্রিমিয়াম build quality।

খারাপ দিক (Cons)

  • ৮৩৫ mm seat height এবং ২১৪ kg wet weight-এর কারণে শহরের ট্র্যাফিকের মাঝে বাইকটি ম্যানুভার করা এবং সামলানোর জন্য চালকের যথেষ্ট শারীরিক শক্তি ও আত্মবিশ্বাসের প্রয়োজন।
  • প্রতি লিটারে আনুমানিক ১৫ km/l mileage-এর কারণে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে দৈনিক চলাচলের জন্য এটি অন্যতম ব্যয়বহুল মোটরসাইকেল।
  • অফিসিয়াল ডিলারশিপ সাপোর্টের অভাবের অর্থ হলো স্পেশালাইজড parts এবং কারিগরি সহায়তার জন্য ক্রেতাকে সম্পূর্ণভাবে ব্যক্তিগত উৎসের ওপর নির্ভর করতে হবে।
  • ক্রসপ্লেন ফোর-সিলিন্ডার ইঞ্জিনের উচ্চ জ্বালানি খরচের তুলনায় ১৭-litre fuel tank লং ট্যুরিংয়ের জন্য যথেষ্ট রেঞ্জ প্রদান করে না।

শেষ কথা (Verdict)

Yamaha MT-10 SP ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের একটি বিস্ময় যা বিশ্বমানের সাসপেনশন এবং লিজেন্ডারি ইঞ্জিনের সমন্বয় ঘটায়, কিন্তু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এর মালিকানা বজায় রাখা বেশ চ্যালেঞ্জিং। যারা অফিশিয়াল সাপোর্টের অভাব এবং উচ্চ রক্ষণাবেক্ষণ খরচ সামলানোর সামর্থ্য রাখেন, তাদের জন্য এটি একটি অতুলনীয় নেকেড বাইক অভিজ্ঞতা প্রদান করবে; তবে সাধারণ রাইডারদের জন্য ৯৯৮cc-এর এই মেশিনের পরিকাঠামোগত চাহিদা মেটানোই হবে এর মালিক হওয়ার পথে প্রধান বাধা।

Similar Bikes