Yamaha Bolt R-Spec Raven side view
Raven

Yamaha Bolt R-Spec Price in Bangladesh 2026

Estimated price

৳34,40,000

Not available in Bangladesh

Estimated price

Last updated:

USA vs Bangladesh price

USA price (US$9,399)
৳11,46,678
Tax & other costs
+ ৳22,93,322
Estimated price in Bangladesh
৳34,40,000

Short Specifications

Engine capacity
942 cc
Maximum power
54 PSat 5,500 rpm
Maximum torque
80 Nmat 3,000 rpm
Mileage
20 km/l (approx.)
ABS
No ABS
Tubeless tyres
No
Seat height
690 mm
Kerb weight
247 kg
Top speed
170 km/h (approx.)

Yamaha Bolt R-Spec Price in Bangladesh

Yamaha Bolt R-Spec is not officially sold in Bangladesh, but its estimated price in Bangladesh in 2026 is around ৳34,40,000. This cruiser bike is powered by a 942cc air-cooled, v-twin, sohc, 8-valve engine that produces 54 PS @ 5,500 rpm, with a maximum torque of 80 Nm @ 3,000 rpm. The Bolt R-Spec gives a mileage of around 20 km/l. It comes with a normal (non-ABS) braking system and tube-type tyres. Seat height is 690 mm and kerb weight is 247 kg. Top speed: about 170 km/h. It is available in 1 colour: Raven. Check the Yamaha Bolt R-Spec full specifications, price breakdown and comparison below before you buy.

ইয়ামাহা Bolt R-Spec দাম বাংলাদেশে 2026: ৳34,40,000

Yamaha Bolt R-Spec Colours

Raven

Yamaha Bolt R-Spec Full Specifications

General

Brand
Yamaha
Model
Bolt R-Spec
Category
Cruiser
Model year
2026
Price
৳34,40,000 (estimated price)

Engine and Transmission

Engine type
Air-cooled, V-twin, SOHC, 8-valve
Cooling system
Air-cooled
Fuel system
Fuel injection
Transmission
5-speed, belt drive

Brakes and Tyres

Front brake
298 mm disc
Rear brake
298 mm disc
Front tyre
100/90-19 tube-type
Rear tyre
150/80-16 tube-type

Suspension and Chassis

Front suspension
Not available
Rear suspension
Not available

Dimensions and Weight

Ground clearance
Not available
Wheelbase
Not available
Overall dimensions (L × W × H)
Not available

Electrical and Features

Headlight
Halogen
Instrument cluster
LCD
Battery
Not available
Features
942cc V-twin, Bobber styling, Belt drive

Additional Information

Available colours
Raven
Warranty
Not available
Availability
Available
Last updated
2026-10-15

Yamaha Bolt R-Spec Rating

Overall 79/100

Design
86%
Comfort
86%
Engine performance
97%
Mileage
47%
Brand reliability
90%
Resale value
67%

Our estimate based on specifications, brand and price.

Yamaha Bolt R-Spec FAQ — সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

Yamaha Bolt R-Spec price in Bangladesh 2026 কত?

Yamaha Bolt R-Spec বাংলাদেশে অফিসিয়ালি বিক্রি হয় না। আমদানি করলে আনুমানিক price হতে পারে ৳34,40,000।

Yamaha Bolt R-Spec-এর mileage কত?

Yamaha Bolt R-Spec প্রায় 20 km/l (approx.) mileage দেয়।

Yamaha Bolt R-Spec কত cc এবং power কত?

Yamaha Bolt R-Spec-এ 942cc engine আছে, power 54 PS @ 5,500 rpm, torque 80 Nm @ 3,000 rpm।

Yamaha Bolt R-Spec-এ কি ABS আছে?

না, Yamaha Bolt R-Spec-এ ABS নেই।

Yamaha Bolt R-Spec-এর top speed কত?

Yamaha Bolt R-Spec-এর top speed প্রায় 170 km/h (approx.)।

Yamaha Bolt R-Spec-এর seat height ও weight কত?

Seat height 690 mm এবং weight 247 kg।

Yamaha Bolt R-Spec কোন কোন colour-এ পাওয়া যায়?

Yamaha Bolt R-Spec 1টি colour-এ পাওয়া যায়: Raven।

Yamaha Bolt R-Spec review: বাংলাদেশে ownership এবং ৯৪২cc V-Twin Bobber-এর বিস্তারিত বিশ্লেষণ

Yamaha Bolt R-Spec একটি ৯৪২cc V-twin 'Bobber' স্টাইলড মেশিন হিসেবে প্রিমিয়াম ক্রুজার সেগমেন্টে জায়গা করে নিয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য বাংলাদেশে প্রায় ৩৫,৪০,০০০ টাকা (Tk 3,440,000)। বাইকের দাম সম্পর্কিত এই আলোচনাটি মূলত এর স্পেসিফিকেশন-ভিত্তিক একটি বিশ্লেষণ, এটি কোনো হ্যান্ডস-অন রোড টেস্ট বা মালিকদের অভিজ্ঞতার সংকলন নয়। যদিও R-Spec ভেরিয়েন্টটিতে বেস মডেলের তুলনায় রিজার্ভার শক এবং ভিন্ন পেইন্ট স্কিম যোগ করা হয়েছে, তবে বাংলাদেশের বাজারে বর্তমানে এটি 'not in Bangladesh' হিসেবে তালিকাভুক্ত এবং এর আনুমানিক মূল্য উচ্চ আমদানিশুল্ক বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়েছে। সম্ভাব্য মালিকদের এই বাইকটির মেকানিক্যাল অ্যাপিল এবং দক্ষিণ এশীয় জলবায়ুতে একটি উচ্চ-ক্ষমতার এয়ার-কুলড আমেরিকান-স্টাইল ক্রুজার রক্ষণাবেক্ষণের বাস্তবতার দিকটি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে হবে।

১. কাদের জন্য এই Yamaha Bolt R-Spec?

Yamaha Bolt R-Spec মূলত সেই সব রাইডারদের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে যারা স্পোর্টস পারফরম্যান্সের চেয়ে বাইকের 'ক্যারেক্টার' এবং নান্দনিক উপস্থিতিকে বেশি প্রাধান্য দেন। এর ববার-অনুপ্রাণিত মিনিমালিস্ট ফ্রেম এবং এক্সপোজড V-twin ইঞ্জিন তাদের জন্য উপযুক্ত যারা 'Sport Heritage' সেগমেন্ট পছন্দ করেন। এর এরগনোমিক্স একজন ক্রুজারের জন্য সামনের দিকে ঝুঁকে থাকলেও স্ট্রিটফাইটারের তুলনায় বেশ আরামদায়ক।

২৪৭ kg ওজনের কারণে এই মোটরসাইকেলটি চালানোর জন্য রাইডারের পর্যাপ্ত শারীরিক শক্তি প্রয়োজন, বিশেষ করে কম গতিতে বাইকটি ম্যানুভার করার সময়। এটি নতুন রাইডারদের জন্য খুব একটা আদর্শ নয়; বরং অভিজ্ঞ বাইকার যারা উইকএন্ড ট্যুরিংয়ের জন্য একটি বড় cc-এর বাইক খুঁজছেন, তাদের জন্য এটি সেরা পছন্দ। সম্ভাব্য ক্রেতাদের অবশ্যই বিবেচনা করা উচিত যে তাদের পার্কিং এবং গ্যারেজে এই ৯৪২cc-এর বাইকটির জন্য পর্যাপ্ত জায়গা আছে কি না।

২. Yamaha Bolt R-Spec পাওয়ার: টর্ক-নির্ভর পারফরম্যান্স

Yamaha Bolt R-Spec-এর প্রাণ হলো এর ৯৪২cc এয়ার-কুলড, SOHC, ৮-ভালভ V-twin ইঞ্জিন। এর পারফরম্যান্স ফিলোসফি হলো 'লো অ্যান্ড স্লো'—যেখানে ৮০ Nm টর্ক পাওয়া যায় মাত্র ৩,০০০ rpm-এ। এর মানে হলো বাইকটি স্টার্ট দিয়ে টানার সময় খুব বেশি রেভ করার প্রয়োজন হয় না, যা রিলাক্সড ক্রুজিংয়ের জন্য দারুণ।

তবে ৫,৫০০ rpm-এ ৫৪ PS পিক পাওয়ার নির্দেশ করে যে Yamaha Bolt R-Spec হাই-RPM রেসিংয়ের জন্য তৈরি করা হয়নি। এর ৫-স্পিড ট্রান্সমিশন এবং বেল্ট ড্রাইভ এগ্রেসিভ গিয়ার শিফটিংয়ের চেয়ে স্মুথ পাওয়ার ডেলিভারির জন্য টিউন করা হয়েছে। রাইডাররা এখানে মাল্টি-সিলিন্ডার স্পোর্টবাইকের মতো হাই-পিচ আওয়াজের বদলে ইঞ্জিনের একটি মেকানিক্যাল এবং রিদমিক শব্দ পাবেন।

৩. ফুয়েল ইকোনমি এবং বাংলাদেশের ট্রাফিক বাস্তবতা

প্রতি লিটারে আনুমানিক ২০ km/l মাইলেজ সহ Yamaha Bolt R-Spec স্থানীয় স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী বেশ দামী মেশিন। ঢাকা বা চট্টগ্রামের মতো যানজটপূর্ণ রাস্তায় এই মাইলেজ আরও কমে যেতে পারে। ৯৪২cc ইঞ্জিনের জন্য এর ১২ লিটারের ফুয়েল ট্যাঙ্কটি তুলনামূলকভাবে ছোট, যার মানে দূরপাল্লার ভ্রমণে ঘনঘন ফুয়েল স্টপেজের প্রয়োজন হবে।

তাছাড়া, Yamaha Bolt R-Spec ইঞ্জিনের এয়ার-কুলড বৈশিষ্ট্যটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। লিকুইড-কুলড ইঞ্জিনের মতো না হওয়ায়, এই V-twin ইঞ্জিনটি তাপ বের করার জন্য বাতাসের প্রবাহের ওপর নির্ভর করে। বাংলাদেশের ট্রাফিক জ্যামে যেখানে বাতাস চলাচলের সুযোগ কম, সেখানে ইঞ্জিনটি অনেক বেশি উত্তপ্ত হয়ে যেতে পারে, যা রাইডারের আরাম এবং ইঞ্জিনের অয়েল লাইফকে প্রভাবিত করতে পারে। মালিকদের সবসময় ইঞ্জিনের টেম্পারেচারের দিকে খেয়াল রাখতে হবে।

৪. ভাঙা রাস্তায় আরাম এবং পিলিয়ন এরগনোমিক্স

Yamaha Bolt R-Spec-এ উন্নত টুইন রিয়ার শক এবং পিগিব্যাক রিজার্ভার ব্যবহার করা হয়েছে, যা স্ট্যান্ডার্ড বোল্টের চেয়ে ভালো ড্যাম্পিং দেয়। তবে ক্রুজার স্টাইলের শর্ট ট্রাভেল সাসপেনশন হওয়ার কারণে বাংলাদেশের বড় গর্ত বা উঁচু স্পিড ব্রেকারে ঝাকুনি অনুভূত হতে পারে। এর ৬৯০ mm সিট হাইট বাইকটিকে একটি লো সেন্টার অফ গ্র্যাভিটি দেয়, যা অসম রাস্তায় ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

পিলিয়ন কমফোর্টের ক্ষেত্রে Yamaha Bolt R-Spec মূলত রাইডার-কেন্দ্রিক ববার স্টাইল বাইক। যদি পেছনের সিট লাগানোও হয়, তবুও সেটি খুব একটা আরামদায়ক হয় না। পেছনের ফুটপেগ পজিশন এবং পর্যাপ্ত প্যাডিং না থাকায় এটি পিলিয়ন নিয়ে দীর্ঘ ভ্রমণের জন্য উপযুক্ত নয়; এটি একা রাইড করার জন্যই সেরা।

৫. ব্রেক এবং সেফটি: ABS-এর অনুপস্থিতি

সামনে এবং পেছনে ২৯৮ mm ডিস্ক ব্রেক থাকলেও ডেটা অনুযায়ী এই বাইকে ABS (Anti-lock Braking System) নেই। প্রায় এক টনের চার ভাগের এক ভাগ ওজনের একটি মেশিনে ABS না থাকা বাংলাদেশের পিচ্ছিল রাস্তা বা জরুরি ব্রেকিংয়ের ক্ষেত্রে একটি বড় চিন্তার বিষয়, কারণ এতে চাকা লক হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

রাইডারদের প্রগ্রেসিভ ব্রেকিং কৌশলে দক্ষ হতে হবে। ১০০/৯০-১৯ ফ্রন্ট এবং ১৫০/৮০-১৬ রিয়ার টায়ার ভালো গ্রিপ দিলেও এগুলো টিউব-টাইপ হওয়ায় পাংচার হলে সাথে সাথে বাতাস বেরিয়ে যায়। এটি টিউবলেস টায়ারের তুলনায় বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ও অসুবিধাজনক।

৬. বিল্ড কোয়ালিটি এবং ভিজ্যুয়াল ইন্সপেকশন

Yamaha-এর 'Sport Heritage' লাইন প্লাস্টিকের চেয়ে উন্নতমানের মেটাল কাজের জন্য পরিচিত। Yamaha Bolt R-Spec-এ স্টিল ফেন্ডার এবং টেক্সচার্ড সিট ব্যবহার করা হয়েছে যা একটি প্রিমিয়াম অনুভূতি দেয়। এর LCD ইন্সট্রুমেন্ট ক্লাস্টারটি মিনিমালিস্ট এবং ববার থিমের সাথে মানানসই, তবে প্রখর সূর্যালোকের নিচে এটি পড়তে কিছুটা সমস্যা হতে পারে।

চেইনের পরিবর্তে বেল্ট ড্রাইভের ব্যবহার বাইকটিকে আরও উন্নত করেছে, যা শব্দ কমায় এবং গ্রিজ বা লুবের ঝামেলা মুক্ত রাখে। মালিকদের নিয়মিত বেল্ট চেক করা উচিত যাতে কোনো ছোট পাথর আটকে না থাকে। সামগ্রিকভাবে এর ফিনিশিং একটি গ্লোবাল প্রিমিয়াম মডেলের পরিচয় দেয়।

৭. বাংলাদেশে পার্টস প্রাপ্যতা এবং সার্ভিসিং

যেহেতু Yamaha Bolt R-Spec এসিআই মটরস (ACI Motors)-এর মতো অফিসিয়াল ডিস্ট্রিবিউটরদের মাধ্যমে বিক্রি হয় না, তাই এর স্পেয়ার পার্টস পাওয়া বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে। এয়ার ফিল্টার, বেল্ট ড্রাইভের উপাদান বা R-Spec রিজার্ভার শকের মতো বিশেষ পার্টসগুলো ব্যক্তিগতভাবে বিদেশ থেকে আমদানি করতে হতে পারে।

সাধারণ মেইনটেইনেন্স বা ইঞ্জিন অয়েল চেঞ্জ হাই-cc বাইকের অভিজ্ঞ ওয়ার্কশপে করা সম্ভব হলেও, ইঞ্জিন বা ইলেকট্রনিক্সের জটিল কাজের জন্য Yamaha-এর ফুয়েল ইনজেকশন সিস্টেম এবং V-twin আর্কিটেকচার সম্পর্কে অভিজ্ঞ মেকানিকের প্রয়োজন হবে। কেনার আগে নিশ্চিত হোন যে আপনার পরিচিত এমন কোনো মেকানিক আছে কি না।

৮. মেইনটেইনেন্স এবং রিসেল ভ্যালু

Yamaha Bolt R-Spec-এর মেইনটেইনেন্স মূলত অয়েল কোয়ালিটি এবং বেল্ট টেনশনের ওপর নির্ভর করে। এয়ার-কুলড ইঞ্জিন হওয়ায় অতিরিক্ত গরম হওয়া রোধ করতে উচ্চমানের সিন্থেটিক অয়েল ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। বেল্ট ড্রাইভ সাধারণত অনেকদিন (প্রায় ৫০,০০০+ কিমি) সার্ভিস দেয় তবে পরিবর্তনের সময় সঠিক টুলস প্রয়োজন হয়। ৯৪২cc ইঞ্জিনে সাধারণ বাইকের চেয়ে বেশি পরিমাণে অয়েল এবং দামি স্পার্ক প্লাগ লাগে।

রিসেল ভ্যালুর ক্ষেত্রে Yamaha Bolt R-Spec বাংলাদেশের বাজারে একটি নির্দিষ্ট শ্রেণির ক্রেতাদের পছন্দের। ক্রুজার প্রেমীদের কাছে এর ডিমান্ড থাকলেও, ৩৪ লক্ষ টাকা দামের একটি ব্যবহৃত বাইকের ক্রেতা পাওয়া বেশ সময়সাপেক্ষ হতে পারে। স্পোর্টবাইক বা সাধারণ কমিউটার বাইকের তুলনায় এর রিসেল হতে বেশি সময় লাগতে পারে।

ভালো দিক (Pros)

  • মাত্র ৩,০০০ rpm-এ ৮০ Nm-এর হাই টর্ক আউটপুট পাওয়া যায়, যা অসাধারণ লো-এন্ড পুলিং পাওয়ার প্রদান করে।
  • ৬৯০ mm-এর লো সিট হাইট খাটো রাইডারদের জন্য খুব সহজেই দুই পা মাটিতে রেখে বাইক নিয়ন্ত্রন করতে সাহায্য করে।
  • বেল্ট ড্রাইভ সিস্টেম (Belt drive system) চেইনের তুলনায় অনেক বেশি স্মুথ ও শান্ত রাইডিং অভিজ্ঞতা দেয় এবং এতে মেইনটেইনেন্স খরচও কম।
  • এর অকৃত্রিম V-twin লুক এবং 'R-Spec' রিজার্ভার শক বাইকটিকে একটি প্রিমিয়াম এবং কাস্টম ফিনিশ দেয়।
  • ফুয়েল ইনজেকশন (Fuel injection) সিস্টেমের কারণে কোল্ড স্টার্ট এবং থ্রোটল রেসপন্স অনেক বেশি নির্ভরযোগ্য হয়।

খারাপ দিক (Cons)

  • ৯৪২cc-এর মতো একটি মেশিনে ABS না থাকা হাই-স্পিড রাইডিংয়ের ক্ষেত্রে একটি বড় নিরাপত্তা ঘাটতি।
  • এয়ার-কুলড (Air-cooled) V-twin ডিজাইনের কারণে বাংলাদেশের ঘন যানজটে ইঞ্জিন থেকে প্রচুর হিট জেনারেট হতে পারে।
  • ২৪৭ kg (wet weight) ওজনের কারণে ম্যানুয়াল পার্কিং এবং কম গতিতে জ্যামের ভেতর দিয়ে বাইক চালানো বেশ কষ্টসাধ্য।
  • Tube-type tyres হওয়ার কারণে পাংচার হলে মেরামত করা tubeless টাইয়ারের তুলনায় অনেক বেশি জটিল।

শেষ কথা (Verdict)

Yamaha Bolt R-Spec একটি চমৎকার এবং শক্তিশালী ক্রুজার যা আপনাকে এমন এক মেকানিক্যাল অভিজ্ঞতা দেবে যা সাধারণত ছোট cc-এর বাইকে পাওয়া যায় না। তবে এর উচ্চ আনুমানিক মূল্য, ABS-এর অভাব এবং বাংলাদেশের ট্রাফিক জ্যামে এয়ার-কুলড ইঞ্জিনের গরম হয়ে যাওয়ার সমস্যা এটিকে প্র্যাকটিক্যাল বাইকের চেয়ে একটি লাক্সারি চয়েস হিসেবে দাঁড় করিয়েছে। এটি মূলত সংগ্রাহক বা সেই সব ক্রুজার ফ্যানদের জন্য যারা আধুনিক রাইডার এইড বা মাইলেজের চেয়ে স্টাইল এবং লো-এন্ড পাওয়ারকে বেশি গুরুত্ব দেন।

Similar Bikes