Aprilia FX 125 Standard side view
Standard

Aprilia FX 125 Price in Bangladesh 2026

৳1,10,000

Listed price

Last updated:

India vs Bangladesh price

India price (₹—)
Not sold in India
Price in Bangladesh
৳1,10,000

Registration & tax token fee

For this 124cc bike · BRTA 100cc and above rate

2 years
৳11,764
10 years
৳20,964

Short Specifications

Engine capacity
124 cc
Maximum power
9.66 bhpat 7500 rpm
Maximum torque
12.3 Nmat 7500 rpm
Mileage
40 km/l (approx.)
ABS
No ABS
Tubeless tyres
Yes
Seat height
760 mm
Kerb weight
126 kg
Top speed
90 km/h (approx.)

Aprilia FX 125 Price in Bangladesh

The Aprilia FX 125 price in Bangladesh is ৳1,10,000. This commuter bike is powered by a 124cc 4-stroke, single cylinder, air-cooled engine that produces 9.66 bhp @ 7500 rpm, with a maximum torque of 12.3 Nm @ 7500 rpm. The FX 125 gives a mileage of around 40 km/l. It comes with a normal (non-ABS) braking system and tubeless tyres. Seat height is 760 mm and kerb weight is 126 kg. Top speed: about 90 km/h. It is available in 1 colour: Standard. Check the Aprilia FX 125 full specifications, price breakdown and comparison below before you buy.

Aprilia FX 125 দাম বাংলাদেশে 2026: ৳1,10,000

Aprilia FX 125 Colours in Bangladesh

Standard

Aprilia FX 125 Full Specifications

General

Brand
Aprilia
Model
FX 125
Category
Commuter
Model year
2026
Price
৳1,10,000 (listed price)

Engine and Transmission

Engine type
4-stroke, Single Cylinder, Air-cooled
Cooling system
Air-cooled
Fuel system
Carburetor
Transmission
5-speed manual

Brakes and Tyres

Front brake
Single Disc
Rear brake
Drum Brake
Front tyre
110/80-17 tubeless
Rear tyre
90/90-17 tubeless

Suspension and Chassis

Front suspension
Hydraulic Forks
Rear suspension
Hydraulic Shock Absorber

Dimensions and Weight

Ground clearance
165 mm
Wheelbase
1375 mm
Overall dimensions (L × W × H)
2035 × 785 × 1075 mm

Electrical and Features

Headlight
Halogen
Instrument cluster
Analog speedometer
Battery
12v
Features
Braking System: Normal Braking System, Starting Method: Kick, Wheel Type: Alloy, Seat Type: Single-Seat, Engine kill switch

Additional Information

Available colours
Standard
Warranty
Not available
Availability
Available
Last updated
2026-10-16

Aprilia FX 125 Rating

Overall 68/100

Design
65%
Comfort
78%
Engine performance
53%
Mileage
69%
Brand reliability
75%
Resale value
65%

Our estimate based on specifications, brand and price.

Aprilia FX 125 FAQ — সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

Aprilia FX 125 price in Bangladesh 2026 কত?

বাংলাদেশে Aprilia FX 125-এর বর্তমান price ৳1,10,000।

Aprilia FX 125-এর registration fee কত?

124cc বাইক হিসেবে tax token সহ registration খরচ ২ বছরের জন্য প্রায় ৳11,764 এবং ১০ বছরের জন্য প্রায় ৳20,964।

Aprilia FX 125-এর mileage কত?

Aprilia FX 125 প্রায় 40 km/l (approx.) mileage দেয়।

Aprilia FX 125 কত cc এবং power কত?

Aprilia FX 125-এ 124cc engine আছে, power 9.66 bhp @ 7500 rpm, torque 12.3 Nm @ 7500 rpm।

Aprilia FX 125-এ কি ABS আছে?

না, Aprilia FX 125-এ ABS নেই।

Aprilia FX 125-এর top speed কত?

Aprilia FX 125-এর top speed প্রায় 90 km/h (approx.)।

Aprilia FX 125-এর seat height ও weight কত?

Seat height 760 mm এবং weight 126 kg।

বাংলাদেশে Aprilia FX 125 কোন কোন colour-এ পাওয়া যায়?

Aprilia FX 125 1টি colour-এ পাওয়া যায়: Standard।

Aprilia FX 125 review: বাংলাদেশে ownership এবং বাইয়িং গাইড

Aprilia FX 125 একটি সাধারণ commuter বাইক যার ব্র্যান্ড নেম হয়তো কিছুটা স্পোর্টি ভাইব দেয়। বাংলাদেশে Runner Automobiles Limited-এর মাধ্যমে বাজারজাত করা ১২৪ সিসির এই মোটরসাইকেলটির বর্তমান price ধরা হয়েছে ১,১০,০০০ টাকা। এর মূল আকর্ষণ হলো প্রাত্যহিক ব্যবহার উপযোগিতা: ম্যানেজযোগ্য seat height, ম্যানুয়াল গিয়ারবক্স এবং সাধারণ মেকানিক্যাল লেআউট। তবে শুধু ব্র্যান্ডের নাম দেখে আপনার সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক হবে না। এটি মূলত স্পেসিফিকেশন ভিত্তিক একটি রিভিউ, কোনো দীর্ঘমেয়াদী রোড টেস্ট নয়; তাই বাইকটির প্রকৃত ভ্যালু নির্ভর করবে এর কন্ডিশন, ডকুমেন্টেশন এবং লোকাল service সাপোর্টের ওপর।

কাদের Aprilia FX 125 কেনা উচিত?

Aprilia FX 125 তাদের জন্যই সবচেয়ে অর্থবহ যারা নিয়মিত অফিসে যাতায়াত করেন, ছাত্রছাত্রী অথবা শহর ও গ্রামের মধ্যে নিয়মিত যাতায়াত করেন। বাজেট-সচেতন ক্রেতাদের জন্য এর price আকর্ষণীয় হতে পারে, তবে শোরুম থেকে বর্তমান কোটেশন এবং রেজিস্ট্রেশন বা অন্যান্য চার্জ সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নিন। যারা Aprilia-র চিরচেনা স্পোর্টি পারফরম্যান্স আশা করছেন, তাদের প্রত্যাশা কমিয়ে আনা উচিত; কারণ এটি মূলত যাতায়াতের জন্য তৈরি, পারফরম্যান্সের জন্য নয়।

১২৬ কেজি ওজন এবং ৭৬০ মিমি seat height-এর কারণে ট্রাফিক সিগন্যালে Aprilia FX 125 নিয়ন্ত্রণ করা সহজ মনে হতে পারে। তবে সিটের প্রস্থ এবং আপনার পায়ের উচ্চতা অনুযায়ী আপনি কতটা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন তা যাচাই করে নিন। কেনার আগে পিলিয়ন বা পেছনে যাত্রী বসিয়ে পার্কিং থেকে বাইকটি বের করা বা ব্যালেন্স করার চেষ্টা করুন।

Aprilia FX 125 engine: প্রয়োজনীয় গতি কিন্তু সীমাবদ্ধতা আছে

Aprilia FX 125-এ ব্যবহার করা হয়েছে air-cooled, carburetted, single-cylinder four-stroke ইঞ্জিন যা ৯.৬৬ bhp এবং ১২.৩ Nm torque তৈরি করে (উভয়ই ৭৫০০ rpm-এ)। এই সংখ্যাগুলো পারফরম্যান্সের চেয়ে commuter হিসেবেই বেশি মানানসই। কাগজে-কলমে torque ভালো মনে হলেও লো-স্পিড পুলিং পাওয়ার কতটা তা নিশ্চিত নয়। রোড টেস্ট বা টর্ক কার্ভ ছাড়া এটি বলা মুশকিল যে বাইকটি কম rev-এ কেমন শক্তি দেবে।

এর ফাইভ-স্পিড ম্যানুয়াল গিয়ারবক্স শহরের ট্রাফিক এবং খোলা রাস্তায় মানিয়ে নিতে সাহায্য করবে। তবে ওভারটেকিং বা যাত্রী নিয়ে চড়ার সময় শুধুমাত্র পাওয়ারের ওপর নির্ভর না করে গিয়ার ডাউন করার প্রয়োজন হতে পারে। এর আনুমানিক ৯০ km/h top speed-কে ক্রুজিং স্পিড হিসেবে ধরা ঠিক হবে না। হাইওয়েতে বাস বা ট্রাক ওভারটেক করার সময় যথেষ্ট সেফটি মার্জিন রাখুন; এই বাইকটি মূলত শহর ও সরু রাস্তায় যাতায়াতের জন্য বেশি উপযোগী।

ঢাকা সিটির ট্রাফিকে Fuel economy

Aprilia FX 125-এর আনুমানিক mileage দাবি করা হয়েছে ৪০ km/l, যা ঢাকার রাস্তায় নিশ্চিত নয়। দীর্ঘ জ্যাম, ঘনঘন কোল্ড স্টার্ট, ছোট দূরত্বে যাতায়াত, পিলিয়ন লোড এবং carburettor টিউনিং ঠিক না থাকলে মাইলেজ অনেক কমে যেতে পারে। তাই যাতায়াত খরচের হিসাব করার সময় মূল ফিগার থেকে কিছুটা কমিয়ে বাজেট করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। আপনার নিয়মিত যাতায়াতের পথে কয়েকবার ফুল ট্যাঙ্ক করে প্রকৃত খরচ মেপে দেখুন।

তালিকায় থাকা ১৮ লিটার ট্যাঙ্ক আপনাকে ভালো ফুয়েল ক্যাপাসিটি দেবে, তবে mileage-এর ওপর ভিত্তি করে রেঞ্জ হিসাব করা ঠিক হবে না। কেনার সময় প্রকৃত মোটরসাইকেলের ট্যাঙ্ক স্পেসিফিকেশন যাচাই করুন। ফুয়েল সাশ্রয়ী গ্যাজেটের চেয়ে সঠিক tyre pressure, পরিষ্কার এয়ার ফিল্টার এবং পরিমিত থ্রোটল ব্যবহার অনেক বেশি কার্যকর।

বাংলাদেশের রাস্তায় আরাম ও হ্যান্ডলিং

Aprilia FX 125-এ সামনের দিকে hydraulic forks এবং পেছনে hydraulic shock absorber দেওয়া আছে, তবে ড্যাম্পিং কোয়ালিটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা নেই। ভাঙা বা উঁচু-নিচু রাস্তায় পিলিয়নসহ চালিয়ে এর আরাম যাচাই করুন। পেছনের সাসপেনশন বেশি দেবে যায় কি না বা হ্যান্ডেলবারে বেশি ঝাঁকুনি লাগে কি না তা দেখা জরুরি।

এর ১৬৫ মিমি ground clearance সাধারণ স্পিড ব্রেকার পার হওয়ার জন্য সতর্কতার দাবি রাখে, বিশেষ করে পেছনে যাত্রী থাকলে। কম seat height জ্যামে সুবিধা দিলেও বাইকের নিচ ঘষা খাওয়া থেকে বাঁচাতে পারবে না। বর্ষাকালে পানি জমে থাকা রাস্তায় সাবধানে চালান যাতে এয়ার ইনটেক বা ইলেকট্রিক্যাল পার্টস ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। মনে রাখবেন, ground clearance মানেই পানি দিয়ে চালিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা নয়।

এই বাইকের tyre sizes কিছুটা ভিন্ন: সামনে ১১০/৮০-১৭ এবং পেছনে ৯০/৯০-১৭। টায়ার পরিবর্তনের আগে ম্যানুফ্যাকচারার গাইডের সাথে এটি মিলিয়ে নিন। চওড়া টায়ার মানেই যে বেশি গ্রিপ, তা সবসময় ঠিক নয়। ভেজা রাস্তা বা কাদাটে পথে টায়ারের কন্ডিশন এবং সঠিক হাওয়া থাকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

Aprilia FX 125 braking এবং নিরাপত্তা

Aprilia FX 125-এ সামনে single disc এবং পেছনে drum brake ব্যবহার করা হয়েছে, কিন্তু কোনো ABS নেই। ভেজা রাস্তায় বা হঠাৎ ব্রেক করার সময় এটি একটি বড় দুর্বলতা হতে পারে, কারণ চাকা লক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সবসময় প্রোগ্রেসিভ ব্রেকিং অনুসরণ করুন এবং সামনের যানের সাথে দূরত্ব বজায় রাখুন। ডেলিভারি নেওয়ার আগে লিভারের ফিল, ডিস্কের কন্ডিশন এবং প্যাড চেক করে নিন।

এতে tubeless tyres এবং alloy wheels থাকলেও পাংচার বা হঠাৎ প্রেশার কমে যাওয়ার ঝুঁকি একদম থাকে না তা নয়। বাইকটিতে হ্যালোজেন হেডলাইট এবং এনালগ স্পিডোমিটার ব্যবহার করা হয়েছে। শোরুমের ভেতরে হেডলাইট চেক না করে অন্ধকার রাস্তায় এর আলো যাচাই করা ভালো। তালিকার তথ্য অনুযায়ী এটি kick start বাইক; তাই এতে ইলেকট্রিক স্টার্ট অপশন নাও থাকতে পারে।

বিল্ড কোয়ালিটি, সার্ভিসিং এবং পার্টস

এই মডেলে নির্দিষ্ট কোনো কমন সমস্যা আছে কি না তা বলার মতো যথেষ্ট তথ্য বর্তমানে নেই। কেনার সময় রংয়ের মান, ঝালাই বা weld ফিনিশ, তারের সুরক্ষা এবং প্যানেল ফিটিং ভালোভাবে দেখে নিন। কোল্ড স্টার্ট এবং ক্লাচ ঠিকভাবে কাজ করছে কি না তা চেক করা জরুরি। এগুলো কোনো ত্রুটি নয়, বরং একটি carburetted বাইক কেনার সাধারণ সতর্কতা।

Runner-এর ডিস্ট্রিবিউশন থাকায় Aprilia FX 125 কেনা অন্যান্য অপরিচিত আমদানিকারকের চেয়ে নিরাপদ। তবে আপনার এলাকার Runner service সেন্টারে এই মডেলের পার্টস বা মেকানিক আছে কি না তা আগে জেনে নিন। প্রতিষ্ঠিত জাপানি বা ইন্ডিয়ান ব্র্যান্ডগুলোর সাথে এর পার্টস প্রাপ্যতা তুলনা করে দেখুন। সরাসরি ওয়ার্কশপে গিয়ে spares এবং ওয়ারেন্টি সম্পর্কে প্রশ্ন করুন।

এই বাইকের সার্ভিসিং মেকানিক্যালি সহজ হওয়ার কথা, তবে সহজ মানেই যে পার্টস সস্তা হবে এমন নয়। ফিল্টার, ব্রেক প্যাড, ক্লাচ পার্টস এবং চেইন-স্প্রকেট সেটের প্রকৃত দাম জেনে নিন। অনেক সময় মডেল-নির্দিষ্ট পার্টসের জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা বাজেট সাশ্রয়ের চেয়েও বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

প্রতিযোগী এবং Resale ভ্যালু

Aprilia FX 125 বিবেচনার সময় পাশাপাশি Honda Shine, Bajaj Discover বা TVS Metro-এর মতো commuter বাইকগুলোও দেখে নেওয়া উচিত। এদের কন্ডিশন এবং পার্টসের সহজলভ্যতা তুলনা করুন। শুধুমাত্র Aprilia লোগো থাকলেই যে resale ভ্যালু ভালো হবে, তা ধরে নেওয়া ঠিক নয়। রিসেল মার্কেট যাচাই করতে ব্যবহৃত বাইকের বিজ্ঞাপনের চেয়ে ডিলারের সাথে কথা বলা বেশি কার্যকর।

ভালো দিক (Pros)

  • কম seat height হওয়ায় বাইকটি সহজে নিয়ন্ত্রণযোগ্য।
  • ফাইভ-স্পিড গিয়ারবক্স বিভিন্ন ধরণের যাতায়াতের জন্য উপযুক্ত।
  • বড় ফুয়েল ট্যাঙ্ক বারবার রিফুয়েলিংয়ের ঝামেলা কমায়।
  • সামনে disc brake এবং tubeless tyres রয়েছে।
  • Runner-এর মাধ্যমে বাংলাদেশে সুনির্দিষ্ট ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক রয়েছে।

খারাপ দিক (Cons)

  • ইমার্জেন্সি braking-এর জন্য কোনো ABS নেই।
  • highway-এ ওভারটেক করার জন্য যথেষ্ট performance reserve নেই।
  • শুধুমাত্র kick starting-এর কথা উল্লেখ আছে।
  • মডেল-নির্দিষ্ট parts-এর প্রাপ্যতা এবং resale ভ্যালু স্থানীয়ভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
  • তালিকায় থাকা অস্বাভাবিক tyre sizing নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

শেষ কথা (Verdict)

Aprilia FX 125 একটি সাশ্রয়ী এবং সহজ commuter বাইক হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে, তবে এটিকে কোনো স্পোর্টস বাইকের বিকল্প ভাবা ভুল হবে। সন্তোষজনক টেস্ট রাইড, স্পেসিফিকেশন চেক এবং পার্টসের নিশ্চয়তা পাওয়ার পরই এটি কিনুন। যদি আপনার কাছে ব্র্যান্ড নেমের চেয়ে প্রতিদিনের নির্ভরযোগ্যতা এবং সহজে রিসেল করার সুবিধা বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়, তবে দেশের বাজারে সুপ্রতিষ্ঠিত অন্যান্য মূলধারার ব্র্যান্ডগুলো বেছে নেওয়া বেশি নিরাপদ হতে পারে।

Similar Bikes