Yamaha XSR900 Neon White side view
Neon White

Yamaha XSR900 Price in Bangladesh 2026

Estimated price

৳40,26,000

Not available in Bangladesh

Estimated price

Last updated:

USA vs Bangladesh price

USA price (US$10,999)
৳13,41,878
Tax & other costs
+ ৳26,84,122
Estimated price in Bangladesh
৳40,26,000

Short Specifications

Engine capacity
890 cc
Maximum power
119 PSat 10,000 rpm
Maximum torque
93 Nmat 7,000 rpm
Mileage
19 km/l (approx.)
ABS
Dual-channel ABS
Tubeless tyres
Yes
Seat height
810 mm
Kerb weight
193 kg
Top speed
225 km/h (approx.)

Yamaha XSR900 Price in Bangladesh

Yamaha XSR900 is not officially sold in Bangladesh, but its estimated price in Bangladesh in 2026 is around ৳40,26,000. This retro bike is powered by a 890cc liquid-cooled, inline 3-cylinder cp3, dohc, 12-valve engine that produces 119 PS @ 10,000 rpm, with a maximum torque of 93 Nm @ 7,000 rpm. The XSR900 gives a mileage of around 19 km/l. It comes with dual-channel ABS and tubeless tyres. Seat height is 810 mm and kerb weight is 193 kg. Top speed: about 225 km/h. It is available in 1 colour: Neon White. Check the Yamaha XSR900 full specifications, price breakdown and comparison below before you buy.

ইয়ামাহা XSR900 দাম বাংলাদেশে 2026: ৳40,26,000

Yamaha XSR900 Colours

Neon White

Yamaha XSR900 Full Specifications

General

Brand
Yamaha
Model
XSR900
Category
Retro
Model year
2026
Price
৳40,26,000 (estimated price)

Engine and Transmission

Engine type
Liquid-cooled, inline 3-cylinder CP3, DOHC, 12-valve
Cooling system
Liquid-cooled
Fuel system
Fuel injection
Transmission
6-speed with quick shifter

Brakes and Tyres

Front brake
Dual 298 mm disc
Rear brake
245 mm disc
Front tyre
120/70ZR17 tubeless
Rear tyre
180/55ZR17 tubeless

Suspension and Chassis

Front suspension
KYB upside-down fork
Rear suspension
Not available

Dimensions and Weight

Ground clearance
Not available
Wheelbase
Not available
Overall dimensions (L × W × H)
Not available

Electrical and Features

Headlight
LED
Instrument cluster
3.5-inch TFT
Battery
Not available
Features
Retro styling, CP3 triple engine, 6-axis IMU

Additional Information

Available colours
Neon White
Warranty
Not available
Availability
Available
Last updated
2026-10-15

Yamaha XSR900 Rating

Overall 79/100

Design
91%
Comfort
80%
Engine performance
97%
Mileage
46%
Brand reliability
90%
Resale value
67%

Our estimate based on specifications, brand and price.

Yamaha XSR900 FAQ — সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

Yamaha XSR900 price in Bangladesh 2026 কত?

Yamaha XSR900 বাংলাদেশে অফিসিয়ালি বিক্রি হয় না। আমদানি করলে আনুমানিক price হতে পারে ৳40,26,000।

Yamaha XSR900-এর mileage কত?

Yamaha XSR900 প্রায় 19 km/l (approx.) mileage দেয়।

Yamaha XSR900 কত cc এবং power কত?

Yamaha XSR900-এ 890cc engine আছে, power 119 PS @ 10,000 rpm, torque 93 Nm @ 7,000 rpm।

Yamaha XSR900-এ কি ABS আছে?

হ্যাঁ, Yamaha XSR900-এ Dual-channel ABS আছে।

Yamaha XSR900-এর top speed কত?

Yamaha XSR900-এর top speed প্রায় 225 km/h (approx.)।

Yamaha XSR900-এর seat height ও weight কত?

Seat height 810 mm এবং weight 193 kg।

Yamaha XSR900 কোন কোন colour-এ পাওয়া যায়?

Yamaha XSR900 1টি colour-এ পাওয়া যায়: Neon White।

Yamaha XSR900 review: বাংলাদেশে ownership এবং পারফরম্যান্স অ্যাসেসমেন্ট

Yamaha XSR900 হলো আশির দশকের রেসিং ডিজাইন এবং আধুনিক ট্রিপল-সিলিন্ডার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের একটি উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন সংমিশ্রণ, যার সম্ভাব্য বাংলাদেশে মূল্য বা price ধরা হয়েছে ৪,০২৬,০০০ টাকা। ৮৯০ সিসি-র এই মেশিনটি বর্তমানে 'Not in Bangladesh' (ইউএসএ/ইউরোপ স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী) হিসেবে তালিকাভুক্ত। আমাদের এই Bike Price Bangladesh অ্যাসেসমেন্টটি সরাসরি টেস্ট ড্রাইভের পরিবর্তে অফিশিয়াল টেকনিক্যাল ডেটার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। ১১৯ পিএস পাওয়ার এবং অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক্স সমৃদ্ধ Yamaha XSR900 একটি প্রিমিয়াম ক্যাটাগরির বাইক, যেখানে ইমপোর্ট ডিউটি এবং স্পেশালাইজড মেইনটেন্যান্স মালিকানার প্রধান বিবেচ্য বিষয়। বাংলাদেশি বাইক প্রেমীদের কাছে এই মোটরসাইকেলটি কেবল যাতায়াতের মাধ্যম নয়, বরং ইয়ামাহার CP3 প্ল্যাটফর্মের কারিগরি দক্ষতার একটি প্রতীক।

১. Yamaha XSR900 কাদের জন্য?

Yamaha XSR900 কোনো বিগিনার বা নতুন রাইডারদের জন্য নয়; এটি অভিজ্ঞ রাইডারদের জন্য তৈরি একটি প্রিসিশন টুল যারা মেকানিক্যাল ক্যারেক্টার এবং হাই-এন্ড ইলেকট্রনিক্স পছন্দ করেন। এর ১৯৩ কেজি ওজন এবং ১১৯ পিএস আউটপুট সামলানোর জন্য বিশেষ থ্রটল ডিসিপ্লিন প্রয়োজন, যা বাংলাদেশের সাধারণ ১৫০ সিসি বা ২৫০ সিসি বাইকের তুলনায় অনেক বেশি। সম্ভাব্য মালিকদের উচিত অনিশ্চিত রাস্তার পরিস্থিতিতে এই হাই পাওয়ার-টু-ওয়েট রেশিও-র বাইকটি নিয়ন্ত্রণে দক্ষ হওয়া।

এই বাইকটি তাদের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত যারা 'উইকএন্ড ওয়ারিয়র' বা প্রিমিয়াম কালেক্টর এবং হেরিটেজ-অনুপ্রাণিত ডিজাইন পছন্দ করেন। যদিও ৮১০ মিমি সিট হাইট বেশ আরামদায়ক, তবে ১৮০-সেকশনের রিয়ার টায়ার এবং চওড়া স্ট্যান্সের কারণে কম উচ্চতার রাইডারদের উচিত বাইকটিতে বসে চেক করে নেওয়া যে তারা দুই পা মাটিতে শক্তভাবে রাখতে পারছেন কিনা। এটি মূলত তাদের জন্য যারা সুপারস্পোর্টের টপ স্পিড-এর চেয়ে ট্রিপল-সিলিন্ডার ইঞ্জিনের অনুভূতির ওপর বেশি গুরুত্ব দেন।

২. পাওয়ার বনাম টর্ক: Yamaha XSR900 CP3 ইঞ্জিন ডায়নামিক্স

Yamaha XSR900-এর প্রাণ হলো ৮৯০ সিসি লিকুইড-কুলড, ইনলাইন ৩-সিলিন্ডার DOHC ইঞ্জিন। প্রচলিত হাই-রিভিং ফোর-সিলিন্ডারের মতো নয়, বরং এই CP3 ইঞ্জিন ৭,০০০ আরপিএম-এ শক্তিশালী ৯৩ এনএম টর্ক তৈরি করে, যা এর ১০,০০০ আরপিএম-এ ১১৯ পিএস পিক পাওয়ারের তুলনায় অনেক আগে পাওয়া যায়। এর মানে হলো ৬-স্পিড গিয়ারবক্স বারবার পরিবর্তন না করেই আপনি ওভারটেকিংয়ের জন্য প্রচুর 'গ্রান্ট' বা শক্তি পাবেন।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে যেখানে হাই-স্পিড স্ট্রেচ খুব কম, সেখানে ২২৫ কিমি/ঘণ্টা টপ স্পিড-এর চেয়ে টর্ক ডেলিভারি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। স্ট্যান্ডার্ড ইকুইপমেন্ট হিসেবে কুইক শিফটার থাকায় গিয়ার পরিবর্তন হবে একদম স্মুথ, যা দীর্ঘ রাইডে রাইডারের ক্লান্তি কমায়। তবে মালিকদের অবশ্যই ১০,০০০ আরপিএম সীমার প্রতি সতর্ক থাকতে হবে, কারণ উচ্চ আরপিএম-এ পাওয়ার ডেলিভারি বেশ অ্যাগ্রেসিভ হয়।

৩. ফুয়েল ইকোনমি এবং বাংলাদেশের ট্রাফিক বাস্তবতা

প্রতি লিটারে আনুমানিক ১৯ কিমি মাইলেজ সহ Yamaha XSR900 স্থানীয় কমিউটার মার্কেটের তুলনায় একটি জ্বালানি-ক্ষুধার্ত মেশিন। এই সংখ্যাটি ল্যাবরেটরি টেস্টের ওপর ভিত্তি করে; ঢাকা বা চট্টগ্রামের স্টপ-অ্যান্ড-গো জ্যামে ৮৯০ সিসি ট্রিপল ইঞ্জিনের তাপ এবং ঘনঘন আইডলিংয়ের কারণে প্রকৃত মাইলেজ আরও কম হতে পারে। এর হাই-কমপ্রেশন DOHC ইঞ্জিন ফুয়েল কোয়ালিটির ব্যাপারে সংবেদনশীল, তাই প্রিমিয়াম অকটেন ব্যবহারের জন্য আলাদা বাজেট রাখতে হবে।

এর ১৪ লিটারের ফুয়েল ট্যাংক লম্বা ট্যুরের জন্য একটি সীমাবদ্ধতা। রবিবার সকালের স্প্রিন্টের জন্য এটি পর্যাপ্ত হলেও, যারা এক জেলা থেকে অন্য জেলায় যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন তাদের আগে থেকেই ভালো মানের ফুয়েল স্টেশনের ম্যাপ করে নিতে হবে। এর ফুয়েল ইনজেকশন সিস্টেম শার্প রেসপন্স নিশ্চিত করে, তবে ইনজেক্টরগুলো ভালো রাখতে অবশ্যই পরিচ্ছন্ন ফুয়েল সাপ্লাই প্রয়োজন।

৪. ভাঙা রাস্তায় আরাম এবং পিলিয়ন এরগনোমিক্স

KYB আপসাইড-ডাউন ফর্ক এবং লিঙ্ক-টাইপ রিয়ার সাসপেনশন সহ Yamaha XSR900 নিখুঁত হ্যান্ডলিংয়ের জন্য তৈরি। ভালো হাইওয়েতে এই সাসপেনশন আপনাকে খুব আত্মবিশ্বাস দেবে। তবে বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলের অসমান রাস্তা বা ভাঙা পিচ ঢালা রাস্তায় এর শক্ত ফ্যাক্টরি টিউনিং কিছুটা অস্বস্তিকর হতে পারে। সম্ভাব্য মালিকদের উচিত স্থানীয় রাস্তার সাথে মানিয়ে নিতে সাসপেনশন সেটিং অ্যাডজাস্ট করে নেওয়া।

Yamaha XSR900-এ পিলিয়ন কমফোর্ট খুব বেশি গুরুত্ব পায়নি। রেট্রো স্টাইলের সিটটি দেখতে চমৎকার হলেও প্যাসেঞ্জারের জন্য জায়গা বেশ সীমিত। গ্র্যাব রেইল না থাকা এবং বাইকটির হাই-টর্ক বৈশিষ্ট্যের কারণে পিলিয়নকে যথেষ্ট অভিজ্ঞ হতে হবে এবং হঠাৎ গতির সাথে মানিয়ে নেওয়ার মানসিকতা থাকতে হবে। দুজনে মিলে দীর্ঘ ভ্রমণের জন্য সিটে আফটারমার্কেট মডিফিকেশনের প্রয়োজন হতে পারে।

৫. ব্রেক এবং সেফটি: 6-Axis IMU-এর সুবিধা

Yamaha XSR900-এর নিরাপত্তার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো এর 6-axis Inertial Measurement Unit (IMU)। এই সিস্টেমটি লিন-সেনসিটিভ ট্র্যাকশন কন্ট্রোল এবং স্লাইড কন্ট্রোল পরিচালনা করে, যা বাংলাদেশের বালু বা তেলযুক্ত পিচ্ছিল রাস্তায় ১১৯ পিএস পাওয়ারের বাইক চালানোর সময় একটি লাইফ-সেভিং ঢাল হিসেবে কাজ করে। ডুয়াল-চ্যানেল ABS এবং ডুয়াল ২৯৮ মিমি ফ্রন্ট ডিস্ক অসাধারণ স্টপিং পাওয়ার বা ব্রেকিং পারফরম্যান্স প্রদান করে।

সাধারণ ABS সিস্টেমের বিপরীতে, Yamaha XSR900-এর ইলেকট্রনিক্স বাইকের লিন অ্যাঙ্গেল বা ঝোঁকার পরিমাপ অনুযায়ী কাজ করে। এটি ইমার্জেন্সি ব্রেকিংয়ের সময় চাকা লক হওয়া বা দুর্ঘটনাবশত হুইলি হওয়া রোধ করে। একজন মালিকের জন্য এর অর্থ হলো উচ্চতর আত্মবিশ্বাস, যদিও এই অ্যাডভান্সড সেন্সরগুলো ক্যালিব্রেট এবং মেইনটেইন করার জন্য একজন দক্ষ টেকনিশিয়ানের প্রয়োজন হবে।

৬. বিল্ড কোয়ালিটি এবং ভিজ্যুয়াল ইন্সপেকশন

Yamaha-এর 'Faster Sons' দর্শন Yamaha XSR900-এর বিল্ড কোয়ালিটিতে স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান। হাই-কোয়ালিটি অ্যালয়, ৩.৫ ইঞ্চি TFT ডিসপ্লে এবং LED লাইটিং বাইকটিকে একটি প্রিমিয়াম লুক দেয়। এক্সপোজড ফ্রেম এবং ইঞ্জিনের অংশগুলো এমনভাবে ফিনিশিং দেওয়া হয়েছে যা মরিচা প্রতিরোধ করে, তবে বাংলাদেশের আর্দ্র আবহাওয়ার কারণে মেটাল পার্টসগুলোর নিয়মিত পরিষ্কার এবং অ্যান্টি-করোশন ট্রিটমেন্ট প্রয়োজন।

এর ওয়্যারিং এবং প্লাম্বিং খুব সুন্দরভাবে গুছিয়ে রাখা হয়েছে যা জাপানি ইঞ্জিনিয়ারিং স্ট্যান্ডার্ডের পরিচয় দেয়। তবে মিনিমালিস্ট রেট্রো বডিওয়ার্কের কারণে অনেক গুরুত্বপূর্ণ অংশ সরাসরি বাতাসের সংস্পর্শে থাকে। বর্ষাকালে রাস্তার কাদা বা ময়লা যাতে রেডিয়েটর ফিন বা এক্সজস্ট হেডারে জমা না হয়, সেদিকে মালিকদের নিয়মিত নজর দিতে হবে।

৭. বাংলাদেশে পার্টস প্রাপ্যতা এবং সার্ভিসিং

যেহেতু Yamaha XSR900 স্থানীয় ডিলার যেমন ACI Motors-এর মাধ্যমে ব্যাপকভাবে বাজারজাত করা হয় না, তাই পার্টস পাওয়া একটি বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে। অয়েল ফিল্টার, এয়ার ফিল্টার এবং ব্রেক প্যাডের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পার্টসগুলো ব্যক্তিগতভাবে বা স্পেশালাইজড ইমপোর্টারের মাধ্যমে আনাতে হতে পারে। TFT ক্লাস্টার বা IMU সেন্সরের মতো বড় পার্টস নষ্ট হলে তা হাতে পেতে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে।

এর মেইনটেন্যান্স বা সার্ভিসিং শুধুমাত্র মাল্টি-সিলিন্ডার এবং ফুয়েল-ইনজেক্টেড ইঞ্জিন নিয়ে কাজ করা অভিজ্ঞ ওয়ার্কশপেই করা উচিত। ১২-ভালভ DOHC হেড এবং লিকুইড কুলিং সিস্টেমের জটিলতার কারণে 'রাস্তার ধারের' মেকানিক দিয়ে রিপেয়ার করার সুযোগ নেই। এর ECU-র সাথে ডায়াগনস্টিক স্ক্যানার ব্যবহার করার জন্য বাড়তি খরচ গুণতে হতে পারে।

৮. সেকেন্ড হ্যান্ড কেনা এবং রিসেল ভ্যালু বিবেচনা

সেকেন্ডারি মার্কেটে Yamaha XSR900 একটি নিস (niche) প্রোডাক্ট। যারা এই বাইকের বিশেষত্ব এবং CP3 ইঞ্জিন বোঝেন তাদের কাছে এর আবেদন থাকলেও, বিশাল শুরুর মূল্যের (আনুমানিক ৪,০২৬,০০০ টাকা) কারণে সম্ভাব্য ক্রেতার সংখ্যা বেশ কম। বাংলাদেশে উচ্চ সিসি-র বাইকের রিসেল ভ্যালু সাধারণত মাইলেজের চেয়ে সার্ভিস হিস্ট্রি এবং ইলেকট্রনিক্সের অবস্থার ওপর বেশি নির্ভর করে।

পুরানো Yamaha XSR900 কেনার আগে 6-axis IMU এবং কুইক শিফটার ঠিকমতো কাজ করছে কিনা তা নিশ্চিত করতে একটি ফুল ডায়াগনস্টিক স্ক্যান করা জরুরি। অ্যালুমিনিয়াম ফ্রেম এবং বিশেষ KYB ফর্ক মেরামতের খরচ অনেক বেশি হওয়ায় কোনো দুর্ঘটনার চিহ্ন আছে কিনা তা ভালো করে পরীক্ষা করা উচিত। এই প্রিমিয়াম সেগমেন্টে আপনার বিনিয়োগ সুরক্ষিত রাখার সেরা উপায় হলো একটি নিখুঁত সার্ভিস হিস্ট্রি বজায় রাখা।

ভালো দিক (Pros)

  • এর CP3 ইনলাইন ৩-সিলিন্ডার ইঞ্জিন একটি অনন্য পাওয়ার ডেলিভারি প্রদান করে, যা একটি ইনলাইন-ফোর ইঞ্জিনের চেয়ে বেশি টর্ক এবং টুইন ইঞ্জিনের চেয়ে বেশি স্মুথনেস নিশ্চিত করে।
  • অ্যাডভান্সড সেফটি ফিচার হিসেবে এতে আছে 6-axis IMU এবং ডুয়াল-চ্যানেল ABS, যা দেশের বাজারে সচরাচর দেখা যায় না এমন রাইডার এইড নিশ্চিত করে।
  • হাই-স্পেসিফিকেশন KYB আপসাইড-ডাউন ফর্ক এবং ডুয়াল ২৯৮ মিমি ফ্রন্ট ডিস্ক প্রফেশনাল গ্রেডের সাসপেনশন এবং ব্রেকিং হার্ডওয়্যারের নিশ্চয়তা দেয়।
  • ৮১০ মিমি সিট হাইট লিটার-ক্লাস বাইক হিসেবে বেশ সুবিধাজনক, যা বিভিন্ন উচ্চতার রাইডারদের জন্য মানানসই হতে পারে।
  • এর চিরসবুজ 'Faster Sons' রেট্রো স্টাইলিং নিশ্চিত করে যে বাইকটি সমসাময়িক স্পোর্টবাইকগুলোর তুলনায় অনেক বেশি সময় ধরে আকর্ষণীয় ও আধুনিক থাকবে।

খারাপ দিক (Cons)

  • ১৪ লিটারের ফুয়েল ট্যাংক ৮৯০ সিসি-র হাই-পারফরম্যান্স ইঞ্জিনের জন্য তুলনামূলকভাবে ছোট, যার ফলে লং-ডিস্টেন্স ট্যুরে ঘনঘন তেল ভরার প্রয়োজন হতে পারে।
  • ১৯৩ কেজি কার্ব ওয়েট এবং উচ্চ ক্ষমতার ইঞ্জিন এটিকে অনভিজ্ঞ রাইডার বা যারা ছোট সিসির কমিউটার থেকে আপগ্রেড করতে চাইছেন তাদের জন্য অনুপযুক্ত করে তুলেছে।
  • ১৯ কিমি/লিটার আনুমানিক মাইলেজ বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বেশ কম, ফলে ভারী ট্রাফিক জ্যামে প্রতিদিন এটি চালানো বেশ ব্যয়বহুল হবে।
  • বাংলাদেশে CP3 ইঞ্জিন এবং 6-axis IMU ইলেকট্রনিক্সের জন্য সীমিত অফিশিয়াল পার্টস সাপোর্ট থাকায় স্পেশালাইজড এবং ব্যয়বহুল ইন্ডিপেনডেন্ট সার্ভিসিংয়ের প্রয়োজন হতে পারে।

শেষ কথা (Verdict)

Yamaha XSR900 হলো মডার্ন-রেট্রো ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের একটি মাস্টারপিস যা বাংলাদেশের রাস্তায় বিরল পারফরম্যান্স এবং ইলেকট্রনিক্স সুবিধা প্রদান করে। যদিও এর ৪,০২৬,০০০ টাকার আনুমানিক মূল্য এবং উচ্চ-সিসি মেইনটেন্যান্সের চ্যালেঞ্জগুলো বড় বাধা, কিন্তু এর বিনিময়ে আপনি পাবেন একটি অনন্য ৩-সিলিন্ডার অভিজ্ঞতা যা র টর্ক এবং সার্জিক্যাল প্রিসিশনের ভারসাম্য বজায় রাখে। এটি সেই রাইডারের জন্য যারা সেফটি বা 6-axis IMU-এর সাথে আপস না করেই হেরিটেজ স্টাইল পছন্দ করেন।

Similar Bikes