Yamaha Tricity 300 Milky White side view
Milky White

Yamaha Tricity 300 Price in Bangladesh 2026

Estimated price

৳29,18,000

Not available in Bangladesh

Estimated price

Last updated:

Europe vs Bangladesh price

Europe price (US$9,200)
৳11,22,400
Tax & other costs
+ ৳17,95,600
Estimated price in Bangladesh
৳29,18,000

Short Specifications

Engine capacity
292 cc
Maximum power
28 PSat 7,250 rpm
Maximum torque
29 Nmat 5,750 rpm
Mileage
28 km/l (approx.)
ABS
Dual-channel ABS
Tubeless tyres
Yes
Seat height
795 mm
Kerb weight
239 kg
Top speed
130 km/h (approx.)

Yamaha Tricity 300 Price in Bangladesh

Yamaha Tricity 300 is not officially sold in Bangladesh, but its estimated price in Bangladesh in 2026 is around ৳29,18,000. This scooter bike is powered by a 292cc liquid-cooled, 4-stroke, sohc, 4-valve engine that produces 28 PS @ 7,250 rpm, with a maximum torque of 29 Nm @ 5,750 rpm. The Tricity 300 gives a mileage of around 28 km/l. It comes with dual-channel ABS and tubeless tyres. Seat height is 795 mm and kerb weight is 239 kg. Top speed: about 130 km/h. It is available in 1 colour: Milky White. Check the Yamaha Tricity 300 full specifications, price breakdown and comparison below before you buy.

ইয়ামাহা Tricity 300 দাম বাংলাদেশে 2026: ৳29,18,000

Yamaha Tricity 300 Colours

Milky White

Yamaha Tricity 300 Full Specifications

General

Brand
Yamaha
Model
Tricity 300
Category
Scooter
Model year
2026
Price
৳29,18,000 (estimated price)

Engine and Transmission

Engine type
Liquid-cooled, 4-stroke, SOHC, 4-valve
Cooling system
Liquid-cooled
Fuel system
Fuel injection
Transmission
CVT automatic

Brakes and Tyres

Front brake
Dual 267 mm disc
Rear brake
267 mm disc
Front tyre
120/70-14 (x2) tubeless
Rear tyre
140/70-14 tubeless

Suspension and Chassis

Front suspension
Leaning twin front wheels
Rear suspension
Not available

Dimensions and Weight

Ground clearance
Not available
Wheelbase
Not available
Overall dimensions (L × W × H)
Not available

Electrical and Features

Headlight
LED
Instrument cluster
LCD
Battery
Not available
Features
Three wheels, Standing assist

Additional Information

Available colours
Milky White
Warranty
Not available
Availability
Available
Last updated
2026-10-15

Yamaha Tricity 300 Rating

Overall 78/100

Design
86%
Comfort
86%
Engine performance
80%
Mileage
56%
Brand reliability
90%
Resale value
67%

Our estimate based on specifications, brand and price.

Yamaha Tricity 300 FAQ — সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

Yamaha Tricity 300 price in Bangladesh 2026 কত?

Yamaha Tricity 300 বাংলাদেশে অফিসিয়ালি বিক্রি হয় না। আমদানি করলে আনুমানিক price হতে পারে ৳29,18,000।

Yamaha Tricity 300-এর mileage কত?

Yamaha Tricity 300 প্রায় 28 km/l (approx.) mileage দেয়।

Yamaha Tricity 300 কত cc এবং power কত?

Yamaha Tricity 300-এ 292cc engine আছে, power 28 PS @ 7,250 rpm, torque 29 Nm @ 5,750 rpm।

Yamaha Tricity 300-এ কি ABS আছে?

হ্যাঁ, Yamaha Tricity 300-এ Dual-channel ABS আছে।

Yamaha Tricity 300-এর top speed কত?

Yamaha Tricity 300-এর top speed প্রায় 130 km/h (approx.)।

Yamaha Tricity 300-এর seat height ও weight কত?

Seat height 795 mm এবং weight 239 kg।

Yamaha Tricity 300 কোন কোন colour-এ পাওয়া যায়?

Yamaha Tricity 300 1টি colour-এ পাওয়া যায়: Milky White।

Yamaha Tricity 300 review: বাংলাদেশে ownership এবং পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ

Yamaha Tricity 300 প্রথাগত দুই চাকার যাতায়াত ব্যবস্থার তুলনায় একটি আমূল পরিবর্তন, যাতে রয়েছে Leaning Multi-Wheel (LMW) চ্যাসিস এবং একটি ২৯২cc liquid-cooled ইঞ্জিন। প্রায় ২,৯১৮,০০০ টাকা আনুমানিক price-এর এই বাইকটি নিয়ে Bike Price Bangladesh-এর এই অ্যাসেসমেন্টটি একটি স্পেসিফিকেশন-ভিত্তিক সম্পাদকীয় বিশ্লেষণ প্রদান করছে, কারণ মডেলটি বর্তমানে দেশীয় বাজারে অফিশিয়ালি বিক্রি হচ্ছে না। এই review-তে আমরা খতিয়ে দেখব কীভাবে এর অনন্য তিন চাকার আর্কিটেকচার এবং ২৮ PS আউটপুট বাংলাদেশের যানজটপূর্ণ শহর এবং অনুন্নত রাস্তাগুলোতে পারফর্ম করতে পারে। যদিও প্রযুক্তিগত তথ্যগুলো Yamaha Europe থেকে নেওয়া হয়েছে, আমাদের বিশ্লেষণ মূলত বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এর মালিকানা, maintenance এবং নিরাপত্তার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।

১. Yamaha Tricity 300-এর জন্য টার্গেটেড রাইডার প্রোফাইল

Yamaha Tricity 300 একটি নির্দিষ্ট শ্রেণির জন্য তৈরি করা হয়েছে: প্রিমিয়াম কমিউটার যারা কম খরচের চেয়ে stability এবং নিরাপত্তার ওপর বেশি গুরুত্ব দেন। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে, এটি অভিজ্ঞ রাইডার বা কার ওনারদের আকর্ষণ করবে যারা মোটরসাইকেলের মতো হেলানো ডায়নামিক্সের পাশাপাশি তিনটি চাকার বাড়তি নিরাপত্তা চান।

এর seat height ৭৯৫ mm হওয়ায় অধিকাংশ রাইডারদের জন্য এটি নাগালে থাকলেও, ২৩৯ কেজি ওজনের বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। এটি কোনো হালকা ওজনের স্কুটার নয় যে সরু গলিপথে খুব সহজে চালানো যাবে; বরং এটি একটি শক্তিশালী মেশিন যা ঢাকা বা চট্টগ্রামের মতো ব্যস্ত ট্রাফিকে চালানোর জন্য আত্মবিশ্বাস ও শারীরিক শক্তির প্রয়োজন। এর ৮১০ mm প্রস্থের কারণে এটি একটি ছোট মাইক্রো-কারের মতো জায়গা দখল করে।

২. Yamaha Tricity 300 ইঞ্জিন পারফরম্যান্স: টপ স্পিডের চেয়ে টর্ক বেশি গুরুত্বপূর্ণ

Yamaha Tricity 300-এর মূল শক্তি হলো এর ২৯২cc Blue Core ইঞ্জিন, যা ৭,২৫০ rpm-এ ২৮ PS পাওয়ার এবং ৫,৭৫০ rpm-এ ২৯ Nm torque উৎপন্ন করে। হাই-রিভ স্পোর্টস বাইকের মতো না হয়ে, এই ইঞ্জিনটি মিড-রেঞ্জ পাওয়ারের জন্য টিউন করা হয়েছে। ৫,৭৫০ rpm-এর মতো তুলনামূলক কম rpm-এ পিক টর্ক পাওয়ার অর্থ হলো, ওজনে ভারী হওয়া সত্ত্বেও ট্রাফিক সিগন্যাল থেকে Tricity 300 খুব দ্রুত গতি তুলতে পারবে।

CVT automatic transmission বাইক চালানোকে সহজ করে দেয়, ফলে জ্যামের মধ্যে বারবার গিয়ার পরিবর্তন করার ঝামেলা নেই। তবে রাইডারদের এর ১৩০ km/h টপ স্পিড দেখে বিভ্রান্ত হওয়া উচিত নয়; এই ইঞ্জিনের আসল সুবিধা হলো হাইওয়েতে (৮০-১০০ km/h) দুইজন যাত্রী এবং মালপত্র নিয়ে কোনো চাপ ছাড়াই চলতে পারা। বাংলাদেশের হাইওয়েতে ওভারটেকিংয়ের জন্য এই অতিরিক্ত পাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সেফটি ফিচার।

৩. ফুয়েল এফিসিয়েন্সি এবং বাংলাদেশের ট্রাফিক বাস্তবতা

Yamaha Tricity 300-এর জন্য আনুমানিক ২৮ km/l mileage-এর কথা বলা হয়েছে। তবে বাংলাদেশের গ্রিডলক রাস্তায়, যেখানে দীর্ঘক্ষণ ইঞ্জিন চালু রেখে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়, সেখানে এই সংখ্যা কমতে পারে। ২৩৯ কেজি ওজনের এই বাইকটিকে বারবার থামিয়ে আবার চালু করতে প্রচুর শক্তির প্রয়োজন হয়, যা ব্যস্ত সময়ে তেলের খরচ বাড়িয়ে দিতে পারে।

১৩ লিটারের fuel tank থাকায় Yamaha Tricity 300 তাত্ত্বিকভাবে ৩৫০ কিলোমিটারের বেশি রেঞ্জ দিতে পারে। এটি ঢাকা থেকে সিলেটের মতো দূরপাল্লার ভ্রমণের জন্য একে একটি কার্যকর অপশনে পরিণত করে। সর্বোচ্চ সাশ্রয় পেতে রাইডারদের ফুয়েল ইনজেক্টেড ইঞ্জিনের দক্ষতাকে কাজে লাগাতে হবে এবং ঘনঘন থ্রটল পরিবর্তন না করে নিয়ন্ত্রিতভাবে চালাতে হবে।

৪. ভাঙা রাস্তা এবং পিলিয়ন কমফোর্ট: Yamaha Tricity 300-এর পারফরম্যান্স

Yamaha Tricity 300-এর সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো এর ফ্রন্ট সাসপেনশন—দুটি স্বাধীন লিঙ্গিং হুইল। বাংলাদেশের ভাঙা পিচ এবং গর্তযুক্ত রাস্তায় এই সিস্টেমটি বাড়তি সুরক্ষা দেয়; যদি একটি চাকা গর্তে পড়ে, অন্যটি ট্রাকশন বজায় রাখে। এটি প্রথাগত telescopic fork-এর তুলনায় হ্যান্ডেলবারে ঝাকুনির প্রভাব অনেকটাই কমিয়ে দেয়।

পিলিয়নের জন্য Yamaha Tricity 300 স্কুটার জগতের অন্যতম আরামদায়ক বাহন। এর লম্বা স্টেপড সিট এবং ইন্টিগ্রেটেড গ্র্যাব রেইলস যে নিরাপত্তা দেয়, তা ছোট বাইকে অভাব দেখা যায়। পিছনের ১৪০/৭০-১৪ সাইজের টায়ারটি যথেষ্ট চওড়া, যা পিলিয়ন থাকা অবস্থায়ও বাইকের ব্যালেন্স ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

৫. ব্রেক এবং সেফটি সিস্টেম: ট্রিপল-ডিস্ক অ্যাডভান্টেজ

Yamaha Tricity 300-এর ব্রেকিং পারফরম্যান্স বেশ শক্তিশালী, কারণ এর তিনটি চাকাতেই ২৬৭ mm discs ব্যবহার করা হয়েছে। ডুয়াল-চ্যানেল ABS স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে থাকায় এটি এই ওজনের বাইকের জন্য অপরিহার্য। বাংলাদেশে যেখানে হুটহাট রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা চলে আসে, সেখানে দুটি সামনের চাকা নিয়ে স্থিতিশীলভাবে হার্ড ব্রেক করার ক্ষমতা একটি বিশাল সেফটি অ্যাডভান্টেজ।

Standing Assist সিস্টেমটি আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ফিচার। এটি বাইক থামলে কাত হওয়ার মেকানিজমকে লক করে দেয়, ফলে রাইডারকে সেন্টার স্ট্যান্ড বা পা ব্যবহার না করেই Yamaha Tricity 300 সোজা দাঁড়িয়ে থাকতে পারে। বড় মোড়গুলোতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার সময় এটি রাইডারের ক্লান্তি কমায়।

৬. বিল্ড কোয়ালিটি এবং কম্পোনেন্ট ইন্সপেকশন

ইউরোপীয় এবং জাপানি বাজারের জন্য ডিজাইন করা প্রিমিয়াম প্রোডাক্ট হিসেবে Yamaha Tricity 300-এর বিল্ড কোয়ালিটি হবে চমৎকার। এর LCD instrument cluster পরিষ্কার এবং কার্যকর, যদিও এতে আধুনিক কিছু কম্পিটিটরদের মতো কালার TFT ডিসপ্লে নেই। এর প্লাস্টিক, সুইচগিয়ার এবং LED lighting অ্যাসেম্বলি সব ধরনের আবহাওয়ায় টিকে থাকার জন্য তৈরি।

তবে LMW (Leaning Multi-Wheel) লিঙ্কেজের জটিলতা দীর্ঘমেয়াদে নজরে রাখতে হবে। সামনের অংশের জয়েন্ট এবং বিয়ারিংগুলো উন্মুক্ত থাকে; বাংলাদেশের ধুলোবালি এবং কর্দমাক্ত পরিবেশে এই অংশগুলো নিয়মিত পরিষ্কার এবং লুব্রিকেশন করা প্রয়োজন যাতে স্টিয়ারিং শক্ত না হয়ে যায়।

৭. বাংলাদেশে পার্টস প্রাপ্যতা এবং সার্ভিসের চ্যালেঞ্জ

সম্ভাব্য ক্রেতাদের মাথায় রাখতে হবে যে Yamaha Tricity 300 বাংলাদেশের কোনো মূলধারার মডেল নয়। যদিও বেসিক ইঞ্জিনের পার্টস Yamaha XMAX 300-এর (যা একই ইঞ্জিন ব্যবহার করে) সাথে মিল থাকতে পারে, কিন্তু বডি প্যানেল এবং নির্দিষ্ট LMW সাসপেনশন পার্টস স্থানীয়ভাবে পাওয়া অত্যন্ত কঠিন হবে।

অয়েল চেঞ্জ এবং ব্রেক প্যাড পরিবর্তনের মতো নিয়মিত maintenance সহজ হলেও, leaning mechanism বা ইলেকট্রনিক Standing Assist-এর কোনো বড় যান্ত্রিক ত্রুটি হলে বিদেশ থেকে পার্টস আমদানি করতে হবে এবং এমন বিশেষায়িত সিস্টেমে কাজ করতে সক্ষম টেকনিশিয়ান খুঁজে পাওয়াও কঠিন হবে। বর্তমানে দেশে এই মডেলের জন্য কোনো অফিশিয়াল সার্ভিস সাপোর্ট নেই।

৮. মেইনটেন্যান্স এবং রিসেল কনসিডারেশন: Yamaha Tricity 300

Yamaha Tricity 300-এর মেইনটেন্যান্স খরচ সাধারণ বাইকের চেয়ে বেশি, কারণ এতে তিনটি টায়ার পরিবর্তন করতে হয় এবং সামনের জটিল সাসপেনশন নিয়মিত ইন্সপেকশন করতে হয়। ২৯২cc liquid-cooled ইঞ্জিনের জন্য উচ্চমানের সিন্থেটিক অয়েল এবং কুল্যান্ট ফ্লাশ প্রয়োজন।

রিসেল বা পুনরায় বিক্রির ক্ষেত্রে Yamaha Tricity 300-এর মার্কেট খুবই ছোট। উচ্চমূল্য এবং অপ্রচলিত ডিজাইনের কারণে এটি সেকেন্ড-হ্যান্ড বিক্রি করতে সাধারণ বাইকের চেয়ে বেশি সময় লাগতে পারে। এটি তাদের জন্য যারা বাইকটি দীর্ঘ সময় ব্যবহার করতে চান, রিসেল করে লাভ করার জন্য নয়। লাক্সারি এবং সেফটি-ই এই বিনিয়োগের প্রধান প্রাপ্তি।

ভালো দিক (Pros)

  • Dual leaning front wheels পিচ্ছিল বা অসমান রাস্তায় সিগনিফিক্যান্ট গ্রিপ এবং stability প্রদান করে।
  • স্ট্যান্ডার্ড Standing Assist System-এর ফলে ট্রাফিক সিগন্যালে রাইডারকে পা মাটিতে না রেখেও স্কুটারটি সোজা দাঁড়িয়ে থাকতে পারে।
  • তিনটি চাকাতেই বড় আকারের ২৬৭ mm disc brakes থাকার কারণে ৩০০cc ক্লাসের এই বাহনটি দুর্দান্ত stopping power দেয়।
  • ১৩ লিটারের fuel tank এবং ২৯২cc ইঞ্জিনের সমন্বয় একে সিটি যাতায়াতের বাইরে touring-এর জন্যও উপযোগী করে তুলেছে।
  • under-seat storage অত্যন্ত বিশাল, যেখানে সাধারণত দুটি full-face helmets রাখা যায়, যা এই পারফরম্যান্স টায়ারে খুব একটা দেখা যায় না।

খারাপ দিক (Cons)

  • ২৩৯ কেজি kerb weight শহরের ট্রাফিক বা সরু জায়গায় manual parking-এর জন্য বেশ ভারী।
  • উন্নত Leaning Multi-Wheel (LMW) সিস্টেমের জন্য বিশেষ টেকনিশিয়ান ট্রেনিং প্রয়োজন, যা স্থানীয় workshop-গুলোতে সাধারণত পাওয়া যায় না।
  • আনুমানিক আমদানিকৃত price ২৯ লক্ষ টাকারও বেশি, যা একে প্রথাগত দুই চাকার বাইকের তুলনায় লাক্সারি ব্র্যাকেটে নিয়ে যায়।
  • বাংলাদেশের উচ্চ-ট্রাফিক পরিবেশে ডেইলি যাতায়াতের জন্য ২৮ km/l-এর mileage তুলনামূলকভাবে কম।

শেষ কথা (Verdict)

Yamaha Tricity 300 একটি অত্যাধুনিক এবং হাই-স্ট্যাবিলিটি সম্পন্ন মেশিন যা ভেজা বা অসমতল রাস্তায় অতুলনীয় আত্মবিশ্বাস দেয়। তবে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার আনুমানিক দাম এবং বাংলাদেশে বিশেষায়িত তিন-চাকার সিস্টেম সার্ভিসিং করার চ্যালেঞ্জ একে শুধুমাত্র শৌখিন রাইডার বা নিরাপত্তা-সচেতন কমিউটারদের জন্য উপযুক্ত করে তোলে। এটি আরাম এবং ব্রেকিংয়ে সেরা হলেও, পার্কিং স্পেস এবং মেইনটেন্যান্স বাজেটের ক্ষেত্রে বড় ধরনের প্রতিশ্রুতি দাবি করে।

Similar Bikes