Yamaha YZF-R3 Black side view
Black1 of 2 colours

Yamaha YZF-R3 Price in Bangladesh 2026

Estimated price

৳12,10,000

Not available in Bangladesh

Estimated price

Last updated:

India vs Bangladesh price

India price (₹3,60,000)
৳5,04,000
Tax & other costs
+ ৳7,06,000
Estimated price in Bangladesh
৳12,10,000

Short Specifications

Engine capacity
321 cc
Maximum power
42 PSat 10,750 rpm
Maximum torque
29.5 Nmat 9,000 rpm
Mileage
25 km/l (approx.)
ABS
Dual-channel ABS
Tubeless tyres
Yes
Seat height
780 mm
Kerb weight
169 kg
Top speed
180 km/h (approx.)

Yamaha YZF-R3 Price in Bangladesh

Yamaha YZF-R3 is not officially sold in Bangladesh, but its estimated price in Bangladesh in 2026 is around ৳12,10,000. This sport bike is powered by a 321cc liquid-cooled, 4-stroke, parallel-twin, dohc, 8-valve engine that produces 42 PS @ 10,750 rpm, with a maximum torque of 29.5 Nm @ 9,000 rpm. The YZF-R3 gives a mileage of around 25 km/l. It comes with dual-channel ABS and tubeless tyres. Seat height is 780 mm and kerb weight is 169 kg. Top speed: about 180 km/h. It is available in 2 colours: Black, Icon Blue. Check the Yamaha YZF-R3 full specifications, price breakdown and comparison below before you buy.

ইয়ামাহা YZF-R3 দাম বাংলাদেশে 2026: ৳12,10,000

Yamaha YZF-R3 Colours

Black · Icon Blue

Yamaha YZF-R3 Full Specifications

General

Brand
Yamaha
Model
YZF-R3
Category
Sport
Model year
2026
Price
৳12,10,000 (estimated price)

Engine and Transmission

Engine type
Liquid-cooled, 4-stroke, parallel-twin, DOHC, 8-valve
Cooling system
Liquid-cooled
Fuel system
Fuel injection
Transmission
6-speed

Brakes and Tyres

Front brake
298 mm disc
Rear brake
220 mm disc
Front tyre
110/70-17 tubeless
Rear tyre
140/70-17 tubeless

Suspension and Chassis

Front suspension
Upside-down fork
Rear suspension
Not available

Dimensions and Weight

Ground clearance
Not available
Wheelbase
Not available
Overall dimensions (L × W × H)
Not available

Electrical and Features

Headlight
LED
Instrument cluster
Digital LCD
Battery
Not available
Features
Parallel-twin engine, Upside-down front fork

Additional Information

Available colours
Black, Icon Blue
Warranty
Not available
Availability
Available
Last updated
2026-10-15

Yamaha YZF-R3 Rating

Overall 77/100

Design
91%
Comfort
66%
Engine performance
97%
Mileage
53%
Brand reliability
90%
Resale value
67%

Our estimate based on specifications, brand and price.

Yamaha YZF-R3 FAQ — সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

Yamaha YZF-R3 price in Bangladesh 2026 কত?

Yamaha YZF-R3 বাংলাদেশে অফিসিয়ালি বিক্রি হয় না। আমদানি করলে আনুমানিক price হতে পারে ৳12,10,000।

Yamaha YZF-R3-এর mileage কত?

Yamaha YZF-R3 প্রায় 25 km/l (approx.) mileage দেয়।

Yamaha YZF-R3 কত cc এবং power কত?

Yamaha YZF-R3-এ 321cc engine আছে, power 42 PS @ 10,750 rpm, torque 29.5 Nm @ 9,000 rpm।

Yamaha YZF-R3-এ কি ABS আছে?

হ্যাঁ, Yamaha YZF-R3-এ Dual-channel ABS আছে।

Yamaha YZF-R3-এর top speed কত?

Yamaha YZF-R3-এর top speed প্রায় 180 km/h (approx.)।

Yamaha YZF-R3-এর seat height ও weight কত?

Seat height 780 mm এবং weight 169 kg।

Yamaha YZF-R3 কোন কোন colour-এ পাওয়া যায়?

Yamaha YZF-R3 2টি colour-এ পাওয়া যায়: Black, Icon Blue।

Yamaha YZF-R3 review: বাংলাদেশে ownership এবং পারফরম্যান্স অ্যাসেসমেন্ট

Yamaha YZF-R3 একটি 321cc parallel-twin স্পোর্ট মোটরসাইকেল, যার বাংলাদেশের বাজারে সম্ভাব্য price বা দাম ধরা হয়েছে প্রায় ৳1,210,000 (১২ লক্ষ ১০ হাজার টাকা)। Bike Price Bangladesh-এর এই অ্যাসেসমেন্টটি মূলত স্পেসিফিকেশন-ভিত্তিক একটি বিশ্লেষণ, যা কোনো হ্যান্ডস-অন টেস্ট বা যাচাইকৃত মালিকদের মতামতের ওপর ভিত্তি করে নয়। Yamaha YZF-R3 এন্ট্রি-লেভেল সুপারস্পোর্ট ক্যাটাগরিতে একটি গ্লোবাল আইকন হলেও, বাংলাদেশে এর উপস্থিতি বর্তমানে কেবল শৌখিন রাইডারদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। কারণ, বাংলাদেশে Yamaha-এর অফিসিয়াল পার্টনাররা বর্তমানে এটি বাজারজাত করছে না। হাই-রিভিং পারফরম্যান্স এবং দৈনন্দিন ব্যবহারের ভারসাম্যের ওপর ভিত্তি করে এটি তৈরি করা হয়েছে, তবে রাইডারকে অবশ্যই এই মাল্টি-সিলিন্ডার মেশিনের প্রিমিয়াম ইমপোর্ট কস্ট এবং maintenance-এর বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে Yamaha YZF-R3 কাদের জন্য উপযোগী

Yamaha YZF-R3 মূলত সেই সব রাইডারদের জন্য তৈরি করা হয়েছে যারা ১৫০সিসি-১৬৫সিসি (150cc-165cc) সেগমেন্টের single-cylinder বাইক চালিয়ে এখন একটি সত্যিকারের মাল্টি-সিলিন্ডার অভিজ্ঞতার খোঁজ করছেন। ১৬৯ কেজি (169 kg) kerb weight হওয়ায় এটি স্থানীয় কমিউটার বাইকের চেয়ে ভারী, তবে অভিজ্ঞ রাইডারদের জন্য শহরের যানজটে এটি নিয়ন্ত্রণ করা খুব বেশি কঠিন নয়। এর ৭৮০ মিমি (780 mm) seat height স্পোর্টবাইক হিসেবে বেশ কম, যা অপেক্ষাকৃত কম উচ্চতার রাইডারদের জন্য সহায়ক। কারণ তারা অনেক সময় উঁচু ADV বা ইউরোপীয় স্পোর্টবাইক চালাতে কিছুটা অস্বস্তিতে থাকেন।

তবে, যারা কেবল সাশ্রয়ী যোগাযোগের মাধ্যম খুঁজছেন, তাদের জন্য এই বাইক নয়। উচ্চ সম্ভাব্য দামের কারণে Yamaha YZF-R3 তাদের জন্যই যারা 'R-DNA' এবং twin-cylinder ইঞ্জিনের দারুণ আওয়াজ বা সাউন্ড প্রোফাইল পছন্দ করেন। সম্ভাব্য মালিকদের উচিত হবে তাদের যাতায়াতের রাস্তাগুলো এই বাইকের ১০,৭৫০ rpm (10,750 rpm) পাওয়ার উপভোগের উপযোগী কি না, তা যাচাই করা। কারণ দীর্ঘ যানজটে কেবল first gear-এ আটকে থাকলে এর আসল মজা পাওয়া সম্ভব নয়।

Yamaha YZF-R3 Power বনাম Torque: High-RPM চরিত্র

Yamaha YZF-R3-এর মূল চালিকাশক্তি হলো এর 321cc liquid-cooled, DOHC, 8-valve ইঞ্জিন যা ১০,৭৫০ rpm-এ ৪২ পিএস (42 PS) এবং ৯,০০০ rpm-এ ২৯.৫ এনএম (29.5 Nm) torque তৈরি করে। এই পরিসংখ্যানগুলো নির্দেশ করে যে বাইকটি হাই-রিভিং প্রকৃতির; অর্থাৎ এর পুরো শক্তি অনুভব করতে হলে আপনাকে redline পর্যন্ত ইঞ্জিনকে পুশ করতে হবে। বাংলাদেশের সাধারণ ধীরগতির ট্র্যাফিকে ইঞ্জিনের সঠিক পারফরম্যান্স বজায় রাখতে রাইডারকে ঘন ঘন ৬-স্পিড (6-speed) গিয়ারবক্স ব্যবহার করতে হতে পারে।

যদিও ১৮০ কিমি/ঘণ্টা (180 km/h) top speed একটি আনুমানিক ধারণা এবং এটি পাবলিক রোডের জন্য উপযুক্ত নয়, তবে হাইওয়েতে দ্রুত ওভারটেকিংয়ের ক্ষেত্রে এই পাওয়ার অত্যন্ত কার্যকর। ছোট বাইকগুলো হাইওয়ে স্পিডে যেখানে ধুঁকতে থাকে, সেখানে Yamaha YZF-R3 আঞ্চলিক মহাসড়কে ট্রাক বা বাসকে অনায়াসেই ওভারটেক করার মতো বাড়তি পাওয়ার নিশ্চিত করে।

বাংলাদেশের ট্র্যাফিকে Fuel Budget এবং Efficiency

Yamaha এই বাইকের জন্য আনুমানিক ২৫ কিমি/লিটার (25 km/l) mileage উল্লেখ করেছে। তবে সম্ভাব্য মালিকদের বুঝতে হবে যে এই মাইলেজ সম্পূর্ণভাবে রাইডিং স্টাইল এবং পরিবেশের ওপর নির্ভর করে। ঢাকা বা চট্টগ্রামের মতো যানজটপূর্ণ শহরে ইঞ্জিনের cooling fans বেশি কাজ করবে এবং ফলস্বরূপ জ্বালানি খরচ বাড়বে। একটি twin-cylinder ইঞ্জিন স্বাভাবিকভাবেই একই ডিসপ্লেসমেন্টের single-cylinder ইঞ্জিনের চেয়ে বেশি জ্বালানি খরচ করে।

এর ১৪ লিটারের (14-liter) ফুয়েল ট্যাঙ্ক হাইওয়ে ট্যুরিংয়ের জন্য যথেষ্ট, তবে শহরের যাতায়াতে ফুয়েল বাজেট একটি সাধারণ ১৫০সিসি (150cc) বাইকের তুলনায় অনেক বেশি হবে। হাই-কমপ্রেশন এবং fuel-injected ইঞ্জিনের নক এবং সেন্সর ড্যামেজ রোধ করতে Yamaha YZF-R3-তে সবসময় হাই-কোয়ালিটি ফুয়েল ব্যবহার করা জরুরি।

Rough Roads-এ আরাম এবং Pillion Ergonomics

Upside-down (USD) front forks এবং rear monoshock-এ সজ্জিত Yamaha YZF-R3 স্ট্যাবিলিটি এবং কর্নারিং প্রিসিশনের জন্য বিশেষভাবে টিউন করা হয়েছে। বাংলাদেশের রাস্তার বিভিন্ন পরিস্থিতিতে (স্মুথ পিচ ঢালা পথ থেকে শুরু করে ভাঙ্গা রাস্তা) USD forks প্রথাগত টেলিস্কোপিক ইউনিটের চেয়ে ভালো ফিডব্যাক দেয়। তবে এর সাসপেনশন কিছুটা শক্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, যার ফলে বড় গর্তের ঝাকুনি সরাসরি clip-on handlebars-এ অনুভূত হতে পারে।

Yamaha YZF-R3-এর ergonomics বা বসার ভঙ্গি একদম 'extreme race' না হয়ে বরং 'sport-touring' ধাঁচের। এর ক্লিপ-অনগুলো R15-এর তুলনায় কিছুটা উঁচুতে সেট করা, যা কবজির ওপর চাপ কমায়। পিলিয়ন বা পেছনের যাত্রীর জন্য সিটটি স্পোর্টবাইকের মতোই ছোট এবং উঁচুতে অবস্থিত। এটি শহরের স্বল্প দূরত্বের যাতায়াতের জন্য ঠিক থাকলেও, পিলিয়ন নিয়ে লং-ডিস্টেন্স ট্যুর করা বেশ কষ্টকর হতে পারে।

Braking এবং Safety: Dual-Channel ABS স্ট্যান্ডার্ডস

Yamaha YZF-R3-এর নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে ২৯৮ মিমি (298 mm) front disc এবং ২২০ মিমি (220 mm) rear disc, যার সাথে থাকছে dual-channel ABS সিস্টেম। বাংলাদেশের মতো দেশ যেখানে হুটহাট অপ্রত্যাশিত বাধা আসে, সেখানে ব্রেকিংয়ের সময় চাকা লক হওয়া রোধ করতে উভয় চাকায় ABS থাকা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সুরক্ষা ফিচার। বিশেষ করে ভেজা বা বালুযুক্ত রাস্তায় এটি দারুণ কাজ করে।

সামনে ১১০-সেকশন এবং পেছনে ১৪০-সেকশনের tubeless tyres রাস্তার সাথে বাইকের ভালো গ্রিপ নিশ্চিত করে। মালিকদের নিয়মিত টায়ার প্রেশার চেক করা উচিত, কারণ Yamaha YZF-R3-এর হ্যান্ডলিং টায়ারের হাওয়া এবং ক্ষয়ের ওপর অনেকখানি নির্ভর করে। এর LED headlight আধুনিক ভিজিবিলিটি দিলেও, অন্ধকার গ্রামীণ রাস্তায় বিমের ব্যাপ্তি পর্যাপ্ত কি না তা রাইডারদের পরখ করে নেওয়া উচিত।

Build Quality এবং ভিজ্যুয়াল ইন্সপেকশন

Yamaha YZF-R3 বিশ্বজুড়ে এর উচ্চমানের build quality-র জন্য পরিচিত। বাইকের ফেয়ারিংয়ের ফিনিশিং, switchgear-এর মান এবং ডিজিটাল LCD cluster-এর স্বচ্ছতা অত্যন্ত প্রিমিয়াম। এর লিকুইড-কুলিং সিস্টেম শক্তিশালী হলেও রেডিয়েটরটি রাস্তার ময়লা বা পাথরের মুখোমুখি থাকে; তাই বাংলাদেশে ব্যবহারের ক্ষেত্রে পাথর থেকে সুরক্ষা পেতে একটি radiator guard লাগানো ভালো।

চেইন অ্যাডজাস্টমেন্ট মেকানিজম এবং সুইংআর্ম ফিনিশ নিয়মিত চেক করুন। ইয়ামাহা সাধারণত হাই-কোয়ালিটি পেইন্ট ব্যবহার করে, তবে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের আর্দ্র এবং লবণাক্ত বাতাসে বাইকটি নতুনের মতো রাখতে নিয়মিত ক্লিনিং এবং অ্যান্টি-করোশন ট্রিটমেন্ট প্রয়োজন।

বাংলাদেশে Parts Availability এবং Service

Yamaha YZF-R3 কেনার ক্ষেত্রে এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়। যেহেতু বাইকটি বাংলাদেশের প্রাথমিক Yamaha ডিস্ট্রিবিউটর দ্বারা অফিসিয়ালি বিক্রি করা হয় না, তাই ওয়েল ফিল্টার (oil filters), এয়ার ফিল্টার (air filters) এবং ব্রেক প্যাডের (brake pads) মতো পার্টসগুলো সাধারণ সার্ভিস সেন্টারে পাওয়া নাও যেতে পারে। মালিকদের পার্টস সংগ্রহের জন্য বিশেষ আমদানিকারক বা গ্রে মার্কেটের ওপর নির্ভর করতে হতে পারে।

বড় শহরের বিশেষায়িত ওয়ার্কশপগুলোতে Yamaha YZF-R3-এর EFI সিস্টেম চেক করার ডায়াগনস্টিক টুল থাকতে পারে, তবে রাস্তার পাশের সাধারণ মেকানিকদের এড়িয়ে চলাই ভালো। বাইকটি কেনার আগে মাল্টি-সিলিন্ডার ইয়ামাহা বাইক মেরামত করতে পারে এমন নির্ভরযোগ্য মেকানিক খুঁজে রাখা উচিত। বডি পার্টস বা ইঞ্জিনের বিশেষ কোনো যন্ত্রাংশ ইমপোর্ট করতে হলে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করার প্রস্তুতি থাকতে হবে।

Maintenance এবং ব্যবহৃত বাইক কেনা/Resale ফ্যাক্টর

একটি Yamaha YZF-R3 রক্ষণাবেক্ষণ করা single-cylinder বাইকের চেয়ে বেশি ব্যয়বহুল। এতে দুটি স্পার্ক প্লাগ, অধিক পরিমাণ হাই-কোয়ালিটি সিন্থেটিক ইঞ্জিন ওয়েল এবং বিশেষ কুল্যান্ট প্রয়োজন। ৪২ পিএস (42 PS) লোড সামলাতে drivetrain-কে সুরক্ষিত রাখতে নিয়মিত চেইন ক্লিনিং এবং লুবিং অপরিহার্য।

রিসেল ভ্যালুর ক্ষেত্রে Yamaha YZF-R3 একটি নিশ মার্কেটে অবস্থান করে। ইয়ামাহা ব্র্যান্ড ভ্যালুর কারণে এটি মানুষের আকর্ষণে থাকলেও, উচ্চ প্রাথমিক মূল্য এবং অফিসিয়াল সাপোর্টের অভাবে অফিসিয়ালি বাজারজাতকৃত বাইকের তুলনায় এর দাম দ্রুত কমতে পারে (depreciation)। ব্যবহৃত Yamaha YZF-R3 কেনার সময় ফেয়ারিংয়ের আড়ালে কোনো দুর্ঘটনার চিহ্ন আছে কি না তা ভালো করে পরীক্ষা করুন এবং ডিজিটাল ক্লাস্টারের রিডিং ঠিক আছে কি না তা নিশ্চিত করুন, কারণ এই বাইকগুলো সাধারণত উৎসাহী রাইডাররা অনেক দ্রুত গতিতে চালিয়ে থাকেন।

ভালো দিক (Pros)

  • High-revving 42 PS parallel-twin engine যা অত্যন্ত স্মুথ পাওয়ার ডেলিভারি দেয়।
  • উন্নত হ্যান্ডলিং স্ট্যাবিলিটির জন্য এতে রয়েছে Upside-down (USD) front forks।
  • ৭৮০ মিমি (780 mm) low seat height যা বেশিরভাগ রাইডারদের জন্য আরামদায়ক।
  • বাড়তি নিরাপত্তার জন্য standard হিসেবে থাকছে Dual-channel ABS।
  • অ্যাগ্রেসিভ R-series ডিজাইনের সাথে কার্যকর LED lighting সেটআপ।

খারাপ দিক (Cons)

  • আমদানি শুল্কের কারণে বাংলাদেশে সম্ভাব্য high price বা দাম অনেক বেশি।
  • twin-cylinder ইঞ্জিনের কারণে fuel consumption বা জ্বালানি খরচ single-cylinder প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় বেশি।
  • অফিসিয়াল ডিলার নেটওয়ার্ক না থাকায় spare parts সংগ্রহ করা বেশ জটিল হতে পারে।
  • বাইকটির under-cowl ground clearance কম হওয়ায় উঁচু speed-breaker গুলোতে ঘষা লাগার ঝুঁকি থাকে।

শেষ কথা (Verdict)

Yamaha YZF-R3 একটি আকাঙ্ক্ষিত মেশিন যা রিফাইনমেন্ট এবং হাইওয়ে সক্ষমতার ক্ষেত্রে এক বিশাল উন্নতি। যদিও এর আনুমানিক ৳1,210,000 দাম এবং অফিসিয়াল ডিস্ট্রিবিউশনের অভাব একে একটি কঠিন লজিক্যাল চয়েস হিসেবে দাঁড় করায়, তবুও ৪০০সিসি-র নিচের ক্যাটাগরিতে এর পারফরম্যান্স এবং 'big-bike' ফিল অতুলনীয়। এটি সেই সব নিবেদিত প্রাণ রাইডারদের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত যাদের প্রিমিয়াম maintenance করার বাজেট আছে এবং আলাদাভাবে পার্টস খুঁজে নেওয়ার ধৈর্য আছে।

Similar Bikes