Yamaha Tracer 7 Redline side view
Redline

Yamaha Tracer 7 Price in Bangladesh 2026

Estimated price

৳36,60,000

Not available in Bangladesh

Estimated price

Last updated:

Europe vs Bangladesh price

Europe price (US$9,999)
৳12,19,878
Tax & other costs
+ ৳24,40,122
Estimated price in Bangladesh
৳36,60,000

Short Specifications

Engine capacity
689 cc
Maximum power
73.4 PSat 8,750 rpm
Maximum torque
67 Nmat 6,500 rpm
Mileage
23 km/l (approx.)
ABS
Dual-channel ABS
Tubeless tyres
Yes
Seat height
835 mm
Kerb weight
196 kg
Top speed
200 km/h (approx.)

Yamaha Tracer 7 Price in Bangladesh

Yamaha Tracer 7 is not officially sold in Bangladesh, but its estimated price in Bangladesh in 2026 is around ৳36,60,000. This adventure bike is powered by a 689cc liquid-cooled, parallel-twin cp2, dohc, 8-valve engine that produces 73.4 PS @ 8,750 rpm, with a maximum torque of 67 Nm @ 6,500 rpm. The Tracer 7 gives a mileage of around 23 km/l. It comes with dual-channel ABS and tubeless tyres. Seat height is 835 mm and kerb weight is 196 kg. Top speed: about 200 km/h. It is available in 1 colour: Redline. Check the Yamaha Tracer 7 full specifications, price breakdown and comparison below before you buy.

ইয়ামাহা Tracer 7 দাম বাংলাদেশে 2026: ৳36,60,000

Yamaha Tracer 7 Colours

Redline

Yamaha Tracer 7 Full Specifications

General

Brand
Yamaha
Model
Tracer 7
Category
Adventure
Model year
2026
Price
৳36,60,000 (estimated price)

Engine and Transmission

Engine type
Liquid-cooled, parallel-twin CP2, DOHC, 8-valve
Cooling system
Liquid-cooled
Fuel system
Fuel injection
Transmission
6-speed

Brakes and Tyres

Front brake
Dual 298 mm disc
Rear brake
245 mm disc
Front tyre
120/70ZR17 tubeless
Rear tyre
180/55ZR17 tubeless

Suspension and Chassis

Front suspension
Not available
Rear suspension
Not available

Dimensions and Weight

Ground clearance
Not available
Wheelbase
Not available
Overall dimensions (L × W × H)
Not available

Electrical and Features

Headlight
LED
Instrument cluster
TFT
Battery
Not available
Features
Adjustable windscreen, CP2 twin engine

Additional Information

Available colours
Redline
Warranty
Not available
Availability
Available
Last updated
2026-10-15

Yamaha Tracer 7 Rating

Overall 80/100

Design
86%
Comfort
88%
Engine performance
97%
Mileage
50%
Brand reliability
90%
Resale value
67%

Our estimate based on specifications, brand and price.

Yamaha Tracer 7 FAQ — সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

Yamaha Tracer 7 price in Bangladesh 2026 কত?

Yamaha Tracer 7 বাংলাদেশে অফিসিয়ালি বিক্রি হয় না। আমদানি করলে আনুমানিক price হতে পারে ৳36,60,000।

Yamaha Tracer 7-এর mileage কত?

Yamaha Tracer 7 প্রায় 23 km/l (approx.) mileage দেয়।

Yamaha Tracer 7 কত cc এবং power কত?

Yamaha Tracer 7-এ 689cc engine আছে, power 73.4 PS @ 8,750 rpm, torque 67 Nm @ 6,500 rpm।

Yamaha Tracer 7-এ কি ABS আছে?

হ্যাঁ, Yamaha Tracer 7-এ Dual-channel ABS আছে।

Yamaha Tracer 7-এর top speed কত?

Yamaha Tracer 7-এর top speed প্রায় 200 km/h (approx.)।

Yamaha Tracer 7-এর seat height ও weight কত?

Seat height 835 mm এবং weight 196 kg।

Yamaha Tracer 7 কোন কোন colour-এ পাওয়া যায়?

Yamaha Tracer 7 1টি colour-এ পাওয়া যায়: Redline।

Yamaha Tracer 7 review: বাংলাদেশে ownership এবং স্পেসিফিকেশন বিশ্লেষণ

Yamaha Tracer 7 হাই-পারফরম্যান্স স্পোর্ট-ট্যুরিং সেগমেন্টে একটি হালকা ও বহুমুখী মেশিন হিসেবে প্রবেশ করেছে, যার মূলে রয়েছে বহুল প্রশংসিত 689cc CP2 ইঞ্জিন। বাংলাদেশে এর আনুমানিক price ৩,৬৬০,০০০ (Tk 3,660,000) টাকা। এই Bike Price Bangladesh মূল্যায়নটি সরাসরি রোড টেস্ট বা মালিকদের জরিপের পরিবর্তে স্পেসিফিকেশন-ভিত্তিক একটি সম্পাদকীয় বিশ্লেষণ প্রদান করে। যেহেতু এই মডেলটি মূলত ইউরোপে বিক্রি হয়, আমাদের review বিবেচনা করে যে কীভাবে এর টেকনিক্যাল প্রোফাইল বাংলাদেশের অনন্য রাস্তার অবস্থা এবং নিয়ন্ত্রক কাঠামোর সাথে খাপ খায়। সম্ভাব্য মালিকদের অবশ্যই এর প্রিমিয়াম ইঞ্জিনিয়ারিং বনাম বাংলাদেশে উচ্চ-ক্ষমতার মোটরসাইকেল আমদানি ও রক্ষণাবেক্ষণের জটিলতাগুলোর তুলনা করতে হবে।

১. Yamaha Tracer 7 এর জন্য লক্ষ্যিত রাইডার (Target Rider)

Yamaha Tracer 7 সেই সব এনথুসিয়াস্টদের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে যারা একটি ডেডিকেটেড অ্যাডভেঞ্চার বাইককে খুব বেশি ভারী এবং একটি নেকেড স্ট্রিট বাইককে খুব বেশি উন্মুক্ত মনে করেন। ১৯৬ কেজি (196 kg) kerb weight সহ এটি ৭০০ সিসি (700cc) ক্লাসের অনেক প্রতিদ্বন্দ্বীর তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে হালকা, যা চটপটে চলাচলের ক্ষমতা বা agility কে প্রাধান্য দেওয়া রাইডারদের জন্য একটি আদর্শ পছন্দ। তবে, এর ৮৩৫ মিমি (835 mm) seat height বাংলাদেশের মানুষের উচ্চতার প্রেক্ষাপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়; ৫ ফুট ৮ ইঞ্চির কম উচ্চতার রাইডারদের ট্রাফিক সিগন্যালে দুই পা শক্তভাবে মাটিতে রাখতে কিছুটা সমস্যা হতে পারে।

এই মোটরসাইকেলটি তাদের জন্য উপযুক্ত যারা দীর্ঘ দূরত্বের হাইওয়ে ভ্রমণের সাথে মাঝে মাঝে শহরের রাইডিংয়ের সমন্বয় করতে চান। এর আপরাইট এরগনোমিক্স এবং ১৭ লিটারের fuel tank নির্দেশ করে যে এটি দীর্ঘ সফরের জন্য তৈরি। এই ধরণের একটি বিশেষায়িত মেশিনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে, একজন সম্ভাব্য ক্রেতাকে মূল্যায়ন করতে হবে যে তাদের শারীরিক উচ্চতা এবং যাতায়াতের রুটগুলো এই স্কেল এবং price পয়েন্টের একটি বাইকের জন্য যুক্তিযুক্ত কি না।

২. Yamaha Tracer 7 এর Power বনাম Torque ডায়নামিকস

Yamaha Tracer 7 এর প্রাণ হলো এর 689cc liquid-cooled, parallel-twin CP2 ইঞ্জিন, যা ৮,৭৫০ rpm-এ ৭৩.৪ PS (73.4 PS) এবং ৬,৫০০ rpm-এ ৬৭ Nm (67 Nm) torque উৎপন্ন করে। CP2 আর্কিটেকচারটি এর ২৭০-ডিগ্রি ক্র্যাঙ্কের জন্য বিখ্যাত, যা একটি V-twin ইঞ্জিনের মতো পাওয়ার ডেলিভারি নিশ্চিত করে। বাংলাদেশের হাইওয়েগুলোর প্রেক্ষাপটে এর অর্থ হলো বাইকটি শক্তিশালী মিড-রেঞ্জ পুল প্রদান করবে, যা ওভারটেক করার সময় ঘনঘন ডাউনশিফটিং (downshifting) এর প্রয়োজনীয়তা কমিয়ে দেবে।

যদিও ২০০ কিমি/ঘণ্টা (200 km/h) top speed একটি তাত্ত্বিক সংখ্যা, তবে মালিকানার ক্ষেত্রে আরও প্রাসঙ্গিক পরিমাপ হলো এর torque কীভাবে ডিস্ট্রিবিউটেড বা বণ্টিত হয়। রেভ রেঞ্জের শুরুতেই ৬৭ Nm পাওয়া যায় বলে Yamaha Tracer 7 হাই-এন্ড পারফরম্যান্সের চেয়ে রেসপন্সিভনেসের জন্য বেশি পরিচিত। এটি বিভিন্ন ট্রাফিক পরিস্থিতিতে চার-সিলিন্ডার ইঞ্জিনের বিকল্পগুলোর তুলনায় অনেক বেশি ব্যবহারযোগ্য, যেগুলোর পারফরম্যান্স অনুভব করার জন্য উচ্চ RPM প্রয়োজন হয়।

৩. স্থানীয় ট্রাফিকে Yamaha Tracer 7 এর ফুয়েল বাজেট ব্যবস্থাপনা

Yamaha Tracer 7 এর জন্য আনুমানিক ২৩ কিমি/লিটার (23 km/l) mileage উল্লেখ করেছে। যদিও fuel injection (FI) দক্ষতা বাড়াতে সাহায্য করে, তবে এই সংখ্যাটি সম্ভবত ইউরোপীয় টেস্টিং সাইকেলের ওপর ভিত্তি করে। ঢাকা বা চট্টগ্রামের মতো অতিরিক্ত গরম এবং জ্যামযুক্ত রাস্তায় প্রকৃত ফুয়েল ইকোনমি সম্ভবত কম হবে। এর ১৭ লিটার ট্যাঙ্ক একটি ভালো রেঞ্জ প্রদান করে, তবে উচ্চ-কম্প্রেশন 689cc ইঞ্জিন সুস্থ রাখতে প্রিমিয়াম high-octane ফুয়েলের খরচ মাসিক বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

ভারী ট্রাফিকে একটি বড় ডিসপ্লেসমেন্ট ইঞ্জিন চালানো তাপ ব্যবস্থাপনার (heat management) চিন্তাও বাড়িয়ে দেয়। যদিও Yamaha Tracer 7 এ লিকুইড কুলিং স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে থাকে, তবুও গ্রীষ্মমন্ডলীয় আর্দ্রতায় দীর্ঘক্ষণ আইডলিং (idling) সিস্টেমে চাপ সৃষ্টি করতে পারে। মালিকদের উচিত তাদের TFT ডিসপ্লেতে তাপমাত্রার পরিবর্তনের দিকে নজর রাখা এবং এমন রুট পরিকল্পনা করা যেখানে ইঞ্জিন সহজে শ্বাস নিতে পারে।

৪. বাংলাদেশের বৈচিত্র্যময় রাস্তায় আরাম এবং হ্যান্ডলিং

Yamaha Tracer 7 এর চ্যাসিসটি বহুমুখী ব্যবহারের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এর সাসপেনশন পিচঢালা রাস্তার জন্য টিউন করা হয়েছে, তবে ১৭ ইঞ্চি চাকা (১২০/৭০ সামনে এবং ১৮০/৫৫ পেছনে) মূলত স্ট্রিট-ফোকাসড। গ্রামীণ খারাপ রাস্তা বা শহরের ভাঙা রাস্তায় বাইকটির আরাম অনেকাংশেই এর pre-load সেটিংসের ওপর নির্ভর করবে। ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের মতো হাইওয়েতে উচ্চ গতিতে চলার সময় বাতাসের ঝাপটা কমাতে এর অ্যাডজাস্টেবল windscreen একটি বড় সুবিধা।

পিলিয়ন বা সহযাত্রীর আরামও আরেকটি বিবেচ্য বিষয়। Yamaha Tracer 7 একটি তুলনামূলক প্রশস্ত সিট অফার করে, তবে ফুল লোড অবস্থায় বাইকটির উচ্চ গ্র্যাভিটি সেন্টারের কারণে চালককে আত্মবিশ্বাসী হতে হবে। যারা প্যাসেঞ্জার নিয়ে ট্যুর করার পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য ১৯৬ কেজি (196 kg) ওজন একটি প্লাস পয়েন্ট, কারণ এটি ১০০০ সিসি (1000cc+) ট্যুরারগুলোর তুলনায় অনেক বেশি নিয়ন্ত্রণযোগ্য।

৫. Yamaha Tracer 7 এর ব্রেকিং এবং সেফটি সিস্টেম

নিরাপদ রাইডিং Yamaha Tracer 7 এর অন্যতম বৈশিষ্ট্য, যার সামনে ডুয়াল ২৯৮ মিমি (298 mm) ডিস্ক এবং পেছনে একটি ২৪৫ মিমি (245 mm) ডিস্ক রয়েছে। এগুলো একটি dual-channel ABS সিস্টেম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত, যা এই গতির একটি বাইকের জন্য অপরিহার্য, বিশেষ করে বাংলাদেশের বালু বা আর্দ্রতাযুক্ত রাস্তায় যেখানে গ্রিপ কমে যেতে পারে। পেছনের ১৮০-সেকশন টায়ার হার্ড এক্সিলারেশন এবং কর্নারিংয়ের সময় স্থিতিশীলতার জন্য বড় কন্ট্যাক্ট প্যাচ প্রদান করে।

এর LED lighting সিস্টেম চমৎকার ভিজিবিলিটি নিশ্চিত করে, যা রাতে বা কম আলোযুক্ত রাস্তায় রাইডিংয়ের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সেফটি ফিচার। তবে ট্রাকশন কন্ট্রোলের মতো অ্যাডভান্সড ইলেকট্রনিক এইডস এর অভাব থাকার কারণে রাইডারকে থ্রোটল কন্ট্রোলে (throttle control) সংযত হতে হবে, বিশেষ করে বৃষ্টির দিনে।

৬. বিল্ড কোয়ালিটি এবং ম্যাটেরিয়াল পর্যবেক্ষণ

Yamaha Tracer 7 এর বিল্ড কোয়ালিটি এর ইউরোপীয় বাজারের অবস্থানকে ফুটিয়ে তোলে। এর প্লাস্টিক পার্টসগুলো সুন্দরভাবে বসানো এবং TFT ডিসপ্লেটি পরিষ্কার ও আধুনিক। তবে বাংলাদেশের আর্দ্রতা এবং ধুলোবালি থেকে CP2 ইঞ্জিনের এক্সপোজড পার্টসগুলোকে রক্ষা করার বিষয়ে মালিকদের সতর্ক থাকতে হবে। এর ফিনিশিং প্রিমিয়াম, তবে সেই জৌলুস বজায় রাখতে ঘনঘন ক্লিনিং এবং উচ্চমানের প্রোটেক্টিভ কোটিং প্রয়োজন।

এর ফ্রেম এবং সুইংআর্ম বেশ শক্তিশালী, তবে হালকা ওজনের ফিলোসফির কারণে কিছু কম্পোনেন্ট ইমপ্যাক্ট রেজিস্ট্যান্সের চেয়ে ওজনের ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়ে তৈরি। ছোটখাটো দুর্ঘটনা বা রাস্তার ময়লা থেকে Yamaha Tracer 7 কে রক্ষা করতে aftermarket ক্র্যাশ গার্ড এবং ইঞ্জিন স্লাইডার ইনস্টল করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

৭. বাংলাদেশে পার্টস এবং সার্ভিস প্রাপ্যতা

বাংলাদেশে Yamaha Tracer 7 এর জন্য সবচেয়ে বড় বাধা হলো high-CC মডেলগুলোর জন্য অফিশিয়াল সার্ভিস (service) অবকাঠামোর অভাব। অফিশিয়াল ডিস্ট্রিবিউটর ACI Motors মূলত কম ডিসপ্লেসমেন্টের বাইকের ওপর ফোকাস করে। ফলে, পার্টস এবং মেকানিক সাপোর্টের জন্য মালিকদের সম্ভবত ইনডিপেন্ডেন্ট ইম্পোর্টার বা বিশেষায়িত ওয়ার্কশপের ওপর নির্ভর করতে হবে।

অয়েল ফিল্টার বা ব্রেক প্যাডের মতো সাধারণ জিনিসগুলো অন্যান্য Yamaha মডেলের সাথে মিল থাকতে পারে, তবে windscreen, TFT ড্যাশ বা বডি প্যানেলের মতো নির্দিষ্ট পার্টসগুলো বিদেশ থেকে আমদানি করতে হতে পারে, যা দীর্ঘ সময় এবং অতিরিক্ত খরচের কারণ হতে পারে। ক্রেতাদের উচিত কেনার আগে CP2 ইঞ্জিন সম্পর্কে অভিজ্ঞ একজন বিশ্বস্ত মেকানিক খুঁজে রাখা।

৮. মেইনটেন্যান্স, সেকেন্ড হ্যান্ড ক্রয় এবং রিসেল ভ্যালু

Yamaha Tracer 7 মেইনটেন্যান্সের জন্য কেবল অয়েল চেঞ্জই যথেষ্ট নয়; EFI এবং ABS সিস্টেমের জন্য বিশেষায়িত ডায়াগনস্টিক টুলের প্রয়োজন হয়। বাংলাদেশে 689cc মোটরসাইকেলের রিসেল ভ্যালু খুবই সীমিত বা নিশ (niche) মার্কেটের ওপর নির্ভরশীল। যদিও এনথুসিয়াস্টদের একটি ছোট কমিউনিটি আছে, তবে ডিউটি সহ উচ্চ প্রাথমিক মূল্যের কারণে এই বাইকের দাম দ্রুত কমতে পারে (depreciate), বিশেষ করে যদি বড় বাইকের বাজার কর বা শুল্কের কারণে সংকুচিত থাকে।

ব্যবহৃত বা used Yamaha Tracer 7 কেনার ক্ষেত্রে ফুল সার্ভিস হিস্ট্রি থাকা বাধ্যতামূলক। কুলিং সিস্টেমে লিক বা ইলেকট্রিক্যাল কোনো পরিবর্তনের লক্ষণ থাকলে সতর্ক হওয়া উচিত, কারণ অফিশিয়াল সাপোর্ট ছাড়া এগুলো ঠিক করা ব্যয়বহুল হতে পারে। যেহেতু বাইকটি এখানে অফিশিয়ালি বিক্রি হয় না, তাই এর মেকানিক্যাল কন্ডিশন দেখার পাশাপাশি আমদানি নথি (import documents) এবং ট্যাক্স স্ট্যাটাস যাচাই করা সমান গুরুত্বপূর্ণ।

ভালো দিক (Pros)

  • 689cc CP2 parallel-twin ইঞ্জিন torque এবং power এর একটি চমৎকার ভারসাম্য প্রদান করে।
  • ১৯৬ কেজি (196 kg) ওজন সহ এটি একটি মিড-সাইজ স্পোর্ট-ট্যুরারের জন্য অত্যন্ত হালকা।
  • নির্ভরযোগ্য ব্রেকিংয়ের জন্য এতে রয়েছে ডুয়াল ২৯৮ মিমি (298 mm) front discs এবং dual-channel ABS।
  • উন্নত ট্যুরিং সুবিধার জন্য এতে অ্যাডজাস্টেবল windscreen এবং LED lighting রয়েছে।
  • আধুনিক TFT ইন্সট্রুমেন্ট ক্লাস্টার এর প্রিমিয়াম অনুভূতি এবং ডেটা অ্যাক্সেসিবিলিটি বাড়িয়ে তোলে।

খারাপ দিক (Cons)

  • বাংলাদেশে বড় CC ইঞ্জিনের ওপর উচ্চ আমদানি শুল্কের কারণে এর উচ্চ আনুমানিক price।
  • ৮৩৫ মিমি (835 mm) seat height কম উচ্চতার রাইডারদের জন্য চ্যালেঞ্জিং হবে।
  • high-CC মডেলগুলোর জন্য অফিশিয়াল Yamaha service নেটওয়ার্কের অভাব প্রফেশনাল সাপোর্টের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা তৈরি করে।
  • High-octane ফুয়েল এবং বিশেষায়িত সিন্থেটিক অয়েল এর running cost বা পরিচালনা খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দেবে।

শেষ কথা (Verdict)

Yamaha Tracer 7 হলো লাইটওয়েট ট্যুরিংয়ের একটি অনন্য নিদর্শন, যা শক্তিশালী CP2 ইঞ্জিন এবং চটপটে হ্যান্ডলিং প্রদান করে যা এই ক্লাসের অন্য অনেক বাইককে ছাড়িয়ে যায়। তবে একজন বাংলাদেশী রাইডারের জন্য এটি একটি বড় আর্থিক এবং লজিস্টিক্যাল প্রতিশ্রুতি। এর পারফরম্যান্স অনস্বীকার্য হলেও, অফিশিয়াল সার্ভিস সাপোর্টের অভাব এবং ৩,৬৬০,০০০ (Tk 3,660,000) টাকার উচ্চ আনুমানিক price এটিকে শুধুমাত্র সেই নিবেদিতপ্রাণ এনথুসিয়াস্টদের জন্য উপযুক্ত করে তোলে যারা Yamaha ব্র্যান্ডকে পছন্দ করেন এবং একটি প্রিমিয়াম ইম্পোর্টেড বাইক রক্ষণাবেক্ষণের চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত।

Similar Bikes