Yamaha MT-15 V2 Cyan Storm side view
Cyan Storm1 of 4 colours

Yamaha MT-15 V2 Price in Bangladesh 2026

৳5,35,000

Listed price

Last updated:

India vs Bangladesh price

India price (₹1,70,000)
৳2,38,000
Tax & other costs
+ ৳2,97,000
Price in Bangladesh
৳5,35,000

Registration & tax token fee

For this 155cc bike · BRTA 100cc and above rate

2 years
৳11,764
10 years
৳20,964

Short Specifications

Engine capacity
155 cc
Maximum power
18.4 PSat 10,000 rpm
Maximum torque
14.1 Nmat 7,500 rpm
Mileage
40 km/l (approx.)
ABS
Dual-channel ABS
Tubeless tyres
Yes
Seat height
810 mm
Kerb weight
141 kg
Top speed
130 km/h (approx.)

Yamaha MT-15 V2 Price in Bangladesh

The Yamaha MT-15 V2 price in Bangladesh is ৳5,35,000. This naked bike is powered by a 155cc liquid-cooled, 4-stroke, sohc, 4-valve, vva engine that produces 18.4 PS @ 10,000 rpm, with a maximum torque of 14.1 Nm @ 7,500 rpm. The MT-15 V2 gives a mileage of around 40 km/l. It comes with dual-channel ABS and tubeless tyres. Seat height is 810 mm and kerb weight is 141 kg. Top speed: about 130 km/h. It is available in 4 colours: Cyan Storm, Ice Fluo Vermillion, Metallic Black, Racing Blue. Check the Yamaha MT-15 V2 full specifications, price breakdown and comparison below before you buy.

ইয়ামাহা MT-15 V2 দাম বাংলাদেশে 2026: ৳5,35,000

Yamaha MT-15 V2 Colours in Bangladesh

Cyan Storm · Ice Fluo Vermillion · Metallic Black · Racing Blue

Yamaha MT-15 V2 Full Specifications

General

Brand
Yamaha
Model
MT-15 V2
Category
Naked
Model year
2026
Price
৳5,35,000 (listed price)

Engine and Transmission

Engine type
Liquid-cooled, 4-stroke, SOHC, 4-valve, VVA
Cooling system
Liquid-cooled
Fuel system
Fuel injection
Transmission
6-speed with assist & slipper clutch

Brakes and Tyres

Front brake
282 mm disc
Rear brake
220 mm disc
Front tyre
100/80-17 tubeless
Rear tyre
140/70-17 tubeless

Suspension and Chassis

Front suspension
Upside-down fork
Rear suspension
Not available

Dimensions and Weight

Ground clearance
Not available
Wheelbase
Not available
Overall dimensions (L × W × H)
Not available

Electrical and Features

Headlight
LED
Instrument cluster
Digital LCD with Bluetooth
Battery
Not available
Features
Variable Valve Actuation (VVA), Upside-down front fork, Assist & slipper clutch

Additional Information

Available colours
Cyan Storm, Ice Fluo Vermillion, Metallic Black, Racing Blue
Warranty
Not available
Availability
Available
Last updated
2026-10-15

Yamaha MT-15 V2 Rating

Overall 78/100

Design
83%
Comfort
74%
Engine performance
66%
Mileage
69%
Brand reliability
90%
Resale value
87%

Our estimate based on specifications, brand and price.

Yamaha MT-15 V2 FAQ — সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

Yamaha MT-15 V2 price in Bangladesh 2026 কত?

বাংলাদেশে Yamaha MT-15 V2-এর বর্তমান price ৳5,35,000।

Yamaha MT-15 V2-এর registration fee কত?

155cc বাইক হিসেবে tax token সহ registration খরচ ২ বছরের জন্য প্রায় ৳11,764 এবং ১০ বছরের জন্য প্রায় ৳20,964।

Yamaha MT-15 V2-এর mileage কত?

Yamaha MT-15 V2 প্রায় 40 km/l (approx.) mileage দেয়।

Yamaha MT-15 V2 কত cc এবং power কত?

Yamaha MT-15 V2-এ 155cc engine আছে, power 18.4 PS @ 10,000 rpm, torque 14.1 Nm @ 7,500 rpm।

Yamaha MT-15 V2-এ কি ABS আছে?

হ্যাঁ, Yamaha MT-15 V2-এ Dual-channel ABS আছে।

Yamaha MT-15 V2-এর top speed কত?

Yamaha MT-15 V2-এর top speed প্রায় 130 km/h (approx.)।

Yamaha MT-15 V2-এর seat height ও weight কত?

Seat height 810 mm এবং weight 141 kg।

বাংলাদেশে Yamaha MT-15 V2 কোন কোন colour-এ পাওয়া যায়?

Yamaha MT-15 V2 4টি colour-এ পাওয়া যায়: Cyan Storm, Ice Fluo Vermillion, Metallic Black, Racing Blue।

Yamaha MT-15 V2 review: বাংলাদেশে ownership এবং ইঞ্জিনিয়ারিং আভিজাত্য

Yamaha MT-15 V2 বাংলাদেশের বাজারে একটি প্রিমিয়াম ১৫৫ সিসি নেকেড স্ট্রিটফাইটার হিসেবে প্রবেশ করেছে, যার বর্তমান Price ৫৩৫,০০০ টাকা। Bike Price Bangladesh-এর এই অ্যাসেসমেন্টটি মোটরসাইকেলটির ফিচার এবং টেকনিক্যাল ডেটার একটি স্পেসিফিকেশন-ভিত্তিক সম্পাদকীয় বিশ্লেষণ; এটি কোনো হ্যান্ডস-অন রোড টেস্ট বা মালিকদের অভিজ্ঞতার সংকলন নয়। ACI Motors-এর ২০২৬ সালের একটি লিস্টিং হিসেবে, এই মেশিনটি দৈনন্দিন ব্যবহারযোগ্যতা এবং হাই-পারফরম্যান্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মধ্যে সমন্বয় করার লক্ষ্য রাখে। এর ভ্যালু প্রপোজিশন নির্ভর করছে এর উন্নত VVA ইঞ্জিন এবং আপডেটেড সাসপেনশন বাংলাদেশের রাস্তার অনন্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই উচ্চ মূল্যকে কতটা জাস্টিফাই করে তার ওপর।

১. Yamaha MT-15 V2 কাদের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে?

Yamaha MT-15 V2 এমন রাইডারদের জন্য তৈরি করা হয়েছে যারা ইউটিলিটির চেয়ে মেকানিক্যাল আভিজাত্য এবং 'Dark Side of Japan' স্টাইলিংকে বেশি প্রাধান্য দেন। এর মাত্র ১৪১ কেজি kerb weight-এর কারণে এটি ঢাকা বা চট্টগ্রামের মতো ঘনবসতিপূর্ণ শহরের ট্রাফিকের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। তবে সম্ভাব্য মালিকদের অবশ্যই ৮১০ mm সিট হাইটের কথা মাথায় রাখতে হবে; গড় উচ্চতার রাইডারদের জন্য এটি ঠিক থাকলেও, যাদের উচ্চতা ৫ ফুট ৫ ইঞ্চির কম, তাদের শোরুমে গিয়ে বাইকটিতে বসে দেখা উচিত।

এটি কোনো প্রথাগত ফ্যামিলি কমিউটার নয়। এর অ্যাগ্রেসিভ স্ট্যান্স এবং মিনিমালিস্ট রিয়ার সেকশন মূলত একক রাইডার বা তরুণ পেশাজীবীদের কথা মাথায় রেখে তৈরি, যারা তাদের মোটরসাইকেলকে একটি পারফরম্যান্স স্টেটমেন্ট হিসেবে দেখেন। আপনার প্রতিদিনের রুটিনে যদি ভারী মালামাল বহন বা প্রাপ্তবয়স্ক সহযাত্রী নিয়ে দীর্ঘ পথ চলা অন্তর্ভুক্ত থাকে, তবে প্রথাগত আপরাইট কমিউটারের তুলনায় Yamaha MT-15 V2-এর এরগনোমিক্সে আপনাকে কিছুটা আপস করতে হতে পারে।

২. পাওয়ার বনাম টর্ক: Variable Valve Actuation (VVA)-এর প্রভাব

Yamaha MT-15 V2-এর মূল আকর্ষণ হলো এর লিকুইড-কুলড ৪-ভালভ ইঞ্জিন, যা ১০,০০০ rpm-এ ১৮.৪ PS পাওয়ার এবং ৭,৫০০ rpm-এ ১৪.১ Nm টর্ক উৎপন্ন করে। VVA (Variable Valve Actuation) প্রযুক্তি এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ টেকনিক্যাল পার্থক্য গড়ে দেয়। VVA দুটি ইনটেক ভালভ ক্যাম ব্যবহার করে—একটি লো-টু-মিড-রেঞ্জ টর্কের জন্য এবং অন্যটি হাই-rpm পাওয়ারের জন্য। তাত্ত্বিকভাবে, এটি বাইকটিকে ট্রাফিক সিগন্যালে দ্রুত রেসপন্স দিতে সাহায্য করে এবং হাই স্পিডেও ইঞ্জিনের শক্তি ধরে রাখে।

যদিও ১৩০ km/h টপ স্পিড একটি আনুমানিক ধারণা এবং এটি বাংলাদেশের হাইওয়ের জন্য রেকমেন্ডেড স্পিড নয়, তবে ৬-স্পিড ট্রান্সমিশন ৫-স্পিড প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় ৭০-৮০ km/h গতিতে ইঞ্জিনকে অনেক শান্ত রাখে। এখানে assist and slipper clutch একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন, যা অ্যাগ্রেসিভ ডাউনশিফটের সময় পেছনের চাকা লক হওয়া রোধ করে এবং জ্যামের মধ্যে ক্লাচ লিভার ব্যবহার সহজ করে তোলে।

৩. বাংলাদেশের ট্রাফিকে ফুয়েল এফিসিয়েন্সি এবং ট্যাংক রেঞ্জ

Yamaha MT-15 V2-এর জন্য ইয়ামাহা প্রায় ৪০ km/l মাইলেজ দাবি করে। বাংলাদেশের তীব্র যানজটের প্রেক্ষাপটে, fuel injection (FI) প্রযুক্তি দক্ষতা বজায় রাখতে সাহায্য করে, তবে বাস্তব ফলাফল আইডল টাইম এবং রাইডিং অভ্যাসের ওপর ভিত্তি করে কম-বেশি হতে পারে। মালিকরা পিক-আওয়ারে শহরের যানজটে কম মাইলেজ এবং বাইপাস রোডে ভালো এফিসিয়েন্সি আশা করতে পারেন।

Yamaha MT-15 V2-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো এর ১০ লিটারের ফুয়েল ট্যাংক। পারফরম্যান্স-ওরিয়েন্টেড ১৫৫ সিসি বাইকের জন্য এটি তুলনামূলকভাবে ছোট। যদিও এটি বাইকটিকে স্লিম রাখতে এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে, তবে এটি ফুয়েল রিফিল করার মধ্যবর্তী দূরত্ব কমিয়ে দেয়। আপনি যদি আন্তঃজেলা দীর্ঘ ভ্রমণের পরিকল্পনা করেন, তবে ১২ বা ১৩ লিটারের প্রতিদ্বন্দ্বী বাইকগুলোর তুলনায় আপনাকে ঘনঘন ফুয়েল স্টপের পরিকল্পনা করতে হবে।

৪. খারাপ রাস্তা সামলানো: USD ফর্ক এবং মনো-ক্রস সাসপেনশন

Yamaha MT-15 V2-এর অন্যতম প্রধান আপগ্রেড হলো Upside-Down (USD) ফ্রন্ট ফর্ক। প্রিমিয়াম গোল্ডেন লুক ছাড়াও, USD ফর্ক unsprung weight কমায় এবং কর্নারিংয়ের সময় আরও ভালো ফিডব্যাক দেয়। পেছনের লিঙ্কড-টাইপ Mono-cross সাসপেনশনের সাথে মিলে এটি বাইকটিকে কিছুটা শক্ত এবং স্পোর্টি রাইড প্রদান করে।

বাংলাদেশের শহরতলীর ভাঙা রাস্তা বা ইটের রাস্তায় এই শক্ত ভাবটির কারণে রাইডার রাস্তার ঝাঁকুনি বেশি অনুভব করবেন। এটি 'সোফা-লাইক' আরামের চেয়ে প্রিসিশন বা নিখুঁত কন্ট্রোলের জন্য তৈরি। ১৪০/৭০-১৭ রিয়ার রেডিয়াল টায়ার বাইকটিকে ভালো স্ট্যাবিলিটি দেয়, তবে সাসপেনশন যাতে গর্তের ধাক্কা ভালোভাবে সামলাতে পারে সেজন্য রাইডারদের নিয়মিত টায়ার প্রেশার চেক করা উচিত।

৫. ব্রেক এবং নিরাপত্তা: ডুয়াল-চ্যানেল ABS স্ট্যান্ডার্ড

Yamaha MT-15 V2-তে নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, যেখানে এখন স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে dual-channel ABS রয়েছে। এর ২৮২ mm ফ্রন্ট ডিস্ক এবং ২২০ mm রিয়ার ডিস্ক ব্রেকিং হার্ডওয়্যার হিসেবে কাজ করে, আর ABS উভয় চাকা লক হওয়া রোধ করে। বাংলাদেশের ধুলোবালি, তেল বা বৃষ্টির কারণে পিচ্ছিল রাস্তায় হঠাৎ ব্রেক করার প্রয়োজন হলে এটি একটি অত্যন্ত জরুরি ফিচার।

সিঙ্গেল-চ্যানেল থেকে ডুয়াল-চ্যানেল ABS-এ রূপান্তর রাইডারদের ইমার্জেন্সি ম্যানুভারের সময় আত্মবিশ্বাস অনেকাংশে বাড়িয়ে দেয়। বাইকটি হালকা হওয়ায় এই হাই-স্পেক ব্রেকগুলো খুব দ্রুত বাইক থামাতে সাহায্য করে। তবে রাইডারকে মনে রাখতে হবে যে ABS একটি সেফটি নেট মাত্র, এটি বেপরোয়া গতির লাইসেন্স নয়।

৬. বিল্ড কোয়ালিটি এবং ভিজ্যুয়াল ইন্সপেকশন

Yamaha MT-15 V2-এ ইয়ামাহার গ্লোবাল R-সিরিজ এবং MT-সিরিজের মতো উচ্চমানের বিল্ড স্ট্যান্ডার্ড বজায় রাখা হয়েছে। 'Bi-Functional LED' হেডলাইট এবং ব্লুটুথ কানেক্টিভিটিসহ ডিজিটাল LCD ক্লাস্টার এতে আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়া দেয়। প্লাস্টিকের গুণমান এবং সুইচগিয়ারের ফিনিশিং সাধারণত বাজেট-লেভেলের ১৫০ সিসি বাইকগুলোর চেয়ে উন্নত, যা এর প্রিমিয়াম দামের প্রতিফলন।

সম্ভাব্য ক্রেতাদের উচিত এর Deltabox ফ্রেমের পেইন্ট ফিনিশ এবং লিকুইড-কুলিং হোসগুলো ভালোভাবে দেখে নেওয়া। নেকেড বাইক হওয়ায় এর রেডিয়েটর এবং ইঞ্জিনের অংশগুলো কাদার সংস্পর্শে বেশি আসে; বাংলাদেশের বৃষ্টির কথা মাথায় রেখে কুলিং সিস্টেম রক্ষার জন্য আফটার মার্কেট ফ্রন্ট ফেন্ডার এক্সটেন্ডার ব্যবহার করার কথা ভাবা যেতে পারে।

৭. বাংলাদেশে পার্টস প্রাপ্যতা এবং সার্ভিসিং

অফিসিয়াল ডিস্ট্রিবিউটর হিসেবে ACI Motors সারা দেশে ইয়ামাহা পণ্যের একটি বিশাল নেটওয়ার্ক পরিচালনা করে। Yamaha MT-15 V2-এর পার্টস, বিশেষ করে R15 V4-এর সাথে কমন ইঞ্জিন পার্টসগুলো বড় শহরগুলোতে সহজেই পাওয়া যায়। তবে USD fork seals বা VVA কম্পোনেন্টের মতো বিশেষ পার্টসগুলো সাধারণ এয়ার-কুলড মডেলের তুলনায় ব্যয়বহুল হতে পারে এবং মফস্বলের ওয়ার্কশপে পাওয়া কঠিন হতে পারে।

রুটিন মেইনটেইন্যান্সের জন্য হাই-কোয়ালিটি সিন্থেটিক অয়েল এবং জেনুইন ফিল্টার ব্যবহার করা জরুরি। ইলেকট্রনিক ফুয়েল ইনজেকশন এবং ABS সিস্টেম সঠিকভাবে চেক করার জন্য মালিকদের অথরাইজড সার্ভিস সেন্টারে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

৮. ব্যবহৃত বাজার এবং রিসেল ভ্যালু

ব্র্যান্ড ইমেজ এবং ইঞ্জিনের দীর্ঘস্থায়ীত্বের কারণে বাংলাদেশের বাজারে ইয়ামাহা মোটরসাইকেলের রিসেল ভ্যালু সাধারণত অনেক ভালো থাকে। Yamaha MT-15 V2 একটি প্রিমিয়াম মডেল হওয়ায় সেকেন্ড হ্যান্ড মার্কেটে এটি বিশেষ এক শ্রেণির ক্রেতাকে আকর্ষণ করবে, যারা কম দামের চেয়ে পারফরম্যান্স এবং টেকনোলজিকে বেশি গুরুত্ব দেন।

ব্যবহৃত Yamaha MT-15 V2 কেনার সময় কুলিং সিস্টেম লিক আছে কি না বা আফটার মার্কেট লাইটের জন্য ইলেকট্রিক্যাল তারে কোনো মডিফিকেশন করা হয়েছে কি না তা পরীক্ষা করা অত্যাবশ্যক। সেকেন্ড হ্যান্ড মার্কেটে পুরোনো সিঙ্গেল-চ্যানেল ভ্যারিয়েন্টের চেয়ে ডুয়াল-চ্যানেল ABS সংস্করণটি বেশি কাঙ্ক্ষিত থাকবে।

ভালো দিক (Pros)

  • অ্যাডভান্সড ১৫৫ সিসি VVA ইঞ্জিন বিভিন্ন RPM রেঞ্জে বহুমুখী পাওয়ারব্যান্ড প্রদান করে।
  • Dual-channel ABS ভেজা বা অপ্রত্যাশিত পিচ্ছিল রাস্তায় রাইডারের নিরাপত্তাকে অনেক বাড়িয়ে দেয়।
  • গোল্ডেন ফিনিশড Upside-Down (USD) ফর্ক ফ্রন্ট-এন্ড রিজিডিটি এবং সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
  • Assist & Slipper clutch ট্রাফিকের মধ্যে ঘনঘন গিয়ার শিফটিংয়ের সময় রাইডারের ক্লান্তি কমায়।
  • ১৪১ কেজি ওজনের হালকা চেসিস শহরের ট্রাফিকের মধ্যে হাই অ্যাজিলিটি বা দ্রুত মুভমেন্ট নিশ্চিত করে।

খারাপ দিক (Cons)

  • ১০ লিটারের ছোট ফুয়েল ট্যাংক লং-ডিসটেন্স ট্যুরিংয়ের জন্য কিছুটা অসুবিধাজনক এবং বারবার রিফিল করার প্রয়োজন হয়।
  • ৮১০ mm সিট হাইট এবং অ্যাগ্রেসিভ ই ergonomics খাটো রাইডারদের জন্য বা দীর্ঘ সময় যাতায়াতের ক্ষেত্রে ক্লান্তিকর হতে পারে।
  • পেছনের সিট ছোট ও সরু হওয়ায় pillion comfort বা সহযাত্রীর আরাম বেশ সীমিত।
  • বাংলাদেশের অন্যান্য ১৫০-১৬০ সিসি নেকেড মোটরসাইকেলের তুলনায় এর প্রাইস পয়েন্ট বেশ চড়া।

শেষ কথা (Verdict)

Yamaha MT-15 V2 একটি হাই-স্পেসিফিকেশন মেশিন যা ইউটিলিটির চেয়ে টেকনোলজি এবং চপলতাকে (agility) বেশি প্রাধান্য দেয়। যদিও ৫৩৫,০০০ টাকা দাম কিছুটা চড়া এবং সহযাত্রীর আরাম এখানে নগণ্য, তবুও এর VVA ইঞ্জিন এবং dual-channel ABS ১৫৫ সিসি সেগমেন্টে এক অনন্য রিফাইনমেন্ট অফার করে। এটি সেইসব শহুরে রাইডারদের জন্য আদর্শ যারা একটি ম্যানুভারেবল নেকেড প্যাকেজে স্পোর্টবাইকের পারফরম্যান্স পেতে চান।

Similar Bikes