Runner Skooty 110 Yellow side view
Yellow

Runner Skooty 110 Price in Bangladesh 2026

৳1,49,000

Listed price

Last updated:

India vs Bangladesh price

India price (₹—)
Not sold in India
Price in Bangladesh
৳1,49,000

Registration & tax token fee

For this 110cc bike · BRTA 100cc and above rate

2 years
৳11,764
10 years
৳20,964

Short Specifications

Engine capacity
110 cc
Maximum power
6.90 Bhpat 7500 rpm
Maximum torque
7.00 Nmat 6500 rpm
Mileage
45 km/l (approx.)
ABS
No ABS
Tubeless tyres
Not available
Seat height
800 mm
Kerb weight
100 kg
Top speed
90 km/h (approx.)

Runner Skooty 110 Price in Bangladesh

The Runner Skooty 110 price in Bangladesh is ৳1,49,000. This scooter bike is powered by a 110cc single cylinder, four-stroke, air cooled, 2-valve engine engine that produces 6.90 Bhp @ 7500 rpm, with a maximum torque of 7.00 Nm @ 6500 rpm. The Skooty 110 gives a mileage of around 45 km/l. It comes with a normal (non-ABS) braking system. Seat height is 800 mm and kerb weight is 100 kg. Top speed: about 90 km/h. It is available in 1 colour: Yellow. Check the Runner Skooty 110 full specifications, price breakdown and comparison below before you buy.

রানার Skooty 110 দাম বাংলাদেশে 2026: ৳1,49,000

Runner Skooty 110 Colours in Bangladesh

Yellow

Runner Skooty 110 Full Specifications

General

Brand
Runner
Model
Skooty 110
Category
Scooter
Model year
2026
Price
৳1,49,000 (listed price)

Engine and Transmission

Engine type
Single Cylinder, Four-Stroke, Air Cooled, 2-Valve Engine
Cooling system
Air-cooled
Fuel system
Carburetor
Transmission
Not available

Brakes and Tyres

Front brake
Single Disc
Rear brake
Not available
Front tyre
Not available
Rear tyre
Not available

Suspension and Chassis

Front suspension
Not available
Rear suspension
Not available

Dimensions and Weight

Ground clearance
Not available
Wheelbase
Not available
Overall dimensions (L × W × H)
Not available

Electrical and Features

Headlight
Not available
Instrument cluster
Not available
Battery
Not available
Features
Pre installed security system, Compact body, Large storage, Lightweight, Tubeless tyres

Additional Information

Available colours
Yellow
Warranty
Not available
Availability
Available
Last updated
2026-10-16

Runner Skooty 110 Rating

Overall 69/100

Design
66%
Comfort
82%
Engine performance
48%
Mileage
75%
Brand reliability
75%
Resale value
65%

Our estimate based on specifications, brand and price.

Runner Skooty 110 FAQ — সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

Runner Skooty 110 price in Bangladesh 2026 কত?

বাংলাদেশে Runner Skooty 110-এর বর্তমান price ৳1,49,000।

Runner Skooty 110-এর registration fee কত?

110cc বাইক হিসেবে tax token সহ registration খরচ ২ বছরের জন্য প্রায় ৳11,764 এবং ১০ বছরের জন্য প্রায় ৳20,964।

Runner Skooty 110-এর mileage কত?

Runner Skooty 110 প্রায় 45 km/l (approx.) mileage দেয়।

Runner Skooty 110 কত cc এবং power কত?

Runner Skooty 110-এ 110cc engine আছে, power 6.90 Bhp @ 7500 rpm, torque 7.00 Nm @ 6500 rpm।

Runner Skooty 110-এ কি ABS আছে?

না, Runner Skooty 110-এ ABS নেই।

Runner Skooty 110-এর top speed কত?

Runner Skooty 110-এর top speed প্রায় 90 km/h (approx.)।

Runner Skooty 110-এর seat height ও weight কত?

Seat height 800 mm এবং weight 100 kg।

বাংলাদেশে Runner Skooty 110 কোন কোন colour-এ পাওয়া যায়?

Runner Skooty 110 1টি colour-এ পাওয়া যায়: Yellow।

Runner Skooty 110 Ownership রিভিউ: বাজেটের মধ্যে সেরা স্কুটার কি এটি?

Runner Skooty 110 একটি কমপ্যাক্ট এবং স্টাইলিশ স্কুটার যা মূলত শহরের ব্যস্ত রাস্তায় সহজ যাতায়াতের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। ১১০ সিসির এই স্কুটারটি Runner Automobiles Limited বাংলাদেশে বাজারজাত করছে, যার বর্তমান price প্রায় ১,৪৯,০০০ টাকা। Bike Price Bangladesh-এর এই সম্পাদকীয় বিশ্লেষণটি মূলত এর টেকনিক্যাল স্পেসিফিকেশন এবং বাংলাদেশি রাইডারদের চাহিদার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। কার্বুরেটর ফুয়েল সিস্টেম এবং এয়ার কুলড ইঞ্জিন সমৃদ্ধ এই স্কুটারটি দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য কতটা সাশ্রয়ী এবং কার্যকরী, তা বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। ২০২৬ সালের ডেটা অনুযায়ী এর ফিচারগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এটি যারা বাজেট-ফ্রেন্ডলি অটোমেটিক ট্রান্সমিশন খুঁজছেন তাদের জন্য একটি অন্যতম বিকল্প।

১. কাদের জন্য এই Runner Skooty 110?

Runner Skooty 110 মূলত সেই সব রাইডারদের জন্য আদর্শ যারা গিয়ার পরিবর্তনের ঝামেলা ছাড়াই শহরের ভেতর যাতায়াত করতে চান। এর lightweight ডিজাইন এবং ১০০ কেজি ওজন একে নারী বাইকার এবং নতুন রাইডারদের জন্য অত্যন্ত উপযোগী করে তুলেছে। শহরের সরু গলি বা যানজটের মধ্যে বাইকটি হ্যান্ডেল করা বেশ সহজ হবে।

তবে এর seat height ৮০০ মিমি, যা গড় উচ্চতার রাইডারদের জন্য আরামদায়ক হলেও খুব খাটো রাইডারদের জন্য কিছুটা উঁচু মনে হতে পারে। যারা প্রতিদিন অফিস বা কলেজে যাতায়াত করেন এবং ছোটখাটো বাজার বা প্রয়োজনীয় জিনিস বহন করতে চান, তাদের জন্য এর large storage বেশ কার্যকর।

২. ইঞ্জিন পারফরম্যান্স: Power এবং Torque বিশ্লেষণ

Runner Skooty 110-এ ব্যবহার করা হয়েছে ১১০ সিসি-র Single Cylinder, Four-Stroke, Air Cooled ইঞ্জিন। স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী এটি ৭,৫০০ rpm-এ ৬.৯০ Bhp power এবং ৬,৫০০ rpm-এ ৭.০০ Nm torque উৎপাদন করতে পারে। ১১০ সিসি সেগমেন্টে এই পাওয়ার ফিগার খুব বেশি না হলেও শহরের ভেতর চলাচলের জন্য এটি ভারসাম্যপূর্ণ।

এর top speed প্রায় ৯০ কিমি প্রতি ঘণ্টা (আনুমানিক), যা শহরের রাস্তার গতির সীমাবদ্ধতার সাথে মানানসই। তবে মনে রাখতে হবে এটি কোনো হাই-পারফরম্যান্স মেশিন নয়, তাই হাইওয়েতে দ্রুত ওভারটেকিংয়ের সময় এর শক্তির সীমাবদ্ধতা বোঝা যেতে পারে। কার্বুরেটর ইঞ্জিন হওয়ার কারণে এর থ্রোটল রেসপন্স লিনিয়ার হবে বলে আশা করা যায়।

৩. বাংলাদেশের ট্রাফিক এবং ফুয়েল ইকোনমি (Mileage)

বাংলাদেশের বিশেষ করে ঢাকার ট্রাফিক জ্যামে ফুয়েল এফিসিয়েন্সি একটি বড় বিষয়। Runner Skooty 110 থেকে প্রায় ৪৫ কিমি প্রতি লিটার (approx.) mileage পাওয়ার দাবি করা হয়েছে। কার্বুরেটর ইঞ্জিনে ফুয়েল কোয়ালিটির সাথে মাইলেজের তারতম্য হতে পারে। নিয়মিত সার্ভিস এবং কার্বুরেটর টিউনিং ঠিক রাখলে এটি সাশ্রয়ী যাতায়াত নিশ্চিত করতে পারে।

যেহেতু এটি Air-cooled ইঞ্জিন, তাই দীর্ঘ সময় ট্রাফিক জ্যামে আটকে থাকলে বা খুব লম্বা সময় টানা চালালে ইঞ্জিন কিছুটা উত্তপ্ত হতে পারে। তবে ১১০ সিসি ইঞ্জিনের জন্য এটি স্বাভাবিক এবং নিয়মিত বিরতি নিয়ে চালালে কোনো বড় সমস্যা হওয়ার কথা নয়।

৪. রাইডিং কমফোর্ট এবং সাসপেনশন রিভিউ

Runner Skooty 110 একটি কমপ্যাক্ট বডি ডিজাইনের স্কুটার। এর ছোট চাকা এবং টিউবলেস টায়ার শহরের মসৃণ রাস্তায় ভালো গ্রিপ দেয়। তবে বাংলাদেশের ভাঙা বা উঁচু-নিচু রাস্তায় রাইডিং কিছুটা ঝাঁকুনিপূর্ণ হতে পারে কারণ এর সাসপেনশন ট্রাভেল সাধারণত সীমিত থাকে। পিলিয়ন বা পেছনে যাত্রী নিয়ে চলার ক্ষেত্রে এর লোড ক্যাপাসিটি এবং পেছনের সাসপেনশন পারফরম্যান্স ব্যক্তিগতভাবে যাচাই করে নেওয়া উচিত।

এর অটোমেটিক ট্রান্সমিশন রাইডারকে বারবার ক্লাস এবং গিয়ার ব্যবহারের ক্লান্তি থেকে মুক্তি দেয়, যা দীর্ঘ ট্রাফিক জ্যামে একটি বড় স্বস্তি। সিটটি যথেষ্ট চওড়া হলেও পিলিয়ন রাইডারের জন্য খুব বেশি জায়গা নাও থাকতে পারে।

৫. ব্রেকিং এবং সেফটি ফিচারস: ABS কি আছে?

নিরাপত্তার কথা চিন্তা করলে Runner Skooty 110-এর সামনে Single Disc এবং পেছনে ড্রাম ব্রেক দেওয়া হয়েছে। ১১০ সিসি এবং ১০০ কেজি ওজনের একটি স্কুটারের জন্য এই ব্রেকিং সেটআপ যথেষ্ট কার্যকরী। তবে এতে কোনো ABS (Anti-lock Braking System) বা CBS (Combi-Brake System) নেই, যা আধুনিক স্কুটারগুলোতে প্রত্যাশিত। রাইডারকে ব্রেকিংয়ের সময় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে, বিশেষ করে ভেজা বা পিচ্ছিল রাস্তায়।

এর একটি বিশেষ ইতিবাচক দিক হলো Pre-installed security system, যা বর্তমান সময়ে বাইক চুরির ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া tubeless tyres থাকার কারণে চাকা হঠাৎ পাংচার হয়ে গেলেও নিয়ন্ত্রণ হারানো বা তাৎক্ষণিক বিপদে পড়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

৬. বিল্ড কোয়ালিটি এবং মেইনটেইন্যান্স কি টেকসই?

Runner-এর পণ্যগুলো সাধারণত সাশ্রয়ী মূল্যে টেকসই হওয়ার জন্য পরিচিত। Runner Skooty 110-এর প্লাস্টিক বডি পার্টস এবং ফিনিশিং এই বাজেটের মধ্যে সন্তোষজনক। তবে দীর্ঘদিন ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভাইব্রেশন বা প্লাস্টিকের জয়েন্টগুলো থেকে শব্দ তৈরি হয় কি না, তা নিয়মিত চেক করা প্রয়োজন। এর lightweight বডি একে সহজেই কন্ট্রোল করতে সাহায্য করে।

মেইনটেইন্যান্সের ক্ষেত্রে যেহেতু এটি একটি কার্বুরেটর ইঞ্জিন এবং এয়ার কুলড সিস্টেম, তাই এর সার্ভিস খরচ তুলনামূলক কম। ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন এবং এয়ার ফিল্টার পরিষ্কার রাখলে দীর্ঘদিন ভালো পারফরম্যান্স পাওয়া সম্ভব। কার্বুরেটর টিউনিং ঠিক রাখা মাইলজ ভালো পাওয়ার জন্য জরুরি।

৭. পার্টস এবং সার্ভিস অ্যাভেইল্যাবিলিটি ইন বাংলাদেশ

Runner Automobiles-এর একটি বড় সুবিধা হলো তাদের দেশব্যাপী বিস্তৃত শোরুম এবং সার্ভিস সেন্টার নেটওয়ার্ক। Runner Skooty 110-এর spares বা যন্ত্রাংশ বাংলাদেশের বড় শহর থেকে শুরু করে মফস্বল এলাকাতেও সহজে পাওয়ার কথা। Runner ব্র্যান্ডের নিজস্ব উৎপাদন ক্ষমতা থাকায় পার্টস-এর দামও সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে থাকে। দক্ষ মেকানিকের অভাব হবে না, কারণ এর ইঞ্জিন মেকানিজম বেশ সহজ এবং প্রচলিত।

৮. ব্যবহৃত স্কুটি কেনা এবং রিসেল ভ্যালু (Used Buying Advice)

আপনি যদি একটি ব্যবহৃত Runner Skooty 110 কিনতে চান, তবে প্রথমেই এর বডি কন্ডিশন এবং চ্যাসিস চেক করুন। যেহেতু এটি স্কুটার, তাই নিচের দিকে স্ক্র্যাচ বা কোনো ড্যামেজ আছে কি না তা দেখুন। ইঞ্জিনের শব্দ স্মুথ কি না এবং ধোঁয়া ছাড়ছে কি না তা যাচাই করা জরুরি। এর resale value সাধারণত বাজাজ বা হিরো ব্র্যান্ডের মতো খুব বেশি না হলেও, রানার ব্র্যান্ডের পরিচিতির কারণে আপনি একটি সম্মানজনক দামে এটি পুনরায় বিক্রি করতে পারবেন। সেকেন্ড হ্যান্ড কেনার আগে এর ইলেকট্রিক্যাল সিস্টেম এবং ব্যাটারি কন্ডিশন অবশ্যই পরীক্ষা করুন।

ভালো দিক (Pros)

  • ১০০ কেজি ওজন হওয়ার কারণে এটি ট্রাফিক জ্যামে কন্ট্রোল করা এবং পার্ক করা খুব সহজ।
  • সামনে Disc Brake থাকায় ব্রেকিং পারফরম্যান্সে বাড়তি আত্মবিশ্বাস পাওয়া যায়।
  • Pre-installed security system থাকায় চুরির ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়।
  • Tubeless tyres পাংচার জনিত আকস্মিক বিপদ থেকে রাইডারকে রক্ষা করে।
  • Runner-এর দেশব্যাপী বিস্তৃত নেটওয়ার্কের কারণে parts এবং service পাওয়া তুলনামূলক সহজ।

খারাপ দিক (Cons)

  • এতে কোনো ABS বা CBS নেই, যা আধুনিক রাইডিং সুরক্ষার ক্ষেত্রে একটি ঘাটতি।
  • কার্বুরেটর (Carburetor) ফুয়েল সিস্টেম হওয়ায় এটি EFI ইঞ্জিনের তুলনায় কম স্মুথ হতে পারে।
  • ৬.৯০ Bhp পাওয়ার হাইওয়ে রাইডিং বা দ্রুত ওভারটেকিংয়ের জন্য যথেষ্ট নাও হতে পারে।
  • ৮০০ মিমি সিট হাইট খাটো রাইডারদের জন্য কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে।

শেষ কথা (Verdict)

Runner Skooty 110 একটি ভারসাম্যপূর্ণ স্কুটার যারা ১.৫ লাখ টাকার নিচে একটি আস্থার বাহন খুঁজছেন। এটি স্পিড বা ফিচারে রাজত্ব করার জন্য নয়, বরং প্রতিদিনের শহরকেন্দ্রিক যাতায়াতকে সহজতর করার জন্য তৈরি। ABS-এর অনুপস্থিতি এবং সাধারণ কার্বুরেটর ইঞ্জিন থাকলেও, এর lightweight ডিজাইন এবং সাশ্রয়ী রক্ষণাবেক্ষণ খরচ একে সাধারণ ব্যবহারকারী বিশেষ করে নারী রাইডারদের জন্য একটি চমৎকার পছন্দ করে তুলেছে। কেনার আগে অবশ্যই নিকটস্থ Runner শোরুমে গিয়ে টেস্ট রাইড দিয়ে এর সিট হাইট এবং কমফোর্ট যাচাই করে নিন।

Similar Bikes