Royal Enfield Meteor 350 (Supernova) Standard side view
Standard

Royal Enfield Meteor 350 (Supernova) Price in Bangladesh 2026

৳5,08,000

Listed price

Last updated:

India vs Bangladesh price

India price (₹2,30,000)
৳3,22,000
Tax & other costs
+ ৳1,86,000
Price in Bangladesh
৳5,08,000

Registration & tax token fee

For this 349cc bike · BRTA 100cc and above rate

2 years
৳11,764
10 years
৳20,964

Short Specifications

Engine capacity
349 cc
Maximum power
20.12 bhpat 6100 rpm
Maximum torque
27 Nmat 4000 rpm
Mileage
35 km/l (approx.)
ABS
Dual-channel ABS
Tubeless tyres
Yes
Seat height
765 mm
Kerb weight
191 kg
Top speed
120 km/h (approx.)

Royal Enfield Meteor 350 (Supernova) Price in Bangladesh

The Royal Enfield Meteor 350 (Supernova) price in Bangladesh is ৳5,08,000. This cruiser bike is powered by a 349cc single-cylinder, 4 stroke, air-oil cooled engine engine that produces 20.12 bhp @ 6100 rpm, with a maximum torque of 27 Nm @ 4000 rpm. The Meteor 350 (Supernova) gives a mileage of around 35 km/l. It comes with dual-channel ABS and tubeless tyres. Seat height is 765 mm and kerb weight is 191 kg. Top speed: about 120 km/h. It is available in 1 colour: Standard. Check the Royal Enfield Meteor 350 (Supernova) full specifications, price breakdown and comparison below before you buy.

Royal Enfield Meteor 350 (Supernova) দাম বাংলাদেশে 2026: ৳5,08,000

Royal Enfield Meteor 350 (Supernova) Colours in Bangladesh

Standard

Royal Enfield Meteor 350 (Supernova) Full Specifications

General

Brand
Royal Enfield
Model
Meteor 350 (Supernova)
Category
Cruiser
Model year
2026
Price
৳5,08,000 (listed price)

Engine and Transmission

Engine type
Single-Cylinder, 4 Stroke, Air-Oil Cooled Engine
Cooling system
Air/oil-cooled
Fuel system
EFI
Transmission
5-speed manual

Brakes and Tyres

Front brake
Single Disc (300 Mm)
Rear brake
Disc Brake (270 Mm)
Front tyre
100/90-19 57P tubeless
Rear tyre
140/70-17 66P tubeless

Suspension and Chassis

Front suspension
Telescopic, 41 mm forks, 130 mm travel
Rear suspension
Twin tube emulsion Shock absorbers with 6-step adjustable preload

Dimensions and Weight

Ground clearance
170 mm
Wheelbase
1400 mm
Overall dimensions (L × W × H)
2140 × 845 × 1140 mm

Electrical and Features

Headlight
LED
Instrument cluster
Analog speedometer
Battery
12 V, 12 Ah
Features
Braking System: Dual Channel ABS, Starting Method: Electric, Wheel Type: Alloy, Seat Type: Single-Seat, Engine kill switch

Additional Information

Available colours
Standard
Warranty
Not available
Availability
Available
Last updated
2026-10-16

Royal Enfield Meteor 350 (Supernova) Rating

Overall 73/100

Design
77%
Comfort
90%
Engine performance
69%
Mileage
64%
Brand reliability
75%
Resale value
65%

Our estimate based on specifications, brand and price.

Royal Enfield Meteor 350 (Supernova) FAQ — সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

Royal Enfield Meteor 350 (Supernova) price in Bangladesh 2026 কত?

বাংলাদেশে Royal Enfield Meteor 350 (Supernova)-এর বর্তমান price ৳5,08,000।

Royal Enfield Meteor 350 (Supernova)-এর registration fee কত?

349cc বাইক হিসেবে tax token সহ registration খরচ ২ বছরের জন্য প্রায় ৳11,764 এবং ১০ বছরের জন্য প্রায় ৳20,964।

Royal Enfield Meteor 350 (Supernova)-এর mileage কত?

Royal Enfield Meteor 350 (Supernova) প্রায় 35 km/l (approx.) mileage দেয়।

Royal Enfield Meteor 350 (Supernova) কত cc এবং power কত?

Royal Enfield Meteor 350 (Supernova)-এ 349cc engine আছে, power 20.12 bhp @ 6100 rpm, torque 27 Nm @ 4000 rpm।

Royal Enfield Meteor 350 (Supernova)-এ কি ABS আছে?

হ্যাঁ, Royal Enfield Meteor 350 (Supernova)-এ Dual-channel ABS আছে।

Royal Enfield Meteor 350 (Supernova)-এর top speed কত?

Royal Enfield Meteor 350 (Supernova)-এর top speed প্রায় 120 km/h (approx.)।

Royal Enfield Meteor 350 (Supernova)-এর seat height ও weight কত?

Seat height 765 mm এবং weight 191 kg।

বাংলাদেশে Royal Enfield Meteor 350 (Supernova) কোন কোন colour-এ পাওয়া যায়?

Royal Enfield Meteor 350 (Supernova) 1টি colour-এ পাওয়া যায়: Standard।

Royal Enfield Meteor 350 (Supernova) review: বাংলাদেশে ownership এবং পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ

Royal Enfield Meteor 350 (Supernova) বাংলাদেশের বাজারে একটি প্রিমিয়াম ক্রুজার হিসেবে প্রবেশ করেছে, যার সম্ভাব্য price নির্ধারণ করা হয়েছে ৫,০৮,০০০ টাকা (IFAD Motors Ltd-এর মাধ্যমে)। এই মালিকানা মূল্যায়নে আমরা টপ-টিয়ার 'Supernova' ভেরিয়েন্টের একটি টেকনিক্যাল বিশ্লেষণ প্রদান করছি, যাতে রয়েছে আকর্ষণীয় টু-টোন ফিনিশ এবং ট্যুরিং-ফোকাসড ইকুইপমেন্ট। এর ৩৪৯cc J-Series ইঞ্জিন এবং ক্লাসিক লুকের মাধ্যমে বাংলাদেশে বেশি cc-র ক্রুজার বাইকের একটি নতুন ধারা শুরু হয়েছে। এই রিভিউতে আমরা দেখব কীভাবে এর টেকনিক্যাল স্পেসিফিকেশনগুলো বাংলাদেশের শহরের যানজট এবং হাইওয়ের চাহিদার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

১. Royal Enfield Meteor 350 (Supernova) কাদের জন্য তৈরি?

Royal Enfield Meteor 350 (Supernova) মূলত সেইসব রাইডারদের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে যারা এগ্রেসিভ এক্সিলারেটরের চেয়ে রিলাক্সড এরগোনোমিক্স এবং ইঞ্জিনের সিগনেচার 'থাম্প' সাউন্ড পছন্দ করেন। একটি ডেডিকেটেড ক্রুজার হিসেবে এটি তাদের জন্য উপযুক্ত যারা নেকড বাইকের আপরাইট পজিশনে লং রাইডে ক্লান্ত হয়ে পড়েন। এর সিট হাইট মাত্র ৭৬৫ mm হওয়ায় খাটো রাইডারদের জন্য এটি খুব সুবিধাজনক, যারা সাধারণত লম্বা অ্যাডভেঞ্চার বা স্পোর্টস বাইকে পা মাটিতে রাখতে সমস্যায় পড়েন।

তবে, Royal Enfield Meteor 350 (Supernova) এর মালিক হতে হলে এর ওজন সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। ১৯১ kg ওজনের এই বাইকটি বাংলাদেশে প্রচলিত ১৫০cc কমিউটার বাইকের চেয়ে অনেক বেশি ভারী। বাইকটি কেনার আগে নিশ্চিত হওয়া উচিত যে আপনি পার্কিং করার সময় বা সরু গেট দিয়ে হাঁটিয়ে নেওয়ার সময় এই ভর সামলাতে পারবেন কি না, কারণ এই ওজন আপনার প্রতিদিনের মালিকানার অভিজ্ঞতার একটি স্থায়ী অংশ।

২. পাওয়ার বনাম টর্ক: Royal Enfield Meteor 350 (Supernova) এর ইঞ্জিন ক্যারেক্টার

এর ৩৪৯cc সিঙ্গেল-সিলিন্ডার, এয়ার-অয়েল কুলড ইঞ্জিন ৬১০০ rpm-এ ২০.১২ bhp পাওয়ার তৈরি করে। সিসি অনুযায়ী এই horsepower কিছুটা কম মনে হলেও, ৪০০০ rpm-এ এর ২৭ Nm টর্কই হলো এই বাইকের আসল বিশেষত্ব। লো ইঞ্জিন স্পিডে এই হাই টর্ক থাকার মানে হলো বাইকটি দারুণ 'ট্র্যাক্টাবিলিটি' প্রদান করে—অর্থাৎ বারবার গিয়ার পরিবর্তন না করেই আপনি ট্র্যাফিক সিগন্যাল থেকে দ্রুত বেরিয়ে যেতে পারবেন বা ওভারটেক করতে পারবেন।

এর ৫-স্পিড ম্যানুয়াল ট্রান্সমিশন খুব স্মুথ ডেলিভারির জন্য টিউন করা হয়েছে। বাংলাদেশের হাইওয়ের প্রেক্ষাপটে, Royal Enfield Meteor 350 (Supernova) ১২০ km/h এর top speed ছোঁয়ার চেয়ে ৮০-৯০ km/h স্পিডে খুব স্বাচ্ছন্দ্যে ক্রুজ করার জন্য তৈরি। রাইডাররা এখানে হাই-রেভিং পারফরম্যান্সের চেয়ে একটি ছন্দময় মেকানিক্যাল অনুভূতি পাবেন।

৩. ফুয়েল এফিশিয়েন্সি এবং বাংলাদেশের ট্র্যাফিকে EFI-এর সুবিধা

ইলেক্ট্রনিক ফুয়েল ইনজেকশন (EFI) সিস্টেমের কারণে Royal Enfield Meteor 350 (Supernova) সঠিক ফুয়েল-এয়ার মিক্সচার নিশ্চিত করে, যা বাংলাদেশের বিভিন্ন মানের জ্বালানির ক্ষেত্রে খুব জরুরি। এর মাইলেজ বা mileage প্রায় ৩৫ km/l ধরা হয়েছে; তবে ঢাকার যানজটে অলস বসে থাকা বা ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে ক্রুজ করার ওপর ভিত্তি করে এই সংখ্যা কম-বেশি হতে পারে।

এই ক্লাসের বাইক হিসেবে এর ১৫ লিটারের ফুয়েল ট্যাঙ্ক বেশ বড়, যা দূরপাল্লার যাত্রায় নির্ভরযোগ্য পেট্রোল পাম্প খোঁজার দুশ্চিন্তা কমায়। মালিকদের উচিত ব্রেক-ইন পিরিয়ডের সময় ফুয়েল কনসাম্পশনের দিকে খেয়াল রাখা, কারণ ৩৪৯cc ইঞ্জিন ঘন ঘন স্টপ-স্টার্ট সাইকেলে ছোট কমিউটার বাইকের চেয়ে বেশি জ্বালানি খরচ করে।

৪. রাইড কমফোর্ট: খারাপ রাস্তায় Royal Enfield Meteor 350 (Supernova) এর পারফরম্যান্স

ক্রুজার বাইকগুলোর রিয়ার সাসপেনশন ট্রাভেল সাধারণত কম থাকে, তবে Royal Enfield Meteor 350 (Supernova)-এ ৬-স্টেপ অ্যাডজাস্টেবল প্রিলোড সহ টুইন-টিউব ইমালশন শক অ্যাবজরবার ব্যবহার করা হয়েছে। এটি রাইডারকে একা রাইড করার সময় বা পিলিয়নসহ রাইড করার সময় সাসপেনশন নরম বা শক্ত করার সুবিধা দেয়। সামনের ৪১ mm টেলিস্কোপিক ফর্ক এবং ১৩০ mm ট্রাভেল আঞ্চলিক রাস্তার ছোটখাটো গর্ত বা উঁচু-নিচু অংশ সহজে সামলে নিতে পারে।

এর ১৭০ mm গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স একটি ক্রুজার বাইকের জন্য বেশ ভালো, যা আবাসিক এলাকার বড় স্পিড ব্রেকারগুলো থেকে বাইকটিকে সুরক্ষা দেয়। Supernova ভেরিয়েন্টে ব্যাকরেস্ট থাকায় পিলিয়নের জন্য এটি একটি অত্যন্ত আরামদায়ক বাইক, যা প্রিমিয়াম সেগমেন্টে একে অনন্য করে তুলেছে।

৫. ব্রেক এবং সেফটি: স্ট্যান্ডার্ড ডুয়াল-চ্যানেল ABS

বাংলাদেশে হাই-সিসি বাইকের ক্ষেত্রে সেফটি একটি বড় বিষয়, এবং Royal Enfield Meteor 350 (Supernova) এটি নিশ্চিত করে ৩০০ mm ফ্রন্ট ডিস্ক এবং ২৭০ mm রিয়ার ডিস্কের মাধ্যমে। এতে ডুয়াল-চ্যানেল ABS (অ্যান্টি-লক ব্রেকিং সিস্টেম) স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে দেওয়া হয়েছে, যা ভেজা বা বালুকাময় রাস্তায় ইমারজেন্সি ব্রেকিংয়ের সময় চাকা লক হওয়া রোধ করে।

এর টায়ার সেটআপ—সামনে ১০০/৯০-১৯ এবং পেছনে চওড়া ১৪০/৭০-১৭—স্থায়িত্বের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। ১৯ ইঞ্চির বড় ফ্রন্ট হুইল বাইকটিকে সোজা পথে চলতে সাহায্য করে এবং ছোট চাকার বাইকের তুলনায় রাস্তার অসমতল জায়গায় বেশি নিয়ন্ত্রণ দেয়, যদিও এতে স্টিয়ারিং কিছুটা ভারী অনুভূত হতে পারে।

৬. বিল্ড কোয়ালিটি এবং ইনস্পেকশন পয়েন্টসমূহ

Royal Enfield তাদের নতুন J-প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে ম্যানুফ্যাকচারিং কোয়ালিটিতে বড় উন্নতি করেছে। ক্রেতাদের উচিত ট্যাঙ্কের পেইন্ট ফিনিশ এবং ক্রোম অ্যাকসেন্টগুলো ভালো করে দেখে নেওয়া, কারণ Supernova ভেরিয়েন্টটি দেখতে সবচেয়ে প্রিমিয়াম। এর সুইচগিয়ার এবং ইন্টিগ্রেটেড LED হেডলাইট অ্যাসেম্বলি বেশ মজবুত, যা বাংলাদেশের উচ্চ আর্দ্রতার পরিবেশে টিকে থাকার জন্য তৈরি।

অ্যালয় হুইল এবং টিউবলেস টায়ার থাকার কারণে পাংচারের ঝামেলা অনেক কমে গেছে। বাইকটি বুঝে নেওয়ার সময় Supernova-র বিশেষ উইন্ডস্ক্রিন এবং অ্যানালগ-ডিজিটাল ক্লাস্টারটি ঠিকমতো কাজ করছে কি না তা পরীক্ষা করে নেওয়া উচিত।

৭. পার্টস প্রাপ্যতা এবং IFAD Motors Ltd-এর সার্ভিসিং

যেহেতু বাংলাদেশে Royal Enfield-এর অফিসিয়াল পার্টনার IFAD Motors Ltd, তাই মালিকরা একটি সুশৃঙ্খল সার্ভিস নেটওয়ার্কের সুবিধা পাবেন। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ৩৪৯cc ইঞ্জিনের জন্য নির্দিষ্ট গ্রেডের অয়েল এবং বিশেষ EFI ডায়াগনস্টিক টুল প্রয়োজন হয়, যা স্থানীয় মেকানিকদের কাছে না-ও থাকতে পারে। ওয়ারেন্টি বজায় রাখতে নির্দিষ্ট সময় পরপর অথরাইজড সার্ভিস সেন্টার থেকে সার্ভিস করানো জরুরি।

অয়েল ফিল্টার বা ব্রেক প্যাডের মতো সাধারণ পার্টস সহজেই পাওয়া যাবে, তবে Supernova ট্রিমের বিশেষ পার্টস (যেমন উইন্ডশিল্ড বা নির্দিষ্ট বডি প্যানেল) পেতে কিছুটা সময় লাগতে পারে। দীর্ঘমেয়াদী পার্টস সাপোর্টের জন্য অফিসিয়াল চ্যানেল থেকে বাইক কেনা বুদ্ধিমানের কাজ।

৮. মেইনট্যানেন্স এবং বাংলাদেশে লং-টার্ম ভ্যালু

Royal Enfield Meteor 350 (Supernova) মেইনটেইন করার জন্য নিয়মিত এয়ার-অয়েল কুলিং সিস্টেম এবং EFI সেন্সর পরিষ্কার রাখা প্রয়োজন। এর ১২V, ১২Ah ব্যাটারিটি বেশ বড়, যা ইলেকট্রিক স্টার্ট এবং LED লাইটিং সাপোর্ট করে, তবে বাইক দীর্ঘ সময় ফেলে রাখলে ব্যাটারি চার্জে রাখা উচিত। ৫-স্পিড গিয়ারবক্স এবং চেইন ড্রাইভের জন্য নিয়মিত ক্লিনিং এবং লুব্রিকেশন প্রয়োজন, বিশেষ করে বর্ষাকালে।

রিসেল ভ্যালুর ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ায় Royal Enfield-এর ভালো চাহিদা রয়েছে। ৫,০৮,০০০ টাকা price-এর কারণে এটি একটি লাক্সারি পারচেজ হলেও, 'Supernova' মডেলটি এর হাই স্পেসিফিকেশনের কারণে বেস মডেলের চেয়ে ভালো ভ্যালু ধরে রাখতে পারে। বাংলাদেশে এর রিসেল ভ্যালু নির্ভর করবে বাইকের সার্ভিস হিস্ট্রি এবং এর প্রিমিয়াম ফিনিশ কতটা ভালো অবস্থায় আছে তার ওপর।

ভালো দিক (Pros)

  • ৭৬৫ mm এর কম সিট হাইট হওয়ার কারণে Royal Enfield Meteor 350 (Supernova) অধিকাংশ রাইডারের জন্য খুব আরামদায়ক।
  • ২৭ Nm এর হাই টর্ক আউটপুট শহরের ট্র্যাফিকে লো-স্পিড রাইডিং সহজ করে তোলে।
  • স্ট্যান্ডার্ড ডুয়াল-চ্যানেল ABS অনিরাপদ রাস্তায় রাইডিংয়ের নিরাপত্তাকে অনেক বাড়িয়ে দেয়।
  • ১৫ লিটার ফুয়েল ট্যাঙ্ক ঘন ঘন রিফুয়েলিংয়ের ঝামেলা ছাড়াই লং-ডিস্ট্যান্স ট্যুরিং সাপোর্ট করে।
  • প্রিমিয়াম Supernova ট্রিমে উইন্ডশিল্ড এবং পিলিয়ন ব্যাকরেস্ট রয়েছে, যা রাইডিং কমফোর্ট বৃদ্ধি করে।

খারাপ দিক (Cons)

  • ১৯১ kg ওজনের কারণে Royal Enfield Meteor 350 (Supernova) ঢাকার সরু গলিতে ম্যানুভার করা বেশ কষ্টকর হতে পারে।
  • ৫-স্পিড গিয়ারবক্সে ষষ্ঠ গিয়ারের অভাব রয়েছে, যা দীর্ঘ হাইওয়ে রাইডে প্রয়োজন হতে পারত।
  • এয়ার-অয়েল কুলিং সিস্টেমের কারণে জ্যামের মধ্যে রাইডারের পায়ের কাছে কিছুটা হিট অনুভূত হতে পারে।
  • প্রিমিয়াম প্রাইস হওয়ার কারণে সাধারণ ১৫০-১৬০cc কমিউটারের তুলনায় এটি একটি বড় বিনিয়োগ।

শেষ কথা (Verdict)

Royal Enfield Meteor 350 (Supernova) এমন একটি বাইক যা হাই-স্পিড এজিলিটির বদলে লো-এন্ড টর্ক এবং আরামদায়ক রাইডিংকে বেশি গুরুত্ব দেয়। যারা হাইওয়ে ট্যুরিং এবং শহরের রিলাক্সড রাইডিংয়ের জন্য একটি মর্যাদাপূর্ণ, নিরাপদ এবং স্থিতিশীল মোটরসাইকেল খুঁজছেন, তাদের জন্য এটি চমৎকার পছন্দ। ওজন এবং price কিছুটা বেশি হলেও, ডুয়াল-চ্যানেল ABS এবং রিফাইনড ৩৪৯cc ইঞ্জিনের কারণে এটি বাংলাদেশের উদীয়মান হাই-সিসি ক্রুজার মার্কেটে একটি শক্তিশালী প্রতিযোগী।

Similar Bikes