Lifan K19 Standard side view
Standard

Lifan K19 Price in Bangladesh 2026

৳2,95,000

Listed price

Last updated:

India vs Bangladesh price

India price (₹—)
Not sold in India
Price in Bangladesh
৳2,95,000

Registration & tax token fee

For this 165cc bike · BRTA 100cc and above rate

2 years
৳11,764
10 years
৳20,964

Short Specifications

Engine capacity
165 cc
Maximum power
17 bhpat 8000 rpm
Maximum torque
17 Nmat 6500 rpm
Mileage
40 km/l (approx.)
ABS
No ABS
Tubeless tyres
Yes
Seat height
710 mm
Kerb weight
150 kg
Top speed
110 km/h (approx.)

Lifan K19 Price in Bangladesh

The Lifan K19 price in Bangladesh is ৳2,95,000. This naked bike is powered by a 165cc 4-stroke engine that produces 17 bhp @ 8000 rpm, with a maximum torque of 17 Nm @ 6500 rpm. The K19 gives a mileage of around 40 km/l. It comes with a normal (non-ABS) braking system and tubeless tyres. Seat height is 710 mm and kerb weight is 150 kg. Top speed: about 110 km/h. It is available in 1 colour: Standard. Check the Lifan K19 full specifications, price breakdown and comparison below before you buy.

লিফান K19 দাম বাংলাদেশে 2026: ৳2,95,000

Lifan K19 Colours in Bangladesh

Standard

Lifan K19 Full Specifications

General

Brand
Lifan
Model
K19
Category
Naked
Model year
2026
Price
৳2,95,000 (listed price)

Engine and Transmission

Engine type
4-stroke
Cooling system
Liquid-cooled
Fuel system
Fuel Injection
Transmission
1-speed manual

Brakes and Tyres

Front brake
Single Disc
Rear brake
Disc Brake
Front tyre
110/90-16 tubeless
Rear tyre
130/90-15 tubeless

Suspension and Chassis

Front suspension
Telescopic
Rear suspension
Twin Shock

Dimensions and Weight

Ground clearance
155 mm
Wheelbase
1505 mm
Overall dimensions (L × W × H)
2250 × 905 × 1330 mm

Electrical and Features

Headlight
LED
Instrument cluster
Digital speedometer
Battery
12v
Features
Braking System: Double Disc, Starting Method: Electric, Wheel Type: Alloy, Seat Type: Split-Seat, Engine kill switch

Additional Information

Available colours
Standard
Warranty
Not available
Availability
Available
Last updated
2026-10-16

Lifan K19 Rating

Overall 70/100

Design
76%
Comfort
70%
Engine performance
64%
Mileage
69%
Brand reliability
75%
Resale value
65%

Our estimate based on specifications, brand and price.

Lifan K19 FAQ — সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

Lifan K19 price in Bangladesh 2026 কত?

বাংলাদেশে Lifan K19-এর বর্তমান price ৳2,95,000।

Lifan K19-এর registration fee কত?

165cc বাইক হিসেবে tax token সহ registration খরচ ২ বছরের জন্য প্রায় ৳11,764 এবং ১০ বছরের জন্য প্রায় ৳20,964।

Lifan K19-এর mileage কত?

Lifan K19 প্রায় 40 km/l (approx.) mileage দেয়।

Lifan K19 কত cc এবং power কত?

Lifan K19-এ 165cc engine আছে, power 17 bhp @ 8000 rpm, torque 17 Nm @ 6500 rpm।

Lifan K19-এ কি ABS আছে?

না, Lifan K19-এ ABS নেই।

Lifan K19-এর top speed কত?

Lifan K19-এর top speed প্রায় 110 km/h (approx.)।

Lifan K19-এর seat height ও weight কত?

Seat height 710 mm এবং weight 150 kg।

বাংলাদেশে Lifan K19 কোন কোন colour-এ পাওয়া যায়?

Lifan K19 1টি colour-এ পাওয়া যায়: Standard।

Lifan K19 review: বাংলাদেশে ownership এবং পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ

Lifan K19 বাংলাদেশের বাজারে একটি ডেডিকেটেড ১৬৫cc cruiser হিসেবে প্রবেশ করেছে, যার বর্তমান price ২,৯৫,০০০ টাকা। Rasel Industries Ltd দ্বারা বাজারজাতকৃত এই মোটরসাইকেলটিতে রয়েছে liquid-cooled ইঞ্জিন এবং একটি বিশেষ লো-স্লাং স্টাইলিং, যা সাধারণ নেকড কমিউটারগুলোর ভিড়ে আলাদা। এই Bike Price Bangladesh অ্যাসেসমেন্টে Lifan K19-এর টেকনিক্যাল লেআউট, শহুরে রাস্তায় এর উপযোগিতা এবং হার্ডওয়্যার কনফিগারেশন নিয়ে একটি সম্পাদকীয় বিশ্লেষণ তুলে ধরা হলো। মনে রাখবেন, পারফরম্যান্স ডেটা এবং সহজলভ্যতার তথ্যসমূহ ২০২৬ সালের সাপ্লাইড ডেটার ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যা কোনো থার্ড-পার্টি অডিট বা রোড টেস্ট দ্বারা যাচাইকৃত নয়।

১. Lifan K19 এর জন্য আদর্শ ইউজার শনাক্তকরণ

Lifan K19 মূলত সেই সব রাইডারদের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে যারা স্পোর্টস বাইকের এগ্রেসিভ স্ট্যান্সের পরিবর্তে আরামদায়ক 'feet-forward' রাইডিং পজিশন পছন্দ করেন। এর প্রধান আকর্ষণ হলো ৭১০ mm seat height, যা ১৬০-১৬৫cc ক্যাটাগরিতে সর্বনিম্ন। এটি সেইসব কম উচ্চতার রাইডারদের জন্য চমৎকার যারা উঁচু নেকড বাইক চালাতে সমস্যায় পড়েন। তবে ১৫০৫ mm এর বিশাল wheelbase এবং ১৫০ kg ওজনের কারণে এটি অ্যাজিলিটির চেয়ে স্ট্যাবিলিটির (স্থায়িত্ব) ওপর বেশি ফোকাস করে।

যদি আপনার প্রতিদিনের যাতায়াতের পথে সরু গলি বা ঘন যানজট থাকে, তবে Lifan K19-এর ৯০৫ mm প্রস্থ এবং ২২৫০ mm দৈর্ঘ্য কিছুটা ঝামেলার মনে হতে পারে। এটি প্রশস্ত রাস্তা বা যারা হাইওয়েতে উইকএন্ড ট্যুর করতে পছন্দ করেন, তাদের জন্য বেশি উপযোগী যেখানে ক্রুজার জিওমেট্রি পুরোপুরি উপভোগ করা যায়।

২. Lifan K19 ইঞ্জিন বিশ্লেষণ: পাওয়ার বনাম টর্ক ব্যালেন্স

এর ১৬৫cc ৪-স্ট্রোক ইঞ্জিনটি liquid-cooled এবং fuel-injected, যা ৮০০০ rpm-এ ১৭ bhp পাওয়ার এবং ৬৫০০ rpm-এ ১৭ Nm torque তৈরি করে। এই ব্যালেন্সড আউটপুট নির্দেশ করে যে Lifan K19 হাই-এন্ড স্পিডের চেয়ে মিড-রেঞ্জ টর্কের দিকে বেশি মনোযোগী। বাংলাদেশের ট্রপিক্যাল জলবায়ুতে liquid cooling একটি বড় সুবিধা, যা দীর্ঘ সময় জ্যামে বসে থাকলেও ইঞ্জিনের দক্ষতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

স্পেসিফিকেশনে ১-স্পিড ম্যানুয়াল ট্রান্সমিশনের কথা উল্লেখ থাকলেও এটি সম্ভবত ডেটা এন্ট্রি ভুল; এই ক্লাসের স্ট্যান্ডার্ড ক্রুজারগুলোতে ১১০ km/h top speed পাওয়ার জন্য সাধারণত ৫ বা ৬-স্পিড গিয়ারবক্স থাকে। ক্রেতাদের উচিত শোরুমে প্রকৃত গিয়ার সংখ্যা যাচাই করে নেওয়া। ১৭ Nm torque ১৫০ kg ওজনের চ্যাসিসের জন্য যথেষ্ট, তবে রাইডারদের খুব দ্রুত এক্সিলারেশনের পরিবর্তে ধীর ও স্থির গতি বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা উচিত।

৩. বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ফুয়েল ইকোনমি এবং ট্যাংক ক্যাপাসিটি

Lifan K19 এর আনুমানিক mileage প্রায় ৪০ km/l। বাংলাদেশের স্টপ-অ্যান্ড-গো ট্রাফিকের ক্ষেত্রে ফুয়েল খরচ কমাতে Fuel Injection (FI) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে প্রকৃত ইকোনমি রাইডারদের গিয়ার পরিবর্তন করার অভ্যাস, টায়ারের প্রেশার এবং ফুয়েলের গুণমানের ওপর নির্ভর করে কমবেশি হতে পারে। ইঞ্জিন ব্রেক-ইন পিরিয়ডে বা পিলিয়নসহ রাইড করার সময় কিছুটা কম মাইলেজ পাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকা উচিত।

১৪ লিটারের fuel tank এই বাইকের একটি বিশেষ দিক। ১৬৫cc ইঞ্জিনের সাথে এটি একবার ফুল ট্যাংকে তাত্ত্বিকভাবে ৫০০ কিমি-র বেশি রেঞ্জ দিতে পারে। ঢাকা-চট্টগ্রাম বা ঢাকা-সিলেট হাইওয়েতে দূরপাল্লার ভ্রমণকারীদের জন্য এটি বারবার ফুয়েল স্টেশনে থামার ঝামেলা কমাবে এবং বাড়তি নিরাপত্তা দেবে।

৪. রাইড কোয়ালিটি: ভাঙা রাস্তা এবং পিলিয়ন কমফোর্ট

ক্রুজার বাইকগুলো মূলত মসৃণ রাস্তার জন্য তৈরি, এবং Lifan K19-এ রয়েছে টেলিস্কোপিক ফ্রন্ট ফর্ক এবং টুইন রিয়ার শক। পেছনের টুইন শকগুলো ক্লাসিক লুক দিলেও বাংলাদেশের ভাঙা রাস্তা বা উঁচু গর্তে কিছুটা শক্ত অনুভূত হতে পারে। ১৫৫ mm ground clearance শহর এলাকার জন্য ঠিক থাকলেও উঁচু স্পিড ব্রেকার অতিক্রম করার সময় সতর্ক থাকতে হবে যেন বাইকের নিচের অংশে ঘষা না লাগে।

পিলিয়নের জন্য Lifan K19-এ স্প্লিট-সিট ডিজাইন রয়েছে। রাইডার আরামদায়ক প্রশস্ত সিট পেলেও, পিলিয়নের আরাম নির্ভর করবে পেছনের সিটের প্রস্থ এবং ফুটপেগের অবস্থানের ওপর। কেনার আগে নিয়মিত ভ্রমণকারী পার্টনারকে নিয়ে সিটের উচ্চতা ও লেগ-রুম যাচাই করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

৫. ব্রেকিং, সেফটি এবং টায়ার কনফিগারেশন

Lifan K19 এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রয়েছে ডাবল disc brake সিস্টেম। ১৫০ kg ওজনের বাইকের জন্য এটি খুবই জরুরি, কারণ ডিস্ক ব্রেক ড্রাম ব্রেকের চেয়ে দ্রুত তাপ ছড়াতে পারে এবং ভালো ব্রেকিং দেয়। তবে এতে ABS (Anti-lock Braking System) না থাকা একটি সীমাবদ্ধতা। বাংলাদেশের ভেজা বা বালুকাময় রাস্তায় জরুরি ব্রেকিংয়ের সময় চাকা লক হওয়া এড়াতে রাইডারদের প্রগ্রেসিভ ব্রেকিং প্র্যাকটিস করতে হবে।

টায়ার সেটআপটি বেশ অনন্য: সামনে ১১০/৯০-১৬ এবং পেছনে চওড়া ১৩০/৯০-১৫। এই মোটা ওয়ালযুক্ত tubeless টায়ারগুলো ক্রুজার লুক দেওয়ার পাশাপাশি সোজা রাস্তায় ভালো গ্রিপ এবং স্ট্যাবিলিটি দেয়। tubeless হওয়ার কারণে ছোটখাটো পাংচার হলেও রাইডার নিরাপদে মেরামতের দোকান পর্যন্ত পৌঁছাতে পারবেন।

৬. বিল্ড কোয়ালিটি এবং ভিজ্যুয়াল ইন্সপেকশন পয়েন্ট

Lifan K19-এ ক্লাসিক ক্রুজার লাইনের সাথে আধুনিক LED লাইটিংয়ের সমন্বয় করা হয়েছে। শোরুমে পরিদর্শনের সময় ক্রেতাদের উচিত সুইচগিয়ারের মান, ফ্রেমের ওয়েল্ডিং এবং লিকুইড-কুলিং রেডিয়েটরের ফিনিশিং পরীক্ষা করা। এছাড়া সরাসরি সূর্যালোকের নিচে ডিজিটাল স্পিডোমিটার ক্লাস্টারটি ঠিকমতো পড়া যায় কিনা তা দেখে নিন।

ক্রুজার হিসেবে এই বাইকে প্লাস্টিক ফেয়ারিংয়ের চেয়ে মেটাল এবং ক্রোম ফিনিশ বেশি থাকে। বাংলাদেশের আর্দ্র আবহাওয়ায় মরিচা বা করোশন রোধ করতে এই সারফেসগুলোর বিশেষ যত্ন প্রয়োজন। ১৫০ kg ওজনের চ্যাসিসের পার্টসগুলো ঠিকমতো ফিট করা আছে কিনা দেখে নিন যেন রাইডিংয়ের সময় কোনো ঝনঝন শব্দ বা লুজ প্যানেল না থাকে।

৭. বাংলাদেশে পার্টস এবং সার্ভিস এর সহজলভ্যতা

Rasel Industries Ltd-এর মাধ্যমে লিফান বাংলাদেশে একটি শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে। Lifan K19 এর বেসিক পার্টস যেমন অয়েল ফিল্টার, এয়ার ফিল্টার এবং ব্রেক প্যাড সাধারণত Lifan ১৬৫cc প্ল্যাটফর্মের (যেমন KPR সিরিজ) সাথে মিল থাকায় সহজে পাওয়া যাবে। তবে ক্রুজার স্পেসিফিক পার্টস যেমন ১৫-ইঞ্চি রিয়ার টায়ার, হ্যান্ডেলবার বা বিশেষ বডি প্যানেল স্টকে না থাকলে পেতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।

সম্ভাব্য ক্রেতাদের নিজ নিজ এলাকায় সার্ভিস নেটওয়ার্ক সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া উচিত। ঢাকা এবং বড় শহরগুলোতে ভালো সাপোর্ট থাকলেও, লিকুইড-কুলড FI ইঞ্জিনের জন্য দক্ষ মেকানিক প্রয়োজন। দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্বের জন্য FI সিস্টেম এবং কুলিং সার্কিটের নিয়মিত মেইনটেন্যান্স বাধ্যতামূলক।

৮. মেইনটেন্যান্স এবং রিসেল ভ্যালু বিবেচনা

Lifan K19 এর রক্ষণাবেক্ষণের জন্য লিকুইড কুলিং সিস্টেমে সঠিক কুল্যান্ট ব্যবহার এবং FI সেন্সরগুলো পরিষ্কার রাখা জরুরি। এটি ১৬৫cc বাইক হওয়ায় ১৫০cc-এর তুলনায় ট্যাক্স কিছুটা বেশি হতে পারে, যা রেজিস্ট্রেশন খরচে প্রভাব ফেলবে। ১৫০ kg ওজনের কারণে চেইন এবং স্প্রোকেটের ওপর চাপ বেশি পড়ে, তাই এগুলো নিয়মিত লুব্রিক্যান্ট ও পরিষ্কার করা প্রয়োজন।

ব্যবহৃত বাইকের বাজারে ক্রুজার বাইকগুলোর একটি নির্দিষ্ট গ্রাহক গোষ্ঠী রয়েছে। সাধারণ কমিউটারের চেয়ে যারা ক্রুজার খুঁজছেন, তাদের কাছে Lifan K19 এর রিসেল ভ্যালু ভালো হতে পারে। রিসেল ভ্যালু মূলত বাইকের কালার কন্ডিশন এবং FI সিস্টেমের স্বাস্থ্যের ওপর নির্ভর করে। অনুমোদিত Rasel Industries সার্ভিস সেন্টার থেকে সার্ভিস হিস্ট্রি বজায় রাখলে ভালো রিসেল ভ্যালু পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।

ভালো দিক (Pros)

  • ৭১০ mm seat height হওয়ার কারণে কম উচ্চতার রাইডারদের জন্য এটি অত্যন্ত সুবিধাজনক।
  • Liquid-cooled ১৬৫cc ইঞ্জিন দীর্ঘ যাত্রায় উন্নত থার্মাল ম্যানেজমেন্ট নিশ্চিত করে।
  • ইউনিক ক্রুজার ডিজাইন রাস্তায় একটি প্রিমিয়াম ভিজ্যুয়াল প্রেজেন্স তৈরি করে।
  • Double disc brake সেটআপ ড্রাম ব্রেকযুক্ত বাইকের তুলনায় বেশি স্টপিং পাওয়ার দেয়।
  • ১৪ লিটারের বিশাল fuel tank হাইওয়ে ট্যুরিংয়ের জন্য দারুণ রেঞ্জ প্রদান করে।

খারাপ দিক (Cons)

  • ১৫০ kg ওজনের Lifan K19 ১৬৫cc ইঞ্জিনের জন্য লো স্পিডে ম্যানুভার করা কিছুটা কঠিন হতে পারে।
  • Anti-lock Braking System (ABS) নেই, যা এই প্রাইস পয়েন্টে বর্তমানে প্রত্যাশিত।
  • ১৫৫ mm ground clearance গ্রামীণ রাস্তা বা উঁচু speed breakers এর জন্য তুলনামূলক কম।
  • ক্রুজার ডাইমেনশন (২২৫০ mm দৈর্ঘ্য) হওয়ার কারণে ঢাকার ঘন যানজটে লেন ফিল্টারিং করা কঠিন হতে পারে।

শেষ কথা (Verdict)

Lifan K19 হলো সেই সব রাইডারদের জন্য একটি বিশেষ পছন্দ যারা গতি বা চপলতার চেয়ে স্টাইল, লো সিট হাইট এবং লিকুইড-কুলড ট্যুরিং ক্ষমতাকে গুরুত্ব দেন। ২,৯৫,০০০ টাকা দামে এটি একটি প্রিমিয়াম ক্রুজার লুক অফার করে যা ১৬৫cc সেগমেন্টে বিরল। যদিও ABS-এর অভাব এবং ১৫০ kg ওজন কিছুটা চ্যালেঞ্জিং, তবুও এর ১৭ Nm torque এবং ১৪ লিটারের ট্যাংক একে হাইওয়ের জন্য একটি দক্ষ সঙ্গী করে তোলে। যারা সাধারণ নেকড বাইকের ভিড়ে নিজেকে আলাদা করতে চান এবং আরামদায়ক রাইড খুঁজছেন, তাদের জন্য এটি সেরা পছন্দ।

Similar Bikes