Honda Livo Imperial Red Metallic side view
Imperial Red Metallic1 of 3 colours

Honda Livo Price in Bangladesh 2026

৳1,45,000

Listed price

Last updated:

India vs Bangladesh price

India price (₹82,000)
৳1,14,800
Tax & other costs
+ ৳30,200
Price in Bangladesh
৳1,45,000

Registration & tax token fee

For this 110cc bike · BRTA 100cc and above rate

2 years
৳11,764
10 years
৳20,964

Short Specifications

Engine capacity
110 cc
Maximum power
8.31 bhpat 7,500 rpm
Maximum torque
9.09 Nmat 5,000 rpm
Mileage
60 km/l (approx.)
ABS
No ABS
Tubeless tyres
Yes
Seat height
780 mm
Kerb weight
111 kg
Top speed
85 km/h (approx.)

Honda Livo Price in Bangladesh

The Honda Livo price in Bangladesh is ৳1,45,000. This commuter bike is powered by a 110cc single-cylinder, 4-stroke, air-cooled, het engine that produces 8.31 bhp @ 7,500 rpm, with a maximum torque of 9.09 Nm @ 5,000 rpm. The Livo gives a mileage of around 60 km/l. It comes with a normal (non-ABS) braking system and tubeless tyres. Seat height is 780 mm and kerb weight is 111 kg. Top speed: about 85 km/h. It is available in 3 colours: Imperial Red Metallic, Matte Axis Grey Metallic, Pearl Siren Blue. Check the Honda Livo full specifications, price breakdown and comparison below before you buy.

হোন্ডা Livo দাম বাংলাদেশে 2026: ৳1,45,000

Honda Livo Colours in Bangladesh

Imperial Red Metallic · Matte Axis Grey Metallic · Pearl Siren Blue

Honda Livo Full Specifications

General

Brand
Honda
Model
Livo
Category
Commuter
Model year
2026
Price
৳1,45,000 (listed price)

Engine and Transmission

Engine type
Single-cylinder, 4-stroke, air-cooled, HET
Cooling system
Air-cooled
Fuel system
Carburettor
Transmission
4-speed

Brakes and Tyres

Front brake
240 mm disc
Rear brake
130 mm drum
Front tyre
80/100-18 tubeless
Rear tyre
80/100-18 tubeless

Suspension and Chassis

Front suspension
Telescopic fork
Rear suspension
5-step adjustable hydraulic suspension

Dimensions and Weight

Ground clearance
180 mm
Wheelbase
1,285 mm
Overall dimensions (L × W × H)
Not available

Electrical and Features

Headlight
Halogen
Instrument cluster
Digital-analogue
Battery
Not available
Features
Combi Brake System, 5-step adjustable rear suspension, Black alloy wheels, Assembled in Bangladesh

Additional Information

Available colours
Imperial Red Metallic, Matte Axis Grey Metallic, Pearl Siren Blue
Warranty
Not available
Availability
Available
Last updated
2026-10-15

Honda Livo Rating

Overall 78/100

Design
66%
Comfort
78%
Engine performance
51%
Mileage
91%
Brand reliability
92%
Resale value
88%

Our estimate based on specifications, brand and price.

Honda Livo FAQ — সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

Honda Livo price in Bangladesh 2026 কত?

বাংলাদেশে Honda Livo-এর বর্তমান price ৳1,45,000।

Honda Livo-এর registration fee কত?

110cc বাইক হিসেবে tax token সহ registration খরচ ২ বছরের জন্য প্রায় ৳11,764 এবং ১০ বছরের জন্য প্রায় ৳20,964।

Honda Livo-এর mileage কত?

Honda Livo প্রায় 60 km/l (approx.) mileage দেয়।

Honda Livo কত cc এবং power কত?

Honda Livo-এ 110cc engine আছে, power 8.31 bhp @ 7,500 rpm, torque 9.09 Nm @ 5,000 rpm।

Honda Livo-এ কি ABS আছে?

না, Honda Livo-এ ABS নেই।

Honda Livo-এর top speed কত?

Honda Livo-এর top speed প্রায় 85 km/h (approx.)।

Honda Livo-এর seat height ও weight কত?

Seat height 780 mm এবং weight 111 kg।

বাংলাদেশে Honda Livo কোন কোন colour-এ পাওয়া যায়?

Honda Livo 3টি colour-এ পাওয়া যায়: Imperial Red Metallic, Matte Axis Grey Metallic, Pearl Siren Blue।

Honda Livo Review: বাংলাদেশে ownership, mileage এবং দামের বিস্তারিত

Honda Livo মূলত সেইসব বাংলাদেশি রাইডারদের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে যারা দৈনন্দিন যাতায়াতের জন্য সাধারণ বাইকের চেয়ে কিছুটা বেশি স্টাইলিশ বাইক খুঁজছেন। বর্তমানে ১৪৫,০০০ Tk মূল্যে পাওয়া যাচ্ছে এই বাইকটি, যাতে রয়েছে একটি 110cc ইঞ্জিন, সামনের চাকায় disc brake এবং একটি লম্বা আরামদায়ক সিট। এর মূল আকর্ষণ হলো সাশ্রয়ী ট্রান্সপোর্ট, রোমাঞ্চকর পারফরম্যান্স নয়। এই রিভিউটি বাইকের স্পেসিফিকেশন এবং ব্যবহারিক দিকগুলোর ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে।

কারা কিনবেন Honda Livo?

অফিসগামী যাত্রী, শিক্ষার্থী এবং ঘরোয়া ব্যবহারের জন্য যারা মূলত শহরের রাস্তা বা লোকাল রোডে বাইক চালাবেন, তাদের জন্য Honda Livo একটি উপযুক্ত পছন্দ। এর ১১১ কেজি ওজন পার্কিং বা জ্যামের মধ্যে বাইক চালানো সহজ করে তোলে। এর ৭৮০ মিমি সিট হাইট সাধারণ উচ্চতার রাইডারদের জন্য সুবিধাজনক। তবে কেনার আগে পিলিয়নসহ একবার বসে দেখা ভালো। যারা নিয়মিত ভারী মালপত্র বহন করেন বা হাইওয়েতে দ্রুত গতিতে চালাতে চান, তাদের জন্য এই 110cc বাইকটি পর্যাপ্ত কি না তা ভেবে দেখা প্রয়োজন।

Honda Livo Engine: কাজের ক্ষমতা বনাম গতি

Honda Livo-তে ব্যবহার করা হয়েছে একটি সিঙ্গেল-সিলিন্ডার, এয়ার-কুলড, ফোর-স্ট্রোক HET ইঞ্জিন যাতে রয়েছে carburettor এবং ৪-স্পিড গিয়ারবক্স। এর সর্বোচ্চ টর্ক ৯.০৯ Nm পাওয়া যায় ৫,০০০ rpm-এ এবং সর্বোচ্চ পাওয়ার ৮.৩১ bhp পাওয়া যায় ৭,৫০০ rpm-এ। এর ইঞ্জিন মূলত শান্তভাবে চলার জন্য তৈরি, খুব বেশি হাই-রেভ বা গতির জন্য নয়। একা চলার জন্য এটি উপযুক্ত হলেও, পিলিয়ন বা পাহাড়ি রাস্তায় চালানোর সময় সঠিক সময়ে গিয়ার ডাউনশিফট করা জরুরি।

এর আনুমানিক টপ স্পিড ৮৫ km/h, যা হাইওয়েতে ক্রুজিংয়ের জন্য খুব একটা নিরাপদ নয়। বাস ওভারটেক করা বা হাইওয়ের চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতিতে ত্বরান্বিত হওয়ার জন্য এতে পর্যাপ্ত পাওয়ার রিজার্ভ নেই। ছোটখাটো হাইওয়ে ট্রিপ দেওয়া সম্ভব হলেও ওভারটেকিংয়ের সময় যথেষ্ট জায়গা ও সতর্কতা প্রয়োজন। যারা Honda মানেই দুর্দান্ত স্পিড আশা করেন, তাদের মনে রাখা উচিত যে এই ইঞ্জিনটি গতির চেয়ে ব্যবহারিক উপযোগিতাকে বেশি গুরুত্ব দেয়।

ঢাকার ট্রাফিকে Honda Livo-র Mileage

Honda Livo-র প্রায় 60 km/l মাইলেজকে একটি রেফারেন্স হিসেবে ধরুন, ঢাকার যানজটের জন্য এটি নিশ্চিত প্রতিশ্রুতি নয়। ঘনঘন স্টার্ট দেওয়া, দীর্ঘক্ষণ জ্যামে দাঁড়িয়ে থাকা, অতিরিক্ত এক্সিলারেশন, যাত্রীর ওজন এবং টায়ারের ভুল প্রেসার মাইলেজ কমিয়ে দিতে পারে। এছাড়া Carburettor-এর টিউনিংও এখানে গুরুত্বপূর্ণ। ঢাকার ট্রাফিকের জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো ভেরিফাইড মাইলেজ রেকর্ড নেই, তাই কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা বলা বিভ্রান্তিকর হতে পারে।

এর ৮.৫ লিটারের ফুয়েল ট্যাংক প্রতিদিনের যাতায়াতের জন্য যথেষ্ট। তবে মাইলেজ কত পাচ্ছেন তা বুঝতে কয়েকবার ফুল-ট্যাংক রিফিল করে পরীক্ষা করুন। স্মুথ থ্রোটল রেসপন্স, চেইন অ্যাডজাস্টমেন্ট এবং সময়মতো সার্ভিস করা মাইলেজ ভালো রাখার জন্য জরুরি।

বাংলাদেশের রাস্তায় আরাম ও হ্যান্ডলিং

রাইডার ও পিলিয়নের আরামের জন্য Honda Livo-র লম্বা সিট বেশ কার্যকর। এর সামনের দিকে telescopic fork এবং পেছনে ৫-স্টেপ অ্যাডজাস্টেবল হাইড্রোলিক সাসপেনশন রয়েছে। পেছনের সাসপেনশন লোড অনুযায়ী সেট করা গেলেও এটি খারাপ রাস্তায় খুব একটা নরম রাইড নিশ্চিত করবে না। ডিলারের কাছ থেকে এটি অ্যাডজাস্ট করার নিয়ম জেনে নিন।

বাইকটির ১৮০ মিমি গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স বাংলাদেশের উঁচু-নিচু স্পিড ব্রেকার পার হওয়ার জন্য বেশ উপযোগী। তবে পিলিয়ন থাকলে এটি কিছুটা কমে যেতে পারে। ১,২৮৫ মিমি হুইলবেস এবং কম ওজনের কারণে এটি শহরে সহজে চালানো যায়। এর ৮০/১০০-১৮ সাইজের tubeless tyres পিচ্ছিল বা কাদাটে রাস্তায় চালানোর সময় বাড়তি সতর্কতা দাবি করে। ১৮০ মিমি গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স মানেই কিন্তু পানিতে ডোবা রাস্তায় চালানো নয়; জলাবদ্ধ রাস্তা এড়িয়ে চলাই শ্রেয়।

Honda Livo-র Braking এবং বর্ষায় সতর্কতা

এই বাইকে ২৪০ মিমি ফ্রন্ট disc এবং ১৩০ মিমি রিয়ার drum ব্রেকের সাথে Combi Brake System (CBS) দেওয়া হয়েছে। CBS মূলত দুটি ব্রেকের মধ্যে সমন্বয় করে, কিন্তু এটি ABS নয় এবং চাকা লক হওয়া পুরোপুরি ঠেকাতে পারে না। ভেজা রাস্তা, বালু বা গ্রাভেলে হঠাৎ ব্রেক করার সময় এটি মাথায় রাখা জরুরি। নিরাপদ কোনো জায়গায় ব্রেকিং প্র্যাকটিস করে নিন এবং বৃষ্টির সময় পর্যাপ্ত দূরত্ব বজায় রেখে বাইক চালান। ব্রেকিং পারফরম্যান্স ভালো পেতে নিয়মিত ব্রেক প্যাড ও টায়ারের কন্ডিশন চেক করুন। বাইকের halogen headlight রাতে কতটুকু আলো দেয় তাও কেনার আগে দেখে নেওয়া ভালো।

বিল্ড কোয়ালিটি এবং যা পরীক্ষা করবেন

বাংলাদেশে অ্যাসেম্বল করা Honda Livo-তে আছে ব্ল্যাক অ্যালয় হুইল এবং ডিজিটাল-অ্যানালগ ক্লাস্টার। Honda-র ব্র্যান্ড ইমেজ নির্ভরযোগ্য হলেও কেনার সময় প্যানেল অ্যালাইনমেন্ট, সুইচ, ওয়্যারিং এবং হুইল ফিনিশিং ভালো করে দেখে নিন। পুরোনো বা সেকেন্ড হ্যান্ড বাইক কিনলে ফর্ক সিল, চেইন-স্প্রকেট এবং সাসপেনশন বুশ অবশ্যই চেক করবেন।

বাইক স্টার্ট দিতে সমস্যা, ভাইব্রেশন বা ইলেকট্রিক্যাল ইস্যু থাকলে তা সার্ভিস সেন্টারে দেখান। কোল্ড স্টার্ট, আইডল কন্ডিশন এবং এক্সিলারেশন ঠিক আছে কি না তা পরখ করুন। কোনো অস্বাভাবিক শব্দ বা গিয়ার শিফটিংয়ে সমস্যা থাকলে তা গুরুত্ব সহকারে দেখুন।

সার্ভিস, পার্টস এবং রক্ষণাবেক্ষণ খরচ

বাংলাদেশে Honda-র শক্তিশালী ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক থাকায় এর সার্ভিস পাওয়া অন্যান্য ইম্পোর্টেড বাইকের চেয়ে সহজ। তবে এলাকাভেদে পার্টস বা দক্ষ মেকানিকের প্রাপ্যতা ভিন্ন হতে পারে। আপনার নিকটস্থ শোরুমে নিয়মিত ব্যবহৃত পার্টস এবং বডি পার্টসের খোঁজ নিন।

এয়ার-কুলড ইঞ্জিন হওয়ার কারণে এর মেইনটেন্যান্স খরচ তুলনামূলক কম। তবুও ইঞ্জিন অয়েল, ফিল্টার এবং চেইনের যত্নে নিয়মিত বাজেট রাখুন। জেনুইন পার্টস লোকাল পার্টসের চেয়ে কিছুটা দামি হতে পারে। ভালো পারফরম্যান্স পেতে দক্ষ মেকানিক দিয়ে carburettor সার্ভিস করান।

Resale এবং প্রতিদ্বন্দ্বী বাইকসমূহ

Honda-র ব্র্যান্ড ভ্যালুর কারণে এর resale ভ্যালু সাধারণত ভালো হয়, তবে তা নির্ভর করে বাইকের কন্ডিশন এবং পেপারস-এর ওপর। বাজারে এর সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বী হলো Bajaj Platina, Hero Splendor এবং TVS Metro। Livo-র লুক, ফ্রন্ট ডিস্ক এবং CBS একে এগিয়ে রাখলেও ABS-এর অভাব এবং সাধারণ লাইটিং সিস্টেম কিছুটা পিছিয়ে রাখে। কেনার আগে বর্তমান প্রাইস এবং অফার সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নিন।

ভালো দিক (Pros)

  • শহরের ব্যস্ত রাস্তায় প্রতিদিনের ব্যবহারের জন্য বেশ হালকা এবং সহজে নিয়ন্ত্রণযোগ্য।
  • সাশ্রয়ী ইঞ্জিন এবং প্রায় 60 km/l মাইলেজ (রেফারেন্স অনুযায়ী)।
  • Front disc এবং CBS সিস্টেম যা দৈনন্দিন ব্রেকিংয়ে সহায়তা করে।
  • লম্বা সিট এবং অ্যাডজাস্টেবল রিয়ার সাসপেনশন।
  • বাংলাদেশে Honda-র শক্তিশালী সার্ভিস এবং পার্টস সাপোর্ট।

খারাপ দিক (Cons)

  • হাইওয়েতে বিশেষ করে পিলিয়ন বা যাত্রীসহ ওভারটেকিং করার জন্য পর্যাপ্ত পাওয়ারের অভাব।
  • কোনো ABS নেই; CBS সিস্টেম চাকা লক হওয়া পুরোপুরি ঠেকাতে পারে না।
  • Carburettor ইঞ্জিনের সঠিক অ্যাডজাস্টমেন্ট এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজন হয়।
  • Halogen লাইটিং এবং অন্যান্য সাধারণ ফিচার যা খুব বেসিক মনে হতে পারে।

শেষ কথা (Verdict)

সহজ নিয়ন্ত্রণ, ভালো মাইলেজ এবং ব্র্যান্ড ভ্যালুর দিক থেকে Honda Livo বাংলাদেশের রাইডারদের জন্য একটি চমৎকার অপশন। তবে এর সীমাবদ্ধতাগুলো হলো সাধারণ পাওয়ার, ABS-এর অভাব এবং বেসিক ফিচার। ১৪৫,০০০ Tk মূল্যে এটি কেনার আগে অবশ্যই পিলিয়নসহ টেস্ট রাইড দিন এবং রাতে লাইটিং চেক করুন। শুধুমাত্র ব্র্যান্ডের নাম দেখে নয়, আপনার প্রয়োজনীয়তার সাথে এটি কতটুকু মানানসই তা যাচাই করে তবেই কিনুন।

Similar Bikes