Hero Xtreme 160R 4V Standard side view
Standard

Hero Xtreme 160R 4V Price in Bangladesh 2026

৳2,50,000

Listed price

Last updated:

India vs Bangladesh price

India price (₹1,35,000)
৳1,89,000
Tax & other costs
+ ৳61,000
Price in Bangladesh
৳2,50,000

Registration & tax token fee

For this 163cc bike · BRTA 100cc and above rate

2 years
৳11,764
10 years
৳20,964

Short Specifications

Engine capacity
163 cc
Maximum power
16.67 bhpat 8500 rpm
Maximum torque
14.6 Nmat 6500 rpm
Mileage
40 km/l (approx.)
ABS
Dual-channel ABS
Tubeless tyres
Yes
Seat height
795 mm
Kerb weight
146 kg
Top speed
130 km/h (approx.)

Hero Xtreme 160R 4V Price in Bangladesh

The Hero Xtreme 160R 4V price in Bangladesh is ৳2,50,000. This naked bike is powered by a 163cc 4 stroke, air-oil cooled, 4 valve engine that produces 16.67 bhp @ 8500 rpm, with a maximum torque of 14.6 Nm @ 6500 rpm. The Xtreme 160R 4V gives a mileage of around 40 km/l. It comes with dual-channel ABS and tubeless tyres. Seat height is 795 mm and kerb weight is 146 kg. Top speed: about 130 km/h. It is available in 1 colour: Standard. Check the Hero Xtreme 160R 4V full specifications, price breakdown and comparison below before you buy.

হিরো Xtreme 160R 4V দাম বাংলাদেশে 2026: ৳2,50,000

Hero Xtreme 160R 4V Colours in Bangladesh

Standard

Hero Xtreme 160R 4V Full Specifications

General

Brand
Hero
Model
Xtreme 160R 4V
Category
Naked
Model year
2026
Price
৳2,50,000 (listed price)

Engine and Transmission

Engine type
4 Stroke, Air-Oil Cooled, 4 Valve
Cooling system
Air/oil-cooled
Fuel system
Fuel Injection
Transmission
5-speed manual

Brakes and Tyres

Front brake
Disc Brake (276 mm Petal)
Rear brake
Disc Brake (220 mm Disc)
Front tyre
100/80 -17 tubeless
Rear tyre
130 / 70-17R tubeless

Suspension and Chassis

Front suspension
KYB Upside Down Forks, 37 mm DIA
Rear suspension
Showa 7 Step Adjustable Monoshock

Dimensions and Weight

Ground clearance
165 mm
Wheelbase
1333 mm
Overall dimensions (L × W × H)
2029 × 793 × 1052 mm

Electrical and Features

Headlight
LED Headlight with Position Lamp
Instrument cluster
Digital speedometer
Battery
12V 6Ah
Features
Braking System: Dual Channel ABS, Starting Method: Electric, Wheel Type: Alloy, Seat Type: Single-Seat, Engine kill switch

Additional Information

Available colours
Standard
Warranty
Not available
Availability
Available
Last updated
2026-10-16

Hero Xtreme 160R 4V Rating

Overall 70/100

Design
75%
Comfort
74%
Engine performance
63%
Mileage
69%
Brand reliability
75%
Resale value
65%

Our estimate based on specifications, brand and price.

Hero Xtreme 160R 4V FAQ — সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

Hero Xtreme 160R 4V price in Bangladesh 2026 কত?

বাংলাদেশে Hero Xtreme 160R 4V-এর বর্তমান price ৳2,50,000।

Hero Xtreme 160R 4V-এর registration fee কত?

163cc বাইক হিসেবে tax token সহ registration খরচ ২ বছরের জন্য প্রায় ৳11,764 এবং ১০ বছরের জন্য প্রায় ৳20,964।

Hero Xtreme 160R 4V-এর mileage কত?

Hero Xtreme 160R 4V প্রায় 40 km/l (approx.) mileage দেয়।

Hero Xtreme 160R 4V কত cc এবং power কত?

Hero Xtreme 160R 4V-এ 163cc engine আছে, power 16.67 bhp @ 8500 rpm, torque 14.6 Nm @ 6500 rpm।

Hero Xtreme 160R 4V-এ কি ABS আছে?

হ্যাঁ, Hero Xtreme 160R 4V-এ Dual-channel ABS আছে।

Hero Xtreme 160R 4V-এর top speed কত?

Hero Xtreme 160R 4V-এর top speed প্রায় 130 km/h (approx.)।

Hero Xtreme 160R 4V-এর seat height ও weight কত?

Seat height 795 mm এবং weight 146 kg।

বাংলাদেশে Hero Xtreme 160R 4V কোন কোন colour-এ পাওয়া যায়?

Hero Xtreme 160R 4V 1টি colour-এ পাওয়া যায়: Standard।

Hero Xtreme 160R 4V review: বাংলাদেশে ownership গাইড

Hero Xtreme 160R 4V মূলত সেইসব বাংলাদেশি রাইডারদের লক্ষ্য করে আনা হয়েছে যারা সাধারণ কমিউটার বাইকের চেয়ে বেশি এনার্জি চান, কিন্তু খুব বেশি ভারী বা দামি মোটরসাইকেলের ঝামেলায় যেতে চান না। বর্তমানে এর price ২,৫০,০০০ টাকা এবং এটি HMCL Niloy Bangladesh Limited-এর মাধ্যমে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। এতে রয়েছে একটি 163cc fuel-injected ইঞ্জিন, upside-down forks এবং dual-channel ABS। এটি একটি আকর্ষণীয় প্যাকেজ মনে হলেও, শুধুমাত্র ফিচারের ভিত্তিতে মালিকানার অভিজ্ঞতা বিচার করা ঠিক হবে না। এই review-তে বাইকটির স্পেসিফিকেশন এবং কেনার ক্ষেত্রে ব্যবহারিক দিকগুলো মূল্যায়ন করা হয়েছে। এটি কোনো ব্যক্তিগত লং-টার্ম রোড টেস্টের দাবি নয়।

কাদের জন্য Hero Xtreme 160R 4V বাইকটি সেরা?

Hero Xtreme 160R 4V তাদের জন্য সবচেয়ে ভালো যারা ঢাকা বা অন্য ব্যস্ত শহরে যাতায়াত করেন এবং মাঝে মাঝে খোলা রাস্তায় রাইড করেন। এর নেকড লেআউট এবং ১৪৬ কেজি weight দৈনন্দিন ব্যবহার এবং স্পোর্টি অনুভূতির মধ্যে একটি ভারসাম্য বজায় রাখে। যারা নিয়মিত পিলিয়ন নিয়ে দীর্ঘ ট্যুর দিতে চান, তাদের উচিত সিঙ্গেল-সিট লেআউটটি আরামদায়ক কি না তা ভালো করে যাচাই করে নেওয়া।

এই নির্দিষ্ট price-এ Hero Xtreme 160R 4V-এর পারফরম্যান্সের পাশাপাশি এর সেফটি ইকুইপমেন্টগুলোও সমান গুরুত্বের দাবি রাখে। বাইকটি কেনার আগে শোরুমের স্পেসিফিকেশন, লিখিত ওয়ারেন্টি এবং অন-রোড কোটেশন (যেমন: registration, insurance এবং accessories এর খরচ) সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নিন। কারণ এগুলো সাধারণত লিস্টেড প্রাইসে অন্তর্ভুক্ত থাকে না।

Hero Xtreme 160R 4V ইঞ্জিন: Revs বনাম পুলিং পাওয়ার

Hero Xtreme 160R 4V-এর ইঞ্জিন ৮৫০০ rpm-এ ১৬.৬৭ bhp এবং ৬৫০০ rpm-এ ১৪.৬ Nm টর্ক জেনারেট করে, সাথে আছে ৫-স্পিড ম্যানুয়াল গিয়ারবক্স। এই পরিসংখ্যানগুলো নির্দেশ করে যে ইঞ্জিনটি লো-এন্ড টর্কের চেয়ে হাই rev-এ বেশি সাড়া দেয়। বিশেষ করে পিলিয়নসহ ওভারটেকিংয়ের জন্য আপনাকে গিয়ারবক্সের ওপর নির্ভর করতে হবে। মনে রাখবেন, এটি একটি ছোট ক্যাপাসিটির স্পোর্টি বাইক, হাই-টর্ক হাইওয়ে মেশিন নয়।

Fuel injection ফুয়েল ম্যানেজমেন্টে সাহায্য করে, তবে লো-স্পিডে স্মুথনেস বোঝার জন্য টেস্ট রাইড প্রয়োজন। এর এয়ার/অয়েল কুলড ইঞ্জিন এই ক্যাটাগরির জন্য উপযুক্ত, তবে দীর্ঘক্ষণ যানজটে ইঞ্জিন কিছুটা হিট হতে পারে। বাইকটির আনুমানিক top speed ১৩০ km/h বলা হলেও এটি কোনো টেস্টেড রেজাল্ট নয়। হাইওয়েতে এই নাম্বারের পেছনে না ছুটে সেফ ওভারটেকিং স্পেসের দিকে নজর দেওয়া বেশি জরুরি।

ঢাকার ট্রাফিকে ফুয়েল ইকোনমি বা মাইলেজ

Hero Xtreme 160R 4V-এর আনুমানিক mileage ৪০ km/l। এটিকে প্রতিদিনের ট্রাফিক জ্যামের জন্য গ্যারান্টি হিসেবে না নিয়ে রেফারেন্স হিসেবে দেখা ভালো। ঘন ঘন এক্সিলারেশন, ইঞ্জিন বেশিক্ষণ আইডল থাকা, ছোট দূরত্বে রাইড এবং টায়ার প্রেসার—এসবই মাইলেজ কমিয়ে দিতে পারে। খোলা রাস্তায় ভালো মাইলেজ পাওয়া গেলেও ঢাকার যানজটে সঠিক মাইলেজ কত হবে তা যাচাই করা কঠিন।

এর ১২ লিটারের ফুয়েল ট্যাংক ভালো রেঞ্জ দিতে পারে। তবে তাত্ত্বিক রেঞ্জ এর ওপর ভিত্তি করে লং ট্রিপের পরিকল্পনা না করাই ভালো। সঠিক কনজাম্পশন জানার জন্য কয়েকবার ফুল ট্যাংক রিফিল করে পরীক্ষা করুন। যদি হঠাৎ মাইলেজ কমে যায়, তবে ফুয়েল ইনজেকশনকে দোষ দেওয়ার আগে মেইনটেন্যান্স, টায়ার প্রেসার এবং ব্রেক ড্র্যাগ চেক করুন।

Hero Xtreme 160R 4V কমফোর্ট এবং রাস্তার সক্ষমতা

Hero Xtreme 160R 4V-তে KYB upside-down ফ্রন্ট ফর্ক এবং Showa অ্যাডজাস্টেবল রিয়ার মনোশক ব্যবহার করা হয়েছে। এগুলো নামি ব্র্যান্ডের কম্পোনেন্ট হলেও তার মানে এই নয় যে রাইডিং একদম মাখনের মতো হবে। ভাঙা রাস্তা বা প্যাচওয়ার্ক করা রাস্তায় পিলিয়নসহ বাইকটি টেস্ট করে দেখা উচিত। রিয়ার প্রিলোড অ্যাডজাস্টমেন্ট লোড সামলাতে সাহায্য করলেও এটি সব ধরনের ঝাকুনি পুরোপুরি দূর করতে পারে না।

৭৯৫ মিমি সিট হাইট বেশিরভাগ রাইডারের জন্য সহজবোধ্য হওয়া উচিত, তবে সিটের চওড়া অংশের কারণে রাইডার বাইক থামানোর সময় আত্মবিশ্বাস কতটুকু পাবেন তা রাইডারের উচ্চতার ওপর নির্ভর করে। এর ১৬৫ মিমি ground clearance থাকায় উঁচু স্পিড ব্রেকারে সাবধানে চালানো উচিত। শোরুমে বসে না থেকে টেস্ট রাইড করার সময় কব্জির প্রেশার, হাঁটুর পজিশন এবং পিলিয়নের বসার ধরন দেখে নিন।

বর্ষায় ব্যবহারের জন্য tubeless tyres সুবিধাজনক, তবে টায়ারের সাইজ দেখে ভেজা রাস্তায় গ্রিপের নিশ্চয়তা দেওয়া যায় না। টায়ারের কন্ডিশন এবং ফ্রেশনেস চেক করুন। মনে রাখবেন, ground clearance মানেই পানি ডিঙানোর সক্ষমতা নয়; জলাবদ্ধ রাস্তা এড়িয়ে চলাই ভালো।

ব্রেকিং এবং সেফটি ফিচারস

Hero Xtreme 160R 4V-এর dual-channel ABS এই বাইকটি কেনার অন্যতম প্রধান কারণ হতে পারে। উভয় চাকায় ডিস্ক ব্রেক এবং ABS হার্ড ব্রেকিংয়ের সময় চাকা লক হওয়া প্রতিরোধ করে, বিশেষ করে পিচ্ছিল রাস্তায়। তবে এটি টায়ারের গ্রিপ বাড়িয়ে দিতে পারে না। রাস্তার পেইন্ট, বালু বা তেলের কারণে যেকোনো সময় পিছলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তাই সাবধানে চালানো জরুরি।

বাইকটি চেক করার সময় ABS ওয়ার্নিং লাইট, ব্রেকিং ফিল এবং ডিস্ক কন্ডিশন ম্যানুয়াল দেখে যাচাই করুন। LED হেডলাইটের আলো অন্ধকার রাস্তায় যথেষ্ট কি না তাও দেখে নেওয়া প্রয়োজন।

বিল্ড কোয়ালিটি: অনুমান না করে সরাসরি পরীক্ষা করুন

Hero Xtreme 160R 4V-এর কোনো নির্দিষ্ট ত্রুটি সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য নেই, তাই কেনার আগে প্যানেল অ্যালাইনমেন্ট, ফাস্টেনার, ওয়েল্ডিং এর চারপাশের পেইন্ট এবং ইলেকট্রিক্যাল কানেক্টরগুলো ভালো করে দেখুন। ফর্ক সিল দিয়ে তেল চুঁইয়ে পড়ছে কি না বা চেইনে কোনো সমস্যা আছে কি না তা পরীক্ষা করুন। এগুলো অভিযোগ নয়, বরং কেনার আগে সতর্কতামূলক চেকলিস্ট।

ব্যবহৃত বা সেকেন্ড হ্যান্ড বাইক কেনার ক্ষেত্রে কোল্ড স্টার্ট, আইডল স্ট্যাবিলিটি এবং গিয়ার শিফটিং ভালো করে দেখে নিন। বাইকটি আগে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল কি না তা বোঝার জন্য স্টিয়ারিং স্টপ এবং হ্যান্ডেলবার লক্ষ্য করুন। কসমেটিক এক্সেসরিজের চেয়ে সার্ভিস রেকর্ডের ওপর বেশি গুরুত্ব দিন।

সার্ভিসিং, পার্টস এবং মেইনটেন্যান্স খরচ

বাংলাদেশে হিরোর শক্তিশালী ডিস্ট্রিবিউটর থাকায় এটি অন্যান্য ছোট আমদানিকারকদের তুলনায় সার্ভিসিংয়ের দিক থেকে অনেক এগিয়ে। তবে এর মানে এই নয় যে প্রতিটি শোরুমে সব মডেলের পার্টস থাকবে। কেনার আগে স্থানীয় অনুমোদিত ওয়ার্কশপে ফর্ক সিল, ABS কম্পোনেন্ট এবং ফুয়েল-ইনজেকশন ডায়াগনস্টিক সুবিধা আছে কি না জেনে নিন।

মেইনটেন্যান্সের ক্ষেত্রে ইঞ্জিন অয়েল, ফিল্টার, চেইন এবং টায়ার হলো প্রধান খরচ। upside-down fork মেরামত বা ইলেকট্রনিক কোনো সমস্যার সমাধান সাধারণ কমিউটার বাইকের চেয়ে ব্যয়বহুল হতে পারে। বাইকের ম্যানুয়াল অনুযায়ী ইঞ্জিন অয়েল গ্রেড এবং সার্ভিস ইন্টারভাল মেনে চলুন।

Resale এবং প্রতিযোগী বাইকসমূহ

বাংলাদেশে Hero Xtreme 160R 4V-এর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হলো TVS Apache RTR 160 4V, Bajaj Pulsar N160 এবং Suzuki Gixxer। হিরোর ব্র্যান্ড ভ্যালু থাকলেও এর রিসেল ভ্যালু নির্ভর করবে বাইকের কন্ডিশন এবং ওই সময়ের চাহিদার ওপর। অন্য পরিচিত প্রতিদ্বন্দ্বীদের মতো এটিও সমান রিসেল ভ্যালু দেবে—এমনটা আগে থেকে নিশ্চিত করে বলা যায় না।

ভালো দিক (Pros)

  • Dual-channel ABS একটি গুরুত্বপূর্ণ সেফটি অ্যাডভান্টেজ।
  • স্পোর্টি ইঞ্জিন স্পেসিফিকেশন সিটি কমিউটিং এবং মাঝে মাঝে ওপেন রোডে চালানোর জন্য উপযোগী।
  • অ্যাডজাস্টেবল রিয়ার সাসপেনশন লোড অনুযায়ী সেটআপ করার সুবিধা দেয়।
  • Fuel injection এবং tubeless tyres দৈনন্দিন ব্যবহারে সাহায্য করে।
  • বাংলাদেশে সুপ্রতিষ্ঠিত ডিস্ট্রিবিউটর থাকায় সার্ভিস সাপোর্ট পাওয়া সহজ।

খারাপ দিক (Cons)

  • ওভারটেক করার জন্য ডাউনশিফটিং এবং হাই revs প্রয়োজন হতে পারে।
  • আনুমানিক mileage ঢাকার যানজটে ভিন্ন হতে পারে।
  • লোড থাকা অবস্থায় গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স এবং পিলিয়ন কমফোর্ট সতর্কতার সাথে যাচাই করা প্রয়োজন।
  • স্পেশালাইজড পার্টস ব্যবহারের কারণে রিপেয়ার কস্ট কিছুটা বেশি হতে পারে।
  • মডেল-স্পেসিফিক পার্টস এর প্রাপ্যতা এবং resale ভ্যালু স্থানীয়ভাবে যাচাই করে নেওয়া উচিত।

শেষ কথা (Verdict)

Hero Xtreme 160R 4V একটি সেফটি-ফোকাসড স্পোর্টি কমিউটার বাইক। এটি ট্যুরিং বা মাইলেজ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে গ্যারান্টি না দিলেও, যারা কম ওজনের মধ্যে ভালো পারফরম্যান্স এবং dual-channel ABS খুঁজছেন, তাদের জন্য এটি একটি দারুণ চয়েস। যদি রাইডিং পজিশন আপনার জন্য আরামদায়ক হয় এবং আপনার এলাকায় সার্ভিস সাপোর্ট থাকে, তবে আপনি এটি কেনার কথা ভাবতে পারেন। এর মূল আকর্ষণ হলো লাইটওয়েট বডি এবং সেফটি ফিচার, শুধুমাত্র advertised top speed নয়।

Similar Bikes