Haojue TZ Standard side view
Standard

Haojue TZ Price in Bangladesh 2026

৳1,30,000

Listed price

Last updated:

India vs Bangladesh price

India price (₹—)
Not sold in India
Price in Bangladesh
৳1,30,000

Registration & tax token fee

For this 135cc bike · BRTA 100cc and above rate

2 years
৳11,764
10 years
৳20,964

Short Specifications

Engine capacity
135 cc
Maximum power
10.4 bhpat 8000 rpm
Maximum torque
10.2 Nmat 6500 rpm
Mileage
40 km/l (approx.)
ABS
No ABS
Tubeless tyres
Yes
Seat height
745 mm
Kerb weight
128 kg
Top speed
100 km/h (approx.)

Haojue TZ Price in Bangladesh

The Haojue TZ price in Bangladesh is ৳1,30,000. This commuter bike is powered by a 135cc single cylinder, 4-stroke engine that produces 10.4 bhp @ 8000 rpm, with a maximum torque of 10.2 Nm @ 6500 rpm. The TZ gives a mileage of around 40 km/l. It comes with a normal (non-ABS) braking system and tubeless tyres. Seat height is 745 mm and kerb weight is 128 kg. Top speed: about 100 km/h. It is available in 1 colour: Standard. Check the Haojue TZ full specifications, price breakdown and comparison below before you buy.

Haojue TZ দাম বাংলাদেশে 2026: ৳1,30,000

Haojue TZ Colours in Bangladesh

Standard

Haojue TZ Full Specifications

General

Brand
Haojue
Model
TZ
Category
Commuter
Model year
2026
Price
৳1,30,000 (listed price)

Engine and Transmission

Engine type
Single Cylinder, 4-Stroke
Cooling system
Air-cooled
Fuel system
Carburetor
Transmission
5-speed manual

Brakes and Tyres

Front brake
Single Disc
Rear brake
Drum Brake
Front tyre
2.75-18 tubeless
Rear tyre
3.50-16 tubeless

Suspension and Chassis

Front suspension
Telescopic
Rear suspension
Twin Shock

Dimensions and Weight

Ground clearance
185 mm
Wheelbase
1258 mm
Overall dimensions (L × W × H)
1955 × 810 × 1115 mm

Electrical and Features

Headlight
12V 35/35W (Halogen)
Instrument cluster
Analog speedometer
Battery
12v
Features
Braking System: Single Disc, Starting Method: Kick & Electric, Wheel Type: Alloy, Seat Type: Single-Seat, Engine kill switch

Additional Information

Available colours
Standard
Warranty
Not available
Availability
Available
Last updated
2026-10-16

Haojue TZ Rating

Overall 68/100

Design
66%
Comfort
78%
Engine performance
54%
Mileage
69%
Brand reliability
75%
Resale value
65%

Our estimate based on specifications, brand and price.

Haojue TZ FAQ — সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

Haojue TZ price in Bangladesh 2026 কত?

বাংলাদেশে Haojue TZ-এর বর্তমান price ৳1,30,000।

Haojue TZ-এর registration fee কত?

135cc বাইক হিসেবে tax token সহ registration খরচ ২ বছরের জন্য প্রায় ৳11,764 এবং ১০ বছরের জন্য প্রায় ৳20,964।

Haojue TZ-এর mileage কত?

Haojue TZ প্রায় 40 km/l (approx.) mileage দেয়।

Haojue TZ কত cc এবং power কত?

Haojue TZ-এ 135cc engine আছে, power 10.4 bhp @ 8000 rpm, torque 10.2 Nm @ 6500 rpm।

Haojue TZ-এ কি ABS আছে?

না, Haojue TZ-এ ABS নেই।

Haojue TZ-এর top speed কত?

Haojue TZ-এর top speed প্রায় 100 km/h (approx.)।

Haojue TZ-এর seat height ও weight কত?

Seat height 745 mm এবং weight 128 kg।

বাংলাদেশে Haojue TZ কোন কোন colour-এ পাওয়া যায়?

Haojue TZ 1টি colour-এ পাওয়া যায়: Standard।

Haojue TZ Review: বাংলাদেশে ownership, price এবং ব্যবহারিক দিকগুলো

বাংলাদেশের বাজারে Haojue TZ একটি ভিন্নধর্মী অফার নিয়ে এসেছে: সাধারণ commuter-bike এর সহজ মেকানিজমের সাথে ক্রুজার স্টাইলের লো-সিট হাইট। সরবরাহকৃত তথ্য অনুযায়ী এর price ১,৩০,০০০ ৳ এবং এটি বর্তমানে বিক্রয়ের জন্য অ্যাভেইলেবল রয়েছে। যারা স্পোর্টি লুকের চেয়ে আরামদায়ক রাইডিং পজিশন এবং দৈনন্দিন ব্যবহারযোগ্যতাকে বেশি গুরুত্ব দেন, মূলত তাদের জন্যই এই বাইকটি। বাংলাদেশে এটি Karnaphuli Motors Ltd. বাজারজাত করছে; তবে স্টক এবং চূড়ান্ত অন-রোড price সম্পর্কে সরাসরি শোরুম থেকে জেনে নেওয়া ভালো। এই রিভিউটি সরবরাহকৃত specification এর উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে, কোনো রোড টেস্ট বা দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের অভিজ্ঞতার দাবি করে নয়।

কাদের জন্য Haojue TZ সেরা?

অফিস যাতায়াত, পাড়া-মহল্লায় টুকটাক কাজ বা শহর থেকে গ্রামের মেঠো পথে আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য Haojue TZ একটি যুতসই বাইক। এর ৭৪৫ mm seat height এর কারণে খাটো রাইডাররা সহজেই মাটিতে পা রাখতে পারবেন, তবে সিটের প্রশস্ততা এবং রাইডারের পায়ের দৈর্ঘ্যও এখানে বিবেচ্য। বাইকটির ওজন ১২৮ kg, যা সরু পার্কিং স্পেস থেকে বের করার সময় কিছুটা ভারী মনে হতে পারে। তাই কেনার আগে একবার সিটে বসে এবং হ্যান্ডেলবার ঘুরিয়ে পেছনে ঠেলে দেখার পরামর্শ থাকবে।

একে ক্রুজার বলা হলেও ব্যবহারিক দিক থেকে এটি মূলত একটি commuter বাইক। এর air-cooled, carburetted ইঞ্জিন এবং সাধারণ যন্ত্রাংশগুলো হাই-পারফরম্যান্স বা ইলেকট্রনিক ফিচারের চেয়ে যান্ত্রিক সহজলভ্যতাকেই বেশি গুরুত্ব দেয়। যারা হাইওয়েতে দ্রুত ওভারটেকিং, আধুনিক নিরাপত্তা ফিচার বা খুব ভালো resale ভ্যালু খুঁজছেন, তারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে বিকল্পগুলো ভেবে দেখতে পারেন।

Haojue TZ ইঞ্জিন: পরিমিত গতি ও সহজ ব্যবহার

Haojue TZ-এ আছে একটি ১৩৫ cc সিঙ্গেল-সিলিন্ডার, ফোর-স্ট্রোক ইঞ্জিন যা ৮০০০ rpm-এ ১০.৪ bhp এবং ৬৫০০ rpm-এ ১০.২ Nm torque তৈরি করতে সক্ষম। এতে আছে ফাইভ-স্পিড ম্যানুয়াল গিয়ারবক্স। এই আউটপুট থেকে বোঝা যায় এটি সোলো রাইডিংয়ের জন্য পর্যাপ্ত, তবে খুব শক্তিশালী এক্সিলারেশন আশা করা ঠিক হবে না। এর টর্ক আউটপুট তুলনামূলক হাই-রেঞ্জে পাওয়া যায়, তাই ক্রুজার স্টাইল দেখে একে খুব বেশি শক্তিশালী ভাবা ভুল হবে।

শহরের জ্যামে বাইকটি চালানোর সময় সঠিক গিয়ার নির্বাচন করা জরুরি। পিলিয়ন বা অতিরিক্ত মালামাল থাকলে এর এক্সিলারেশন কিছুটা কমে যাবে। বাইকটির top speed প্রায় ১০০ km/h বলা হলেও এটি হাইওয়েতে ক্রুজিংয়ের জন্য আদর্শ নয়। হাইওয়েতে বাস বা ট্রাক ওভারটেক করার সময় যথেষ্ট জায়গা নিয়ে এবং আগেভাগে ডাউনশিফট করে চালানো নিরাপদ।

ঢাকার ট্রাফিকে ফুয়েল ইকোনমি (Mileage)

Haojue TZ এর আনুমানিক mileage প্রায় ৪০ km/l বলা হয়েছে। তবে ঢাকার ট্রাফিকে এটি গ্যারান্টি হিসেবে না ধরে রেফারেন্স হিসেবে নেয়াই ভালো। বারবার কোল্ড স্টার্ট, জ্যামে বসে থাকা এবং হুটহাট এক্সিলারেশনের কারণে mileage কমে যেতে পারে। Carburettor অ্যাডজাস্টমেন্ট, পরিষ্কার এয়ার ফিল্টার, সঠিক tyre pressure এবং চেইনের কন্ডিশন mileage এর ওপর প্রভাব ফেলে। ফুয়েল গেজের ওপর নির্ভর না করে কয়েকবার ফুল ট্যাংক তেল নিয়ে ব্যবহারের পর mileage হিসাব করা উচিত। এর ৯ L ফুয়েল ট্যাংক ব্যবহারের সময় সবসময় কিছুটা রিজার্ভ রেখে চলা উচিত।

আরাম এবং ভাঙা রাস্তার পারফরম্যান্স

Haojue TZ-এ রয়েছে টেলিস্কোপিক ফ্রন্ট সাসপেনশন এবং টুইন রিয়ার শক। এই হার্ডওয়্যারগুলো বাংলাদেশের যেকোনো ওয়ার্কশপে পরিচিত। তবে সাসপেনশন কতটুকু নরম বা শক্ত তা কেনার আগে টেস্ট করে দেখা উচিত, বিশেষ করে পিলিয়ন নিয়ে ভাঙা রাস্তায় রাইড করে দেখা ভালো। এর সিঙ্গেল-সিট ডিজাইনে পিলিয়নের জন্য যথেষ্ট জায়গা এবং গ্র্যাব রেইল আছে কি না তা যাচাই করে নিন।

এর ১৮৫ mm ground clearance স্পিড ব্রেকার বা উঁচু-নিচু রাস্তায় চলাচলের জন্য বেশ সহায়ক। তবে ওজন বেশি হলে বা সাসপেনশন দেবে গেলে বাইকের নিচের অংশ ঘষা খেতে পারে। এর ১২৫৮ mm wheelbase বাইকটিকে বেশ কমপ্যাক্ট করেছে। বৃষ্টির সময় পিচ্ছিল রাস্তা বা কাদার মধ্যে সাবধানে চালানো জরুরি। মনে রাখবেন, ground clearance ভালো মানেই এটি পানির মধ্যে সাবলীলভাবে চালানোর নিশ্চয়তা দেয় না।

ব্রেকিং এবং রাতে রাইডিংয়ের নিরাপত্তা

Haojue TZ-এ সামনে disc brake এবং পেছনে drum brake ব্যবহার করা হয়েছে, তবে কোনো ABS নেই। ঢাকার ভেজা রাস্তা বা বালুযুক্ত পথে ইমার্জেন্সি ব্রেকিংয়ের সময় ABS না থাকাটা বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে। ডিস্ক ব্রেক মানেই চাকা লক হবে না এমন নয়; প্রোগ্রেসিভ ব্রেকিং এবং সামনের গাড়ির সাথে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা জরুরি। ডেলিভারি নেওয়ার আগে ফ্রন্ট ব্রেক এবং রিয়ার ব্রেক অ্যাডজাস্টমেন্ট চেক করে নিন।

অ্যালয় হুইলের সাথে tubeless tyres একটি বড় সুবিধা। এর সামনের ২.৭৫-১৮ এবং পেছনের ৩.৫০-১৬ সাইজের টায়ারগুলোর লোকাল অ্যাভেইলেবিলিটি যাচাই করে নিন। রাতের বেলা বাইকটির ১২V ৩৫/৩৫W হ্যালোজেন হেডলাইটের আলো পর্যাপ্ত কি না তা দেখে নেওয়া জরুরি। এর অ্যানালগ স্পিডোমিটার বেশ সহজবোধ্য এবং এতে ইলেকট্রিক ও কিক উভয় স্টার্টিং অপশনই দেওয়া হয়েছে।

বিল্ড কোয়ালিটি ও ইন্সপেকশন টিপস

Haojue TZ এর নির্দিষ্ট কোনো সমস্যার কথা ঢালাওভাবে বলা না গেলেও, কেনার আগে ওয়েল্ডিংয়ের ফিনিশিং, খোলা তারের কানেকশন এবং প্যানেল অ্যালাইনমেন্ট চেক করে নেওয়া ভালো। বাংলাদেশের আবহাওয়ায় মরিচা পড়া রোধে নিয়মিত যত্ন প্রয়োজন। কোনো ব্যবহৃত বাইক কিনতে চাইলে ফর্ক-সিল লিকেজ, স্টিয়ারিং বেয়ারিং এবং চেইন চেক করে নিন।

বাইকটি স্টার্ট করার পর আইডল কন্ডিশনে স্টেবল কি না তা লক্ষ্য করুন। টেস্ট রাইডের সময় ক্লাচ এনগেজমেন্ট এবং প্রতিটি গিয়ারে ইঞ্জিনের রেসপন্স যাচাই করুন। ইঞ্জিনে কোনো অতিরিক্ত ভাইব্রেশন বা ধোঁয়া দেখা দিলে তা গুরুত্বের সাথে নিন। কেনার সময় ওয়ারেন্টি এবং সার্ভিসিং রেকর্ডের শর্তগুলো ভালো করে পড়ে নিন।

পার্টস, সার্ভিস ও রিসেল ভ্যালু

বাংলাদেশে Haojue TZ কেনার ক্ষেত্রে টেকনিক্যাল স্পেসিফিকেশনের চেয়ে লোকাল সার্ভিস সাপোর্ট বেশি গুরুত্বপূর্ণ। Honda, Yamaha বা Bajaj এর মতো বিশাল ডিলার নেটওয়ার্ক হয়তো এদের নেই, তাই আপনার এলাকায় অনুমোদিত service সেন্টার আছে কি না তা নিশ্চিত হোন।

বাইকটি কেনার আগেই এর এয়ার ফিল্টার, ব্রেক প্যাড, ক্যাবল এবং হেডলাইটের মতো জরুরি পার্টসগুলোর দাম ও সহজলভ্যতা সম্পর্কে showroom থেকে জেনে নিন। সাধারণ সার্ভিসিং সহজ হলেও মডেল স্পেসিফিক পার্টস খুঁজে পেতে সময় লাগতে পারে। রিসেল ভ্যালু সম্পর্কে নিশ্চিত হতে লোকাল মার্কেট যাচাই করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

প্রতিদ্বন্দ্বী এবং সিদ্ধান্ত

বাংলাদেশের বাজারে বিকল্প হিসেবে Honda Shine, Bajaj Discover, Hero Glamour বা TVS Stryker এর মতো বাইকগুলো বিবেচনায় রাখা যেতে পারে। তুলনা করার সময় রেজিস্ট্রেশন খরচ, পার্টস সাপোর্ট এবং ব্রেকিং সিস্টেমের কথা মাথায় রাখুন। Haojue TZ এর নিচু সিট আপনার পছন্দ হতে পারে, তবে আপনার বাসার কাছে ভালো সার্ভিস সেন্টার থাকাই মালিকানার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সুবিধা।

ভালো দিক (Pros)

  • কম seat height যা খাটো রাইডারদের জন্য বেশ সুবিধাজনক।
  • সহজ মেকানিজমের air-cooled ইঞ্জিন এবং সাধারণ রানিং গিয়ার।
  • বাংলাদেশের উঁচু-নিচু রাস্তার জন্য এর ground clearance বেশ ভালো।
  • Tubeless tyres, alloy wheels এবং কিক ও ইলেকট্রিক উভয় স্টার্টিং অপশন রয়েছে।

খারাপ দিক (Cons)

  • পিচ্ছিল রাস্তায় ইমার্জেন্সি ব্রেকিংয়ের জন্য কোনো ABS নেই।
  • মাঝারি শক্তির ইঞ্জিন হওয়ায় লোড নিয়ে এক্সিলারেশন বা ওভারটেকিংয়ে সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে।
  • Carburettor সেটআপ এবং ট্রাফিক জ্যামের কারণে mileage কমে যেতে পারে।
  • Parts এর সহজলভ্যতা এবং resale ভ্যালু সম্পর্কে আগেভাগেই নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

শেষ কথা (Verdict)

Haojue TZ তাদের জন্যই ভালো যারা একটি আরামদায়ক পজিশনের লো-সিট commuter বাইক খুঁজছেন এবং যাদের এলাকায় ভালো সার্ভিস সাপোর্ট আছে। টেস্ট রাইড এবং পার্টস অ্যাভেইলেবিলিটি যাচাই করেই এটি কেনা উচিত। যারা হাইওয়েতে বেশি রাইড করেন বা রিসেল ভ্যালু নিয়ে চিন্তিত, তাদের জন্য অন্য অপশনগুলো দেখাই ভালো হবে।

Similar Bikes