রাইডিং টিপস · ১২ অক্টোবর, ২০২৬ · ৪ মিনিট পড়া
নতুন বাইকের প্রথম ১০০০ কিলোমিটার: ব্রেক-ইন কিভাবে করবেন
নতুন বাইকের ইঞ্জিনের আয়ু আর মাইলেজ অনেকটাই নির্ভর করে প্রথম কয়েক সপ্তাহের ওপর। কত গতিতে চালাবেন, কখন সার্ভিসিং করাবেন — সহজ গাইড।

নতুন ইঞ্জিনের পিস্টন রিং, সিলিন্ডার আর গিয়ারগুলো প্রথম কিছুদিন একে অপরের সাথে মানিয়ে নেয়। এই সময়টাকে বলে ব্রেক-ইন বা রানিং-ইন পিরিয়ড। এ সময়ে যত্ন নিলে ইঞ্জিন বেশিদিন ভালো থাকে, মাইলেজও ভালো পাওয়া যায়।
গতি ও আরপিএম
- প্রথম ৫০০ কিমি গতি মোটামুটি ৪০–৫০ কিমি/ঘণ্টার মধ্যে রাখুন।
- ৫০০ থেকে ১০০০ কিমি পর্যন্ত ধীরে ধীরে ৬০ কিমি/ঘণ্টা পর্যন্ত তুলুন।
- একটানা একই গতিতে না চালিয়ে মাঝে মাঝে গতি একটু ওঠানামা করুন।
- ফুল থ্রটল আর হঠাৎ জোরে স্টার্ট এড়িয়ে চলুন।
সার্ভিসিং
বেশিরভাগ কোম্পানি প্রথম ফ্রি সার্ভিস দেয় ৫০০–৭৫০ কিমির মধ্যে। এ সময় ইঞ্জিন অয়েল বদলানো খুব জরুরি, কারণ নতুন ইঞ্জিনের সূক্ষ্ম ধাতব কণা অয়েলে মিশে থাকে। আপনার বাইকের সঠিক সময়সূচি সার্ভিস বুকলেটে দেওয়া থাকে।

আরও কিছু খেয়াল রাখুন
- ঠান্ডা ইঞ্জিন স্টার্ট দিয়ে ৩০–৬০ সেকেন্ড চালু রেখে তারপর রওনা দিন।
- প্রথম দিকে ভারী মালপত্র বা দীর্ঘ সময় দুইজন নিয়ে চালানো কমিয়ে দিন।
- নতুন টায়ার ও ব্রেক প্যাড প্রথম ১০০–২০০ কিমি একটু কম গ্রিপ দেয়, তাই সাবধানে ব্রেক করুন।
- কোম্পানির সুপারিশ করা গ্রেডের ইঞ্জিন অয়েলই ব্যবহার করুন।
প্রতিটি বাইকের ব্রেক-ইন নিয়ম একটু আলাদা হতে পারে। সবসময় আপনার বাইকের ওনার্স ম্যানুয়ালকে প্রাধান্য দিন।

