রেজিস্ট্রেশন · ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ · ৬ মিনিট পড়া

সিসি অনুযায়ী বাইকের রেজিস্ট্রেশন ফি কত? ২ বছর না ১০ বছর, কোনটা ভালো

১০০, ১২৫, ১৫০ সিসি বা তার বেশি — কোন বাইকের রেজিস্ট্রেশনে কত খরচ, আইন কী বলে এবং ২ বছর ও ১০ বছরের ট্যাক্স টোকেনের সুবিধা-অসুবিধা।

নতুন মোটরসাইকেলের নম্বর প্লেট এবং কাগজপত্র

বাইক কেনার পর প্রথম কাজ হলো বিআরটিএ থেকে রেজিস্ট্রেশন করানো। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী নিবন্ধন ছাড়া কোনো মোটরযান রাস্তায় চালানো যায় না। ধরা পড়লে জরিমানার পাশাপাশি বাইক আটকও হতে পারে।

রেজিস্ট্রেশন ফি কিসের ওপর নির্ভর করে

মোট খরচ ঠিক হয় মূলত তিনটা জিনিসে: বাইক ১০০ সিসির কম না বেশি (বিআরটিএ শুধু এই দুই ভাগে কর ধরে), কত বছরের ট্যাক্স টোকেন নিচ্ছেন (২ বছর বা ১০ বছর), এবং নম্বর প্লেট, ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট ও ভ্যাটের মতো বাধ্যতামূলক চার্জ। রেজিস্ট্রেশন একবারই হয়; ২ বা ১০ বছর আসলে ট্যাক্স টোকেনের মেয়াদ।

আনুমানিক খরচ (সিসি অনুযায়ী)

ইঞ্জিন২ বছর১০ বছর
১০০ সিসির কমপ্রায় ৳৯,২৯১প্রায় ৳১৩,৮৯১
১০০ সিসি বা তার বেশি (১২৫, ১৫০, ১৬০ সব)প্রায় ৳১১,৭৬৪প্রায় ৳২০,৯৬৪

এগুলো আনুমানিক হিসাব; বিআরটিএ ফি মাঝে মাঝে বদলায়। সঠিক অঙ্ক জানতে বিআরটিএর অফিসিয়াল ফি ক্যালকুলেটর ব্যবহার করুন।

২ বছরের ট্যাক্স টোকেন

  • সুবিধা: শুরুতে কম টাকা লাগে, বাইক কেনার মাসে চাপ কম থাকে।
  • সুবিধা: ২–৩ বছরের মধ্যে বাইক বিক্রি করার পরিকল্পনা থাকলে ভালো।
  • অসুবিধা: প্রতি ২ বছর পর নবায়ন করতে হয়; ভুলে গেলে জরিমানা লাগে।
  • অসুবিধা: লম্বা সময় ধরলে মোট খরচ ১০ বছরের প্যাকেজের চেয়ে বেশি পড়ে।

১০ বছরের ট্যাক্স টোকেন

  • সুবিধা: একবার দিলে দীর্ঘদিন আর নবায়নের ঝামেলা নেই।
  • সুবিধা: বছরে হিসাব করলে খরচ অনেক কম পড়ে।
  • অসুবিধা: শুরুতে একসাথে বেশি টাকা দিতে হয়।
  • অসুবিধা: কয়েক বছরের মধ্যে বাইক বিক্রি করলে বাকি মেয়াদের সুবিধা মূলত নতুন মালিক পান।

কোনটা বেছে নেবেন

বাইকটা যদি অনেক বছর চালানোর ইচ্ছা থাকে, ১০ বছরের ট্যাক্স টোকেনই সাধারণত লাভজনক। আর বাজেট কম থাকলে বা কিছুদিন পর বাইক বদলানোর পরিকল্পনা থাকলে ২ বছর নিন।

রেজিস্ট্রেশনের সময় ড্রাইভিং লাইসেন্স (বা লার্নার), জাতীয় পরিচয়পত্র, টিআইএন এবং ডিলারের দেওয়া কাগজপত্র লাগে। শোরুমে দেওয়া রেজিস্ট্রেশন খরচের হিসাব বিআরটিএর ক্যালকুলেটরের সাথে মিলিয়ে নিন।

তথ্যসূত্র

আরও পড়ুন