Yamaha WR450F Icon Blue side view
Icon Blue

Yamaha WR450F Price in Bangladesh 2026

Estimated price

৳33,30,000

Not available in Bangladesh

Estimated price

Last updated:

USA vs Bangladesh price

USA price (US$10,499)
৳12,80,878
Tax & other costs
+ ৳20,49,122
Estimated price in Bangladesh
৳33,30,000

Short Specifications

Engine capacity
450 cc
Maximum power
Not published
Maximum torque
Not published
Mileage
20 km/l (approx.)
ABS
No ABS
Tubeless tyres
No
Seat height
955 mm
Kerb weight
119 kg
Top speed
145 km/h (approx.)

Yamaha WR450F Price in Bangladesh

Yamaha WR450F is not officially sold in Bangladesh, but its estimated price in Bangladesh in 2026 is around ৳33,30,000. This off-road bike is powered by a 450cc liquid-cooled, single-cylinder, dohc, 4-valve engine that produces Not published, with a maximum torque of Not published. The WR450F gives a mileage of around 20 km/l. It comes with a normal (non-ABS) braking system and tube-type tyres. Seat height is 955 mm and kerb weight is 119 kg. Top speed: about 145 km/h. It is available in 1 colour: Icon Blue. Check the Yamaha WR450F full specifications, price breakdown and comparison below before you buy.

ইয়ামাহা WR450F দাম বাংলাদেশে 2026: ৳33,30,000

Yamaha WR450F Colours

Icon Blue

Yamaha WR450F Full Specifications

General

Brand
Yamaha
Model
WR450F
Category
Off-road
Model year
2026
Price
৳33,30,000 (estimated price)

Engine and Transmission

Engine type
Liquid-cooled, single-cylinder, DOHC, 4-valve
Cooling system
Liquid-cooled
Fuel system
Fuel injection
Transmission
6-speed

Brakes and Tyres

Front brake
270 mm disc
Rear brake
245 mm disc
Front tyre
80/100-21 tube-type
Rear tyre
130/90-18 tube-type

Suspension and Chassis

Front suspension
KYB spring fork
Rear suspension
Not available

Dimensions and Weight

Ground clearance
Not available
Wheelbase
Not available
Overall dimensions (L × W × H)
Not available

Electrical and Features

Headlight
LED
Instrument cluster
Enduro LCD
Battery
Not available
Features
Enduro off-road bike, Electric start

Additional Information

Available colours
Icon Blue
Warranty
Not available
Availability
Available
Last updated
2026-10-15

Yamaha WR450F Rating

Overall 69/100

Design
86%
Comfort
55%
Mileage
47%
Brand reliability
90%
Resale value
67%

Our estimate based on specifications, brand and price.

Yamaha WR450F FAQ — সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

Yamaha WR450F price in Bangladesh 2026 কত?

Yamaha WR450F বাংলাদেশে অফিসিয়ালি বিক্রি হয় না। আমদানি করলে আনুমানিক price হতে পারে ৳33,30,000।

Yamaha WR450F-এর mileage কত?

Yamaha WR450F প্রায় 20 km/l (approx.) mileage দেয়।

Yamaha WR450F কত cc এবং power কত?

Yamaha WR450F-এ 450cc engine আছে, power Not published, torque Not published।

Yamaha WR450F-এ কি ABS আছে?

না, Yamaha WR450F-এ ABS নেই।

Yamaha WR450F-এর top speed কত?

Yamaha WR450F-এর top speed প্রায় 145 km/h (approx.)।

Yamaha WR450F-এর seat height ও weight কত?

Seat height 955 mm এবং weight 119 kg।

Yamaha WR450F কোন কোন colour-এ পাওয়া যায়?

Yamaha WR450F 1টি colour-এ পাওয়া যায়: Icon Blue।

Yamaha WR450F review: বাংলাদেশে ownership এবং 450cc Enduro সক্ষমতা বিশ্লেষণ

Yamaha WR450F হলো Yamaha-এর enduro ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের এক অনন্য নিদর্শন, যা মাত্র ১১৯ কেজি ওজনের চেসিসে একটি 450cc liquid-cooled DOHC ইঞ্জিন অফার করে। বাংলাদেশের বাজারে এর আনুমানিক price ৩,৩৩০,০০০ Tk, যা এই মেশিনটিকে সাধারণ commuter-এর বদলে একটি হাই-পারফরম্যান্স কম্পিটিশন টুলে পরিণত করেছে। এই Bike Price Bangladesh অ্যাসেসমেন্টটি মূলত স্পেসিফিকেশন-ভিত্তিক একটি বিশ্লেষণ এবং এটি সরাসরি হ্যান্ডস-অন টেস্টিং বা ভেরিফাইড মালিকদের মতামতের ওপর ভিত্তি করে নয়। যেহেতু এটি গণমানুষের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে ডিস্ট্রিবিউটেড নয়, তাই এটি কেবল সেইসব এনথুসিয়াস্টদের জন্য যারা একটি স্পেশালাইজড অফ-রোড বাইক খুঁজছেন। স্থানীয় অবকাঠামোতে এই বাইকটি কতটা টিকবে তা সম্পূর্ণ নির্ভর করে রাইডারের টেকনিক্যাল দক্ষতা এবং হাই-মেইনটেন্যান্স রেসিং প্ল্যাটফর্ম সামলানোর ক্ষমতার ওপর।

১. Yamaha WR450F কাদের জন্য?

Yamaha WR450F সাধারণ commuter বা নতুন রাইডারদের জন্য নয়। এর ডিজাইনটি পুরোপুরি এন্ডুরো রেসিং এবং সিরিয়াস ট্রেইল রাইডিংয়ের কথা মাথায় রেখে করা হয়েছে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে, এই বাইকটি পেশাদার র্যালি কম্পিটিটর বা সেইসব শৌখিন রাইডারদের জন্য উপযুক্ত যাদের নিজস্ব ট্র্যাক অথবা বান্দরবান বা সিলেটের পাহাড়ি অঞ্চলে যাতায়াত আছে। এর ৯৫৫ মিমি seat height সামলানোর জন্য একজন দক্ষ এবং লম্বা রাইডারের প্রয়োজন।

সম্ভাব্য মালিকদের বুঝতে হবে যে Yamaha WR450F-এ প্রতিদিনের সিটি নেভিগেশনের জন্য কোনো আরামদায়ক ergonomics নেই। এটি মূলত একটি 'dirt bike with lights', যা ট্রাফিক জ্যামে বসে থাকার জন্য নয় বরং দাঁড়িয়ে রাইড করার জন্য তৈরি। আপনি যদি ঢাকার জ্যামে এটি চালাতে চান, তবে এর 450cc ইঞ্জিনের উত্তাপ এবং অ্যাগ্রেসিভ সিট প্রোফাইল আপনার জন্য কষ্টকর হতে পারে। এটি মূলত উইকেন্ড এক্সপিডিশনের জন্য একটি সেকেন্ডারি বা টারশিয়ারি বাহন।

২. Yamaha WR450F পাওয়ার এবং টর্ক ডাইনামিক্স

আঞ্চলিক টিউনিংয়ের সুবিধার জন্য Yamaha আনুষ্ঠানিকভাবে Yamaha WR450F-এর নির্দিষ্ট horsepower এবং torque প্রকাশ করেনি, তবে এর 450cc DOHC 4-valve ইঞ্জিনটি YZ450F মোটোক্রসার থেকে নেওয়া হয়েছে। এর অর্থ হলো এর পাওয়ার ডেলিভারি অত্যন্ত দ্রুত এবং শক্তিশালী। কাদা বা খাড়া পাহাড় থেকে বাইকটিকে টেনে বের করার জন্য এর টর্ক অপ্টিমাইজ করা হয়েছে। যেখানে বাংলাদেশে ১৬০ সিসি বাইকই সাধারণ, সেখানে Yamaha WR450F-এর 450cc আউটপুট সামলানোর জন্য সূক্ষ্ম throttle control প্রয়োজন।

এর 6-speed transmission মোটোক্রস গিয়ারবক্সের তুলনায় উন্নত, যা ট্রেইলের জন্য টলার টপ গিয়ার প্রদান করে। যদিও এর top speed আনুমানিক ১৪৫ km/h, তবে এটি মাটি বা বালিতে কত দ্রুত ১০০ কিমি গতি তুলতে পারে সেটাই বড় বিষয়। মালিকদের এর ইঞ্জিনের কুলিং সিস্টেমের দিকে খেয়াল রাখতে হবে; যদিও এটি লিকুইড-কুলড, তবুও ট্রপিক্যাল গরমে দীর্ঘক্ষণ জ্যামে দাঁড়িয়ে থাকলে পর্যাপ্ত এয়ারফ্লো না পেয়ে ইঞ্জিন উত্তপ্ত হতে পারে।

৩. বাংলাদেশের ট্রাফিকে Fuel Efficiency এবং রেঞ্জ

রেসিং ইঞ্জিনের জন্য fuel economy কখনোই মূল লক্ষ্য নয়, এবং Yamaha WR450F-এর ক্ষেত্রেও তাই। এর আনুমানিক mileage ২০ km/l পাওয়া বেশ কঠিন, বিশেষ করে বালি বা কাদায় রাইড করলে এটি আরও কমে যাবে। মাত্র ৭.৯ লিটার fuel tank হওয়ার কারণে এর টোটাল রেঞ্জ বেশ কম। বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে লং ডিসটেন্স এক্সপ্লোরেশনের জন্য সাথে অতিরিক্ত ফুয়েল কন্টেইনার রাখা বাধ্যতামূলক হবে।

তাছাড়া, Yamaha WR450F-এর হাই-কম্প্রেশন ইঞ্জিনের জন্য উন্নত মানের ফুয়েল প্রয়োজন। এর fuel injection system অত্যন্ত সেনসিটিভ, তাই রাস্তার ধারের নিচুমানের পেট্রোল ব্যবহার করলে ইনজেক্টর জ্যাম বা ইঞ্জিন নকিং হতে পারে। এই 450cc পাওয়ারপ্ল্যান্টের পারফরম্যান্স ধরে রাখতে প্রিমিয়াম অকটেন ব্যবহার করাই শ্রেয়।

৪. রাফ টেরেইনে কমফোর্ট এবং হ্যান্ডলিং

পাকা রাস্তা যেখানে শেষ, Yamaha WR450F-এর দাপট সেখানে শুরু। KYB spring fork এবং ২১-ইঞ্চি ফ্রন্ট হুইল দিয়ে সজ্জিত এই বাইকটি সাধারণ রাস্তার বড় গর্তগুলো অনায়াসেই পার হয়ে যায়। এর সাসপেনশন ট্র্যাভেল অনেক বেশি, যা বড় কোনো জাম্প বা পাথরের ধাক্কা শুষে নেয়। তবে অফ-রোডে ভালো পারফরম্যান্স দিলেও অন-রোডে এটি খুব একটা আরামদায়ক নয়। এর সিট বেশ সরু এবং শক্ত, যা লং-টার্ম কুশনিংয়ের জন্য নয় বরং রাইডারের মুভমেন্টের জন্য তৈরি।

পিলিয়ন প্যাসেঞ্জারের জন্য Yamaha WR450F একদমই অনুপযোগী। এতে কোনো ডেডিকেটেড ফুটপেগ বা গ্র্যাব রেল নেই এবং এর সাবফ্রেম দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ওজন নেওয়ার জন্য ডিজাইন করা হয়নি। এটি একজন রাইডারের জন্য একটি মেশিন। গ্রামীণ বাংলাদেশের ভাঙা রাস্তায় Yamaha WR450F অনন্য স্ট্যাবিলিটি দেয়, তবে সিঙ্গেল-সিলিন্ডার ইঞ্জিনের ভাইব্রেশন রাইডার অনুভব করবেন।

৫. ব্রেক এবং সেফটি: একটি কারিগরি পর্যবেক্ষণ

Yamaha WR450F-এর ব্রেকিং নিয়ন্ত্রিত হয় ২৭০ মিমি ফ্রন্ট disc এবং ২৪৫ মিমি রিয়ার disc দিয়ে। এগুলো পিচ্ছিল রাস্তায় সর্বোচ্চ কন্ট্রোল দেওয়ার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, হাইওয়েতে ইমারজেন্সি ব্রেকিংয়ের জন্য নয়। উল্লেখ্য যে, Yamaha WR450F-এ কোনো ABS (Anti-lock Braking System) নেই। বাংলাদেশের বৃষ্টিভেজা এবং অনিশ্চিত রাস্তার পরিস্থিতিতে, ABS না থাকা মানে হলো রাইডারকে স্কিডিং এড়াতে অত্যন্ত দক্ষ ব্রেকিং টেকনিক জানতে হবে।

এর tube-type tyres (৮০/১০০-২১ সামনে এবং ১৩০/৯০-১৮ পেছনে) অফ-রোড গ্রিপের জন্য দারুণ হলেও গরম পিচ ঢালা রাস্তায় কিছুটা ভারসাম্যহীন মনে হতে পারে। মালিকদের মনে রাখা উচিত যে টিউবলেস টায়ারের তুলনায় এই টায়ারগুলোতে পাংচার হওয়ার সম্ভাবনা বেশি এবং মেরামত করাও ঝামেলার। তবে এর LED headlight রাতের বেলায় রাইডিংয়ের সময় ভালো ভিজিবিলিটি দেয়।

৬. বিল্ড কোয়ালিটি এবং ডিউরেবিলিটি অ্যাসেসমেন্ট

Yamaha WR450F-এর বিল্ড কোয়ালিটি বিশ্বমানের; এতে হালকা ওজনের অ্যালয় এবং হাই-স্ট্রেংথ প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয়েছে। এই বাইকটি এমনভাবে তৈরি যাতে এটি আছাড় খেলেও টিকে থাকে। হ্যান্ডেলবার থেকে ফুটপেগ পর্যন্ত প্রতিটি পার্টস অত্যন্ত টেকসই। তবে রেসিং সেন্সে 'টেকসই' মানে হলো এটি আঘাত সহ্য করতে পারে, এর মানে এই নয় যে মেইনটেন্যান্স ছাড়া এটি চলবে। বাংলাদেশের আর্দ্র আবহাওয়ায় জং ধরা রোধ করতে এর এক্সপোজড ইঞ্জিন এবং হাই-মাউন্টেড এগজস্ট নিয়মিত পরিষ্কার করা প্রয়োজন।

এর Enduro LCD cluster বেশ মিনিমালিস্ট, যেখানে রেসের সময় প্রয়োজনীয় তথ্যগুলোই কেবল দেখা যায়। সাধারণ স্ট্রিট বাইকের ফিচার-সমৃদ্ধ কনসোলের তুলনায় এটি কিছুটা সাদামাটা মনে হতে পারে। এতে electric start সুবিধা থাকাটা বড় একটি প্লাস পয়েন্ট, বিশেষ করে পাহাড়ে বা ঢালে ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে গেলে এটি খুব কাজে দেয়।

৭. বাংলাদেশে পার্টসের প্রাপ্যতা এবং মেইনটেন্যান্স

বাংলাদেশে Yamaha WR450F কেনার ক্ষেত্রে এটিই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। যেহেতু ACI Motors-এর মতো লোকাল ডিস্ট্রিবিউটররা এটি আনুষ্ঠানিকভাবে বাজারজাত করে না, তাই এর spare parts সহজে পাওয়া যাবে না। অয়েল ফিল্টার, এয়ার ফিল্টার বা ব্রেক প্যাডের মতো সাধারণ জিনিসগুলোও থাইল্যান্ড, ভারত বা আমেরিকা থেকে ব্যক্তিগতভাবে ইম্পোর্ট করতে হতে পারে। এর মেইনটেন্যান্স কিমি অনুযায়ী নয় বরং ঘণ্টা (hours of operation) অনুযায়ী করতে হয়, যার মানে ঘন ঘন অয়েল চেঞ্জ এবং ভালভ ইন্সপেকশন প্রয়োজন।

এছাড়া 450cc fuel-injected DOHC Yamaha ইঞ্জিনে কাজ করতে পারে এমন টেকনিশিয়ান খুঁজে পাওয়াও দুষ্কর। লোকাল মেকানিকরা সাধারণত কম সিসির বাইকে কাজ করতে অভ্যস্ত। তাই Yamaha WR450F-এর মালিককে হয় নিজে মেকানিক হতে হবে অথবা বিশেষ কোনো ওয়ার্কশপের সাথে যোগাযোগ রাখতে হবে। এটি একটি হাই-মেইনটেন্যান্স মেশিন যা অবহেলা সহ্য করবে না।

৮. রিসেল ভ্যালু এবং ইউজড মার্কেট পরিস্থিতি

বাংলাদেশে Yamaha WR450F-এর রিসেল মার্কেট অত্যন্ত ছোট। যেহেতু এর আনুমানিক price ৩৩ লক্ষ টাকারও বেশি, তাই এর সম্ভাব্য ক্রেতা কেবল হাতেগোনা কয়েকজন এলিট এনথুসিয়াস্ট। বাইকটি পরে বিক্রি করতে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে এবং এর ভ্যালু দ্রুত কমতে পারে, কারণ পরবর্তী ক্রেতা সবসময় এর মেইনটেন্যান্স হিস্ট্রি এবং পার্টসের প্রাপ্যতা নিয়ে চিন্তিত থাকবে।

একটি ইউজড Yamaha WR450F কেনার সময় কম্প্রেশন টেস্ট এবং কুলিং সিস্টেম ভালোভাবে পরীক্ষা করা উচিত। যেহেতু এই বাইকগুলো রাফলি চালানো হয়, তাই ফ্রেমে কোনো ফাটল বা রিমে কোনো বেন্ড আছে কিনা তা দেখা জরুরি। ইউজড কন্ডিশনে বাইকটির ভ্যালু পুরোপুরি নির্ভর করে এর সার্ভিস রেকর্ড এবং জেনুইন পার্টস ব্যবহারের প্রমাণের ওপর।

ভালো দিক (Pros)

  • মাত্র ১১৯ কেজি curb weight হওয়ার কারণে এর পাওয়ার-টু-ওয়েট রেশিও অসাধারণ, যা দ্রুত হ্যান্ডলিং নিশ্চিত করে।
  • প্রিমিয়াম KYB spring fork সাসপেনশন বড় ধরণের ইমপ্যাক্ট এবং গর্তের ঝাকুনি অনায়াসেই শুষে নিতে পারে।
  • টেকনিক্যাল টেরেইনের জন্য অপ্টিমাইজড Enduro-specific 6-speed transmission।
  • উচ্চ গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স এবং ২১-ইঞ্চি ফ্রন্ট হুইল যেকোনো বাধা টপকাতে সাহায্য করে।
  • আধুনিক LED lighting এবং Enduro LCD cluster একটি কমপ্যাক্ট ফর্মে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করে।

খারাপ দিক (Cons)

  • ৯৫ কব মিমি seat height-এর কারণে গড় উচ্চতার বাংলাদেশি রাইডারদের জন্য এটি চালানো বেশ কঠিন।
  • মাত্র ৭.৯ লিটার fuel tank দূরপাল্লার ট্যুরিংয়ের ক্ষেত্রে রেঞ্জ সীমিত করে দেয়।
  • ABS এবং অন-রোড সেফটি ফিচারের অভাব হাইওয়েতে হাই-স্পিড রাইডিংকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে।
  • আমদানি শুল্কের কারণে অতিরিক্ত price একে কেবল একটি দামী শৌখিন পণ্যে পরিণত করেছে।

শেষ কথা (Verdict)

Yamaha WR450F অফ-রোড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের একটি মাস্টারপিস যা বাংলাদেশের সাধারণ রাস্তার প্রেক্ষাপটে কিছুটা 'আউট অফ প্লেস'। এর ৩৩.৩ লক্ষ টাকার আনুমানিক price এবং স্পেশালাইজড মেইনটেন্যান্স একে শৌখিন রাইডারদের জন্য একটি লাক্সারি পণ্যে পরিণত করেছে। অফ-রোড ট্রেইলে এটি অতুলনীয় পারফরম্যান্স দিলেও ABS-এর অভাব, কম ফুয়েল রেঞ্জ এবং উচ্চ seat height একে দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য কঠিন করে তুলেছে। শুধুমাত্র যারা এন্ডুরো রেসিংয়ের প্রতি অনুরাগী এবং পার্টস ইম্পোর্ট করার সক্ষমতা রাখেন, তাদেরই Yamaha WR450F বিবেচনা করা উচিত।

Similar Bikes