Yamaha Tricity 125 Zen Green side view
Zen Green

Yamaha Tricity 125 Price in Bangladesh 2026

Estimated price

৳11,71,000

Not available in Bangladesh

Estimated price

Last updated:

Europe vs Bangladesh price

Europe price (US$4,800)
৳5,85,600
Tax & other costs
+ ৳5,85,400
Estimated price in Bangladesh
৳11,71,000

Short Specifications

Engine capacity
125 cc
Maximum power
12.2 PSat 8,000 rpm
Maximum torque
11.2 Nmat 6,000 rpm
Mileage
40 km/l (approx.)
ABS
Dual-channel ABS
Tubeless tyres
Yes
Seat height
770 mm
Kerb weight
165 kg
Top speed
95 km/h (approx.)

Yamaha Tricity 125 Price in Bangladesh

Yamaha Tricity 125 is not officially sold in Bangladesh, but its estimated price in Bangladesh in 2026 is around ৳11,71,000. This scooter bike is powered by a 125cc liquid-cooled, 4-stroke, sohc, 4-valve, vva engine that produces 12.2 PS @ 8,000 rpm, with a maximum torque of 11.2 Nm @ 6,000 rpm. The Tricity 125 gives a mileage of around 40 km/l. It comes with dual-channel ABS and tubeless tyres. Seat height is 770 mm and kerb weight is 165 kg. Top speed: about 95 km/h. It is available in 1 colour: Zen Green. Check the Yamaha Tricity 125 full specifications, price breakdown and comparison below before you buy.

ইয়ামাহা Tricity 125 দাম বাংলাদেশে 2026: ৳11,71,000

Yamaha Tricity 125 Colours

Zen Green

Yamaha Tricity 125 Full Specifications

General

Brand
Yamaha
Model
Tricity 125
Category
Scooter
Model year
2026
Price
৳11,71,000 (estimated price)

Engine and Transmission

Engine type
Liquid-cooled, 4-stroke, SOHC, 4-valve, VVA
Cooling system
Liquid-cooled
Fuel system
Fuel injection
Transmission
CVT automatic

Brakes and Tyres

Front brake
Dual 220 mm disc
Rear brake
230 mm disc
Front tyre
90/80-14 (x2) tubeless
Rear tyre
130/70-13 tubeless

Suspension and Chassis

Front suspension
Leaning twin front wheels
Rear suspension
Not available

Dimensions and Weight

Ground clearance
Not available
Wheelbase
Not available
Overall dimensions (L × W × H)
Not available

Electrical and Features

Headlight
LED
Instrument cluster
LCD
Battery
Not available
Features
Three wheels, VVA engine

Additional Information

Available colours
Zen Green
Warranty
Not available
Availability
Available
Last updated
2026-10-15

Yamaha Tricity 125 Rating

Overall 76/100

Design
86%
Comfort
86%
Engine performance
56%
Mileage
69%
Brand reliability
90%
Resale value
67%

Our estimate based on specifications, brand and price.

Yamaha Tricity 125 FAQ — সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

Yamaha Tricity 125 price in Bangladesh 2026 কত?

Yamaha Tricity 125 বাংলাদেশে অফিসিয়ালি বিক্রি হয় না। আমদানি করলে আনুমানিক price হতে পারে ৳11,71,000।

Yamaha Tricity 125-এর mileage কত?

Yamaha Tricity 125 প্রায় 40 km/l (approx.) mileage দেয়।

Yamaha Tricity 125 কত cc এবং power কত?

Yamaha Tricity 125-এ 125cc engine আছে, power 12.2 PS @ 8,000 rpm, torque 11.2 Nm @ 6,000 rpm।

Yamaha Tricity 125-এ কি ABS আছে?

হ্যাঁ, Yamaha Tricity 125-এ Dual-channel ABS আছে।

Yamaha Tricity 125-এর top speed কত?

Yamaha Tricity 125-এর top speed প্রায় 95 km/h (approx.)।

Yamaha Tricity 125-এর seat height ও weight কত?

Seat height 770 mm এবং weight 165 kg।

Yamaha Tricity 125 কোন কোন colour-এ পাওয়া যায়?

Yamaha Tricity 125 1টি colour-এ পাওয়া যায়: Zen Green।

Yamaha Tricity 125 review: বাংলাদেশে ownership এবং থ্রি-হুইল LMW প্রযুক্তির বিশ্লেষণ

Yamaha Tricity 125 আরবান মবিলিটি সেগমেন্টে একটি আমূল পরিবর্তনকারী থ্রি-হুইল Leaning Multi-Wheel (LMW) কনসেপ্ট নিয়ে এসেছে, যার আনুমানিক price ধরা হয়েছে ৳1,171,000। এই Bike Price Bangladesh মূল্যায়নটি মূলত স্পেসিফিকেশন-ভিত্তিক একটি সম্পাদকীয় বিশ্লেষণ এবং এটি কোনো ফিজিক্যাল রোড টেস্ট বা মালিকদের অভিজ্ঞতার সংকলন নয়। যেহেতু এই মডেলটি মূলত ইউরোপ এবং জাপানে বিক্রি হয়, তাই Yamaha Tricity 125 বাংলাদেশের মার্কেটের কোনো স্ট্যান্ডার্ড প্রোডাক্ট নয়; এর পারফরম্যান্স এবং ফিচার সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য আন্তর্জাতিক ম্যানুফ্যাকচারার লিস্টিং থেকে নেওয়া হয়েছে। এর কার্যকারিতা নির্ভর করছে এর টুইন-ফ্রন্ট-হুইল লেআউটের স্ট্যাবিলিটি, উচ্চ ইমপোর্ট কস্ট এবং স্থানীয় প্রেক্ষাপটে বিশেষ মেইনটেন্যান্সের প্রয়োজনীয়তাকে জাস্টিফাই করতে পারে কি না তার ওপর।

1. কাদের Yamaha Tricity 125 কেনা উচিত?

Yamaha Tricity 125 মূলত সেইসব আরবান কমিউটারদের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে যারা প্রথাগত টু-হুইলারের ক্ষিপ্রতার চেয়ে স্ট্যাবিলিটি এবং নিরাপত্তাকে বেশি গুরুত্ব দেন। এর বিশেষ বৈশিষ্ট্য—দুটি লিনিং ফ্রন্ট হুইল—এমন রাইডারদের লক্ষ্য করে তৈরি করা হয়েছে যারা বৃষ্টির সময় বা বাংলাদেশের অনিশ্চিত রাস্তার উপরিভাগে সাধারণ স্কুটারে অস্বস্তি বোধ করেন। তবে, সম্ভাব্য মালিকদের এর 165 kg curb weight-এর কথা মাথায় রাখতে হবে, যা সাধারণ 125cc বা এমনকি 150cc স্কুটারের চেয়েও অনেক বেশি ভারী।

এই মেশিনটি সেইসব টেকনোলজি প্রেমী বা নিরাপত্তা সচেতন প্রফেশনালদের জন্য উপযুক্ত যারা রাস্তায় একটি ইউনিক উপস্থিতি চান। যেহেতু এটি কোনো মেইনস্ট্রিম লোকাল রিলিজ নয়, তাই এটি এমন একজন মালিক দাবি করে যিনি একটি নিশ ইমপোর্ট করা বাইকের লজিস্টিক চ্যালেঞ্জ এবং রক্ষণাবেক্ষণ সামলাতে পারবেন। কেনার আগে অবশ্যই দেখে নিন আপনার পার্কিং স্পেসে সাধারণ ন্যারো-বডি স্কুটারের চেয়ে চওড়া এই ফ্রন্ট এন্ডটি রাখার পর্যাপ্ত জায়গা আছে কি না।

2. Yamaha Tricity 125 Power: VVA এবং Liquid Cooling বিশ্লেষণ

Yamaha Tricity 125-এর প্রাণকেন্দ্রে রয়েছে একটি অত্যাধুনিক 125cc SOHC 4-valve ইঞ্জিন, যা Variable Valve Actuation (VVA) প্রযুক্তিতে সজ্জিত। এর 8,000 rpm-এ 12.2 PS পাওয়ার এবং 6,000 rpm-এ 11.2 Nm torque নির্দেশ করে যে এটি এগ্রেসিভ পাওয়ারের বদলে লিনিয়ার ডেলিভারির জন্য টিউন করা হয়েছে। এখানে VVA অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ; এটি ইঞ্জিনকে কম স্পিডে এফিশিয়েন্সি বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং রাস্তা ফাঁকা থাকলে ভালো টপ-এন্ড পারফরম্যান্সের জন্য সেকেন্ডারি ক্যাম প্রোফাইল প্রদান করে।

যদিও এর 95 km/h আনুমানিক top speed খুব বেশি নয়, তবে এর liquid-cooling সিস্টেম বাংলাদেশের জন্য একটি বড় সম্পদ। ঢাকা বা চট্টগ্রামের স্থবির ট্রাফিক জ্যামে, একটি liquid-cooled ইঞ্জিন air-cooled প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় অনেক বেশি কনসিস্টেন্ট থাকে, যা দীর্ঘ যাতায়াতের সময় পাওয়ার কমে যাওয়ার ঝুঁকি কমায়। স্থানীয় ব্যবহারের ক্ষেত্রে স্থায়িত্বের জন্য সম্ভাব্য মালিকদের এই থার্মাল ম্যানেজমেন্টের দিকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

3. লোকাল ট্রাফিকে Yamaha Tricity 125-এর ফুয়েল এফিশিয়েন্সি

Yamaha এই স্কুটারের জন্য প্রায় 40 km/l mileage-এর কথা উল্লেখ করেছে। বাংলাদেশের স্টপ-অ্যান্ড-স্টার্ট আরবান ট্রাফিকের প্রেক্ষাপটে, এই সংখ্যাটিকে একটি আপার-লিমিট অনুমান হিসেবে দেখা উচিত। একটি 125cc ইঞ্জিনের জন্য 165 kg ভর বারবার স্থির অবস্থা থেকে সচল করা বেশ কষ্টসাধ্য; fuel injection (FI) মিক্সচার অপ্টিমাইজ করতে সাহায্য করলেও, ভারী ট্রাফিকে হাই-ইনার্শিয়া স্টার্টের কারণে 7.2-litre ট্যাঙ্ক থেকে বেশি জ্বালানি খরচ হবে।

মালিকদের তাদের নির্দিষ্ট রুটের ওপর ভিত্তি করে বাস্তবসম্মত মাইলেজের বাজেট করা উচিত। যদিও VVA এফিশিয়েন্সিতে সাহায্য করে, তবে থ্রি-হুইল হার্ডওয়্যারের ফিজিক্সের কারণে এটি কখনোই হালকা ওজনের 100cc কমিউটারের মতো সাশ্রয়ী হবে না। এছাড়া নিয়মিত 90/80-14 ফ্রন্ট tires চেক করা জরুরি, কারণ টুইন-হুইল সেটআপে ভুল প্রেশার ফুয়েল ইকোনমি আরও কমিয়ে দিতে পারে।

4. বাংলাদেশের খারাপ রাস্তায় স্ট্যাবিলিটি এবং কমফোর্ট

Yamaha Tricity 125-এ একটি ইউনিক প্যারালালোগ্রাম লিংক এবং প্রতিটি ফ্রন্ট হুইলের জন্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিস্কোপিক ফর্ক ব্যবহার করা হয়েছে। এটি Yamaha Tricity 125-কে মোটরসাইকেলের মতো বাঁক নিতে সাহায্য করার পাশাপাশি সামনে দ্বিগুণ কন্ট্যাক্ট প্যাচ প্রদান করে। ভাঙা রাস্তা, ইটের টুকরো বা ম্যানহোল কভারের ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় এই সিস্টেমটি এমনভাবে শক অ্যাবজর্ব করে যা সাধারণ সিঙ্গেল-হুইল বাইককে টলিয়ে দিতে পারত।

পিলিয়নের জন্য এর 770 mm seat height এবং ফ্ল্যাট ফ্লোরবোর্ড ডিজাইন একটি রিল্যাক্সড পজিশন নিশ্চিত করে। তবে, পেছনের 130/70-13 tire-কে 165 kg ওজন এবং প্যাসেঞ্জারের ভার সামলাতে হয়, তাই পেছনের suspension প্রিলোড (যদি অ্যাডজাস্টেবল হয়) আরামের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়ায়। 125cc ক্লাসে এর স্ট্যাবিলিটি অতুলনীয় হলেও, খুব ধীর গতিতে এর স্টিয়ারিং কিছুটা ভারী মনে হতে পারে।

5. ব্রেক এবং নিরাপত্তা: Dual-Channel ABS-এর সুবিধা

নিরাপত্তাই হলো Yamaha Tricity 125-এর সবচেয়ে বড় সেলিং পয়েন্ট। এতে সামনে দুটি 220 mm discs এবং পেছনে একটি বড় 230 mm disc রয়েছে, যা একটি dual-channel ABS সিস্টেম দ্বারা সমর্থিত। বাংলাদেশের বালুময় বা ভেজা রাস্তায় ইমার্জেন্সি ব্রেকিংয়ের সময় দুটি ফ্রন্ট হুইল থাকায় সামনের চাকা পিছলে যাওয়ার সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।

এর ব্রেকিং সিস্টেমটি লিঙ্কড, যা সুষম ডেসিলারেশন নিশ্চিত করে। 125cc প্ল্যাটফর্মে এই ধরনের হার্ডওয়্যার খুব কমই দেখা যায়, যা Yamaha Tricity 125-কে একটি প্রিমিয়াম সেফটি ব্র্যাকেটে নিয়ে গেছে। মালিকদের ব্রেক লিভারের অনুভুতি যাচাই করে নেওয়া উচিত, কারণ অতিরিক্ত হার্ডওয়্যারের কারণে এর ব্রেকিং সেনসেশন সাধারণ স্কুটারের চেয়ে অনেক বেশি কম্পোজড এবং অনেকটা গাড়ির ব্রেকিংয়ের মতো মনে হয়।

6. বিল্ড কোয়ালিটি এবং ইন্সপেকশন: একটি প্রিমিয়াম ইমপোর্ট প্রোডাক্ট

ইউরোপের মতো উন্নত বাজারের জন্য তৈরি হওয়ায়, Yamaha Tricity 125-এর ফিট এবং ফিনিশ সাধারণত অত্যন্ত উন্নত মানের হয়। এর LED lighting, LCD instrument cluster এবং জটিল ফ্রন্ট-এন্ড প্লাস্টিকগুলো ঠিকমতো অ্যালাইন করা আছে কি না এবং কোনো শব্দ করে কি না তা ভালোভাবে পরীক্ষা করা উচিত। যেহেতু এর আনুমানিক দাম ১১ লক্ষ টাকার উপরে, তাই ম্যাটেরিয়াল কোয়ালিটির প্রতি প্রত্যাশা অনেক বেশি থাকাটাই স্বাভাবিক।

LMW (Leaning Multi-Wheel) মেকানিজমটি কোনো শব্দ বা বাধা ছাড়াই স্মুথলি কাজ করছে কি না তা পরীক্ষা করুন। বাংলাদেশের ধুলোবালিযুক্ত পরিবেশে ফ্রন্ট suspension-এর উন্মুক্ত লিঙ্কেজগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করা প্রয়োজন, যাতে বুশিং এবং সিলগুলো দ্রুত নষ্ট না হয়ে যায়।

7. বাংলাদেশে পার্টস এবং সার্ভিস প্রাপ্যতা

সম্ভাব্য ক্রেতাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে Yamaha Tricity 125 বাংলাদেশে ইয়ামাহার অফিসিয়াল পার্টনারদের মাধ্যমে ডিস্ট্রিবিউট করা হয় না। এটি পার্টস পাওয়ার ক্ষেত্রে একটি বড় বাধা তৈরি করতে পারে। যদিও ইঞ্জিনের মৌলিক পার্টস অন্যান্য VVA সমৃদ্ধ 125cc বা 155cc Yamaha ইউনিটের (যেমন NMAX বা Aerox) সাথে মিল থাকতে পারে, তবে ফ্রন্ট suspension কম্পোনেন্ট, বিশেষ ধরনের tires এবং বডিওয়ার্ক সম্পূর্ণ আলাদা।

বিশেষায়িত LMW পার্টস সংগ্রহের জন্য উচ্চ শিপিং খরচ এবং দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হতে পারে। স্থানীয় টেকনিশিয়ানরা লিনিং থ্রি-হুইল সিস্টেমের জিওমেট্রি এবং ক্যালিব্রেশন সম্পর্কে পরিচিত নাও হতে পারেন, তাই কেনার আগে গ্রে-মার্কেট ইমপোর্ট হ্যান্ডেল করতে পারে এমন স্পেশালাইজড ওয়ার্কশপ খুঁজে রাখা জরুরি।

8. মেইনটেন্যান্স এবং রিসেল সংক্রান্ত বিবেচনা

Yamaha Tricity 125 রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রো-অ্যাক্টিভ হওয়া প্রয়োজন। রুটিন অয়েল চেঞ্জ এবং এয়ার ফিল্টার ক্লিনিং সাধারণ হলেও, ফ্রন্ট স্টিয়ারিং হেড এবং লিনিং লিঙ্কেজগুলোর নিয়মিত লুব্রিকেশন এবং ইন্সপেকশন প্রয়োজন যা অনেক মালিক এড়িয়ে যেতে পারেন। এই বিশেষ ফ্রন্ট-এন্ড হার্ডওয়্যারের যত্ন না নিলে ভবিষ্যতে অনেক ব্যয়বহুল মেরামতের সম্মুখীন হতে হতে পারে।

রিসেল ভ্যালুর ক্ষেত্রে Yamaha Tricity 125 একটি খুব ছোট নিশ মার্কেটের অন্তর্ভুক্ত। এর দুর্লভতা কালেকটরদের আকৃষ্ট করতে পারলেও, উচ্চ প্রাথমিক মূল্য এবং জটিল টেকনোলজির কারণে সাধারণ সেকেন্ড হ্যান্ড মার্কেটে এটি বিক্রি করা কঠিন হতে পারে। বাংলাদেশে এর রিসেল ভ্যালু পরিবর্তনশীল হতে পারে এবং এটি মূলত এমন একজন ক্রেতা পাওয়ার ওপর নির্ভর করবে যিনি এই থ্রি-হুইল টেকনোলজির গুরুত্ব বোঝেন।

ভালো দিক (Pros)

  • বিপ্লবী টুইন-ফ্রন্ট-হুইল ডিজাইন পিচ্ছিল বা অসম রাস্তায় দুর্দান্ত স্ট্যাবিলিটি প্রদান করে।
  • Variable Valve Actuation (VVA) ইঞ্জিনের পুরো RPM রেঞ্জ জুড়ে শক্তির সুষম বণ্টন নিশ্চিত করে।
  • Dual-channel ABS এবং ট্রিপল disc brakes অসাধারণ ব্রেকিং কনফিডেন্স প্রদান করে।
  • Liquid-cooled ইঞ্জিন আর্কিটেকচার দীর্ঘক্ষণ ট্রাফিক জ্যামে দাঁড়িয়ে থাকলেও ইঞ্জিন ওভারহিটিং রোধ করে।
  • মাত্র 770 mm seat height হওয়ার কারণে বিভিন্ন উচ্চতার রাইডারদের জন্য এটি বেশ আরামদায়ক।

খারাপ দিক (Cons)

  • অধিক ওজন (165 kg) হওয়ার কারণে সংকীর্ণ পার্কিং স্পেসে ম্যানুয়ালি নাড়াচাড়া করা বেশ কঠিন।
  • এর আনুমানিক ইমপোর্ট price সাধারণ প্রিমিয়াম 150cc motorcycles-এর তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
  • জটিল ফ্রন্ট suspension-এর দীর্ঘমেয়াদী মেরামতের জন্য বিশেষ কারিগরি জ্ঞানের প্রয়োজন।
  • চওড়া ফ্রন্ট ট্র্যাক হওয়ার কারণে ঢাকার অত্যন্ত সরু ট্রাফিকের ফাঁক দিয়ে ফিল্টারিং করা কঠিন হয়ে পড়ে।

শেষ কথা (Verdict)

Yamaha Tricity 125 একটি অত্যাধুনিক এবং অত্যন্ত স্থিতিশীল আরবান মবিলিটি টুল যা নিরাপত্তা ও প্রযুক্তির দিক থেকে 125cc সেগমেন্টে অনন্য। তবে, ১১ লক্ষ টাকার বেশি আনুমানিক price এবং অফিসিয়াল লোকাল সাপোর্ট সিস্টেমের অভাবে এটি মূলত শৌখিন রাইডারদের জন্য একটি লাক্সারি চয়েস। এটি পিচ্ছিল রাস্তায় অতুলনীয় কনফিডেন্স দিলেও, প্রাথমিক বিনিয়োগ এবং দীর্ঘমেয়াদী মেইনটেন্যান্স লজিস্টিকসের জন্য এর পেছনে বড় অংকের খরচ গুণতে হবে।

Similar Bikes