Yamaha FZ-X Dark Matte Blue side view
Dark Matte Blue1 of 3 colours

Yamaha FZ-X Price in Bangladesh 2026

৳3,07,500

Listed price

Last updated:

India vs Bangladesh price

India price (₹1,36,000)
৳1,90,400
Tax & other costs
+ ৳1,17,100
Price in Bangladesh
৳3,07,500

Registration & tax token fee

For this 149cc bike · BRTA 100cc and above rate

2 years
৳11,764
10 years
৳20,964

Short Specifications

Engine capacity
149 cc
Maximum power
12.4 PSat 7,250 rpm
Maximum torque
13.3 Nmat 5,500 rpm
Mileage
45 km/l (approx.)
ABS
Single-channel ABS
Tubeless tyres
Yes
Seat height
810 mm
Kerb weight
139 kg
Top speed
115 km/h (approx.)

Yamaha FZ-X Price in Bangladesh

The Yamaha FZ-X price in Bangladesh is ৳3,07,500. This retro bike is powered by a 149cc air-cooled, 4-stroke, sohc, 2-valve engine that produces 12.4 PS @ 7,250 rpm, with a maximum torque of 13.3 Nm @ 5,500 rpm. The FZ-X gives a mileage of around 45 km/l. It comes with single-channel ABS and tubeless tyres. Seat height is 810 mm and kerb weight is 139 kg. Top speed: about 115 km/h. It is available in 3 colours: Dark Matte Blue, Matte Black, Matte Copper. Check the Yamaha FZ-X full specifications, price breakdown and comparison below before you buy.

ইয়ামাহা FZ-X দাম বাংলাদেশে 2026: ৳3,07,500

Yamaha FZ-X Colours in Bangladesh

Dark Matte Blue · Matte Black · Matte Copper

Yamaha FZ-X Full Specifications

General

Brand
Yamaha
Model
FZ-X
Category
Retro
Model year
2026
Price
৳3,07,500 (listed price)

Engine and Transmission

Engine type
Air-cooled, 4-stroke, SOHC, 2-valve
Cooling system
Air-cooled
Fuel system
Fuel injection
Transmission
5-speed

Brakes and Tyres

Front brake
282 mm disc
Rear brake
220 mm disc
Front tyre
100/80-17 tubeless
Rear tyre
140/60R17 tubeless

Suspension and Chassis

Front suspension
Not available
Rear suspension
Not available

Dimensions and Weight

Ground clearance
Not available
Wheelbase
Not available
Overall dimensions (L × W × H)
Not available

Electrical and Features

Headlight
LED
Instrument cluster
Digital LCD with Bluetooth
Battery
Not available
Features
Neo-retro styling, Bluetooth Y-Connect, LED lighting

Additional Information

Available colours
Dark Matte Blue, Matte Black, Matte Copper
Warranty
Not available
Availability
Available
Last updated
2026-10-15

Yamaha FZ-X Rating

Overall 78/100

Design
76%
Comfort
80%
Engine performance
57%
Mileage
75%
Brand reliability
90%
Resale value
87%

Our estimate based on specifications, brand and price.

Yamaha FZ-X FAQ — সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

Yamaha FZ-X price in Bangladesh 2026 কত?

বাংলাদেশে Yamaha FZ-X-এর বর্তমান price ৳3,07,500।

Yamaha FZ-X-এর registration fee কত?

149cc বাইক হিসেবে tax token সহ registration খরচ ২ বছরের জন্য প্রায় ৳11,764 এবং ১০ বছরের জন্য প্রায় ৳20,964।

Yamaha FZ-X-এর mileage কত?

Yamaha FZ-X প্রায় 45 km/l (approx.) mileage দেয়।

Yamaha FZ-X কত cc এবং power কত?

Yamaha FZ-X-এ 149cc engine আছে, power 12.4 PS @ 7,250 rpm, torque 13.3 Nm @ 5,500 rpm।

Yamaha FZ-X-এ কি ABS আছে?

হ্যাঁ, Yamaha FZ-X-এ Single-channel ABS আছে।

Yamaha FZ-X-এর top speed কত?

Yamaha FZ-X-এর top speed প্রায় 115 km/h (approx.)।

Yamaha FZ-X-এর seat height ও weight কত?

Seat height 810 mm এবং weight 139 kg।

বাংলাদেশে Yamaha FZ-X কোন কোন colour-এ পাওয়া যায়?

Yamaha FZ-X 3টি colour-এ পাওয়া যায়: Dark Matte Blue, Matte Black, Matte Copper।

Yamaha FZ-X review: বাংলাদেশে ownership এবং ১৪৯ সিসি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বিশ্লেষণ

বাংলাদেশে Yamaha FZ-X একটি স্বতন্ত্র নিও-রেট্রো অফারিং হিসেবে প্রবেশ করেছে, যার price নির্ধারণ করা হয়েছে ৳৩০৭,৫০০। সুপরিচিত FZ-S প্ল্যাটফর্মের সাথে স্ক্র্যাম্বলার-অনুপ্রাণিত ডিজাইন এবং ব্লুটুথ Y-Connect-এর মতো আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে এটি এমন রাইডারদের টার্গেট করে যারা ক্লাসিক স্টাইলিং খুঁজছেন। এই Bike Price Bangladesh অ্যাসেসমেন্টটি ১৪৯ সিসি-র এই মেশিনটির স্পেসিফিকেশন-ভিত্তিক একটি এডিটোরিয়াল অ্যানালাইসিস প্রদান করছে। উল্লেখ্য যে, এই তথ্যগুলো লোকাল ডিস্ট্রিবিউটর ACI Motors-এর তালিকার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে; এটি কোনো হ্যান্ডস-অন টেস্ট বা ওনার রিভিউ নয়। স্ট্যান্ডার্ড কমিউটার বাইকের তুলনায় এই বাইকের প্রিমিয়াম প্রাইস কতটা যুক্তিযুক্ত, তা নির্ভর করবে এর ergonomics এবং টেকনিক্যাল ফিচারগুলো বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আপনার দৈনন্দিন চাহিদার সাথে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ তার ওপর।

১. কাদের Yamaha FZ-X কেনার কথা ভাবা উচিত?

Yamaha FZ-X মূলত সেই রাইডারদের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে যারা খুব দ্রুত গতির চেয়ে নান্দনিক স্বতন্ত্রতা এবং কমফোর্টকে বেশি প্রাধান্য দেন। এর গোল LED headlight এবং টাক-অ্যান্ড-রোল সিট সেই সব মানুষদের আকর্ষণ করে যারা 'স্ক্র্যাম্বলার' লুক পছন্দ করেন, কিন্তু একই সাথে জাপানিজ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কমিউটার বাইকের reliability চান। ১৩৯ কেজি kerb weight হওয়ার কারণে অধিকাংশ প্রাপ্তবয়স্ক রাইডারদের জন্য এটি হ্যান্ডেল করা বেশ সহজ, যদিও এর ৮১০ মিমি seat height স্ট্যান্ডার্ড FZ-S-এর চেয়ে বেশি, যা খাটো রাইডারদের জন্য ধীরগতির ট্রাফিকে কিছুটা আত্মবিশ্বাসের অভাব ঘটাতে পারে।

আপনার যাতায়াতের পথে যদি শহরের পিচ ঢালা রাস্তার পাশাপাশি কিছু ভাঙাচোরা রাস্তা থাকে, তবে Yamaha FZ-X একটি ভারসাম্যপূর্ণ সমাধান হতে পারে। যারা হাই-ডিসপ্লেসমেন্ট মোটরসাইকেলের মতো বেশি ফুয়েল খরচ না করেই ওয়াইড রেয়ার টায়ারের 'বিগ বাইক' ফিল পেতে চান, তাদের জন্য এটি উপযুক্ত। তবে, যারা পিলিয়ন নিয়ে ট্যুরিং করার কথা ভাবছেন, তাদের কেনার আগে রেয়ার সিটের দৈর্ঘ্য ভালো করে দেখে নেওয়া উচিত।

২. Yamaha FZ-X Power বনাম Torque: বাস্তবসম্মত পারফরম্যান্স

বাইকটির ১৪৯ সিসি এয়ার-কুলড SOHC ইঞ্জিন ৭,২৫০ rpm-এ ১২.৪ PS power এবং ৫,৫০০ rpm-এ ১৩.৩ Nm torque উৎপন্ন করে। কাগজে-কলমে এই পরিসংখ্যানগুলো ইঙ্গিত দেয় যে, Yamaha FZ-X হাই-আরপিএম পাওয়ারের চেয়ে মিড-রেঞ্জ ট্র্যাক্টাবিলিটির জন্য বেশি উপযোগী। এর টর্ক খুব দ্রুত পিকে পৌঁছায়, যা ঢাকা বা চট্টগ্রামের মতো স্টপ-অ্যান্ড-গো ট্রাফিকে চলাচলের জন্য সুবিধাজনক এবং এতে পাঁচ-স্পিড গিয়ার বক্সে ঘন ঘন গিয়ার পরিবর্তনের প্রয়োজন কম হতে পারে।

বাইকটির আনুমানিক top speed ১১৫ km/h, তবে এটি কেনার মূল কারণ হওয়া উচিত নয়। বরং Yamaha FZ-X কীভাবে পাওয়ার ডেলিভারি দেয় সেদিকে নজর দিন; এটি মূলত স্মুথ ক্রুজিং এবং আরবান অ্যাজিলিটির জন্য তৈরি। এর টু-ভালভ সেটআপ সহজ এবং নির্ভরযোগ্য, তবে একই প্রাইস ব্র্যাকেটের ফোর-ভালভ প্রতিযোগী বাইকগুলোর তুলনায় হাইওয়েতে খুব দ্রুত চালানোর সময় ইঞ্জিন কিছুটা চাপে থাকতে পারে।

৩. বাংলাদেশের ট্রাফিকে Yamaha FZ-X-এর ফুয়েল এফিসিয়েন্সি

প্রায় ৪৫ km/l mileage-এর সাথে Yamaha FZ-X-এ Fuel Injection (FI) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে যা কম্বাশন অপ্টিমাইজ করতে সাহায্য করে। বাংলাদেশের তীব্র যানজটে, যেখানে ইঞ্জিন দীর্ঘ সময় আইডল অবস্থায় থাকে, সেখানে কনসিস্টেন্ট এফিসিয়েন্সি বজায় রাখতে FI সিস্টেম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে রাইডারদের মনে রাখা উচিত যে, এর ১০ লিটারের ফুয়েল ট্যাঙ্ক অনেক ট্র্যাডিশনাল কমিউটারের চেয়ে ছোট, যার মানে প্রতিবার ট্যাঙ্ক ফুল করলে টোটাল রেঞ্জ ১২ বা ১৩ লিটার ট্যাঙ্কের বাইকের তুলনায় কম হবে।

প্রকৃত ফুয়েল ইকোনমি টায়ার প্রেসার, প্যাসেঞ্জারের ওজন এবং লোকাল পাম্পের ফুয়েলের কোয়ালিটির ওপর নির্ভর করে ওঠানামা করতে পারে। যদিও ১৫০ সিসি বাইকের জন্য ৪৫ km/l একটি সম্মানজনক ফিগার, বাজেট-সচেতন মালিকদের উচিত তাদের নির্দিষ্ট রুটে বাস্তবসম্মত আরবান অ্যাভারেজ বোঝার জন্য প্রথম দিকের ফুয়েল খরচ ট্র্যাক করা।

৪. ভাঙা রাস্তায় কমফোর্ট এবং পিলিয়ন অভিজ্ঞতা

Yamaha FZ-X-এ আছে আপরাইট রাইডিং পজিশন যা কব্জি এবং পিঠের নিচের অংশের ওপর চাপ কমায়, যা দীর্ঘ সময় বাইক চালানোর জন্য একটি বড় সুবিধা। এর সাসপেনশন সেটআপ এবং ১৪০/৬০R১৭ রেডিয়াল রেয়ার টায়ার রাস্তার ছোটখাটো ঝাঁকুনি শুষে নেওয়ার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। বাইকটিতে থাকা block-pattern tyres বাংলাদেশের রাস্তায় প্রায়ই দেখা যাওয়া আলগা বালি বা ধুলোবালিময় পথে আরও ভালো গ্রিপ প্রদান করে।

পিলিয়ন রাইডারদের জন্য "টাক অ্যান্ড রোল" সিট ডিজাইনটি একটি ক্লাসিক লুক দিলেও, সিটে বসার প্রকৃত জায়গা কতটুকু তা যাচাই করে নেওয়া প্রয়োজন। পেছনের grab rail বেশ মজবুত, তবে দুজন স্থূলকায় প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য সিটের মোট দৈর্ঘ্য কিছুটা ছোট মনে হতে পারে। আপনি যদি নিয়মিত পিলিয়ন নিয়ে চলাচল করেন, তবে Yamaha FZ-X-এর রেয়ার এরগনোমিক্স একবার ফিজিক্যালি চেক করে নেওয়ার পরামর্শ থাকবে।

৫. Yamaha FZ-X-এর ব্রেক এবং সেফটি সিস্টেম সচেতনতা

Yamaha FZ-X-এর সেফটি ফিচারগুলো বেশ হাইলাইটেড, এতে রয়েছে ২৮২ মিমি ফ্রন্ট ডিস্ক এবং ২২০ মিমি রেয়ার ডিস্ক। সামনের চাকায় single-channel ABS (Anti-lock Braking System) যুক্ত করা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত জরুরি, যেখানে পিচ্ছিল বা ধুলোবালিময় রাস্তায় হঠাৎ ব্রেক করার প্রয়োজন হয়। এই সিস্টেমটি সামনের চাকা লক হওয়া রোধ করে, যদিও রাইডারকে পেছনের ব্রেকের ক্ষেত্রে মডুলেটেড ব্রেকিং প্র্যাকটিস করতে হবে।

এর সিগনেচার রাউন্ড হেডলাইট এবং DRL-সহ LED লাইটিং সিস্টেম রাতে বাইক চালানোর সময় ভালো ভিজিবিলিটি নিশ্চিত করে। যদিও স্পেসিফিকেশনগুলো আত্মবিশ্বাস জোগায়, মালিকদের মনে রাখা উচিত যে ABS একটি সেফটি নেট মাত্র, এটি রক্ষণাত্মক রাইডিং অভ্যাস এবং টায়ারের সঠিক tread depth বজায় রাখার বিকল্প নয়।

৬. বিল্ড কোয়ালিটি এবং মেটেরিয়াল ইন্সপেকশন

বাংলাদেশে Yamaha-র পণ্যগুলোর সাধারণত উচ্চমানের প্লাস্টিক এবং টেকসই ফিনিশিংয়ের জন্য সুনাম রয়েছে। Yamaha FZ-X-এ মেটাল রেডিয়েটর শ্রাউড (কিছু ভার্সনে) এবং একটি মজবুত ফ্রন্ট ফর্ক বুট রয়েছে যা ধুলোবালি থেকে সিলগুলোকে রক্ষা করে। ডিজিটাল LCD cluster বেশ পরিষ্কার এবং অনেক তথ্য প্রদান করে, তবে দুপুরের প্রখর রোদে এর রিডাবিলিটি কেমন তা ক্রেতার যাচাই করে নেওয়া উচিত।

ফ্রেমের ওয়েল্ড পয়েন্ট এবং সুইচগিয়ারের কোয়ালিটি দেখলে বোঝা যায় যে, এর ৩,০৭,৫০০ টাকা price tag-এর বিপরীতে একটি প্রিমিয়াম বিল্ড দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। যেহেতু এই মডেলে প্রতিষ্ঠিত FZ সিরিজের অনেক কম্পোনেন্ট ব্যবহার করা হয়েছে, তাই এর স্ট্রাকচারাল ইন্টিগ্রিটি ইয়ামাহার গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ডের সাথে সংগতিপূর্ণ হবে বলে আশা করা যায়।

৭. বাংলাদেশে পার্টস এবং সার্ভিস প্রাপ্যতা

Yamaha FZ-X-এর মেইনটেন্যান্স বেশ সহজ কারণ এতে এয়ার-কুলড, টু-ভালভ ইঞ্জিন আর্কিটেকচার ব্যবহার করা হয়েছে। নিয়মিত ওয়েল চেঞ্জ, এয়ার ফিল্টার ক্লিনিং এবং চেইন অ্যাডজাস্টমেন্টই এর প্রধান চাহিদা। Y-Connect অ্যাপ মালিকদের মেইনটেন্যান্স ইন্টারভ্যাল ট্র্যাক করতে সাহায্য করে, যা বাইকটির সার্ভিস হিস্ট্রি ভালো রাখতে অবদান রাখতে পারে।

যেহেতু Yamaha FZ-X এর মূল ইঞ্জিন এবং চ্যাসিস কম্পোনেন্টগুলো অত্যন্ত জনপ্রিয় FZ-S V3-এর সাথে শেয়ার করে, তাই মেকানিক্যাল পার্টস পাওয়া খুব একটা কঠিন হবে না। ACI Motors-এর দেশব্যাপী সার্ভিস নেটওয়ার্ক রয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদী মালিকানার জন্য একটি বড় সুবিধা। তবে, কিছু ইউনিক বডি পার্টস—যেমন নিও-রেট্রো ফুয়েল ট্যাঙ্ক কভার, বিশেষ LED headlight অ্যাসেম্বলি বা FZ-X ব্র্যান্ডের সিট—শুরুতে সাধারণ FZ-S-এর তুলনায় স্টকে কম থাকতে পারে।

সম্ভাব্য মালিকদের উচিত তাদের লোকাল showroom-এ এই মডেল-স্পেসিফিক পার্টসগুলোর প্রাপ্যতা সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া যাতে ছোটখাটো দুর্ঘটনার কারণে পার্টসের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে না হয়।।

৮. Yamaha FZ-X-এর মেইনটেন্যান্স এবং রিসেল ভ্যালু

রিসেল ভ্যালুর ক্ষেত্রে, বাংলাদেশের বাজারে Yamaha মোটরসাইকেল সাধারণত ভালো দাম ধরে রাখে। Yamaha FZ-X একটি বিশেষ 'রেট্রো' মডেল হওয়ায় ইউজড মার্কেটে এটি নির্দিষ্ট শ্রেণির ক্রেতাদের কাছে বেশ আকর্ষণীয় হতে পারে। যদিও সাধারণ FZ সিরিজের মতো এটি খুব বেশি পরিমাণে বিক্রি না হতে পারে, তবুও এর ইউনিক স্টাইলিং এবং Yamaha ব্র্যান্ডিং নিশ্চিত করে যে, বাইকটি যদি অরিজিনাল কন্ডিশনে রাখা হয় তবে সেকেন্ডারি মার্কেটে এর দাম স্থিতিশীল থাকবে।।

ভালো দিক (Pros)

  • এর অনন্য নিও-রেট্রো ডিজাইন সাধারণ শার্প-এজড নেকেড কমিউটার সেগমেন্ট থেকে একে আলাদা করে তোলে।
  • ২৮২ মিমি ফ্রন্ট ডিস্কের সাথে স্ট্যান্ডার্ড single-channel ABS ব্রেকিং সেফটি অনেক বাড়িয়ে দেয়।
  • পেছনের প্রশস্ত ১৪০-সেকশন radial rear tyre উন্নত স্ট্যাবিলিটির জন্য বড় কন্টাক্ট প্যাচ প্রদান করে।
  • আপরাইট রাইডিং পজিশন এবং block-pattern tyres বিভিন্ন ধরনের রাস্তার অবস্থার জন্য বেশ উপযোগী।
  • Y-Connect ব্লুটুথ ফিচারের ইন্টিগ্রেশন স্মার্টফোন ব্যবহারকারী রাইডারদের জন্য আধুনিক উপযোগিতা যোগ করে।

খারাপ দিক (Cons)

  • ১৫০ সিসি সেগমেন্টের তুলনায় ১০ লিটারের fuel tank কিছুটা ছোট, যার ফলে ঘন ঘন রিফিল করার প্রয়োজন হতে পারে।
  • অন্যান্য পারফরম্যান্স-ওরিয়েন্টেড ১৫০-১৬০ সিসি রাইভালদের তুলনায় ১২.৪ PS power output কিছুটা কম।
  • ভারী ট্রাফিকের মধ্যে ৮১০ মিমি seat height খাটো রাইডারদের জন্য কিছুটা বেশি মনে হতে পারে।
  • বাংলাদেশের তীব্র গরমের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ ইঞ্জিন আইডল (idling) থাকলে air-cooled ইঞ্জিন কিছুটা থার্মাল স্ট্রেসের সম্মুখীন হতে পারে।

শেষ কথা (Verdict)

Yamaha FZ-X সেই সব আরবান কমিউটারদের জন্য একটি স্পেশাল চয়েস যারা আধুনিক স্ট্রিট বাইকের চেনা লুক থেকে বেরিয়ে আসতে চান। যদিও এটি র-পাওয়ার বা ট্যাঙ্ক ক্যাপাসিটিতে সেরা নয়, তবে এর ABS, FI এবং Y-Connect প্রযুক্তির সমন্বয়—সাথে শক্তিশালী সার্ভিস নেটওয়ার্ক—একে একটি বুদ্ধিদীপ্ত প্রিমিয়াম পারচেজ হিসেবে গণ্য করে। যারা হাই-স্পিড পারফরম্যান্সের চেয়ে স্টাইল, কমফোর্ট এবং ব্র্যান্ড রিলায়িবিলিটিকে বেশি গুরুত্ব দেন, তাদের জন্য এটি সবচেয়ে উপযুক্ত।

Similar Bikes