Lifan KPR 165R EFI Standard side view
Standard

Lifan KPR 165R EFI Price in Bangladesh 2026

৳2,28,000

Listed price

Last updated:

India vs Bangladesh price

India price (₹—)
Not sold in India
Price in Bangladesh
৳2,28,000

Registration & tax token fee

For this 165cc bike · BRTA 100cc and above rate

2 years
৳11,764
10 years
৳20,964

Short Specifications

Engine capacity
165 cc
Maximum power
17 bhpat 8000 rpm
Maximum torque
17 Nmat 6500 rpm
Mileage
40 km/l (approx.)
ABS
No ABS
Tubeless tyres
Yes
Seat height
775 mm
Kerb weight
150 kg
Top speed
130 km/h (approx.)

Lifan KPR 165R EFI Price in Bangladesh

The Lifan KPR 165R EFI price in Bangladesh is ৳2,28,000. This sport bike is powered by a 165cc single cylinder, 4 stroke, liquid cooled, sohc engine that produces 17 bhp @ 8000 rpm, with a maximum torque of 17 Nm @ 6500 rpm. The KPR 165R EFI gives a mileage of around 40 km/l. It comes with a normal (non-ABS) braking system and tubeless tyres. Seat height is 775 mm and kerb weight is 150 kg. Top speed: about 130 km/h. It is available in 1 colour: Standard. Check the Lifan KPR 165R EFI full specifications, price breakdown and comparison below before you buy.

লিফান KPR 165R EFI দাম বাংলাদেশে 2026: ৳2,28,000

Lifan KPR 165R EFI Colours in Bangladesh

Standard

Lifan KPR 165R EFI Full Specifications

General

Brand
Lifan
Model
KPR 165R EFI
Category
Sport
Model year
2026
Price
৳2,28,000 (listed price)

Engine and Transmission

Engine type
Single Cylinder, 4 Stroke, Liquid Cooled, SOHC
Cooling system
Liquid-cooled
Fuel system
Fuel Injection
Transmission
6-speed manual

Brakes and Tyres

Front brake
Disc Brake (300 mm)
Rear brake
Disc Brake (240 mm)
Front tyre
90/90-17 tubeless
Rear tyre
130/70-17 tubeless

Suspension and Chassis

Front suspension
Telescopic
Rear suspension
Monoshock

Dimensions and Weight

Ground clearance
165 mm
Wheelbase
1330 mm
Overall dimensions (L × W × H)
Not available

Electrical and Features

Headlight
LED Projector
Instrument cluster
Digital speedometer
Battery
12v
Features
Braking System: CBS Braking System, Starting Method: Electric, Wheel Type: Alloy, Seat Type: Split-Seat, Engine kill switch

Additional Information

Available colours
Standard
Warranty
Not available
Availability
Available
Last updated
2026-10-16

Lifan KPR 165R EFI Rating

Overall 68/100

Design
74%
Comfort
62%
Engine performance
64%
Mileage
69%
Brand reliability
75%
Resale value
65%

Our estimate based on specifications, brand and price.

Lifan KPR 165R EFI FAQ — সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

Lifan KPR 165R EFI price in Bangladesh 2026 কত?

বাংলাদেশে Lifan KPR 165R EFI-এর বর্তমান price ৳2,28,000।

Lifan KPR 165R EFI-এর registration fee কত?

165cc বাইক হিসেবে tax token সহ registration খরচ ২ বছরের জন্য প্রায় ৳11,764 এবং ১০ বছরের জন্য প্রায় ৳20,964।

Lifan KPR 165R EFI-এর mileage কত?

Lifan KPR 165R EFI প্রায় 40 km/l (approx.) mileage দেয়।

Lifan KPR 165R EFI কত cc এবং power কত?

Lifan KPR 165R EFI-এ 165cc engine আছে, power 17 bhp @ 8000 rpm, torque 17 Nm @ 6500 rpm।

Lifan KPR 165R EFI-এ কি ABS আছে?

না, Lifan KPR 165R EFI-এ ABS নেই।

Lifan KPR 165R EFI-এর top speed কত?

Lifan KPR 165R EFI-এর top speed প্রায় 130 km/h (approx.)।

Lifan KPR 165R EFI-এর seat height ও weight কত?

Seat height 775 mm এবং weight 150 kg।

বাংলাদেশে Lifan KPR 165R EFI কোন কোন colour-এ পাওয়া যায়?

Lifan KPR 165R EFI 1টি colour-এ পাওয়া যায়: Standard।

Lifan KPR 165R EFI review: বাংলাদেশে ownership এবং পারফরম্যান্স অ্যাসেসমেন্ট

Lifan KPR 165R EFI বাংলাদেশের বাজারে দীর্ঘদিনের KPR সিরিজের একটি হাই-আউটপুট ভার্সন হিসেবে এসেছে, যার বর্তমান আনুমানিক price ২২৮,০০০ ৳। এই Bike Price Bangladesh অ্যাসেসমেন্টটি ২০২৬ মডেল ইয়ারের টেকনিক্যাল স্পেসিফিকেশন এবং মার্কেট পজিশনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে; এটি সরাসরি হ্যান্ডস-অন টেস্ট বা রাইডার ফিডব্যাকের সংকলন নয়। Rasel Industries Ltd-এর মাধ্যমে বাজারজাতকৃত এই ১৬৫cc মেশিনটির লক্ষ্য হলো এন্ট্রি-লেভেল কমিউটার এবং প্রিমিয়াম স্পোর্টবাইকের মধ্যকার দূরত্ব ঘুচিয়ে দেওয়া। একজন সম্ভাব্য মালিকের কাছে এই মোটরসাইকেলটির সার্থকতা নির্ভর করবে এর লিকুইড-কুলড পারফরম্যান্স এবং লোকাল কন্ডিশনে ফুয়েল ইনজেকটেড ইঞ্জিনের মেইনটেন্যান্স ও ওজনের প্রয়োজনীয়তার ওপর।

১. Lifan KPR 165R EFI কাদের জন্য সবচেয়ে উপযোগী

Lifan KPR 165R EFI মূলত সেই সব রাইডারদের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে যারা নেকড স্ট্রিটফাইটারের চেয়ে 'Full-Faired' লুক এবং লিকুইড-কুলড পারফরম্যান্সকে বেশি গুরুত্ব দেন। এর ৭৭৫ mm seat height হওয়ার কারণে এটি সেই সব রাইডারদের জন্য অত্যন্ত উপযোগী যারা বেশি উঁচু স্পোর্টবাইক চালাতে ভয় পান; এটি ট্রাফিক সিগন্যালে দুই পা মাটিতে রেখে আত্মবিশ্বাসের সাথে বাইক ব্যালেন্স করতে সাহায্য করে।

তবে, বাইকটির ১৫০ kg ওজন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। হাইওয়েতে এই ওজন স্ট্যাবিলিটি দিলেও, ঢাকা বা চট্টগ্রামের সরু গ্যারেজ স্পেসে পার্কিং করতে বা জ্যামের ভেতর কম স্পিডে বাইকটি নাড়াচাড়া করতে বেশ শারীরিক পরিশ্রমের প্রয়োজন হয়। এটি তরুণ প্রজন্ম বা সেই সব বাইক প্রেমীদের জন্য উপযুক্ত যারা জাপানি বাইকের মতো চড়া দাম ছাড়াই একটি 'big bike' ফিল পেতে চান।

২. পাওয়ার বনাম টর্ক: Lifan KPR 165R EFI ইঞ্জিনের গতিপ্রকৃতি

কাগজে-কলমে Lifan KPR 165R EFI এর আউটপুটে এক বিরল সামঞ্জস্য দেখা যায়, যা ৮,০০০ rpm-এ ১৭ bhp পাওয়ার এবং ৬,৫০০ rpm-এ ১৭ Nm torque প্রদান করে। ১৬৫cc ইঞ্জিনের জন্য এই উচ্চ টর্ক নির্দেশ করে যে, পিলিয়ন নিয়ে বা পাহাড়ি রাস্তায় বাইকটি বেশ ভালো 'টান' বা 'pull' দিতে পারবে। যেসব ইঞ্জিন লো-এন্ড গ্রান্ট কমিয়ে কেবল হর্সপাওয়ারের পেছনে ছোটে, তার তুলনায় এই কনফিগারেশনটি অনেক বেশি ভার্সাটাইল।

এতে ৬-স্পিড ম্যানুয়াল ট্রান্সমিশন যুক্ত করা একটি বুদ্ধিদীপ্ত সিদ্ধান্ত। এটি হাইওয়েতে ইঞ্জিনকে ইফিশিয়েন্ট পাওয়ার ব্যান্ডের মধ্যে রাখতে সাহায্য করে, যার ফলে ৫-স্পিড প্রতিযোগীদের তুলনায় হাই স্পিডে ভাইব্রেশন বা কম্পন কম হতে পারে। এর ১৩০ km/h টপ স্পিড একটি তাত্ত্বিক সক্ষমতা; তবে মালিকদের আসল সন্তুষ্টি আসবে আন্তঃজেলা যাতায়াতের সময় ৬০-৯০ km/h রেঞ্জে বাইকটি কত স্বাচ্ছন্দ্যে চলে তার ওপর।

৩. বাংলাদেশের ট্রাফিক কন্ডিশনে ফুয়েল কনজাম্পশন এবং EFI ফ্যাক্টর

প্রায় ৪০ km/l এভারেজ mileage-এর সাথে Lifan KPR 165R EFI স্পোর্ট-সেগমেন্টের মাইলেজের তালিকায় মাঝামাঝি অবস্থানে রয়েছে। Fuel Injection (EFI) প্রযুক্তিতে স্থানান্তর হওয়াটা একই সাথে আশাব্যঞ্জক এবং চ্যালেঞ্জিং: এটি ভালো ফুয়েল অ্যাটোমাইজেশন এবং সহজে কোল্ড স্টার্ট নিশ্চিত করে, কিন্তু এর জন্য উচ্চমানের ফুয়েল প্রয়োজন। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে, ইনজেক্টর জ্যাম হওয়া রোধ করতে মালিকদের অবশ্যই পরিষ্কার এবং ভালো মানের ফুয়েল সংগ্রহের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।

বাইকটির ১৪-লিটারের ফুয়েল ট্যাংক বেশ বড়, যা একবার ফুল ট্যাংক করলে তাত্ত্বিকভাবে ৫০০ কিমি-এর বেশি রেঞ্জ দিতে পারে। তবে, শহরের জ্যামে স্টপ-অ্যান্ড-গো ট্রাফিকের সময় লিকুইড-কুলিং সিস্টেমকে বেশ খাটতে হবে। মালিকদের নিয়মিত কুল্যান্ট লেভেল চেক করা উচিত, কারণ EFI ইঞ্জিনের কার্যক্ষমতা এর অপারেটিং টেম্পারেচারের সাথে সরাসরি জড়িত।

৪. খারাপ রাস্তায় কমফোর্ট এবং পিলিয়ন এরগনোমিক্স

Lifan KPR 165R EFI-তে স্ট্যান্ডার্ড টেলিস্কোপিক ফ্রন্ট ফর্ক এবং রিয়ার মনোশক ব্যবহার করা হয়েছে। মনোশক কর্নারিং স্ট্যাবিলিটিতে সাহায্য করলেও, এর ১৬৫ mm ground clearance বাংলাদেশের সেকেন্ডারি রোডগুলোর জন্য কেবল পর্যাপ্ত বলা যায়। বড় স্পিড-ব্রেকার পার হওয়ার সময়, বিশেষ করে পিলিয়ন থাকলে রাইডারকে সতর্ক থাকতে হবে।

এর স্প্লিট-সিট ডিজাইন স্পোর্টি লুক দিলেও পিলিয়নের জন্য সিটটি কিছুটা ছোট এবং উঁচুতে অবস্থিত। যদিও ১৩৩০ mm wheelbase বাইকটিকে বেশ স্থির রাখে, তবে লম্বা সফরের ক্ষেত্রে Lifan KPR 165R EFI এর পিলিয়ন কমফোর্ট যাচাই করে নেওয়া ভালো, কারণ স্পোর্টস সিটগুলো সাধারণত কিছুটা শক্ত হয়।

৫. ব্রেক এবং সেফটি: CBS সেটআপের বিশ্লেষণ

নিরাপত্তার জন্য এতে ৩০০ mm ফ্রন্ট ডিস্ক এবং ২৪০ mm রিয়ার ডিস্ক ব্রেক দেওয়া হয়েছে, সাথে রয়েছে Combined Braking System (CBS)। নতুন রাইডারদের জন্য CBS বেশ উপকারী, কারণ এটি কেবল পেছনের ব্রেক চাপলেও দুই চাকায় ব্রেকিং ফোর্স ডিস্ট্রিবিউট করে স্কিড করার ঝুঁকি কমায়। তবে, Lifan KPR 165R EFI-তে ABS (Anti-lock Braking System) নেই।

বৃষ্টির দিনে বা বালুযুক্ত রাস্তায় ইমার্জেন্সি স্টপিংয়ের সময় ABS না থাকার অভাব অনুভূত হতে পারে, তাই রাইডারকে থ্রেশহোল্ড ব্রেকিংয়ে দক্ষ হতে হবে। পেছনের ১৩০-সেকশন টায়ার ভালো গ্রিপ দিলেও, ওজনের তুলনায় সামনের ৯০-সেকশন টায়ারটি কিছুটা সরু, যা হার্ড ব্রেকিংয়ের সময় ফ্রন্ট-এন্ড কনফিডেন্স কমিয়ে দিতে পারে।

৬. বিল্ড-কোয়ালিটি পরিদর্শন এবং ডিজাইন

Lifan KPR 165R EFI এর সেই চিরচেনা অ্যাগ্রেসিভ স্টাইলিং বজায় রেখেছে। এতে একটি LED প্রজেক্টর হেডলাইট আছে যা অন্ধকার হাইওয়েতে রাইড করার জন্য অপরিহার্য। ডিজিটাল স্পিডোমিটার ক্লাস্টারটি প্রয়োজনীয় সব তথ্য এক নজরে দেখায়, তবে কড়া রোদে এর রিডেবিলিটি কেমন তা শোরুমে গিয়ে যাচাই করে নেওয়া উচিত।

সম্ভাব্য ক্রেতাদের ফেয়ারিং ফিটমেন্ট এবং প্লাস্টিক সুইচগিয়ারের কোয়ালিটি পরীক্ষা করে দেখা উচিত। লিফান বছরের পর বছর ধরে তাদের ম্যানুফ্যাকচারিং স্ট্যান্ডার্ড উন্নত করেছে, তবে বাংলাদেশের রাস্তার ঝাঁকুনিতে ফেয়ারিং মাউন্টগুলো কতদিন টিকবে, তা প্রথম কয়েক হাজার কিলোমিটার রাইড করলেই বোঝা যাবে।

৭. বাংলাদেশে পার্টস এবং সার্ভিস প্রাপ্যতা

Rasel Industries Ltd দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে লিফানের পণ্য ডিস্ট্রিবিউট করছে, যা সাধারণত নতুন ব্র্যান্ডগুলোর তুলনায় পার্টস প্রাপ্যতা সহজতর করে। KPR সিরিজটি একটি জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম হওয়ায় এর বিভিন্ন ভার্সনের মধ্যে অনেক পার্টস শেয়ার করা যায়, যা ব্রেক প্যাড, ফিল্টার এবং ক্যাবলের মতো কনজিউমেবল পার্টস খুঁজে পাওয়া সহজ করে দেয়।

তবে, EFI কম্পোনেন্ট এবং লিকুইড-কুলিং সেন্সরগুলো বেশ স্পেশালাইজড। মালিকদের নিশ্চিত করতে হবে যে তাদের কাছাকাছি এমন একটি সার্ভিস সেন্টার আছে যেখানে EFI ট্রাবলশুটিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ডায়াগনস্টিক টুলস রয়েছে। সাধারণ এয়ার-কুলড বাইকের তুলনায় এর রুটিন মেইনটেন্যান্স কিছুটা জটিল, যার জন্য রেডিয়েটর এবং কুল্যান্ট হোস নিয়মিত চেক করা প্রয়োজন।

৮. মেইনটেন্যান্স এবং রিসেল ভ্যালু বিবেচনা

Lifan KPR 165R EFI এর মেইনটেন্যান্সের ক্ষেত্রে লিকুইড-কুলিং এবং EFI সার্ভিস শিডিউল কঠোরভাবে মেনে চলা প্রয়োজন। ইঞ্জিনের দীর্ঘস্থায়িত্বের জন্য রেকমেন্ডেড গ্রেডের ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করা এবং কুলিং ফিনগুলো পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত জরুরি। যেহেতু এটি একটি ১৬৫cc মেশিন, তাই এটি সাধারণ ১৫০cc ক্লাসের একটু ওপরে অবস্থান করে, যা ইউজড মার্কেটে নির্দিষ্ট শ্রেণির ক্রেতাদের আকর্ষণ করতে পারে।

বাংলাদেশে লিফান মোটরসাইকেলের রিসেল ভ্যালু ঐতিহাসিকভাবে জাপানি ব্র্যান্ডের তুলনায় কম হলেও, KPR-এর ব্যাপক জনপ্রিয়তার কারণে এটি কিছুটা পুষিয়ে যায়। একটি ভালো কন্ডিশনের KPR যার EFI সিস্টেম এবং ফেয়ারিং ঠিক আছে, তা অবহেলিত ইউনিটের চেয়ে অনেক ভালো রিসেল ভ্যালু পাবে। সেকেন্ড হ্যান্ড KPR কেনার সময় ইঞ্জিন ওভারহিটিং বা EFI সিস্টেমে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে এমন কোনো ইলেকট্রিক্যাল মডিফিকেশন আছে কিনা তা ভালো করে চেক করা উচিত।

ভালো দিক (Pros)

  • ব্যালেন্সড অ্যাক্সিলারেশনের জন্য হাই টর্ক ও পাওয়ারের চমৎকার সমন্বয় (17 bhp এবং 17 Nm)।
  • লিকুইড-কুলিং সিস্টেম জ্যামের মধ্যে ইঞ্জিনের অতিরিক্ত তাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
  • Fuel Injection (EFI) পুরনো carburettor মডেলের তুলনায় স্মুথ থ্রোটল রেসপন্স প্রদান করে।
  • সহজসাধ্য ৭৭৫ mm seat height গড়পড়তা বাংলাদেশি রাইডারদের উচ্চতার জন্য খুবই উপযোগী।
  • ব্রেকিং স্ট্যাবিলিটির জন্য এতে CBS (Combined Braking System) যুক্ত করা হয়েছে।

খারাপ দিক (Cons)

  • এই price point-এ ABS (Anti-lock Braking System) এর অনুপস্থিতি।
  • ১৬০cc sport সেগমেন্টের জন্য ১৫০ kg kerb weight কিছুটা বেশি বা ভারী।
  • চিকন ৯০-সেকশন front tyre অ্যাগ্রেসিভ কর্নারিং বা লিন-ইনের সময় আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দিতে পারে।
  • প্রজেক্টর LED সেটআপটি রাতে ভালো ভিজিবিলিটির জন্য সম্পূর্ণভাবে ব্যাটারি হেলথের ওপর নির্ভরশীল।

শেষ কথা (Verdict)

Lifan KPR 165R EFI তাদের জন্য একটি আকর্ষণীয় বাইক যারা ২.৩ লাখ টাকার মধ্যে টর্ক এবং মডার্ন ফুয়েল ডেলিভারি সমৃদ্ধ একটি ফুল-ফেয়ারড বাইক খুঁজছেন। যদিও ABS-এর অভাব এবং ১৫০ kg ওজন কিছুটা নেতিবাচক দিক, তবে এর সহজসাধ্য সিট হাইট এবং লিকুইড-কুলড ইঞ্জিন এটিকে বাংলাদেশের বাজারে সিটি কমিউটিং এবং মাঝে মাঝে ট্যুরিংয়ের জন্য একটি শক্তিশালী প্রতিযোগী করে তুলেছে।

Similar Bikes