Kawasaki D-Tracker 150 SE Standard side view
Standard

Kawasaki D-Tracker 150 SE Price in Bangladesh 2026

৳4,15,000

Listed price

Last updated:

Indonesia vs Bangladesh price

Indonesia price (Rp 39,000,000)
৳2,92,500
Tax & other costs
+ ৳1,22,500
Price in Bangladesh
৳4,15,000

Registration & tax token fee

For this 144cc bike · BRTA 100cc and above rate

2 years
৳11,764
10 years
৳20,964

Short Specifications

Engine capacity
144 cc
Maximum power
11.8 bhpat 8000 rpm
Maximum torque
11.3 Nmat 6500 rpm
Mileage
40 km/l (approx.)
ABS
No ABS
Tubeless tyres
No
Seat height
Not available
Kerb weight
118 kg
Top speed
120 km/h (approx.)

Kawasaki D-Tracker 150 SE Price in Bangladesh

The Kawasaki D-Tracker 150 SE price in Bangladesh is ৳4,15,000. This off-road bike is powered by a 144cc single cylinder, four-stroke engine that produces 11.8 bhp @ 8000 rpm, with a maximum torque of 11.3 Nm @ 6500 rpm. The D-Tracker 150 SE gives a mileage of around 40 km/l. It comes with a normal (non-ABS) braking system. Kerb weight is 118 kg. Top speed: about 120 km/h. It is available in 1 colour: Standard. Check the Kawasaki D-Tracker 150 SE full specifications, price breakdown and comparison below before you buy.

Kawasaki D-Tracker 150 SE দাম বাংলাদেশে 2026: ৳4,15,000

Kawasaki D-Tracker 150 SE Colours in Bangladesh

Standard

Kawasaki D-Tracker 150 SE Full Specifications

General

Brand
Kawasaki
Model
D-Tracker 150 SE
Category
Off-road
Model year
2026
Price
৳4,15,000 (listed price)

Engine and Transmission

Engine type
Single cylinder, four-stroke
Cooling system
Air-cooled
Fuel system
Carburetor
Transmission
5-speed manual

Brakes and Tyres

Front brake
Dual Disc (300 mm)
Rear brake
Disc Brake (220 mm)
Front tyre
100/80 -17 tube type
Rear tyre
120/70-17 tube type

Suspension and Chassis

Front suspension
35mm USD Telescopic Fork
Rear suspension
Uni-Trak Mono Shock 5 Way Adjustable Absorber

Dimensions and Weight

Ground clearance
270 mm
Wheelbase
1335 mm
Overall dimensions (L × W × H)
2015 × 950 × 1130 mm

Electrical and Features

Headlight
35W/35W Halogen
Instrument cluster
Analog speedometer
Battery
12v
Features
Starting Method: Electric, Wheel Type: Spoke, Seat Type: Single-Seat, Engine kill switch

Additional Information

Available colours
Standard
Warranty
Not available
Availability
Available
Last updated
2026-10-16

Kawasaki D-Tracker 150 SE Rating

Overall 66/100

Design
74%
Comfort
55%
Engine performance
56%
Mileage
69%
Brand reliability
75%
Resale value
65%

Our estimate based on specifications, brand and price.

Kawasaki D-Tracker 150 SE FAQ — সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

Kawasaki D-Tracker 150 SE price in Bangladesh 2026 কত?

বাংলাদেশে Kawasaki D-Tracker 150 SE-এর বর্তমান price ৳4,15,000।

Kawasaki D-Tracker 150 SE-এর registration fee কত?

144cc বাইক হিসেবে tax token সহ registration খরচ ২ বছরের জন্য প্রায় ৳11,764 এবং ১০ বছরের জন্য প্রায় ৳20,964।

Kawasaki D-Tracker 150 SE-এর mileage কত?

Kawasaki D-Tracker 150 SE প্রায় 40 km/l (approx.) mileage দেয়।

Kawasaki D-Tracker 150 SE কত cc এবং power কত?

Kawasaki D-Tracker 150 SE-এ 144cc engine আছে, power 11.8 bhp @ 8000 rpm, torque 11.3 Nm @ 6500 rpm।

Kawasaki D-Tracker 150 SE-এ কি ABS আছে?

না, Kawasaki D-Tracker 150 SE-এ ABS নেই।

Kawasaki D-Tracker 150 SE-এর top speed কত?

Kawasaki D-Tracker 150 SE-এর top speed প্রায় 120 km/h (approx.)।

Kawasaki D-Tracker 150 SE-এর seat height ও weight কত?

weight 118 kg।

বাংলাদেশে Kawasaki D-Tracker 150 SE কোন কোন colour-এ পাওয়া যায়?

Kawasaki D-Tracker 150 SE 1টি colour-এ পাওয়া যায়: Standard।

Kawasaki D-Tracker 150 SE review: বাংলাদেশে ownership এবং পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ

Kawasaki D-Tracker 150 SE তাদের জন্যই উপযুক্ত যারা আধুনিক ফিচারের চেয়ে হালকা ওজন এবং ভালো ground clearance-কে বেশি গুরুত্ব দেন। এই রিভিউটি মূলত টেকনিক্যাল স্পেসিফিকেশন ভিত্তিক একটি বিশ্লেষণ, কোনো সরাসরি টেস্ট রাইড বা মালিকের অভিজ্ঞতা নয়। ২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে এই বাইকটির price নির্ধারণ করা হয়েছে ৳ 415,000 এবং এর বিক্রেতা হিসেবে Asian Motorbikes Limited-এর নাম উল্লেখ রয়েছে। শোরুমে যাওয়ার আগে বর্তমান price এবং বাইকের কনফিগারেশন পুনরায় যাচাই করে নেওয়া জরুরি।

১. Kawasaki D-Tracker 150 SE কাদের জন্য সঠিক পছন্দ?

১১৮ কেজি ওজন এবং ২৭০ মিমি ground clearance নিয়ে এই মোটরসাইকেলটি সেই সব রাইডারদের জন্য একটি আকর্ষণীয় অপশন, যারা মূলত একাকী গ্রামের ভাঙা রাস্তা বা শহরের যানজটপূর্ণ রাস্তায় চলাচল করেন। যদিও এর ground clearance বেশ ভালো, তবে এটি যে পুরোপুরি অফ-রোড সক্ষমতা বা অত্যন্ত আরামদায়ক সাসপেনশন দেবে, তা নিশ্চিত নয়। এর ১৭-ইঞ্চি হুইল এবং টায়ার সাইজ দেখে এর অফ-রোড ব্যবহারের সীমাবদ্ধতা বোঝা উচিত।

বাইকটির ৯৫০ মিমি প্রস্থ সরু পার্কিং বা জ্যামের মধ্যে রাইড করার সময় খেয়াল রাখতে হবে। seat height দেওয়া না থাকায়, উচ্চতা কম এমন রাইডারদের উচিত কেনার আগে মাটি পর্যন্ত পা পৌঁছায় কি না তা যাচাই করা। যারা নিয়মিত পিলিয়ন বহন করতে চান বা হাইওয়েতে লং ট্যুর দিতে চান, তাদের জন্য এটি সেরা পছন্দ নাও হতে পারে।

২. Kawasaki D-Tracker 150 SE পাওয়ার: রেভস-এর ব্যবহার

এর ১৪৪ cc, এয়ার-কুলড, কার্বুরেটর সমৃদ্ধ ফোর-স্ট্রোক ইঞ্জিন থেকে ১১.৮ bhp @ ৮,০০০ rpm এবং ১১.৩ Nm @ ৬,৫০০ rpm পাওয়া যায়। সর্বোচ্চ পাওয়ার আউটপুট পেতে হলে হাই rpm-এ রাইড করতে হবে এবং ওভারটেক করার সময় সঠিক গিয়ার নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ। যদিও পিক ফিগার দিয়ে পুরো টর্ক কার্ভ বোঝা সম্ভব নয়।

৫-স্পিড ম্যানুয়াল গিয়ারবক্স রাইডারকে পাওয়ার ব্যবহারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ দেয়। পিলিয়ন বা পাহাড়ি রাস্তায় চালানোর সময় এই ইঞ্জিনের ওপর চাপ বাড়তে পারে। এর সম্ভাব্য top speed ১২০ km/h বলা হলেও, এটি কোনো পরীক্ষিত ফলাফল নয়; বরং নিরাপদ রাইডিং এবং ব্রেকিং ডিসট্যান্সের দিকে নজর দেওয়া বেশি জরুরি।

৩. ফুয়েল বাজেট ও মাইলেজ: Kawasaki D-Tracker 150 SE

বাইকটির আনুমানিক mileage ধরা হয়েছে ৪০ km/l, তবে বাংলাদেশের ট্রাফিক জ্যামে এটি ভিন্ন হতে পারে। আইডলিং, বারবার এক্সিলারেশন এবং কার্বুরেটর কন্ডিশনের ওপর প্রকৃত মাইলেজ নির্ভর করবে। অন্তত কয়েকবার ফুল ট্যাংক তেল ব্যবহার করার পর আপনি নিজের মাইলেজ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারবেন। মাইলেজ বাড়ানোর জন্য কার্বুরেটর টিউনিং করার সময় অবশ্যই প্রপার সার্ভিস গাইডলাইন মানা উচিত।

৬.৯ লিটার ফুয়েল ট্যাংক নিয়ে তাত্ত্বিকভাবে ২৭৬ কিমি পথ চলা সম্ভব হলেও, বাস্তবে এটি সবসময় কার্যকর নাও হতে পারে। রিজার্ভ ভলিউম এবং প্রকৃত তেলের খরচ মাথায় রেখে ফুয়েল স্টপগুলো আগে থেকেই প্ল্যান করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

৪. খারাপ রাস্তা, সাসপেনশন এবং প্যাসেঞ্জারের সুবিধা

Kawasaki D-Tracker 150 SE-তে আছে ৩৫ মিমি USD টেলিস্কোপিক ফর্ক এবং ৫-ধাপের অ্যাডজাস্টেবল Uni-Trak রিয়ার মোনোশক। স্পেসিফিকেশন ভালো হলেও এর রাইডিং কোয়ালিটি কেমন হবে তা রাইড না করে নিশ্চিত হওয়া কঠিন। সাসপেনশন অ্যাডজাস্ট করার আগে অবশ্যই ম্যানুয়াল দেখে নেওয়া উচিত।

এর সিটকে 'সিঙ্গেল সিট' বলা হয়েছে, তাই পিলিয়ন বা প্যাসেঞ্জারের বসার জায়গা কতটুকু তা দেখে নেওয়া প্রয়োজন। বাইকের ফুটরেস্ট এবং গ্র্যাব রেইল আছে কি না তা শোরুমে গিয়ে যাচাই করুন। ১,৩৩৫ মিমি wheelbase থাকলেও পিলিয়ন নিয়ে বাইকটি কতটা স্থিতিশীল থাকবে তা পরীক্ষা করা জরুরি।

৫. ব্রেকিং সিস্টেম যাচাই করা জরুরি

এই বাইকে কোনো ABS দেওয়া হয়নি, যার অর্থ ভেজা বা পিচ্ছিল রাস্তায় ইমার্জেন্সি ব্রেকিংয়ের সময় চাকা লক হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। সামনে ৩০০ মিমি 'ডুয়াল ডিস্ক' এবং পেছনে ২২০ মিমি ডিস্কের কথা বলা হয়েছে। কেনার আগে সামনের ডিস্ক সেটআপটি ভালোভাবে দেখে নিন, কারণ ডিস্কের আকারই সবসময় ব্রেকিং পারফরম্যান্সের গ্যারান্টি দেয় না।

স্পোক হুইলে ১০০/৮০-১৭ সামনের এবং ১২০/৭০-১৭ পেছনের tube-type tyres ব্যবহার করা হয়েছে। টিউবলেস টায়ারের তুলনায় tube-type টায়ারে পাংচার সারানো কিছুটা সময়সাপেক্ষ এবং চাকা খোলার ঝক্কি বেশি থাকে, যা প্রতিদিনের ব্যবহারে প্রভাব ফেলতে পারে।

৬. ফিনিশিং এবং ইক্যুইপমেন্ট পরীক্ষা করুন

বাইকটি কেনার সময় এর স্পোক টেনশন, রিম, স্টিয়ারিং মুভমেন্ট, ফর্ক সিল এবং ঝালাই বা ওয়েল্ডিং ফিনিশিং ভালোভাবে পরীক্ষা করুন। যেহেতু এটি একটি অফ-রোড স্টাইলের বাইক, তাই ইঞ্জিনের নিচের অংশে কোনো আঘাতের চিহ্ন আছে কি না তা দেখে নিন।

এতে আছে এনালগ স্পিডোমিটার, ইলেকট্রিক স্টার্ট, ইঞ্জিন কিল সুইচ এবং ৩৫ ওয়াটের হ্যালোজেন হেডলাইট। হেডলাইটের আলো রাতের বেলা চলাচলের জন্য যথেষ্ট কি না তা যাচাই করা প্রয়োজন। অন্ধকার রাস্তায় যাওয়ার আগে অবশ্যই লাইটিং কন্ডিশন নিশ্চিত করুন।

৭. পার্টস এবং সার্ভিস সাপোর্ট নিশ্চিত করুন

বাংলাদেশে Asian Motorbikes Limited এটি বিক্রি করলেও আপনার এলাকায় তাদের ওয়ার্কশপ বা পার্টস ব্যাকআপ আছে কি না তা জেনে নিন। সাধারণ পার্টস যেমন- অয়েল, প্লাগ, টিউব এবং ব্রেক প্যাড সহজে পাওয়া গেলেও বডি পার্টস বা ইঞ্জিনের বিশেষ পার্টস সময়মতো পাওয়া যাবে কি না তা নিশ্চিত হওয়া জরুরি।

বাইকটি কেনার আগে শোরুম থেকে নিয়মিত সার্ভিসিং খরচ এবং পার্টস পাওয়া যাওয়ার সময়সীমা সম্পর্কে লিখিত ধারণা নেওয়ার চেষ্টা করুন। বিশেষ করে আমদানিকৃত পার্টস পেতে দেরি হতে পারে কি না তা জেনে নেওয়া ভালো।

৮. মেইনটেন্যান্স খরচ এবং সেকেন্ড হ্যান্ড কেনা

বার্ষিক মেইনটেন্যান্স খরচের কোনো সঠিক তথ্য না থাকলেও অয়েল চেঞ্জ, চেইন কেয়ার, টায়ার ও ব্রেক মেইনটেন্যান্সের জন্য নিয়মিত বাজেট রাখতে হবে। এতে এয়ার কুলিং সিস্টেম থাকায় কুল্যান্ট পরিবর্তনের ঝামেলা নেই, তবে ইঞ্জিনের নিয়মিত যত্ন প্রয়োজন।

ব্যবহৃত বা সেকেন্ড হ্যান্ড Kawasaki D-Tracker 150 SE কেনার সময় এর চ্যাসিস অ্যালাইনমেন্ট, গিয়ার শিফটিং এবং সার্ভিস রেকর্ড ভালোভাবে চেক করুন। কোনো প্রফেশনাল মেকানিক দিয়ে বাইকটি চেক করিয়ে নেওয়া সবচেয়ে ভালো হবে। নিখুঁত রেকর্ড না থাকলে বা পার্টস পাওয়ার সমস্যা থাকলে দাম কমানোর জন্য কথা বলুন।

ভালো দিক (Pros)

  • মাত্র ১১৮ কেজি ওজন হওয়ার কারণে এটি একজন রাইডারের জন্য খুব সহজেই নিয়ন্ত্রণযোগ্য।
  • ২৭০ মিমি ground clearance থাকায় খারাপ বা অসমতল রাস্তায় সুবিধা পাওয়া যায়।
  • ৫-স্পিড ম্যানুয়াল গিয়ারবক্স ইঞ্জিন পাওয়ারকে নিজের মতো করে ব্যবহার করার সুযোগ দেয়।
  • অ্যাডজাস্টেবল রিয়ার সাসপেনশন রাইডিং সেটআপ নিজের পছন্দমতো করার অপশন দেয়।
  • ইলেকট্রিক স্টার্ট এবং ইঞ্জিন কিল সুইচ দৈনন্দিন ব্যবহারে বাড়তি আরাম যোগ করে।

খারাপ দিক (Cons)

  • চাকা লক হওয়া রোধ করতে কোনো ABS সুরক্ষা নেই।
  • Tube-type tyres হওয়ার কারণে রাস্তায় পাংচার সারানো কিছুটা জটিল হতে পারে।
  • মাত্র ৬.৯ লিটার ফুয়েল ট্যাংক হওয়ার কারণে ঘনঘন ফুয়েল রিফিল করার পরিকল্পনা রাখতে হবে।
  • সিটের বর্ণনা অনুযায়ী প্যাসেঞ্জার বা পিলিয়ন বহন করার বিষয়টি অস্পষ্ট।

শেষ কথা (Verdict)

Kawasaki D-Tracker 150 SE মূলত তাদের জন্য যারা হালকা ওজনের এবং ভালো গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্সের একটি ইউনিক বাইক খুঁজছেন। ৳ 415,000 খরচ করার আগে এর ব্রেকিং সিস্টেম, পিলিয়ন সিট এবং পার্টস সাপোর্ট সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নিন। আপনি যদি আরামদায়ক যাতায়াত বা ABS সমৃদ্ধ ব্রেকিং চান, তবে বাজারে থাকা অন্যান্য সাধারণ কমিউটার বাইকগুলোও বিবেচনা করতে পারেন।

Similar Bikes