Hero Passion Xpro XTEC Standard side view
Standard

Hero Passion Xpro XTEC Price in Bangladesh 2026

৳1,59,000

Listed price

Last updated:

India vs Bangladesh price

India price (₹82,000)
৳1,14,800
Tax & other costs
+ ৳44,200
Price in Bangladesh
৳1,59,000

Registration & tax token fee

For this 110cc bike · BRTA 100cc and above rate

2 years
৳11,764
10 years
৳20,964

Short Specifications

Engine capacity
110 cc
Maximum power
9.3 bhpat 7500 rpm
Maximum torque
9 Nmat 5500 rpm
Mileage
45 km/l (approx.)
ABS
No ABS
Tubeless tyres
Yes
Seat height
800 mm
Kerb weight
119 kg
Top speed
90 km/h (approx.)

Hero Passion Xpro XTEC Price in Bangladesh

The Hero Passion Xpro XTEC price in Bangladesh is ৳1,59,000. This commuter bike is powered by a 110cc 4 – stroke, single cylinder, i3s engine that produces 9.3 bhp @ 7500 rpm, with a maximum torque of 9 Nm @ 5500 rpm. The Passion Xpro XTEC gives a mileage of around 45 km/l. It comes with a normal (non-ABS) braking system and tubeless tyres. Seat height is 800 mm and kerb weight is 119 kg. Top speed: about 90 km/h. It is available in 1 colour: Standard. Check the Hero Passion Xpro XTEC full specifications, price breakdown and comparison below before you buy.

হিরো Passion Xpro XTEC দাম বাংলাদেশে 2026: ৳1,59,000

Hero Passion Xpro XTEC Colours in Bangladesh

Standard

Hero Passion Xpro XTEC Full Specifications

General

Brand
Hero
Model
Passion Xpro XTEC
Category
Commuter
Model year
2026
Price
৳1,59,000 (listed price)

Engine and Transmission

Engine type
4 – Stroke, Single Cylinder, i3S
Cooling system
Air-cooled
Fuel system
Carburetor
Transmission
4-speed manual

Brakes and Tyres

Front brake
Single Disc (240 mm)
Rear brake
Drum Brake (130 mm)
Front tyre
80/100 x 18 tubeless
Rear tyre
90/90 x 18 tubeless

Suspension and Chassis

Front suspension
Telescopic hydraulic shock absorbers
Rear suspension
Swing Arm with 5-Step Adjustable Hydraulic Shock Absorbers

Dimensions and Weight

Ground clearance
165 mm
Wheelbase
1245 mm
Overall dimensions (L × W × H)
1966 × 774 × 1087 mm

Electrical and Features

Headlight
AHO LED Projection with DRL
Instrument cluster
Digital speedometer
Battery
12v
Features
Braking System: IBS Braking, Starting Method: Kick & Electric, Wheel Type: Alloy, Seat Type: Single-Seat

Additional Information

Available colours
Standard
Warranty
Not available
Availability
Available
Last updated
2026-10-16

Hero Passion Xpro XTEC Rating

Overall 69/100

Design
67%
Comfort
78%
Engine performance
52%
Mileage
75%
Brand reliability
75%
Resale value
65%

Our estimate based on specifications, brand and price.

Hero Passion Xpro XTEC FAQ — সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

Hero Passion Xpro XTEC price in Bangladesh 2026 কত?

বাংলাদেশে Hero Passion Xpro XTEC-এর বর্তমান price ৳1,59,000।

Hero Passion Xpro XTEC-এর registration fee কত?

110cc বাইক হিসেবে tax token সহ registration খরচ ২ বছরের জন্য প্রায় ৳11,764 এবং ১০ বছরের জন্য প্রায় ৳20,964।

Hero Passion Xpro XTEC-এর mileage কত?

Hero Passion Xpro XTEC প্রায় 45 km/l (approx.) mileage দেয়।

Hero Passion Xpro XTEC কত cc এবং power কত?

Hero Passion Xpro XTEC-এ 110cc engine আছে, power 9.3 bhp @ 7500 rpm, torque 9 Nm @ 5500 rpm।

Hero Passion Xpro XTEC-এ কি ABS আছে?

না, Hero Passion Xpro XTEC-এ ABS নেই।

Hero Passion Xpro XTEC-এর top speed কত?

Hero Passion Xpro XTEC-এর top speed প্রায় 90 km/h (approx.)।

Hero Passion Xpro XTEC-এর seat height ও weight কত?

Seat height 800 mm এবং weight 119 kg।

বাংলাদেশে Hero Passion Xpro XTEC কোন কোন colour-এ পাওয়া যায়?

Hero Passion Xpro XTEC 1টি colour-এ পাওয়া যায়: Standard।

Hero Passion Xpro XTEC review: বাংলাদেশে ownership এবং পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ

Hero Passion Xpro XTEC একটি ১১০ সিসি (cc) কমিউটার বাইক, যার নির্দেশক প্রাইজ (price) ১৫৯,০০০ টাকা। বাংলাদেশের বাইক প্রাইস (Bike Price Bangladesh) সম্পর্কিত এই মূল্যায়নটি মূলত স্পেসিফিকেশন ভিত্তিক একটি সম্পাদকীয় বিশ্লেষণ, এটি কোনো হ্যান্ডস-অন টেস্ট বা মালিকের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা নয়। ২০২৬ সালের লিস্টিং অনুযায়ী, এটি HMCL Niloy Bangladesh Limited-এর মাধ্যমে পাওয়া যাচ্ছে; তবে এর দাম, লভ্যতা এবং স্পেসিফিকেশন আমরা আলাদাভাবে যাচাই করিনি। ক্রেতাদের জন্য মূল প্রশ্ন হলো—এর পরিমিত আউটপুট (output), ব্যবহারিক ফিচার এবং রক্ষণাবেক্ষণ প্রক্রিয়া কি বাংলাদেশের প্রতিদিনের যাতায়াতের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না।

১. কাদের Hero Passion Xpro XTEC কেনা উচিত?

এই মোটরসাইকেলটি মূলত তাদের জন্য যারা ইন্টারসিটি বা দ্রুতগতির বদলে অফিস যাতায়াত, পড়াশোনা বা দৈনন্দিন ছোটখাটো কাজের জন্য কমিউটিংকে গুরুত্ব দেন। এর ১১৯ কেজি ওজন পার্কিং এবং ধীরগতিতে হ্যান্ডলিংয়ের জন্য সহায়ক। তবে ৮০০ মিমি seat height হওয়ায় রাইডারদের উচিত একবার ব্যক্তিগতভাবে চেক করে নেওয়া যে তারা স্বাচ্ছন্দ্যে মাটিতে পা রাখতে পারছেন কি না। ১৫৯,০০০ টাকা দামের সাথে রেজিস্ট্রেশন এবং অন্যান্য অতিরিক্ত খরচসহ পূর্ণাঙ্গ কোটেশন দেখে নিন। শুধুমাত্র cc দিয়ে বিচার না করে ব্রেকিং সিস্টেম, রাইডিং পজিশন এবং সার্ভিস সাপোর্টের ওপর ভিত্তি করে অন্যান্য কমিউটার বাইকের সাথে এটি তুলনা করুন।

২. Hero Passion Xpro XTEC পাওয়ার: রেভস-এর ব্যবহার

এর এয়ার-কুলড, সিঙ্গেল সিলিন্ডার ইঞ্জিন ৭,৫০০ rpm-এ ৯.৩ bhp এবং ৫,৫০০ rpm-এ ৯ Nm টর্ক প্রদান করে। টর্ক পিকিং ভ্যালু কম rpm-এ হওয়ার অর্থ হলো এটি দ্রুত শক্তি যোগাতে সক্ষম, তবে খুব লো রেভস-এ এটি কতটা ভালো রেসপন্স করবে তা নিশ্চিত নয়। পিলিয়ন নিয়ে বা ওভারটেকিংয়ের সময় সঠিক গিয়ার নির্বাচনের প্রয়োজন হতে পারে। এর ৪-স্পিড ম্যানুয়াল গিয়ারবক্স সাধারণ কমিউটিংয়ের জন্য যথেষ্ট। লিস্টিংয়ে উল্লিখিত ৯০ km/h top speed কোনো পরীক্ষিত ফলাফল নয় এবং এটি নিরাপদ ক্রুজিংয়ের জন্য সুপারিশকৃত গতিও নয়।

৩. ট্রাফিকে Hero Passion Xpro XTEC-এর ফুয়েল খরচ

লিস্টেড mileage প্রায় ৪৫ km/l, যা ট্রাফিকের প্রকৃত ইকোনমি নয়। এই হিসাব অনুযায়ী, প্রতিদিন ৩০ কিমি যাতায়াতে প্রায় ০.৬৭ লিটার তেল খরচ হবে; আপনার বাজেটের জন্য বর্তমান পেট্রোলের দাম দিয়ে এটি গুণ করুন। জ্যাম, ঘন ঘন এক্সিলারেশন, পিলিয়ন লোড এবং কার্বুরেটর (carburettor) সেটিংয়ের কারণে এই খরচ পরিবর্তন হতে পারে। ইঞ্জিনে i3S প্রযুক্তির কথা বলা হলেও, এর প্রকৃত ফুয়েল সাশ্রয়ের পরিমাণ কত তা উল্লেখ নেই। ৯.২ লিটারের ফুয়েল ট্যাংক বেশ কার্যকর, তবে সবসময় ক্যালকুলেটেড রেঞ্জ-এর ওপর নির্ভর করা ঠিক হবে না। কেনার পর কয়েকবার ফুল ট্যাংক তেল নিয়ে প্রকৃত দূরত্ব রেকর্ড করুন।

৪. কমফোর্ট এবং লোড চেক করা প্রয়োজন

সামনে টেলিস্কোপিক হাইড্রোলিক এবং পেছনে ৫-স্টেপ অ্যাডজাস্টেবল হাইড্রোলিক শক অ্যাবজর্বার ব্যবহার করা হয়েছে যা একটি প্রথাগত কমিউটার সেটআপ। পেছনের সাসপেনশন লোড অনুযায়ী পরিবর্তন করা গেলেও, এটি কতটা আরামদায়ক হবে তা ব্যবহারের ওপর নির্ভর করে। আপনার নিয়মিত পিলিয়নকে নিয়ে সিঙ্গেল সিট লেআউটটি পরীক্ষা করুন, বিশেষ করে সিটের জায়গা, ফুটরেস্টের অবস্থান এবং ব্রেক করার সময় রাইডার সামনের দিকে ঝুঁকে যায় কি না তা দেখুন। ১৬৫ মিমি ground clearance বাংলাদেশের ভাঙা রাস্তা বা স্পিড ব্রেকারের জন্য কতটুকু কার্যকর, বিশেষ করে লোড থাকা অবস্থায়, তা খেয়াল রাখা জরুরি। ১,২৪৫ মিমি wheelbase দিয়ে স্থায়িত্ব বা কমফোর্ট পুরোপুরি বোঝা সম্ভব নয়, তাই টেস্ট রাইড নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

৫. ব্রেকিং: IBS মানেই ABS নয়

বাইকটির স্পেসিফিকেশনে স্পষ্টভাবে কোনো ABS নেই। এতে রয়েছে ২৪০ মিমি ফ্রন্ট disc, ১৩০ মিমি রিয়ার drum এবং IBS ব্রেকিং। মনে রাখবেন, IBS কোনোভাবেই হুইল-লক প্রিভেনশন বা ABS-এর বিকল্প নয়। তাই ভেজা রাস্তা, বালু বা হঠাৎ ব্রেক করার সময় সতর্ক থাকতে হবে। এতে ৮০/১০০ x ১৮ সামনে এবং ৯০/৯০ x ১৮ পেছনের tubeless tyres দেওয়া হয়েছে। Tubeless টায়ার ব্যবহারিক হলেও এর গ্রিপ টায়ারের অবস্থা এবং এয়ার প্রেশারের ওপর নির্ভর করে। কেনার সময় টায়ারের ম্যানুফ্যাকচারিং ডেট এবং স্থানীয় বাজারে রিপ্লেসমেন্ট সাইজ পাওয়া যায় কি না তা নিশ্চিত করুন।

৬. বিল্ড কোয়ালিটি যাচাই করুন, ব্র্যান্ড নয়

বাইকটি কেনার সময় এর পেইন্ট ফিনিশিং, নাট-বল্টু, ওয়েল্ডিং, ক্যাবল রাউটিং এবং কোনো লিক আছে কি না তা ভালো করে পরীক্ষা করুন। AHO LED প্রোজেকশন হেডলাইট, DRL এবং ডিজিটাল স্পিডোমিটার ঠিকমতো কাজ করছে কি না নিশ্চিত করুন। কিক এবং ইলেকট্রিক—উভয় পদ্ধতিতেই স্টার্ট দিয়ে দেখুন এবং ১২ ভোল্টের ব্যাটারির কন্ডিশন চেক করতে বলুন। নতুন বাইক ডেলিভারি নেওয়ার আগে কোনো স্ক্র্যাচ বা লুজ ফিটিং থাকলে তা সমাধান করে নিন।

৭. পার্টস এবং সার্ভিস প্ল্যানিং

বাংলাদেশে এর বিক্রয় চ্যানেল থাকলেও আপনার নিকটস্থ ডিলার বা দেশজুড়ে ওয়ার্কশপ কভারেজ আছে কি না তা যাচাই করুন। নিয়মিত প্রয়োজনীয় পার্টস যেমন—ইঞ্জিন অয়েল, প্লাগ, ব্রেক প্যাড এবং চেইন স্প্রকেট সহজেই পাওয়া যেতে পারে, তবে বডি প্যানেল, ডিজিটাল ক্লাস্টার বা LED হেডলাইটের মতো মডেল-স্পেসিফিক পার্টসের লভ্যতা নিশ্চিত করুন। কেনার আগে স্থানীয় সাপ্লায়ারের কাছ থেকে সার্ভিস শিডিউল এবং কার্বুরেটর/i3S ডায়াগনস্টিক সুবিধা সম্পর্কে জেনে নিন। শুধু ব্র্যান্ড ইমেজের ওপর ভিত্তি করে পার্টস সাপোর্টের নিশ্চয়তা পাওয়া যায় না।

৮. রক্ষণাবেক্ষণ খরচ: আইটেম অনুযায়ী বাজেট করুন

এয়ার কুলিং এবং কার্বুরেটর থাকার কারণে এর মেকানিক্যাল কাজ তুলনামূলক সহজ, তবে এর অর্থ এই নয় যে মেরামতের খরচ সবসময় কম হবে। নিয়মিত অয়েল চেঞ্জ, চেইন পরিষ্কার, ব্রেক সার্ভিসিং এবং ব্যাটারির জন্য বাজেট রাখুন। সার্ভিস সেন্টারে লেবার চার্জ এবং পার্টসের দাম আলাদাভাবে জেনে নিন। হেডলাইট বা ইন্সট্রুমেন্ট ক্লাস্টারের মতো দামি ইলেকট্রনিক পার্টস ক্ষতিগ্রস্ত হলে রিপ্লেসমেন্ট খরচ কেমন হতে পারে, সে সম্পর্কে আগেই ধারণা নিন।

৯. ব্যবহৃত বাইক ক্রয় এবং রিসেল ভ্যালু

ব্যবহৃত (used) Hero Passion Xpro XTEC কেনার ক্ষেত্রে ইঞ্জিন এবং চ্যাসিস নাম্বারের সাথে মালিকানার কাগজপত্র মিলিয়ে নিন। কোল্ড স্টার্ট, ক্লাচ রেসপন্স, গিয়ার শিফটিং এবং সাসপেনশনের অবস্থা যাচাই করুন। কোনো অস্বাভাবিক শব্দ বা ধোঁয়া থাকলে তা গুরুত্বের সাথে দেখুন। রিসেল ভ্যালু আগে থেকে নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়, তাই স্থানীয় মার্কেটে বর্তমান দামের সাথে তুলনা করুন। যদি টায়ার বা ব্রেক পার্টস পরিবর্তন করতে হয়, তবে বাইকের দাম কমানোর জন্য দরদাম করুন।

ভালো দিক (Pros)

  • ১১৯ কেজি ওজন হওয়ার কারণে এটি একটি সহজে নিয়ন্ত্রণযোগ্য কমিউটার হিসেবে উপযুক্ত।
  • পেছনের সাসপেনশন লোড অনুযায়ী পাঁচ ধাপে অ্যাডজাস্ট করার সুবিধা দেয়।
  • উভয় অ্যালয় হুইলেই tubeless tyres দেওয়া হয়েছে।
  • এতে কিক (kick) এবং ইলেকট্রিক (electric) উভয় পদ্ধতিতেই স্টার্ট দেওয়ার সুবিধা আছে।
  • সামনের disc brake, ডিজিটাল স্পিডোমিটার এবং LED লাইটিং বাইকটিতে ব্যবহারিক সুবিধা যোগ করেছে।

খারাপ দিক (Cons)

  • এতে স্পষ্টভাবে কোনো ABS নেই।
  • স্বল্প আউটপুট (output) হওয়ার কারণে লোড থাকা অবস্থায় ওভারটেকিংয়ের জন্য বাস্তবসম্মত প্রত্যাশা রাখা প্রয়োজন।
  • ৮০০ মিমি seat height হওয়ার কারণে ছোট উচ্চতার রাইডারদের জন্য পার্সোনাল ফিট চেক করা জরুরি।
  • ট্রাফিকে প্রকৃত mileage এবং স্থানীয় পার্টস পাওয়ার সময়সীমা (lead times) এখনো যাচাই করা হয়নি।

শেষ কথা (Verdict)

Hero Passion Xpro XTEC বাইকটি দ্রুতগতির রাইডিংয়ের চেয়ে প্রতিদিনের পরিমিত যাতায়াতের জন্য বেশি উপযুক্ত। এর ফিচার এবং অ্যাডজাস্টেবল রিয়ার সাসপেনশন কাগজে-কলমে বেশ কার্যকর, তবে ABS না থাকাটা নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বড় ঘাটতি। বাইকটি কেনার আগে আপনার উচ্চতার সাথে মানানসই কি না, রাইডিং কমফোর্ট, চূড়ান্ত প্রাইজ এবং পার্টস সাপোর্টের লিখিত নিশ্চয়তা যাচাই করে নিন। ব্যবহৃত বাইকের ক্ষেত্রে কাগজপত্র এবং বর্তমান কন্ডিশনকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিন।

Similar Bikes